সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০১ পি.এম
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড-এর ৫৪তম বোর্ড সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল আজিজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জাহেদুল হক, বেদৌরা আহমেদ সালাম, ফারজানা সুলতানা, মোঃ সাহেদুল আলম, মোঃ লাফিজুল হক, রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বতন্ত্র পরিচালক গোলাম হাফিজ আহমেদ।
এছাড়াও, সভায় স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ মিজানুর রহমান এফসিএস এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড-এর সিইও মোহসীন হাওলাদারও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মো. হিরন মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টার দিকে মালয়েশিয়ার একটি বাগানে কাজ করার সময় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মৃত হিরন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের মনকাশাইর গ্রামের মৃত সামছুল হকের পুত্র। তিনি প্রায় তিন বছর ধরে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং সেখানে একটি বাগানে কাজ করতেন।
মৃতের বড় ভাই মো. খোকন মিয়া জানান, সোমবার বিকালে বাগানে কাজ করার সময় হিরনের উপর বজ্রপাত হয়। পরে তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে বিষয়টি জানান। বর্তমানে সহকর্মীরা হিরনের লাশ দেশে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, হিরন অনেক ঋণ করে কষ্ট করে বিদেশে গিয়েছিলেন। এর আগে তার ছোট মেয়ে নিহা মনিও মারা যায়। একের পর এক দুর্ঘটনায় পরিবারটি শোকের মধ্যে রয়েছে।
চার ভাইয়ের মধ্যে হিরন ছিলেন সবার ছোট। বিদেশ যাওয়ার আগে তিনি দেশে গাছ কাটার কাজ করতেন। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ছেলে ইকরাম হোসেন আমির দশম শ্রেণির ছাত্র। দুই মেয়ে হিমু আক্তার ষষ্ঠ শ্রেণি এবং রিমু আক্তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।
হিরনের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্ত্রী হ্যাপি আক্তারের কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে। ৭৫ বছরের মা জাহানারা বেগম ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে বারবার মাটিতে লুটিয়ে পড়ছেন। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রবেশপত্রের প্রয়োজন। তবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের কিছু বিভাগের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এই টাকা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তা আদায় করা হচ্ছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের একাধিক বিভাগে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইতিহাস, হিসাববিজ্ঞান, সমাজকর্ম ও ডিগ্রী পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিছু বিভাগের অফিস সহকারীকে প্রবেশপত্র দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের থেকে টাকা নিতে দেখা গেছে।
বেলা ১২টার দিকে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অফিস সহকারী পিংকি রানীকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র দেওয়ার জন্য ২০ টাকা দাবি ও গ্রহণ করতে দেখা যায়।
অতিরিক্ত টাকা নেওয়া বৈধ কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শুধু ২০ টাকা নিচ্ছি, এতে সমস্যা কোথায়? ২০ টাকা দিতে কারও সমস্যা নেই।’
হিসাববিজ্ঞান বিভাগের আরেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দুর্জয় চন্দ্র দাস টাকা নেওয়ার সঙ্গে জড়িত, এমন অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক গোলাম মোহাম্মদ বলেন, ‘আমি তাদের নিষেধ করেছি। অভিযোগটি আমি সিরিয়াসলি নিচ্ছি। আমি হাতেনাতে ধরব দুর্জয়কে। আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
ইতিহাস বিভাগের হিসাব ও অফিস সহকারী মো. শাহ আলম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০ টাকা করে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এই টাকা নেওয়া বৈধ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রিন্ট খরচের জন্য ২০ টাকা করে নিচ্ছি।’
যদিও ফরম পূরণের সময়ই শিক্ষার্থীরা সব ধরনের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার কল দিয়েও ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. কাদিমুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
অপরদিকে, সমাজকর্ম বিভাগেও প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অফিস সহকারীকে টাকা নিতে দেখা যায়। অফিস সহকারী মো. সোলাইমান বলেন, ‘প্রবেশপত্রের জন্য ৩০ টাকা নিচ্ছি। সমস্যা কোথায়? অনেকদিন ধরেই টাকা নেই, এটা তো আর নতুন না।’
এ বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, টাকা নেওয়ার বিষয়ে তারা অবগত নন।
সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ হারেছী বলেন, ‘টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি জানতাম না। প্রবেশপত্রের জন্য টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
কলেজ প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রবেশপত্রের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এতদিন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
কলেজের ডিগ্রি শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র প্রদান করেন প্রশাসনিক ভবনের অফিস সহকারী মো. জাকির হোসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০ টাকা করে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে টাকা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক গাজী গোলাম মোহাম্মদ সোহরাব হাসান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে আলোচনা করেছি। কর্মচারীদের নিয়ে একটি কাউন্সিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল মজিদ বলেন, ‘টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। অধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব।’
এ বিষয়ে জানতে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল বাশার ভূঁঞার সঙ্গে কল করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা- জাসাস এর উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সারাদেশে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে। এই কর্মসূচিটি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টায় জাসাস আশাশুনি উপজেলা শাখা আয়োজন করে।
কর্মসূচির শুরুতে মিছিলটি আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে বের হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক ও বাজার ঘুরে পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে ইউনিয়ন পরিষদ মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাসাস উপজেলা আহবায়ক সাইফুল ইসলাম বাচ্চু এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব শরীফ ইমরান টিটো।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন যুগ্ম আহবায়ক কামরুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম, ইয়াসিন হোসেন, ইবাদুল ইসলাম, বাকী বিল্লাহ বাবু, সাদ্দাম হোসেন, সোহাগ হোসেন, মনিরুল ইসলাম, শান্ত, আবু হোসেন আবু, রাকিবুজ্জামান রাকিব, শুভ, আছাদুল, নাজমুল, কুল্যা ইউনিয়ন আহবায়ক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সদস্য সচিব সবুজ হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ ইরাকের নাসরিয়া অঞ্চলের মরুভূমিতে অনুষ্ঠিত এক বিয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এই রাজকীয় আয়োজনের জন্য বিপুল সংখ্যক পশু জবাই করা হয়, যা নিয়ে আলোচনা চলছে।
আল-বাদুর গোত্রের শেখ হায়দার আবিরের ছেলেদের বিয়ের উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ইরাকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক অতিথি উপস্থিত হন।
অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য প্রায় ১৪০০ ভেড়া ও ছাগল এবং ২৭০টির বেশি উট জবাই করা হয়। মরুভূমির বিশাল আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই বিয়ের ভোজ ও অনুষ্ঠানের দৃশ্য ধারণ করা ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওগুলো ভাইরাল হওয়ার পর বিয়ের আয়োজনের ব্যাপ্তি, অতিথির সংখ্যা এবং ভোজের জন্য ব্যবহৃত পশুর সংখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ইরাকের উপজাতীয় সংস্কৃতিতে বড় আকারের সামাজিক অনুষ্ঠান এবং অতিথি আপ্যায়নের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বিশেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠানে বংশের মর্যাদা ও আতিথেয়তা প্রদর্শনের জন্য বড় আয়োজন করার প্রচলন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ