০১:০৫ পি.এম
কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় কথাকাটাকাটির কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দুই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক নারীকে পুলিশ আটক করেছে। পুলিশের বক্তব্য হলো, ওই নারীর বাসায় গোপন বৈঠক করে এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে শহরের ইসলামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত রশিদা (৩৬) কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর এলাকার হাকিম আলীর মেয়ে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ‘পাহাড়তলী এলাকায় দুই যুবক নিহতের ঘটনার সাথে রশিদা নামের একজন নারীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডটি ছুরিকাঘাতে ঘটেছে এবং এটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ঘটনার পূর্বে রশিদার বাসায় গোপন বৈঠকে এই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।’
আরও পড়ুন: উখিয়ার কোর্টবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ক্যাম্প ইনচার্জ শফিউল ইসলাম
তিনি আরও জানান, ‘এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তবে পুলিশ জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।’
এর আগে, গত মঙ্গলবার (২ জুন) মধ্যরাতে শহরের পাহাড়তলীর ইসলামপুর এলাকায় পূর্ববিরোধের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয় এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে পরিণত হয়। এই সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে, যেখানে হৃদয়, আসিফ ও আশরাফুল ইসলাম নামে তিন যুবক গুরুতর আহত হন।
স্হানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত হৃদয় (২৮) চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
আহত অপর দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (৩ জুন) সকালে আসিফ (২৭) নামে আরও একজন যুবকের মৃত্যু হয়। আসিফ কক্সবাজার পৌরসভার ইসলামপুর এলাকার বাবুলের ঘোনার বাসিন্দা। তবে তার বাবার নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ
অপর যুবক আশরাফুল ইসলাম বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি পাহাড়তলী ইসলামপুর মসজিদ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন