শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৩ পি.এম
হবিগঞ্জ, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : চুনারুঘাট উপজেলার একটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতদের নাম মুহাদ্দিস খান (২০) এবং শেখ নয়ন মিয়া (২১)।
আজ শুক্রবার বিকেলে চুনারুঘাট-সাতছড়ি সড়কের চানপুর বাগান এলাকায় মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মুহাদ্দিস খান হলহলিয়া গ্রামের আলী আজগর খানের সন্তান। অপরদিকে, শেখ নয়ন মিয়া সতং গ্রামের শেখ কাইয়ুম মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, আজ শুক্রবার বিকেলে দুই যুবক মোটরসাইকেলে সাতছড়ি যাওয়ার পথে চানপুর বাগান এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইকের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনার ফলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মুহাদ্দিস খান এবং শেখ নয়ন মিয়া মারা যান।
এ ঘটনায় ইজিবাইকের দুই যাত্রীও আহত হন এবং তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল লঞ্চ টার্মিনালে আজ লঞ্চ থেকে নামার সময় মেঘনা নদীতে পড়ে এক যুবক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। তবে নিখোঁজ যুবকের সন্ধান এখনো মেলেনি।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে চাঁদপুরগামী মুকবিল-২ লঞ্চটি ষাটনল লঞ্চঘাটে যাত্রী নামাচ্ছিল। এ সময় ওই যুবক লঞ্চ থেকে নামার পর নিজের ব্যাগ লঞ্চে রেখে যাওয়ার কথা মনে পড়লে আবার লঞ্চে ওঠেন। পরে ফের লঞ্চ থেকে নামার সময় লঞ্চটি পেছনের দিকে চালিয়ে দেওয়া হলে ঘাটে লাফ দিয়ে নামার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় মেঘনা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ওই যুবক।
ঘটনার পর মুকবুল-২ লঞ্চটি দ্রুত মোহনপুর লঞ্চঘাটের দিকে চলে যায়। পরে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা লঞ্চটি ও এর দুই স্টাফকে আটক করেন। ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রুহুল আমিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সৈকত মন্তব্য করেন যে, লঞ্চ চালকদের ভুলের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা মনে করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ষাটনল লঞ্চ ঘাটে আগে এমন ঘটনা ঘটেনি এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। লঞ্চ যাত্রীরাও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। ষাটনল লঞ্চ ঘাটের ইজারাদার মো.ইমন জানান, ঘটনার পরপরই বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে এবং নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
বেলতলী নৌ পুলিশের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক জানান, নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে নৌ পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে বেলতলী নৌ পুলিশ, মোহনপুর নৌ পুলিশ এবং মতলব উত্তর থানা পুলিশের সদস্যরাও স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় ৪৫ মিনিট পর সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে চাঁদপুর নদী ফায়ার সার্ভিস খবর পায়। এরপর আবহাওয়া ও নদীর পরিস্থিতির কারণে সড়ক পথে ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয় ফায়ার সার্ভিসের দল। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস এবং বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরি দল।
চাঁদপুর নদী ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. রাকিবুল ইসলাম বাসস’তে বলেন, সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে ষাটনল লঞ্চ ঘাটে একজন যাত্রী নদীতে পড়ে যাওয়ার খবর পান তারা। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় সড়ক পথে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি অনুকূলে আসার পর ডুবুরি দলকে দিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরি দলও একই সঙ্গে উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছে।
ঘটনাস্থলে চারজন ডুবুরি দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানান চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ’র সহকারী পরিচালক সঞ্জয় দেবনাথ। তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পর চাঁদপুর থেকে ডুবুরি দল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আমরা পৌঁছেছি। নদীতে স্রোত থাকায় ঘটনাস্থলে না পাওয়া গেলে ভাটির দিকে তল্লাশি চালানো হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালানোর কথাও জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বাসস’কে জানান, বিষয়টি জানার পরপরই নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিটের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে প্রয়োজনীয় উদ্ধার তৎপরতা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়কের চান্দপুর নামক স্থানে অটোরিকশা ও টমটমের সাথে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
এই দুর্ঘটনাটি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চান্দপুর চা বাগান এলাকায় সংঘটিত হয়।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন উপজেলার হলহলিয়া গ্রামের আজগর খানের ছেলে মোহাদ্দিছ খান (২০) এবং অপরজন সতং গ্রামের শেখ কাইয়ুমের ছেলে নয়ন মিয়া (২০)।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, নিহতরা মোটরসাইকেলে করে চন্ডি-রামগংগা চা বাগান এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে টমটমের সাথে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু ঘটে। দুর্ঘটনার পর সড়কে কিছু সময়ের জন্য যানজট সৃষ্টি হয়।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ভাঙ্গা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া হাসামদিয়া মহল্লায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সুজন মাতুব্বর (৩০), দেলোয়ার খন্দকার ওরফে দেলু (৪০), মো. মান্নান ওরফে মান্দার খা (৫০), মো. মিরাজুল শেখ ওরফে মিরাজ (৩৮), মো. সোহাগ কাজী (২৭), মো. রকীব খান ওরফে রাজু (৩৪), আলমগীর মোল্লা (৩৫) ও হৃদয় খান (২৫)। এই আটজন ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভাঙ্গা পৌর এলাকার মধ্যপাড়া হাসামদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। শুক্রবার দুপুরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সুজন মাতুব্বরের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা, দেলোয়ার খন্দকার ওরফে দেলুর বিরুদ্ধে আটটি মামলা, মো. মান্নান ওরফে মান্দার খার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা, মো. সোহাগ কাজীর বিরুদ্ধে একটি মামলা, মো. রকীব খান ওরফে রাজুর বিরুদ্ধে দুটি মামলা এবং মো. মিরাজুল শেখ ওরফে মিরাজের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতির মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লন্ডন: চট্টগ্রামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, গৌরব এবং ব্যবসা-বাণিজ্যকে যুক্তরাজ্যে তুলে ধরার লক্ষ্যে আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার, রমফোর্ডের মেফেয়ার হলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’।
উৎসবকে সামনে রেখে গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায়, পূর্ব লন্ডনের নিউ রোডের তারা-তারে রেস্টুরেন্টে এক প্রেস ব্রিফিং ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সুজন বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী রেজা ও মো. মাসুদুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও কমিউনিটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে আয়োজকদের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলী রেজা চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬-এর প্রেস রিলিজ পাঠ করে শোনান। এতে উৎসবের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
আয়োজকরা জানান, চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয়োজন নয়; এটি চট্টগ্রামবাসীর সম্মিলিত ঐতিহ্য, পরিচয় ও গৌরবের উৎসব। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে নিজ শিকড়ের সংযোগ আরও শক্তিশালী করাই উৎসবের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের জন্যও এ উৎসব একটি কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম উৎসবকে আরও বৃহৎ পরিসরে, উন্মুক্ত মাঠে এবং আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজন করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী উপাদান যথাযথ মর্যাদায় উৎসবের অংশ হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।
চট্টগ্রাম উৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাজ্যে কার্যরত বিভিন্ন চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটির বিভিন্ন অংশকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। পারস্পরিক সহযোগিতা, মতবিনিময় ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কমিউনিটি গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আয়োজক, শিল্পী, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবক, সংগঠক কিংবা দর্শনার্থী যে ভূমিকাতেই থাকুন না কেন, সবার অংশগ্রহণেই এ উদ্যোগ আরও সমৃদ্ধ হবে। তাই যুক্তরাজ্যের সকল চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠন, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, তরুণ প্রজন্ম এবং সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করা হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, আবুল মুনছুর শাহজাহান, আরশাদ মালেক, শওকাত মাহমুদ টিপু, কাউন্সিলর ফিরোজ গনি, ইঞ্জিনিয়ার মো. আলমগীর, সলিসিটর জাগির আলম, মোহাম্মাদ কায়সার, মনির মাহমুদ, সুজন বড়ুয়া, অনুপম দাদা, মোহাম্মদ আলী রেজা, মো. মাসুদুর রহমান, শওকাত ওসমান, রায়হান চৌধুরী টিটু, আনন্দ বড়ুয়া, এম. আলিম উল্লাহ রাহাত, মোরশেদ ইসলাম, মোহাম্মদ আসলাম, গিয়াস উদ্দিন, ওমর বাপ্পী, সোহেল ইসলাম, মোছাম্মৎ সাদিয়া, শেখ সাজ্জাদ হোসেন, সায়েদ এ. এম. সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ রাকিব উদ্দিন, ওমর গনি, সায়েদ রফিকুল ইসলাম, মো. সাজ্জাদ হোসেন সায়েম, আশিকুর রহমান, তানভীর, নাবিল রহমানসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিনিধিরা।
এ সময় গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে, সন্দ্বীপ সমিতি ইউকে, গ্রেটার ম্যানচেস্টার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন, গ্লোবাল চাটগাঁ সোসাইটি ইউকে, কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে, বকতিয়ার সোসাইটি ইউকে, সীতাকুণ্ড সমিতি, চট্টগ্রাম ক্লাব ইউকে, ব্রিটিশ বাংলাদেশি ফোরাম, সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন এবং চট্টগ্রাম কমিউনিটি কেন্টসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলন শেষে চট্টগ্রাম উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত উদ্যোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমে চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ একটি মর্যাদাপূর্ণ, সর্বজনীন ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ