বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৬ এম
গত শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদীতে নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শাহরিয়ার মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় ২০২৪ সালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসী হামলার মামলাসহ দুইটি মামলার আসামি।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সূত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে কয়েক দফা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ফলে চারজন মুসল্লি নিহত এবং কয়েকশ মুসল্লি আহত হন। এই ঘটনায় বিবদমান দুই পক্ষ একাধিক মামলা দায়ের করে। এসব মামলার মধ্যে টঙ্গী পশ্চিম থানায় হত্যাচেষ্টা, গাড়ি ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তিন নম্বর আসামি শাহরিয়ার মাহমুদ। তার পিতার নাম উকিল মনশাদ উল্লাহ। তার ঠিকানা ঢাকার মিরপুরের ১২ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের আট নম্বর লাইনের সাত নম্বর বাড়ি। শাহরিয়ার মাহমুদ গাজীপুর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের একটি হত্যা মামলার সি আর মোকদ্দমার ২৫ নম্বর আসামি। মামলাটি বর্তমানে গাজীপুর পিবিআইয়ের তদন্তাধীন রয়েছে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানান, শাহরিয়ার মাহমুদ আমার থানার মামলা নম্বর ০৬(০৯)২৪ এর তিন নম্বর আসামি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই গাজীপুরের ইন্সপেক্টর ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদীতে নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এই মামলায় শাহরিয়ার মাহমুদসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, যাদের মধ্যে কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যের (এমপি) জামাতা মিজানুর রহমান এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের ‘কিং অব রোমান্স’ শাহরুখ খান বাস্তব জীবনে সম্পর্কের রসায়ন কতটা গভীরভাবে বোঝেন, তা আবারও প্রমাণিত হলো। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে এক ভক্ত নবদম্পতিদের সুখী বিবাহিত জীবনের ‘গ্রিন ফ্ল্যাগ’ বা মূল চাবিকাঠি সম্পর্কে জানতে চেয়ে প্রশ্ন করলে, শাহরুখ খান সুখী দাম্পত্যের ইতিবাচক দিক হিসেবে পারস্পরিক সমঝোতা ও মানিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেন। তিনি এই পরামর্শটি ‘আস্ক এসআরকে’ সেশনে প্রদান করেন।
বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান বলেন, 'একে অপরের রঙে রঙিন হয়ে ওঠো...। নিজেদের মধ্যে মানিয়ে নাও, যাতে তোমরা দুজনেই সঙ্গীকে আরও সুখী করতে পারো।'
শাহরুখ খানের এই বক্তব্য শুধুমাত্র রোমান্টিক নয়, এর পেছনে রয়েছে একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্ব। রিলেশনশিপ কোচের মতে, যদি দুজন মানুষ সম্পর্কের আগের মতো বেঁচে থাকার জেদ ধরে রাখেন, তাহলে কোনো ভালোবাসার সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।
তিনি জানান, স্বাস্থ্যকর অ্যাডজাস্টমেন্টের অর্থ হলো— সঙ্গীর জন্য নিজের জীবনে জায়গা তৈরি করে নেওয়া। সঙ্গী কিভাবে মানসিক দ্বন্দ্বে সাড়া দেন, তা বুঝে যোগাযোগের মাধ্যম বদলানো, সপ্তাহান্ত কীভাবে কাটাবেন, দায়িত্ব কীভাবে শেয়ার করবেন কিংবা কঠিন দিনের পর সঙ্গীর নীরবতার প্রয়োজনকে সম্মান জানানো— এসব বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এ কিংবদন্তি অভিনেতা।
বাদশাহর ভালোবাসার ভিত্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— অন্যকে খুশি করতে গিয়ে নিজের অস্তিত্বকে ছোট করা যাবে না। অসুস্থতা, ক্যারিয়ারের চাপ, গর্ভাবস্থা কিংবা শোকের মতো কঠিন সময়ে একজন সঙ্গীকে বেশি দায়িত্ব বহন করতে হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে দুজনকেই অনুভব করতে হবে— ‘তোমার আনন্দ যেমন আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, আমার আনন্দও তোমার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি আরও বলেন, ভালোবাসায় দুজন মানুষ অনিবার্যভাবে একে অপরের অভ্যাস, স্বাদ ও চিন্তাভাবনা দ্বারা প্রভাবিত হন। তবে সম্পর্ক গভীর হতে গিয়ে দুজনের নিজস্ব রঙ বা ব্যক্তিত্ব হারিয়ে যাবে না। দুটি আলাদা রঙ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি নতুন সুন্দর শেড তৈরি করাই আসল ভালোবাসা।
সম্পর্কের লক্ষ সঙ্গীকে খুশি করা নয়; বরং এমন একটি বন্ধন গড়ে তোলা, যেখানে দুজন মানুষই সমান ভালোবাসা, মর্যাদা, স্বতন্ত্রতা এবং সুখ অনুভব করতে পারেন। সাইকোথেরাপিস্টের ভাষায়— ভালোবাসায় অবশ্যই মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, তবে সুস্থ ভালোবাসা কখনো নিজের অস্তিত্ব বিসর্জন দেওয়ার দাবি করে না।
অতএব, সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো বড় সিদ্ধান্ত বা অ্যাডজাস্টমেন্ট করার আগে বিশেষজ্ঞরা দম্পতিদের নিজেদের কাছে পাঁচটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার পরামর্শ দিয়েছেন—
প্রথমত, আমি কি এটি নিজের ইচ্ছায় বেছে নিচ্ছি, নাকি 'না' বললে পরিণতি কী হবে সেই ভয়ে মেনে নিচ্ছি?
দ্বিতীয়ত, আমার সঙ্গীও কি একই ভাবে আমার প্রয়োজন ও মানসিক শান্তির জন্য জায়গা তৈরি করছেন?
তৃতীয়ত, এই অ্যাডজাস্টমেন্ট কি কেবল একটি অভ্যাস বদলাতে বলছে, নাকি আমার গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিতে বলছে?
চতুর্থত্ব, অসম্মান বা মানসিক অবহেলার শিকার না হয়ে আমি কি সম্পর্কের মধ্যে দ্বিমত পোষণ করতে পারি?
পঞ্চমত, বারবার আপস করার পর আমি কি এখনো নিজেকে এই সম্পর্কের মধ্যে চিনতে পারি?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে ডিবির (গোয়েন্দা পুলিশ) বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি তুহিন রেজা সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার রাতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ইয়াফাত ফিলিংস্টেশন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি তুহিন রেজা (৩৩), ঢাকা মহানগর শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইয়াফাত ফিলিংস্টেশনের মালিক এমদাদুল হক সোহাগ (৩৭) এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতা সাদ্দাম হোসেন (৩২)।
ঝিনাইদহ গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল জেলার বিভিন্ন স্থানে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতার করার পর তাদের ডিবি কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয় এবং পরে কালীগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্ব থেকেই নাশকতা ও সন্ত্রাস দমন আইনে কালীগঞ্জ থানায় মামলা বিচারাধীন ছিল। ওই মামলাতেই তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান বিরোধী অবস্থানের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিনাত হুদাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তটি বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় গৃহীত হয়।
ঢাবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ‘শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পর অধ্যাপক জিনাত হুদার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
অধ্যাপক আলফেছানী আরও জানান, অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য একটি ট্রাইব্যুনালও গঠন করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জিনাত হুদা ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ এবং সিনেটের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। ঢাবি নীল দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে।
এর আগে শ্রেণিকক্ষে এবং শ্রেণিকক্ষের বাইরে অশিক্ষকসুলভ আচরণ ও নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের অভিযোগে ৩০ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাদেকা হালিমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল সিন্ডিকেটের সভায়।
ওই দিন সিন্ডিকেট সভায় বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ এবং তথ্যানুসন্ধান কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম এবং অধ্যাপক আফরোজা শেলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
জুলাই মাসের অভ্যুত্থানের সময়ের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।
উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়াকে সাময়িকভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সিন্ডিকেটের এই সভায় জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা লাভলু মোল্লা শিশিরকেও (মুহাম্মদ লাভলু মোল্লা) সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রামে পুলিশের হাতে হাতকড়া পরা অবস্থায় থাকা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আবু ছিদ্দিক পালিয়ে গেছেন। তাকে আটক করার চেষ্টা করার সময় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই ঘটনা ঘটে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত ৯টার দিকে কুড়ুলগাছী ইউনিয়নের চণ্ডীপুর গ্রামে। পলাতক আবু ছিদ্দিক কুড়ুলগাছী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য এবং চণ্ডীপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবু ছিদ্দিককে আটক করার জন্য রাতে পুলিশ চণ্ডীপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। দর্শনা থানার একটি পুলিশ দল তাকে আটক করে এবং হাতকড়া পরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং তাকে ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে পুলিশের পরাণ হাতকড়া নিয়েই আবু ছিদ্দিক পালিয়ে যান।
পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন- চণ্ডীপুর হালদারপাড়ার রবি হালদারের ছেলে লক্ষ্মণ, সেলিমের ছেলে ফিরোজ, সঞ্চয়ের স্ত্রী কণা এবং সঞ্জিতের স্ত্রী সোনালী।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ বলেন, "আওয়ামী লীগ নেতা আবু ছিদ্দিককে আটক করতে গেলে পরিবারের লোকজনসহ প্রতিবেশীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। তাকে পুনরায় আটকের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
এ বিষয়ে দর্শনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুখলেসুর রহমান জানান, ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে জোরালো চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ