সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৩ পি.এম
অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রবেশপত্রের প্রয়োজন। তবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের কিছু বিভাগের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এই টাকা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তা আদায় করা হচ্ছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের একাধিক বিভাগে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইতিহাস, হিসাববিজ্ঞান, সমাজকর্ম ও ডিগ্রী পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিছু বিভাগের অফিস সহকারীকে প্রবেশপত্র দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের থেকে টাকা নিতে দেখা গেছে।
বেলা ১২টার দিকে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অফিস সহকারী পিংকি রানীকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র দেওয়ার জন্য ২০ টাকা দাবি ও গ্রহণ করতে দেখা যায়।
অতিরিক্ত টাকা নেওয়া বৈধ কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শুধু ২০ টাকা নিচ্ছি, এতে সমস্যা কোথায়? ২০ টাকা দিতে কারও সমস্যা নেই।’
হিসাববিজ্ঞান বিভাগের আরেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দুর্জয় চন্দ্র দাস টাকা নেওয়ার সঙ্গে জড়িত, এমন অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক গোলাম মোহাম্মদ বলেন, ‘আমি তাদের নিষেধ করেছি। অভিযোগটি আমি সিরিয়াসলি নিচ্ছি। আমি হাতেনাতে ধরব দুর্জয়কে। আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
ইতিহাস বিভাগের হিসাব ও অফিস সহকারী মো. শাহ আলম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০ টাকা করে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এই টাকা নেওয়া বৈধ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রিন্ট খরচের জন্য ২০ টাকা করে নিচ্ছি।’
যদিও ফরম পূরণের সময়ই শিক্ষার্থীরা সব ধরনের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার কল দিয়েও ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. কাদিমুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
অপরদিকে, সমাজকর্ম বিভাগেও প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অফিস সহকারীকে টাকা নিতে দেখা যায়। অফিস সহকারী মো. সোলাইমান বলেন, ‘প্রবেশপত্রের জন্য ৩০ টাকা নিচ্ছি। সমস্যা কোথায়? অনেকদিন ধরেই টাকা নেই, এটা তো আর নতুন না।’
এ বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, টাকা নেওয়ার বিষয়ে তারা অবগত নন।
সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ হারেছী বলেন, ‘টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি জানতাম না। প্রবেশপত্রের জন্য টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
কলেজ প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রবেশপত্রের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এতদিন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
কলেজের ডিগ্রি শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র প্রদান করেন প্রশাসনিক ভবনের অফিস সহকারী মো. জাকির হোসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০ টাকা করে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে টাকা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক গাজী গোলাম মোহাম্মদ সোহরাব হাসান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে আলোচনা করেছি। কর্মচারীদের নিয়ে একটি কাউন্সিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল মজিদ বলেন, ‘টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। অধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব।’
এ বিষয়ে জানতে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল বাশার ভূঁঞার সঙ্গে কল করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা- জাসাস এর উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সারাদেশে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে। এই কর্মসূচিটি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টায় জাসাস আশাশুনি উপজেলা শাখা আয়োজন করে।
কর্মসূচির শুরুতে মিছিলটি আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে বের হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক ও বাজার ঘুরে পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে ইউনিয়ন পরিষদ মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাসাস উপজেলা আহবায়ক সাইফুল ইসলাম বাচ্চু এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব শরীফ ইমরান টিটো।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন যুগ্ম আহবায়ক কামরুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম, ইয়াসিন হোসেন, ইবাদুল ইসলাম, বাকী বিল্লাহ বাবু, সাদ্দাম হোসেন, সোহাগ হোসেন, মনিরুল ইসলাম, শান্ত, আবু হোসেন আবু, রাকিবুজ্জামান রাকিব, শুভ, আছাদুল, নাজমুল, কুল্যা ইউনিয়ন আহবায়ক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সদস্য সচিব সবুজ হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ ইরাকের নাসরিয়া অঞ্চলের মরুভূমিতে অনুষ্ঠিত এক বিয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এই রাজকীয় আয়োজনের জন্য বিপুল সংখ্যক পশু জবাই করা হয়, যা নিয়ে আলোচনা চলছে।
আল-বাদুর গোত্রের শেখ হায়দার আবিরের ছেলেদের বিয়ের উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ইরাকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক অতিথি উপস্থিত হন।
অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য প্রায় ১৪০০ ভেড়া ও ছাগল এবং ২৭০টির বেশি উট জবাই করা হয়। মরুভূমির বিশাল আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই বিয়ের ভোজ ও অনুষ্ঠানের দৃশ্য ধারণ করা ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওগুলো ভাইরাল হওয়ার পর বিয়ের আয়োজনের ব্যাপ্তি, অতিথির সংখ্যা এবং ভোজের জন্য ব্যবহৃত পশুর সংখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ইরাকের উপজাতীয় সংস্কৃতিতে বড় আকারের সামাজিক অনুষ্ঠান এবং অতিথি আপ্যায়নের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বিশেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠানে বংশের মর্যাদা ও আতিথেয়তা প্রদর্শনের জন্য বড় আয়োজন করার প্রচলন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনার তালতলীতে বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে "নদী বাঁচাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখনই" - এই দাবি নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এই কর্মসূচিটি রবিবার বিকাল ৫ টায় উপজেলা ভূমি কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ (ধরা) এবং ‘তালতলী চারুকলা একাডেমী’ -এর যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। আয়োজকরা জানান, নদী দখল ও দূষণমুক্তির বার্তা সমাজের সকল স্তরের মানুষ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা তাদের রং-তুলির আঁচড়ে ক্যানভাসে নদীর নয়নাভিরাম রূপ, বৈচিত্র্য এবং সুরক্ষার আকুতি ফুটিয়ে তোলে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তালতলী উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নাজমুল হাসান শাহীন, তালতলী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হারুন আর-রশিদ খান, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ-সম্পাদক আকন মোঃ আল-মামুনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং জলজ জীববৈচিত্র সংরক্ষণে বিভিন্ন নদীতে উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করেছে। সোমবার, এই অভিযানে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৪০টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ।
জব্দকৃত জালের আনুমানিক দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০০ মিটার। অভিযানের শেষে, উদ্ধারকৃত জালগুলো উপজেলা প্রশাসন ভবনের পাশে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসান সাজ্জাদ, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পুলিশ সদস্যবৃন্দ এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ। মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে বেগবতী নদী ও চিত্রা নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও এর রেণু ধ্বংস রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী তীরবর্তী জামাল ইউনিয়নের তৈলকুপি, সুন্দরপুর দুর্গাপুর ইউনিয়নের জমিদার বাড়ি সংলগ্ন, চাপালি পৌরসভা এলাকা ও এর আশপাশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ