ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘পরবর্তী প্রজন্মের জন্য গর্বের ময়মনসিংহ গড়তে চাই’: মসিক প্রশাসক


‘পরবর্তী প্রজন্মের জন্য গর্বের ময়মনসিংহ গড়তে চাই’: মসিক প্রশাসক

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) প্রশাসক মো. রোকনুজ্জামান রোকন একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও আধুনিক ময়মনসিংহ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করতে চান, যাতে পরবর্তী প্রজন্ম নিজেদের নগরী নিয়ে গর্ব করতে পারে। নাগরিকসেবার মান বৃদ্ধি, যানজট নিরসন, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং নগরীর খালগুলোকে জনবান্ধব স্থানে রূপান্তরের পরিকল্পনা তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সকাল বেলা সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণ থেকে একটি আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়, যা নতুন বাজার প্রদক্ষিণ করে টাউন হল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে কেক কাটার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এই উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

প্রশাসক মো. রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, সিটি কর্পোরেশনের আট বছর পূর্তিতে বিগত দিনের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে নাগরিকসেবার মান আরও বাড়াতে হবে। নাগরিকদের করের অর্থে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানকে আরও নাগরিকবান্ধব করে গড়ে তুলতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, “একটি পরিচ্ছন্ন সুন্দর নগরী গড়ে তুলতে চাই, যাকে নিয়ে পরবর্তী প্রজন্ম নিজেদের নগরী হিসেবে অহংকার করবে। এটাই আমাদের আজকের প্রত্যাশা।”

নগরীর উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে প্রশাসক জানান, ময়মনসিংহে নতুন সড়ক নির্মাণ ও সড়কবাতি চালু, বেগম খালেদা জিয়া শিশু পার্ক স্থাপন এবং জয়নুল আবেদীন পার্ক আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। যানজট কমাতে রিকশা ও অটোরিকশার লাইসেন্স এবং চালকদের ডিজিটাল লাইসেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। অ্যাপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আকুয়াসহ নগরীর সাতটি খালকে উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে নগরবাসী সেগুলো পার্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। একই সঙ্গে নগরীর বন্ধ হয়ে থাকা রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে চলতি শীত মৌসুমে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

প্রশাসক বলেন, অতীতের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে নগরবাসীকে আরও উন্নত সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও আধুনিক নগরী গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সচিব সুমনা আল মজীদ, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মিঞা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নাসরীন বেগম সেতু, সহকারী সচিব মুহা. আমিনুল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন, নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আজহারুল হক, মো. মামুন-অর-রশিদ, জিল্লুর রহমান ও শফি কামাল, নগর পরিকল্পনাবিদ মানশ বিশ্বাস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মহব্বত আলী এবং খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদারসহ সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামি বই খুঁজুন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে নগরীর উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিকসেবার মানোন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা পাহারায় বিএনপির নেতাকর্মীরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঋষি-নীতুর বিয়েতে নুসরাত ফতেহ আলী খানের গান, পুরোনো ছবি প্রকাশিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


ঋষি-নীতুর বিয়েতে নুসরাত ফতেহ আলী খানের গান, পুরোনো ছবি প্রকাশিত

বলিউডের কাপুর পরিবারের বিয়ের আয়োজন সবসময়ই নানা স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকে। সম্প্রতি, অভিনেত্রী নীতু কাপুর একটি বিশেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে সেই স্মৃতিগুলো ভাগ করে নিয়েছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ঋষি কাপুরের বাড়িতে অনুষ্ঠিত সংগীত অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খান গান গাইছেন। তার পাশে বসে গান উপভোগ করছেন ঋষি কাপুর।

নীতু সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ছবিটি শেয়ার করেছেন। ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের সংগীতের রাত।’ এ ছাড়া, তিনি দুটি গোলাপি হৃদয়ের ইমোজি যুক্ত করেছেন। ছবিটি বিরল স্মৃতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঋষি কাপুর ও নীতু সিং ১৯৮০ সালের ২২ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের চেম্বুরে আরকে হাউসে বিয়ে করেন। তাদের বিয়ের আয়োজন ছিল ব্যাপক। বিয়ের সেই দিনের নানা ঘটনা নিয়ে নীতু আগেও আলোচনা করেছেন।

সুইগির ইউটিউব চ্যানেলে এক অনুষ্ঠানে নীতু জানান, বিয়েতে এত মানুষের ভিড় ছিল যে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঋষি কাপুরও ভিড় সামলাতে না পেরে ঘোড়ায় ওঠার আগে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। পরে দুজনেই ব্র্যান্ডি পান করেছিলেন বলেও মজার ছলে উল্লেখ করেন নীতু।

বিয়ের আরেকটি মজার ঘটনা তুলে ধরে নীতু বলেন, তাদের বিয়েতে পকেটমারও ঢুকে পড়েছিল। অতিথি হিসেবে তাদের অনেকে উপহার গ্রহণ করেছিলেন। পরে দেখা যায়, সেসব উপহারের মধ্যে পাথর ও চপ্পল ছিল। বিয়েতে প্রচুর মানুষের সমাগম হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছিল বলে জানান তিনি।

ঋষি কাপুর ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল ৬৭ বছর বয়সে মারা যান। তিনি দুই বছর ধরে লিউকেমিয়ার সঙ্গে লড়াইয়ের পর মুম্বাইয়ের স্যার এইচ এন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হাসপাতালে মারা যান।

কাজের ক্ষেত্রে নীতু কাপুরকে সর্বশেষ দেখা গেছে পারিবারিক কমেডি-ড্রামা ছবি দাদি কি শাদিতে। ছবিটি ৮ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিলিয়ন ডলারের উত্থানেও কেন পিছিয়ে নারী ফুটবলাররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ পি.এম


বিলিয়ন ডলারের উত্থানেও কেন পিছিয়ে নারী ফুটবলাররা

নারী ফুটবল অচিরেই বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হতে যাচ্ছে। এর প্রমাণও অনেকাংশেই দৃশ্যমান। তবে, অনেক পেশাদার খেলোয়াড় এখনও কম বেতন পাচ্ছেন, অনিশ্চিত চুক্তিতে কাজ করছেন এবং মানসিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছেন।

বিশ্বজুড়ে খেলোয়াড়দের সংগঠন ফিফপ্রোর ৮০০ জনেরও বেশি ফুটবলারের ওপর পরিচালিত নতুন বৈশ্বিক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

কেন তাঁরা আগেভাগে ফুটবল ছেড়ে দিতে পারেন, সে বিষয়ে খেলোয়াড়দের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগেভাগে খেলা ছাড়ার কথা বিবেচনা করা খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫৯ শতাংশ আর্থিক সমস্যাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, ৪৬ শতাংশের ক্ষেত্রে মানসিক চাপকে একটি কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ফিফপ্রোর নারী ফুটবল বিভাগের প্রধান অ্যালেক্স কালভিন বলেন, এর পেছনে একক কোনো ব্যাখ্যা নেই। জনসমক্ষে খেলোয়াড়দের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং পর্যাপ্ত সহায়তাব্যবস্থার অভাবকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

কালভিন বলেন, “খেলোয়াড়েরা এখন অনেক বেশি দৃশ্যমান।”

তিনি আরও বলেন, “খেলোয়াড়দের শুধু জনসমক্ষে দৃশ্যমান থাকলেই চলে না, বরং তা তাঁদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। কারণ, তাঁদের আয় কম হওয়ায় এভাবেই পর্যাপ্ত ও স্থিতিশীল আয়ের ঘাটতি পূরণ করতে হচ্ছে।”

কালভিন বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়লেও অনেক খেলোয়াড় মনে করেন, তাঁদের একাই পরিস্থিতি সামলাতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, “খেলোয়াড়েরা বেশি মানসিক চাপের কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁরা বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা তাঁরা পাচ্ছেন না। সেটা ক্লাবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্ষেত্রেও প্রয়োজ্য।”

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া নারী খেলোয়াড়দের ৫৭ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগেছেন। তাঁদের অর্ধেকই ক্লাবের কাছ থেকে কোনো সহায়তা পাননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী ফুটবলের বৈশ্বিক আয় ২০২৪ সালের প্রায় ৫৮ কোটি ১০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ২০২৭ সালে ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পেশাদার নারী ফুটবলারদের সামনে তৈরি হওয়া নতুন মানসিক চাপের বিষয়টিও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দুনিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেলোয়াড়েরা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সহজলভ্য। এতে সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বাড়ছে, তবে একই সঙ্গে অনলাইনে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।

ফিফপ্রোর জরিপে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ২০১৭ সালের পর থেকে বেতন, পরিচিতি ও বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও পেশাদার নারী ফুটবলের বড় একটি অংশ এখনো অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে পরিচালিত হচ্ছে। কালভিনের মতে, খেলাটির বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সেই প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি খেলোয়াড়দের সুরক্ষাব্যবস্থার উন্নতি তাল মেলাতে পারছে না।

তিনি বলেন, “নারী ফুটবলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পক্ষে যুক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমার মনে হয়, নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং তাঁদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের সুযোগ করে দিতে প্রাতিষ্ঠানিক, নিয়ন্ত্রক ও নীতিগত ব্যবস্থাগুলোকে দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে।”

প্রতিবেদনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ফলাফলগুলোর একটি হলো, খেলোয়াড়েরা নিজেদের পেশাদার পরিচয়কে কীভাবে দেখেন। ফিফার সংজ্ঞা অনুযায়ী, একজন পেশাদার খেলোয়াড়ের লিখিত চুক্তি থাকতে হবে এবং ফুটবল খেলার জন্য তাঁর যে খরচ হয়, তার চেয়ে বেশি অর্থ তাঁকে পারিশ্রমিক হিসেবে পেতে হবে।

জরিপে ৬২ শতাংশ খেলোয়াড় নিজেদের পেশাদার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ২৭ শতাংশ নিজেদের আধা-পেশাদার এবং ১২ শতাংশ অপেশাদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

জরিপে অংশ নেওয়া সব খেলোয়াড়ই নিজ নিজ দেশের শীর্ষ বিভাগের ক্লাবে খেলছেন। তা সত্ত্বেও, মাত্র ৭৮ শতাংশ জানিয়েছেন যে তাঁদের লিখিত চুক্তি রয়েছে এবং ৮২ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা ক্লাব থেকে পারিশ্রমিক পান। ৫৭ শতাংশ খেলোয়াড় জানিয়েছেন, তাঁদের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ফুটবল খেলার খরচ মেটানো সম্ভব।

কালভিন বলেন, “যেসব খেলোয়াড় পেশাদার হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের পেশাদার বলেমনে করেন না বা সেই অনুভূতি পান না, তাঁরা একজন কর্মী হিসেবে তাঁদের প্রাপ্য সব সুবিধা পাচ্ছেন না।”

প্রতিবেদনে বেতন বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৭ সালের তুলনায় গড় মাসিক আয় তিন গুণ বেড়ে ২ হাজার ৬০১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে মধ্যম বেতন মাত্র ১ হাজার ৬৬৯ ডলার।

অঞ্চলভেদে গড় মাসিক বেতনে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। উত্তর আমেরিকায় গড় মাসিক বেতন ৬ হাজার ৪৫০ ডলার এবং মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপে ৩ হাজার ৯৮২ ডলার। অন্যদিকে, পূর্ব ইউরোপে তা ৮৭৮ ডলার এবং আফ্রিকায় মাত্র ৪৮০ ডলার।

যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মতো দেশের লিগগুলোতে বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও পূর্ব ইউরোপের ১০টি দেশে গড় বেতন এখনো জাতীয় ন্যূনতম মজুরির নিচে।

পশ্চিম ইউরোপ এবং এশিয়া-ওশেনিয়ার মতো বড় ফুটবল বাজারসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোতেও গড় বেতন জাতীয় ন্যূনতম মজুরির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নয়।

প্রতিবেদনটি নির্দিষ্ট দেশের পরিবর্তে বিভিন্ন অঞ্চলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়ায় ফিফপ্রো লিগভিত্তিক গড় বেতনের তথ্য দিতে পারেনি।

স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ও বেতন পেতে বিলম্ব

গড় চুক্তির মেয়াদও ২০১৭ সালের প্রায় এক বছর থেকে বেড়ে ১৯ মাস হয়েছে। তবে অনেক খেলোয়াড় এখনো নির্দিষ্ট আয়ের নিশ্চয়তা ছাড়াই বছরের কিছু সময় কাটান।

কালভিন বলেন, “মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ খেলোয়াড় পুরো ১২ মাসের জন্য পারিশ্রমিক পান। অনেক খেলোয়াড়ের চুক্তির মেয়াদ সাত বা নয় মাস। ফলে ক্যালেন্ডার বছরের বাকি সময়ের খরচ মেটাতে তাঁদের অন্যভাবে কাজ করতে হয়।”

তাঁর বিশ্বাস, নারী ফুটবলের দ্রুত বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি এসব বাস্তবতাকে কিছুটা আড়াল করে রেখেছে।

ইংল্যান্ডের নারী সুপার লিগ দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও ফিফপ্রোর মতে, ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভালো পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় বহু খেলোয়াড়ের বাস্তব চিত্র আড়াল করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, গত দুই মৌসুমে ২৪ শতাংশ খেলোয়াড় বেতন পেতে বিলম্বের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ৪২ শতাংশ খেলোয়াড়কে কোনো পেনশন সুবিধা দেওয়া হয়নি।

খেলোয়াড়দের জন্য ‘সতর্কবার্তা’ প্রয়োজন, কালভিনের মতে, প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে।

তিনি বলেন, “এই ফুটবলব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য একটি সতর্কবার্তা প্রয়োজন। আমাদের খেলোয়াড়েরা ভুগছেন, অথচ তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বিত সহায়তা ও জবাবদিহির ব্যবস্থা নেই।”

তবে সব প্রবণতাই নেতিবাচক নয়। খেলাটিতে যে একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাচ্ছে, তা হলো সন্তান নেওয়া ও পরিবার গঠনের ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের পরিস্থিতি।

২০১৭ সালে জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক খেলোয়াড়, যাঁরা আগেভাগে ফুটবল ছাড়ার কথা ভাবছিলেন, জানিয়েছেন যে পরিবার গঠনের ইচ্ছা তাঁদের খেলা ছেড়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।

বর্তমানে সেই হার কমে ১৯ শতাংশে নেমেছে। ফিফপ্রোর মতে, ২০২১ সালে ফিফার প্রবর্তিত মাতৃত্বকালীন বিধিমালা এবং দুই বছর আগে এর হালনাগাদ সংস্করণ এই উন্নতিতে ভূমিকা রেখেছে।

কালভিন বলেন, “আমরা যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। ২০২১ সালে মাতৃত্বকালীন বিধিমালা চালু করা হয়েছিল।”

প্রতিবেদনে নারী ফুটবলে ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের চিত্রও উঠে এসেছে। শীর্ষ পর্যায়ের ক্লাব ও খেলোয়াড়েরা বিনিয়োগ এবং পরিচিতির সুফল পেলেও বিশ্বজুড়ে এই পেশার বড় একটি অংশ এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

কালভিন বলেন, “এই শিল্পের মনোযোগ মূলত শীর্ষ পাঁচ শতাংশ খেলোয়াড়ের দিকে। কিন্তু বাকি ৯৫ শতাংশ খেলোয়াড়ের অবস্থা কী? তাঁদের অনেকেই সময়মতো বেতন পান না, তাঁদের চুক্তির মেয়াদ স্বল্প। তাঁরা ১২ মাসের পারিশ্রমিকও পান না। তাঁরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত পরিবেশে কাজ করছেন।”

ফিফপ্রো বলছে সমাধান প্রবৃদ্ধির গতি কমিয়ে দেওয়া নয়; বরং বাণিজ্যিক সাফল্য ও খেলোয়াড়দের কল্যাণ যেন একসঙ্গে এগিয়ে যায়, তা নিশ্চিত করা।

কালভিন বলেন, “বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি ও খেলোয়াড়দের সুরক্ষার মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই দুটি বিষয়কে হাতে হাত রেখে, পাশাপাশি এগিয়ে নিতে হবে।”

“আমরা বলছি, আর নয়, এবার যথেষ্ট হয়েছে। খেলোয়াড়দের প্রয়োজন অনুযায়ী এই শিল্পকে পদক্ষেপ নিতে হবে এবং খেলোয়াড়দের কণ্ঠস্বরকে কেন্দ্রে রাখতে হবে। তাঁদের প্রভাবিত করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খেলোয়াড়দের যেন আলোচনার টেবিলে জায়গা থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক কাউন্সিলরের বাসায় হঠাৎ ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ভাই গোলাম রসুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


সাবেক কাউন্সিলরের বাসায় হঠাৎ ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ভাই গোলাম রসুল

খুলনা সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপুর বাসায় অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তার বড় ভাই গোলাম রসুলকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানের সময় ১৪১ রাউন্ড পয়েন্ট টু-টু বোরের গুলি, ১৩ রাউন্ড ১২ বোরের শটগানের গুলি ও একটি দুই ধারবিশিষ্ট চাকু উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানার উত্তর দেয়ানা এলাকার হোসেন শাহ রোডের ২১২ নম্বর বাড়িতে এ অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া গোলাম রসুল নগরীর দৌলতপুর এলাকার মো. গোলাম আকবরের ছেলে এবং তিনি শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত।

ডিবি জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গোলাম রসুলের শোবার ঘরের স্টিলের আলমারি থেকে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামাল জব্দ করা হয়েছে এবং বর্তমানে ডিবি হেফাজতে রয়েছে। গোলাম রসুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারের পর গোলাম রসুল পুলিশকে জানান যে, তার অস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে। তবে তিনি গুলির কোনো কাগজ-পত্র দেখাতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি দাবি করেন যে, গুলিগুলো তার ভাই টিপুর রেখে যাওয়া।

গোলাম রব্বানী টিপু খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ছিলেন। গত বছরের ৯ জানুয়ারি রাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে হোটেল সি-গালের সামনের ফুটপাতের কাছে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরদিন তার ভগ্নিপতি ইউনুস আলী শেখ বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


বরিশালে সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, বরিশালে মহিলাদের জন্য একটি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ রাখা হয়েছে।

বরিশাল নগরীর আলেকান্দায় অবস্থিত ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে’ রোববার (১১ অক্টোবর) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম ক্লাস শুরু হয়েছে। বরিশাল বিভাগে এই নামের অধীনে এটি প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানে আর্কিটেকচার টেকনোলজি এবং কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি নামে দুটি বিভাগ চালু করা হয়েছে।

এ ইনস্টিটিউটটি ১১ জন শিক্ষক, ৬ জন কর্মকর্তা কর্মচারীসহ মোট ১৭ জনের সমন্বয়ে এবং ৪৭ জন ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। দুই বিভাগে মোট আসন সংখ্যা ১শ’ টি।

বরিশাল নগরীর আলেকান্দায় পরেশ সাগর মাঠের প্রবেশদ্বারের উত্তর পাশে ৩ একর ১৮ শতাংশ জমিতে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এর প্রকল্প ব্যয় ৫৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়।

দৃষ্টিনন্দন প্রবেশ পথে একটি ৬ তলা বিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন, উত্তর পাশে ৬ তলা বিশিষ্ট বিশাল একাডেমিক ভবন এবং দক্ষিণ পাশে ৬ তলা বিশিষ্ট আরেকটি একাডেমিক ওয়ার্কশপ ভবন রয়েছে।

এই তিনটি ভবনে লিফটের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া ৪ তলা বিশিষ্ট ২শ’ আসনের ছাত্রীনিবাস, ৫ তলা বিশিষ্ট ২০ ইউনিটের শিক্ষক ডরমেটরি, ৩ তলা বিশিষ্ট ৬ ইউনিটের স্টাফ কোয়াটার, ১ তলা বিশিষ্ট অধ্যক্ষের বাসভবন, নিজস্ব বিদ্যুতের সাব স্টেশন এবং অভ্যন্তরীণ সড়ক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে।

‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে’র অধ্যক্ষ হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ এস. এম সামছুন নাহার।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম সামছুন নাহার বলেন, "একাডেমিক ওয়ার্কশপ, বিদ্যুতের সাব স্টেশন ও শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।" শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানে পৌঁছেছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে আর্কিটেকচার টেকনোলজি এবং কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি দিয়ে শুরু হলেও আগামী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে আরো দুটি কোর্স চালু করা হবে। এতে ১শ’ শিক্ষার্থী এখানে ভর্তির সুযোগ পাবে।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস.এম সামছুন নাহার বলেন, "বর্তমান সরকার নারী বান্ধব। নারী শিক্ষা প্রসারে নতুন প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার।" এ প্রতিষ্ঠানে প্রথম বর্ষের দুটি বিভাগ চালু করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিভাগ চালু করা হবে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করে নিজে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে। এতে শিক্ষার্থীরা স্বাবলম্বী হতে পারবে এবং অন্যদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে।

বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহীদুল ইসলাম জানান, "বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ বরিশাল বিভাগে এটাই প্রথম।" এ ইনস্টিটিউটের ৬টি বহুতল ভবন, একটি একতলা ভবন, শহীদ মিনার, বিদ্যুৎ সাব স্টেশন, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, ড্রেন, দুটি অত্যাধুনিক প্রবেশ গেট এবং বাউন্ডারি ওয়াল প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। ৩ একর ১৮ শতাংশ জমিতে প্রতিষ্ঠিত প্রকল্পের কাজ শেষ করতে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

তিনি আরও জানান, শহীদ মিনার, একাডেমিক ওয়ার্কশপ ও বিদ্যুতের সাব স্টেশন ভবন নির্মাণের অসমাপ্ত কাজ চলতি বছরের মধ্যে শেষ হবে।

‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে’ বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা থেকে আসা আয়শা আক্তার আর্কিটেকচার টেকনোলজি বিভাগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী তার প্রথম ক্লাসের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "মনোরম পরিবেশ ও শিক্ষকমন্ডলীর আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমার জীবনের নতুন অধ্যায় সূচিত হল।"

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী মরিয়ম বলেন, "এ ইনস্টিটিউটে প্রবেশে আমার মনে অন্য রকম এক আনন্দ, উচ্ছ্বাস অনুভব হচ্ছে। নতুন ক্লাসে শিক্ষকদের আন্তরিকতা আমাকে উজ্জীবিত করেছে।"

শিক্ষাবিদ মহসিন উল ইসলাম হাবুল বলেন, "মেয়েদের জন্য কারিগরি শিক্ষা কেবল একটি শিক্ষাপদ্ধতি নয় বরং এটি তাদের স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।" আমাদের প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে কারিগরি বা বৃত্তিমূলক শিক্ষা একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। কারণ সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির তুলনায় এ শিক্ষার মাধ্যমে সরাসরি কর্মমুখী দক্ষতা অর্জন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

তিনি বলেন, "একজন নারী যখন কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে ওঠেন, তখন তিনি কেবল অন্যের অধীনে চাকরি করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন না, বরং নিজের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন।" একই সঙ্গে সমাজে আরও বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%