শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩২ পি.এম
খুলনার পাইকগাছায় পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৯টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আওয়াল কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে এসআই ওবায়দুর রহমান এবং এএসআই নুর আলমসহ অন্যান্য সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অভিযানের ফলস্বরূপ উত্তর সলুয়া গ্রামের মো. রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মো. রবিউল ইসলাম উত্তর সলুয়া গ্রামের মৃত সবুর মল্লিকের পুত্র।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে ৪টি সিআর মামলায় সাজা রয়েছে এবং আরও ৫টি সিআর মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট রয়েছে। ফলে, মোট ৯টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি তিনি।
পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আওয়াল জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : চুনারুঘাট উপজেলার একটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতদের নাম মুহাদ্দিস খান (২০) এবং শেখ নয়ন মিয়া (২১)।
আজ শুক্রবার বিকেলে চুনারুঘাট-সাতছড়ি সড়কের চানপুর বাগান এলাকায় মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মুহাদ্দিস খান হলহলিয়া গ্রামের আলী আজগর খানের সন্তান। অপরদিকে, শেখ নয়ন মিয়া সতং গ্রামের শেখ কাইয়ুম মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, আজ শুক্রবার বিকেলে দুই যুবক মোটরসাইকেলে সাতছড়ি যাওয়ার পথে চানপুর বাগান এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইকের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনার ফলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মুহাদ্দিস খান এবং শেখ নয়ন মিয়া মারা যান।
এ ঘটনায় ইজিবাইকের দুই যাত্রীও আহত হন এবং তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল লঞ্চ টার্মিনালে আজ লঞ্চ থেকে নামার সময় মেঘনা নদীতে পড়ে এক যুবক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। তবে নিখোঁজ যুবকের সন্ধান এখনো মেলেনি।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে চাঁদপুরগামী মুকবিল-২ লঞ্চটি ষাটনল লঞ্চঘাটে যাত্রী নামাচ্ছিল। এ সময় ওই যুবক লঞ্চ থেকে নামার পর নিজের ব্যাগ লঞ্চে রেখে যাওয়ার কথা মনে পড়লে আবার লঞ্চে ওঠেন। পরে ফের লঞ্চ থেকে নামার সময় লঞ্চটি পেছনের দিকে চালিয়ে দেওয়া হলে ঘাটে লাফ দিয়ে নামার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় মেঘনা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ওই যুবক।
ঘটনার পর মুকবুল-২ লঞ্চটি দ্রুত মোহনপুর লঞ্চঘাটের দিকে চলে যায়। পরে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা লঞ্চটি ও এর দুই স্টাফকে আটক করেন। ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রুহুল আমিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সৈকত মন্তব্য করেন যে, লঞ্চ চালকদের ভুলের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা মনে করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ষাটনল লঞ্চ ঘাটে আগে এমন ঘটনা ঘটেনি এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। লঞ্চ যাত্রীরাও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। ষাটনল লঞ্চ ঘাটের ইজারাদার মো.ইমন জানান, ঘটনার পরপরই বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে এবং নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
বেলতলী নৌ পুলিশের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক জানান, নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে নৌ পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে বেলতলী নৌ পুলিশ, মোহনপুর নৌ পুলিশ এবং মতলব উত্তর থানা পুলিশের সদস্যরাও স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় ৪৫ মিনিট পর সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে চাঁদপুর নদী ফায়ার সার্ভিস খবর পায়। এরপর আবহাওয়া ও নদীর পরিস্থিতির কারণে সড়ক পথে ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয় ফায়ার সার্ভিসের দল। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস এবং বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরি দল।
চাঁদপুর নদী ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. রাকিবুল ইসলাম বাসস’তে বলেন, সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে ষাটনল লঞ্চ ঘাটে একজন যাত্রী নদীতে পড়ে যাওয়ার খবর পান তারা। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় সড়ক পথে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি অনুকূলে আসার পর ডুবুরি দলকে দিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরি দলও একই সঙ্গে উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছে।
ঘটনাস্থলে চারজন ডুবুরি দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানান চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ’র সহকারী পরিচালক সঞ্জয় দেবনাথ। তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পর চাঁদপুর থেকে ডুবুরি দল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আমরা পৌঁছেছি। নদীতে স্রোত থাকায় ঘটনাস্থলে না পাওয়া গেলে ভাটির দিকে তল্লাশি চালানো হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালানোর কথাও জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বাসস’কে জানান, বিষয়টি জানার পরপরই নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিটের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে প্রয়োজনীয় উদ্ধার তৎপরতা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়কের চান্দপুর নামক স্থানে অটোরিকশা ও টমটমের সাথে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
এই দুর্ঘটনাটি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চান্দপুর চা বাগান এলাকায় সংঘটিত হয়।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন উপজেলার হলহলিয়া গ্রামের আজগর খানের ছেলে মোহাদ্দিছ খান (২০) এবং অপরজন সতং গ্রামের শেখ কাইয়ুমের ছেলে নয়ন মিয়া (২০)।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, নিহতরা মোটরসাইকেলে করে চন্ডি-রামগংগা চা বাগান এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে টমটমের সাথে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু ঘটে। দুর্ঘটনার পর সড়কে কিছু সময়ের জন্য যানজট সৃষ্টি হয়।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ভাঙ্গা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া হাসামদিয়া মহল্লায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সুজন মাতুব্বর (৩০), দেলোয়ার খন্দকার ওরফে দেলু (৪০), মো. মান্নান ওরফে মান্দার খা (৫০), মো. মিরাজুল শেখ ওরফে মিরাজ (৩৮), মো. সোহাগ কাজী (২৭), মো. রকীব খান ওরফে রাজু (৩৪), আলমগীর মোল্লা (৩৫) ও হৃদয় খান (২৫)। এই আটজন ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভাঙ্গা পৌর এলাকার মধ্যপাড়া হাসামদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। শুক্রবার দুপুরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সুজন মাতুব্বরের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা, দেলোয়ার খন্দকার ওরফে দেলুর বিরুদ্ধে আটটি মামলা, মো. মান্নান ওরফে মান্দার খার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা, মো. সোহাগ কাজীর বিরুদ্ধে একটি মামলা, মো. রকীব খান ওরফে রাজুর বিরুদ্ধে দুটি মামলা এবং মো. মিরাজুল শেখ ওরফে মিরাজের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতির মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ