ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কদমতলীতে রিকশাচালক ইমন হত্যা মামলায় আল-আমিনের যাবজ্জীবন


কদমতলীতে রিকশাচালক ইমন হত্যা মামলায় আল-আমিনের যাবজ্জীবন

২০২৩ সালের মে মাসে রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় অটোরিকশাচালক ইমন কাজী হত্যা ও মরদেহ গুমের মামলায় আসামি মো. আল-আমিন শেখকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

 

আরও পড়ুন: শুধু ৯ দেশ-ই নয়, বিশ্ব এক হলেও হারবে? কারণ- ইয়েমেনের জন্য নবী (সা.) দোয়া করেছিলেন!

সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি জহিরুল ইসলাম কাইউম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রায়ে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া হত্যাকাণ্ডের আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়ে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় তাকে পৃথকভাবে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। উভয় দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হবে এবং আসামির হাজতবাসের মেয়াদ মূল কারাদণ্ড থেকে বাদ যাবে।

 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ভিকটিম ইমন কাজী পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন। ২০২৩ সালের ৩০ মে সন্ধ্যায় তিনি অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন এবং রাত ৯টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। গভীর রাতে গেণ্ডারিয়া থানার ফরাশগঞ্জ মাজারসংলগ্ন এলাকা থেকে ভিকটিমের ব্যাটারি ও চালকবিহীন অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ৩১ মে ভিকটিমের পিতা মো. লিটন একটি জিডি করেন।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে সাড়ে ৭৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা

 

নিখোঁজের চার দিন পর, ৩ জুন রাতে পশ্চিম মোহাম্মদবাগ সোনামাবিয়া জামে মসজিদসংলগ্ন হাজী সোনা মিয়ার পতিত জমির রোপণের ড্রেবা থেকে হাত-পা বাঁধা ও বস্তাবন্দি অবস্থায় ইমনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলাটির প্রাথমিক তদন্ত করেন কদমতলী থানার এসআই আহমেদ নওয়াজিশ। পরবর্তীতে মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তরিত হলে ডিবি ওয়ারী বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মো. রোকনুজ্জামান খাঁন তদন্তভার গ্রহণ করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২০২৩ সালের ৫ জুন রাতে বরিশালের হিজলা থানার গোবিন্দপুর ধমা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামি আল-আমিন শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

আরও পড়ুন: গেজেট-বঞ্চিতদের অনশন থেকে আটক হল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মী

তদন্তে জানা গেছে, পারিবারিক পরকীয়ার সন্দেহ ও ধার দেওয়া ৫ হাজার টাকা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জেরে আসামি পূর্বপরিকল্পিতভাবে ২০২৩ সালের ৩০ মে সন্ধ্যায় ইমনকে নিজ ভাড়াবাসায় ডেকে এনে কোকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ পান করায়। পরবর্তীতে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। পরদিন ৩১ মে দুপুরে বাজার থেকে বস্তা ও রশি কিনে মরদেহ বস্তাবন্দি করে রিকশাযোগে নির্জন ডোবায় ফেলে দেয়। আসামির দেখানো মতে তার ভাড়া বাসা থেকে রক্তমাখা বিছানার চাদর এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত স্মার্টফোন উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।

আসামি বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ১৬৪ ধারা মোতাবেক অপরাধ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে এজাহারকারী, সুরতহাল ও জব্দ তালিকার সাক্ষী, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. আসমাউল হুসনা, স্বীকারোক্তি গ্রহণকারী বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এবং তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১০ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। চিকিৎসক ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনায় প্রমাণিত হয়, গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করার কারণে ইমনের মৃত্যু হয়েছিল, যা হত্যাকাণ্ড।

আদালত আসামির ১৬৪ ধারার দোষী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী আসামির হেফাজত থেকে ভিকটিমের মোবাইল ও রক্তমাখা বিছানার চাদর উদ্ধার এবং পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামি মো. আল-আমিন শেখের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে উল্লেখিত দণ্ডে দণ্ডিত করেন। অভিযোগ গঠনের পর মোট ১২ কার্যদিবসে এই রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ের পর আসামিকে সাজা পরওয়ানামূলে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: রিয়াদ বিমানবন্দরে লাগেজ হারানো যাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি বার্তা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ, নির্দেশ ইউএনওর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ, নির্দেশ ইউএনওর

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন নির্দেশনা দিয়েছেন যে, কোনো শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।

এই নির্দেশনা গতকাল রবিবার (৩০ আগস্ট) শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা ও আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় প্রদান করা হয়।

 

সভায় ইউএনও মনিরা খাতুন, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এ সময় ইউএনও মনিরা খাতুন বলেন, "কোনো শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।"

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারে।

 

এজন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সভায় শাহরাস্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুজ্জামান, শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাকসুদ আলম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু ইসহাক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মো. সাজ্জাদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবু নাছের শাকিল এবং শাহরাস্তি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. মইনুল ইসলাম কাজল উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জোবায়েদ কবির বাহাদুর, আব্দুর রাজ্জাক, মোশারফ হোসেন ও রুহুল আমিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টের রায় পড়া শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টের রায় পড়া শুরু

মাগুরার আলোচিত আট বছর বয়সী শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টে আপিলের রায় পড়া শুরু হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ আগস্ট রায়ের দিন পিছিয়ে নতুন করে দিন ধার্য করা হয়েছিল।

এ মামলায় আসামিপক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হাসান তারেক। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা এবং মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

এর আগে গত ১১ আগস্ট মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) আবেদন ও আসামির আপিল শুনানি শুরু হয়েছিল।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, রমজানের ছুটিতে শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ রাতে ধর্ষণের শিকার হয় শিশু আছিয়া। মামলায় অভিযোগ করা হয় যে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আট বছর বয়সী আছিয়ার মৃত্যু ঘটে।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

মাত্র ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় মামলার বিচারিক কার্যক্রম। গত বছরের ৭ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর ১৩ মে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন উভয় পক্ষের আইনজীবীরা। পরে ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। তারা হলেন—শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীব শেখের ছোট ভাই (১৭) এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)।

আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তা কার্যকর করার আগে উচ্চ আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। এ জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠাতে হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ মে এ মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়।

পরে নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন তা হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর শুনানির জন্য মামলাটি বিশেষায়িত হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
‘এ’ দলের সিরিজ

বাংলাদেশকে চাপে রেখে প্রথম দিন পার দক্ষিণ আফ্রিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৯ পি.এম


বাংলাদেশকে চাপে রেখে প্রথম দিন পার দক্ষিণ আফ্রিকার

পচেফস্ট্রুমে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় আনঅফিশিয়াল টেস্টের প্রথম দিনটি দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’-এর জন্য অত্যন্ত সফলভাবে কেটেছে।

বাংলাদেশ ‘এ’ টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও, শুরুতে দ্রুত উইকেট তুলে নিলেও, পরে স্বাগতিক ব্যাটারদের বিরুদ্ধে আর তেমন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি।

দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ ৮৯ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৭২ রান সংগ্রহ করেছে।

শুরুতেই মুশফিক হাসান শেপাং দিথোলেকে ৪ রানে ফিরিয়ে দেন। এরপর জুবায়ের হামজা ও লেসেগো সেনোকোয়ানে ১৫১ রানের একটি জুটি গড়ে। ১০৪ বল মোকাবেলা করে ৬৮ রান করে রেজাউর রহমান রাজার বলে আউট হন হামজা।

কিছুক্ষণ পর মার্কেস অ্যাকারম্যানকে (৪) ফেরান হাসান মুরাদ।

১৬৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর কিছুটা চাপে পড়লেও, এরপর বাংলাদেশের বোলারদের আর সুযোগ দেননি সেনোকোয়ানে ও সাইনেথেম্বা কেশিল। চতুর্থ উইকেটে দুজনের ১৮২ রানের জুটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায়।

১৬৯ বল খেলে ১১১ রান করে নাঈম হাসানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সেনোকোয়ানে।

 

তার ইনিংসে ১৩টি চার ও একটি ছক্কা ছিল। তবে তার বিদায়ের পরও রান থামেনি। কেশিল ও গ্যাভিন কাপলান অবিচ্ছিন্ন থেকে দিন শেষ করেছেন।

কেশিল ১৪৫ বলে ১১১ রানে অপরাজিত রয়েছেন। তিনি ১৫টি চার ও একটি ছক্কা মেরেছেন।

 

কাপলান ৯৯ বলে ৭২ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বোলারদের মধ্যে মুশফিক ১টি উইকেট নিয়ে ১২ ওভারে ৪৭ রান দিয়েছেন। রাজা ১৪ ওভারে ৬৯, নাঈম ১০ ওভারে ৯২ এবং হাসান মুরাদ ৩২ ওভারে ১১৪ রান দিয়ে ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।

প্রথম দিন শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ স্পষ্টতই দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের হাতে রয়েছে। আজ দ্বিতীয় দিনে স্বাগতিকরা নিশ্চয়ই রানের পাহাড় গড়তে চাইবে।

প্রিটোরিয়ার প্রথম আনঅফিশিয়াল টেস্টে বাংলাদেশকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ ভূমি অফিস পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী, উপস্থিত ছিলেন কত জন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


হঠাৎ ভূমি অফিস পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী, উপস্থিত ছিলেন কত জন?

নারায়ণগঞ্জ সদর ভূমি অফিস পরিদর্শনে গিয়ে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল সকাল ৯টায় অফিসে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অফিসের সেবা কার্যক্রম এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

 

প্রতিমন্ত্রী একই সঙ্গে কাজের গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) হঠাৎ করে নারায়ণগঞ্জ সদর ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি সরেজমিনে অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথাও বলেন।

 

পরিদর্শনের সময় অফিসের সার্বিক কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পৌনেটায় অফিসে যান। আপনারা যদি এমন করেন তাহলে কি আমরা সেবাটা দিতে পারব? সরকারি দপ্তরে দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না।’

অফিসে উপস্থিত না থেকে আগাম হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী এমন জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেন।

 

তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত না থাকলেও অনেকের হাজিরা দেওয়া হয়ে গেছে। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণ দেশের প্রকৃত মালিক এবং তাদের সেবা দেওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব, কোনো দয়া নয়। তাই সময়মতো অফিসে উপস্থিতি, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে জনগণকে সেবা নিশ্চিত করতে হবে।’

অফিসগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা নিয়েও তিনি কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ‘কয়েকজন নারী কর্মকর্তা একই সঙ্গে প্রশাসনিক ও বিচারিক দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভূমি প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ‘অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, সরকারি সেবায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%