১১:২০ পি.এম
১২৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। পাকিস্তান প্রথম ১১ ওভারে ২ উইকেটে ৬৯ রান করে ম্যাচের দখল নিজেদের হাতে নিয়ে ফেলেছিল। ওই অবস্থায় বাংলাদেশ দলটির জয় আশা করা ছিল একেবারে দুরাশা! তবে সানজিদা আক্তার মেঘলা যখন দ্বিতীয় ওভার করতে বল হাতে নেন, তখন শুরু হয় পাকিস্তানের উইকেটের পতন। টাইগ্রেসরা পরবর্তী ৩৭ বলে মাত্র ১৫ রান দিয়ে অষ্টম উইকেট তুলে নেয়।
শেষের ১৭ বলে বাংলাদেশ আর একটি উইকেট তুলতে না পারলেও পাকিস্তান ৪০ রান করতে পারেনি। বাংলাদেশ ১০০ রান করতে সক্ষম হয়ে জয়লাভ করে ২৩ রানে।
এই জয়ের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ জয়ের আগের রেকর্ডে ভাগ বসায় নিগার সুলতানা জ্যোতি বাহিনী। লাল ফুটির প্রতিনিধিরা ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা ও আইয়ারল্যান্ডকে পরাজিত করেছিল। চলতি আসরে বাংলাদেশের প্রথম জয়টি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
সাউদাম্পটনে মেঘলা ১২তম ওভারে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পরের ওভার উইকেটশূন্য হলেও পাকিস্তান তখনো তেমন রান তুলে উঠতে পারেনি। ১৫তম ওভারে পাকিস্তানের ইনিংসে আঘাত হানেন রাবেয়া খান। এরপর মেঘলা, রিতু মনি ও নাহিদা আক্তার একটি করে উইকেট শিকার করলে পাকিস্তানের ইনিংসের কোমড় ভেঙে যায়।
উদ্বোধনী জুটিতে মুনিবা আলী ও গুল ফিরোজাই ৪৯ রান তুলেছিল। মুনিবা ২৫ ও ফিরোজা ২৩ রান করেন। বাকিদের কেউ ১২ রানের বেশি পারেননি। মেঘলা ও নাহিদা ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন।
জ্যোতির ৩৬ রান করা সত্ত্বেও স্বর্ণা আক্তার ঝড় না তুললে বাংলাদেশের ইনিংসও একশর আশপাশে থেমে যেতে পারত। স্বর্ণা ২২ বলে ৫ চারে ৩৯ রান করেন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান আসে সোবহানা মোস্তারির ব্যাট থেকে। পাকিস্তানের পক্ষে সানা নেন ২ উইকেট।
আরও পড়ুন: আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন