০৪:০১ পি.এম
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড দেশের সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন মেয়াদি ডিপ্লোমা ও সমমানের কোর্সের প্রথম পর্বের ভর্তি ফি গ্রহণের জন্য নতুন নির্দেশনা প্রদান করেছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নগদ অর্থ না নিয়ে অনলাইন বা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ভর্তি ফি আদায় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত নীতিমালা ও পরিপত্রের অনুসরণে করা হচ্ছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক (কারিকুলাম) প্রকৌশলী অনিমেশ পাল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রকাশিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্দেশনাটি চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, মেরিন, টেক্সটাইল, অ্যাগ্রিকালচার, ফরেস্ট্রি, ফিশারিজ, লাইভস্টক এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের পাশাপাশি দুই বছর মেয়াদি এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও সার্টিফিকেট ইন মেরিন ট্রেড কোর্সের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
আরও পড়ুন: তৃতীয় ভাষা শেখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে: ডিআইইউ উপাচার্য
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, ভর্তি ও পুনঃভর্তি ফিসহ সরকারি প্রাপ্য অর্থ এ-চালানের মাধ্যমে সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের সব ধরনের ফি ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই নগদ অর্থ গ্রহণ করা যাবে না।
নীতিমালায় অনুমোদিত খাতের বাইরে অতিরিক্ত ফি আদায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি বা পুনঃভর্তি ফি সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং প্রতি সেমিস্টারের ফি ১ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি বা পুনঃভর্তি ফি ২০ টাকা এবং প্রতি সেমিস্টারের টিউশন ফি ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে (টিএসসি) ভর্তি ফি ২০ টাকা এবং ছেলেদের জন্য বার্ষিক বেতন ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে তিন সদস্যের একটি অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কমিটি প্রতিবছর প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেবে।
এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক, একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকির জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানের নেতৃত্বে ‘একাডেমিক কাম-প্রশাসনিক কাউন্সিল’ গঠন করতে হবে। এই কাউন্সিলকে প্রতি তিন মাসে অন্তত একবার সভা করতে হবে।
আরও পড়ুন: মাদ্রাসা ও মানবিক বিভাগে পড়েও জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন ইবি শিক্ষার্থী জাহিদ
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ফি আদায় বা অর্থ ব্যয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধান সরাসরি দায়ী থাকবেন। একই সঙ্গে অব্যয়িত অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন