ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাকিস্তানের হাতের মুঠো থেকে জয় ছিনিয়ে নিলো টাইগ্রেসরা


পাকিস্তানের হাতের মুঠো থেকে জয় ছিনিয়ে নিলো টাইগ্রেসরা

১২৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। পাকিস্তান প্রথম ১১ ওভারে ২ উইকেটে ৬৯ রান করে ম্যাচের দখল নিজেদের হাতে নিয়ে ফেলেছিল। ওই অবস্থায় বাংলাদেশ দলটির জয় আশা করা ছিল একেবারে দুরাশা! তবে সানজিদা আক্তার মেঘলা যখন দ্বিতীয় ওভার করতে বল হাতে নেন, তখন শুরু হয় পাকিস্তানের উইকেটের পতন। টাইগ্রেসরা পরবর্তী ৩৭ বলে মাত্র ১৫ রান দিয়ে অষ্টম উইকেট তুলে নেয়।

শেষের ১৭ বলে বাংলাদেশ আর একটি উইকেট তুলতে না পারলেও পাকিস্তান ৪০ রান করতে পারেনি। বাংলাদেশ ১০০ রান করতে সক্ষম হয়ে জয়লাভ করে ২৩ রানে।

এই জয়ের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ জয়ের আগের রেকর্ডে ভাগ বসায় নিগার সুলতানা জ্যোতি বাহিনী। লাল ফুটির প্রতিনিধিরা ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা ও আইয়ারল্যান্ডকে পরাজিত করেছিল। চলতি আসরে বাংলাদেশের প্রথম জয়টি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

সাউদাম্পটনে মেঘলা ১২তম ওভারে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পরের ওভার উইকেটশূন্য হলেও পাকিস্তান তখনো তেমন রান তুলে উঠতে পারেনি। ১৫তম ওভারে পাকিস্তানের ইনিংসে আঘাত হানেন রাবেয়া খান। এরপর মেঘলা, রিতু মনি ও নাহিদা আক্তার একটি করে উইকেট শিকার করলে পাকিস্তানের ইনিংসের কোমড় ভেঙে যায়।

উদ্বোধনী জুটিতে মুনিবা আলী ও গুল ফিরোজাই ৪৯ রান তুলেছিল। মুনিবা ২৫ ও ফিরোজা ২৩ রান করেন। বাকিদের কেউ ১২ রানের বেশি পারেননি। মেঘলা ও নাহিদা ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন।

জ্যোতির ৩৬ রান করা সত্ত্বেও স্বর্ণা আক্তার ঝড় না তুললে বাংলাদেশের ইনিংসও একশর আশপাশে থেমে যেতে পারত। স্বর্ণা ২২ বলে ৫ চারে ৩৯ রান করেন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান আসে সোবহানা মোস্তারির ব্যাট থেকে। পাকিস্তানের পক্ষে সানা নেন ২ উইকেট।

আরও পড়ুন: আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কার হাতে উঠবে এবারের বিশ্বকাপ, জানিয়ে দিল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


কার হাতে উঠবে এবারের বিশ্বকাপ, জানিয়ে দিল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা

বিশ্বকাপের ফল জানাতে ফের মাঠে নেমেছে ‘পল দ্য অক্টোপাস’এর উত্তরসূরিরা। ২০১০ সালের বিশ্বকাপে জার্মানির বিখ্যাত অক্টোপাস পল যেমন একের পর এক ম্যাচের ফল সঠিকভাবে অনুমান করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছিল, তেমনি এবার বিভিন্ন দেশের চিড়িয়াখানা ও অ্যাকোরিয়ামের প্রাণীরাও ভবিষ্যদ্বাণী করছে যে কার হাতে উঠবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় ট্রফিটি।

মেক্সিকোর গুয়াদালাজারা চিড়িয়াখানায় আয়োজিত বিশেষ একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাণীর সামনে হাজির করা হয় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর পতাকা ও প্রতীক। সেখানে দুটি ক্যাপিবারা বিশ্বকাপ জয়ের জন্য স্বাগতিক মেক্সিকোকেই বেছে নিয়েছে। তবে তাদের এই সিদ্ধান্ত হয়তো দেশপ্রেমের কারণে নাকি পতাকার সঙ্গে থাকা খাবারের লোভে, তা নিশ্চিত নয়।

একই চিড়িয়াখানার গরিলা ফউস্তিনা এবারের শিরোপা জিততে পারে স্পেন মনে করছে। তবে স্পেনের গ্রুপ পর্বের ম্যাচের বিষয়ে তার সহচর ৩৯ বছর বয়সী গরিলা চেঞ্চার মত ভিন্ন। চেঞ্চার বিশ্বাস করেন, ২৭ জুনের ম্যাচে উরুগুয়ে স্পেনকে হারাবে। দুই গরিলা তাদের পছন্দের দলের জার্সির কাটআউট বেছে নিয়ে নিজেদের ভবিষ্যদ্বাণী জানিয়েছে।

এদিকে দুই জিরাফের মতে, ‘কে’ গ্রুপে ডিআর কঙ্গো শক্তিশালী কলম্বিয়াকে সামঞ্জস্যে হারাতে সক্ষম হবে। অন্যদিকে একই চিড়িয়াখানার একটি হাতি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে মেক্সিকো দক্ষিণ আফ্রিকাকে পরাজিত করবে। হাতিটি পতাকার দিকে বল গড়িয়ে দিয়ে তার পছন্দ প্রকাশ করেছে।

তবে সব ভবিষ্যদ্বাণী যে সঠিক হচ্ছে, তা নয়। ১৪ বছর বয়সী পুমা ‘মুলুক’ মনে করেছিল চেক প্রজাতন্ত্র হারাবে দক্ষিণ কোরিয়াকে। মাংসের মধ্যে চেক প্রজাতন্ত্রের দিকের মাংস বেছে নিয়েছিল সে। কিন্তু বাস্তবে দক্ষিণ কোরিয়া ২-১ গোলে জয় তুলে নেয়।

কানাডাতেও একটি ‘জ্যোতিষী’ গোল্ডফিশ রয়েছে। তার নাম ‘সুইমবাপে’, যা ফরাসি তারকা এমবাপ্পের নাম থেকে অনুপ্রাণিত। অ্যাকোরিয়ামে রাখা দুই দেশের পতাকার মধ্যে একটি বেছে নিয়ে ম্যাচের ফল অনুমান করে এ গোল্ডফিশ। এখন পর্যন্ত প্রথম ২০ ম্যাচের মধ্যে ১০টির ফল সঠিকভাবে মিলিয়েছে সুইমবাপে। জার্মানি, ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার জয়ের পূর্বাভাসও আগেই দিয়েছিল এই গোল্ডফিশটি।

ইংল্যান্ডের কেন্টের একটি বন্যপ্রাণী পার্কে চার মাস বয়সী শিম্পাঞ্জি ‘জেন’ আলোচনায় এসেছে। ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচের আগে দুই দেশের পতাকার মধ্যে ইংল্যান্ডকে বেছে নিয়ে সে ৪-২ গোলের জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিল। তবে একই পার্কের ঘ horse ‘অ্যাঙ্গাস’ ২০১৮ সালে বেশ কয়েকটি পূর্বাভাসে ভুল করেছিল।

ব্রাজিলের রিও ডি’জেনেইরোর একটি অ্যাকোরিয়ামে ‘রিতিনহা’ নামের এক হাঙর ব্রাজিলের জয়ের ভবিষ্যদ্বাণী করলেও তা সঠিক হয়নি। বরং ‘নিম্বুস’ নামের একটি বিড়াল সঠিকভাবে জানিয়েছে যে মৌখিক ম্যাচটি ড্র হবে।

বিশ্বকাপ যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে এসব প্রাণী-জ্যোতিষীর জনপ্রিয়তা। যদিও তাদের ভবিষ্যদ্বাণীর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই, তবু ভক্তদের কাছে এগুলো বাড়তি বিনোদনের খোরাক হয়ে উঠেছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত কোন প্রাণীর পূর্বাভাস সবচেয়ে বেশি মিলে যায় এবং সত্যিই কার হাতে ওঠে বিশ্বকাপের ট্রফি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের ফুটবল বানানো দেশটিই কখনো ফুটবল খেলেনি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


বিশ্বকাপের ফুটবল বানানো দেশটিই কখনো ফুটবল খেলেনি!

বিশ্বের ফুটবল প্রেমীদের কাছে ফুটবলের জাদুকরী নান্দনিকতা বললে, সবার আগে মনে পড়বে মাঠের তারকা খেলোয়াড়দের সম্পর্কে। তবে মাঠের গোলপোস্টের ভেতরে আছড়ে পড়া বলটির উৎপত্তির জায়গাটি কোথা, তা অনেকেরই জানা নেই। বিস্ময়কর হলেও এটি সত্যি যে, বিশ্বের ফুটবল উৎপাদনের প্রকৃত প্রাণকেন্দ্র বা ‘ফুটবল ফ্যাক্টরি’ হিসেবে পরিচিত শহর শিয়ালকোট। এই শহরটি উত্তর-পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থিত এবং বর্তমানে এটি বিশ্ব ফুটবলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পরিসংখ্যানের মাধ্যমে জানা যায়, বিশ্বের মোট ফুটবলের প্রায় ৭০ শতাংশই এখানে শিয়ালকোটের কারখানাগুলোতে উৎপাদন করা হয়। প্রতিদিন এখানে প্রায় তিন লাখেরও বেশি ফুটবল তৈরি হয় এবং পৃথিবীর নানা প্রান্তে সেগুলি পাঠানো হয়। বিশেষ করে, বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনের বছরের সময়ে এই সংখ্যা চমকপ্রদভাবে বৃদ্ধি পায়; বিশ্বকাপের মৌসুমে এখানে প্রায় চার কোটি ফুটবল রপ্তানি করা হয়।

অবশ্য, মজার বিষয় হলো, পাকিস্তান ফুটবল দল এখনও পর্যন্ত কখনো ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলতে গিয়ে সফলতা অর্জন করতে পারেনি। তবে গত ৪৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে সবাইকে মুগ্ধকারী বলগুলো প্রতিটি বিশ্বকাপ আসরের সময় শিয়ালকোট থেকেই উৎপন্ন হয়। বিশেষ করে ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত শিয়ালকোটের ‘ফরোয়ার্ড স্পোর্টস’ কোম্পানিটি বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের অনন্য অবস্থানে নিয়ে গিয়েছে। ২০১৪ সালের ব্রাজুকা, ২০১৮ সালের টেলস্টার ১৮, ২০২২ সালের আল রিহলা এবং ২০২৬ সালের আসরের ট্রায়ন্ডা; টানা চারটি বিশ্বকাপে ব্যবহৃত অফিশিয়াল ম্যাচ বল তৈরির দায়িত্ব পালন করেছে এই শহরের দক্ষ কারিগররা।

এভাবে, একদিকে দেশের জাতীয় ফুটবল দলের বৈশ্বিক মঞ্চে না থাকার আক্ষেপ রয়েছে, অন্যদিকে বিশ্বের প্রতিটি বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের অবিচ্ছেদ্য অংশ থাকার বৈপরীত্য শিয়ালকোটকে দিয়েছে একটি অদ্ভুত পরিচিতি। খেলোয়াড়দের পায়ের জাদুর মাধ্যমে মাঠে গোল আসলেও, সেই জাদুর কারিগর হিসেবে নেপথ্যে কাজ করছে পাকিস্তানের এই শহর। ফুটবল বিশ্বের অঘোষিত এই ‘কারখানা’ আজ বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে একটি অনন্য এবং গর্বিত নাম হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবার লাশ দাফনে সাত সন্তানের আপত্তি, কী ঘটেছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


বাবার লাশ দাফনে সাত সন্তানের আপত্তি, কী ঘটেছিল

ভোলার চরফ্যাশনে পারিবারিক সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে মৃত বাবার লাশ দাফনে চরম উত্তেজনা, সংঘর্ষ ও নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের বাধার মুখে দুইবার কবর খোঁড়া হলেও দীর্ঘ সময় লাশ দাফন করা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে সংক্ষিপ্ত জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ডে নিহত জলিল পণ্ডিতের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত জীবদ্দশায় চারটি বিয়ে করেছিলেন। বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও সাত ছেলে-মেয়ে রয়েছেন। সম্প্রতি তার মৃত্যু হলে স্বজনরা পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নেন। এ সময় কয়েকজন সন্তান দাফনে আপত্তি জানান। তাদের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে জলিল পণ্ডিত তার সম্পত্তির একটি বড় অংশ ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে দিয়েছেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

অভিযোগ রয়েছে, সেই বিরোধের জের ধরেই কয়েকজন সন্তান বাবার লাশ দাফনে বাধা দেন। প্রথমে পারিবারিক কবরস্থানে কবর খোঁড়া হলেও সেখানে লাশ দাফন করতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়লে পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়ির উঠানে দ্বিতীয়বার কবর খোঁড়েন। কিন্তু সেখানেও আপত্তি জানানো হয়। একপর্যায়ে লাশ বাড়ির উঠানে রেখে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দাফনকে কেন্দ্র করে কয়েক ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা বিরাজ করে। লাশ দাফন নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একাধিক দফায় বাগ্‌বিতণ্ডা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এমনকি লাশ বাড়ির উঠানে রেখে ভাই-বোনদের মধ্যে মারধরের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।

খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে পুলিশের উপস্থিতিতেও কয়েক দফা উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উভয় পক্ষকে শান্ত করার উদ্যোগ নেন। দীর্ঘ আলোচনার পর স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় বিরোধের অবসান ঘটে। পরে বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে জলিল পণ্ডিতের লাশ দাফন করা হয়।

এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ওসি ফিরোজ আহমেদ বলেন, এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকাস্থ আশুগঞ্জ সমিতির সভাপতি কাউসার ও সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম নির্বাচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


ঢাকাস্থ আশুগঞ্জ সমিতির সভাপতি কাউসার ও সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম নির্বাচিত

ঢাকাস্থ আশুগঞ্জবাসীর ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘আশুগঞ্জ সমিতি, ঢাকা’-র সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সুদীর্ঘ ৪৮ বছরের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা, প্রীতি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর আগারগাঁও লায়ন চক্ষু হাসপাতাল ইনস্টিটিউট এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিতে সমিতির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। এতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিআরএল) কাউসার আহমেদকে সভাপতি এবং পুলিশ সুপার নুরে আলমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়, এবং ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, আশুগঞ্জের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুসংহত করা হবে। তাঁরা বলেন, ‘‘ঢাকায় বসবাসরত আশুগঞ্জবাসীর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ জোরদার করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি শক্তিশালী, কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী সংগঠন গড়ে তুলতে কাজ করব।”

সাবেক উপসচিব মোঃ শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি গোলাম মোস্তফা, অধ্যাপক মোঃ আলমগীর, প্রফেসর ড. এস এম হাফিজ, এডঃ রহমত আলী খান, অধ্যাপক শাহনাজ পারভীন, আজহারুল ইসলাম ভুইয়া, শামিম আহমেদ, মকসুদ আলী মৃধা, নাজমুল হাসান বিপ্লব, আক্তারুজ্জামান, নাজমুল হাসান হামদু, সহিদ খালিদ জামিল খান, কামরুল হাসান মোবারক, মোঃ মামুনুর রহমানসহ আশুগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

গঠনতন্ত্র উপস্থাপন করেন প্রফেসর আজিজুর রহমান মোকসেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোঃ আক্তারুজ্জামান।

ঢাকায় বসবাসরত আশুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তি, সমাজসেবক, শিক্ষাবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সমিতির সদস্যবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে অডিটোরিয়াম মুখর হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও শেকড়ের টানে অংশগ্রহণকারীরা একত্রিত হয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং আশুগঞ্জের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সভার প্রথম অধিবেশনে সংগঠনের কার্যক্রম পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির নতুন গঠনতন্ত্র সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%