বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৯ পি.এম
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৮০ দিনের মধ্যে ৫০০টি ভেজালবিরোধী মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানের ফলস্বরূপ ২ কোটি ৪০ লাখ ৪৫ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিভিত্তিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন খাদ্যস্থাপনাসমূহ, আড়ত এবং পাইকারি ও খুচরা খাদ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করছে। একই সাথে খাদ্য ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ, কাউন্সেলিং, সভা, সেমিনার ও কর্মশালার মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ১৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ১৮০ দিনের মধ্যে মোট ৭ হাজার ৭৬৬টি খাদ্য স্থাপনা মনিটরিং করা হয়েছে এবং নিরাপদ খাদ্য আইনসহ অন্যান্য আইনের অধীনে ৫০০টি ভেজালবিরোধী মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ২ কোটি ৪০ লাখ ৪৫ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাতের সময় তখন ৭টা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট আসতে থাকে—সন্দ্বীপ চ্যানেলের ডুবো চরে ফেরি ‘কপোতক্ষ’ আটকা পড়েছে। ফেরিতে তিন শতাধিক যাত্রী রয়েছেন। তাদের মধ্যে শিশু, নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং একটি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মুমূর্ষু রোগীও অন্তর্ভুক্ত।
চারপাশে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, পরবর্তী জোয়ার রাত প্রায় ৩টার দিকে আসবে। এর আগে ফেরিটির ভাসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অর্থাৎ যাত্রীদের দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে থাকতে হবে।
এদিকে সামনে আসে আরও উদ্বেগের খবর—ফেরির ক্যানটিনে খাবার ও পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে যাত্রীরা শুধু ফেরিতে আটকা পড়ার শঙ্কায় নয়, খাবার-পানি ছাড়া দীর্ঘ রাত কাটানোর আতঙ্কে ভুগতে থাকেন।
তবে খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো পরিস্থিতি বদলে যায়।
বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা খাল ও কাদামাটি মাড়িয়ে খাবার ও পানি নিয়ে ছুটে আসেন। সরকারি দল, বিরোধী দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের এই মানবিক উদ্যোগ সম্প্রীতি ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে ফুটে ওঠে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ফেরিঘাট থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ফেরি ‘কপোতক্ষ’ যাত্রা শুরু করে। যাত্রার মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় নাব্যতা সংকটের কারণে ডুবো চরের মুখে ফেরিটি আটকা পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফেরিতে প্রায় তিন শতাধিক যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে শিশু, নারী ও বয়স্ক যাত্রীদের পাশাপাশি একটি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মুমূর্ষু রোগীও ছিলেন।
ফেরি আটকে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপদগ্রস্ত যাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশার উদ্যোগে ফেরিতে থাকা যাত্রী ও স্টাফদের জন্য রান্না করা রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্দ্বীপ উপজেলা শাখার পক্ষ থেকেও যাত্রীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। ফেরি আটকে পড়ার প্রায় দুই ঘণ্টার মাথায় দলটির নেতাকর্মীরা শুকনো খাবার ও পানি নিয়ে ফেরিতে পৌঁছে তা যাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করেন।
অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা অধ্যাপক আমজাদ হোসেন পরিচালিত এ.কে. ফাউন্ডেশনও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ফেরিতে আটকে থাকা যাত্রীদের মধ্যে খাবার ও পানি বিতরণ করা হয়।
যাত্রীরা খাবারের সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তারা হয়তো কল্পনাও করেননি, মুহূর্তের মধ্যেই দল-মত নির্বিশেষে এতগুলো সংগঠন ও মানুষ তাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।
ফেরিতে আটকে পড়া যাত্রী সাকিব বলেন,
“ফেরি আটকে যাওয়ার পর সবচেয়ে বেশি শঙ্কায় ছিলাম খাবার নিয়ে। কারণ ফেরিতে অনেক বৃদ্ধ ও শিশু রয়েছে। খাবার না পেলে তাদের অনেক কষ্ট হতো। তবে আমরা কল্পনাও করিনি, এত দ্রুত এত মানুষ খাবার নিয়ে আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।”
শুধু খাবারের সংকট নিরসন নয়, যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতেও নেওয়া হয় বিভিন্ন উদ্যোগ।
স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা সন্দ্বীপ ও সীতাকুণ্ড—দুই প্রান্তের ঘাটে পুলিশ পেট্রোল টিম মোতায়েনের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি ভোররাতে ফেরি থেকে যাত্রীরা নামার পর যাতে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে জন্য চট্টগ্রাম প্রান্তে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গাড়ির ব্যবস্থাও করেন তিনি।
এদিকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান ভূইয়া মিল্টনের পক্ষ থেকেও চট্টগ্রাম প্রান্তে নেমে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে দুটি বাসের ব্যবস্থা করা হয়।
ফেরি আটকে যাওয়ার বিষয়ে ফেরির মাস্টার সাইফুল দৈনিক কালবেলাকে বলেন, নাব্যতা সংকটের কারণে বারবার ফেরি আটকে গিয়ে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।
তিনি বলেন, “বারবার নাব্যতা সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।”
সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন দৈনিক কালবেলাকে বলেন, নাব্যতা সংকট এখন চরম আকার ধারণ করেছে। আগে যেখানে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচটি ট্রিপ দেওয়া সম্ভব হতো, এখন সেখানে মাত্র একটি ট্রিপ দেওয়া যাচ্ছে।
তিনি বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এখন দেখি কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”
ফেরি আটকে পড়ার এই ঘটনায় একদিকে যেমন সন্দ্বীপ চ্যানেলের ভয়াবহ নাব্যতা সংকট ও দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে, অন্যদিকে বিপদের মুহূর্তে দল-মত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিরল দৃশ্যও দেখেছে সন্দ্বীপবাসী।
একটি ফেরি, তিন শতাধিক উদ্বিগ্ন মানুষ আর গভীর রাতের অনিশ্চয়তা—সবকিছুর মাঝেও মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও রাজনৈতিক সংগঠনের মানুষ।
বিপদের সেই রাতে সন্দ্বীপ আবারও দেখলো মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
মানবিক সন্দ্বীপ প্রমাণ করলো—বিপদে রাজনীতি নয়, সবার আগে মানুষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ কৃষিক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে জলবায়ু সহনশীল জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে। এর ফলে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথ আরও প্রশস্ত হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরের পাইনার খালে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকের উৎপাদন বজায় রাখা এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জলবায়ু সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ অপরিহার্য। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কৃষকের স্বার্থ রক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে কৃষিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কৃষিতে গবেষণা ও নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির ফলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল এবং বিদেশে খাদ্য রপ্তানিও সম্ভব হয়েছিল। পরে সেই কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারও খাল খনন শুরু হয়েছে। এতে দেশ আবারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।
তিনি বলেন, টেকসই কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে। এ জন্য কৃষক, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে প্রায় ১৫০ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়। কেরানীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওমর ফারুক, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কারিশমা আহমেদ জাকসি, তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদ আলম জমিদার, সদস্যসচিব সামিউল্লাহ, ঢাকা জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক জুয়েল মোল্লা, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি পাভেল মোল্লা, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সেলিম মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম (গাজী নজরুল ইসলাম) সাতক্ষীরা-৪ আসনে সংসদে উপস্থিত ছিলেন না। তবে, আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে তার জন্য লিখিত প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য প্রস্তুত ছিল।
নির্ধারিত সময়ে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তারকাচিহ্নিত প্রশ্ন উত্থাপনের আহ্বান জানান। কিন্তু তিনি লক্ষ্য করেন, জি এম নজরুল ইসলাম সেখানে নেই। এ সময় স্পিকার মন্তব্য করেন, "জি এম তো নেই।" এরপর তিনি হাসেন এবং সংসদে অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে অনেককেই হাসতে দেখা যায়। স্পিকার উল্লেখ করেন, তার অনুপস্থিতির কারণে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নটি উত্থাপিত হতে পারেনি।
ভেজালবিরোধী ৫০০ অভিযান, জরিমানা ২ কোটি ৪০ লাখ
প্রশ্নোত্তর পর্বের একটি কপি, যা সাংবাদিকদের কাছে এসেছে, তাতে দেখা যায়, সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের প্রশ্নটি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর কাছে ছিল। তার লিখিত প্রশ্নে তিনি জানতে চেয়েছিলেন, "শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করে বলবেন কি, বর্তমানে দেশে শ্রম আদালতের সংখ্যা কত, ওইগুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত? ওই আদালতগুলোতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা কত? ওই মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে?"
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, "বর্তমানে দেশে একটি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং ১৪টি শ্রম আদালতসহ মোট ১৫টি শ্রম আদালত রয়েছে। এগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহে অবস্থিত।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন মৌসুমের দলবদল শেষ হলেও, ফুটবল জগতে এখনো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একটি সাহসী সিদ্ধান্তের আলোচনা চলছে। কোচ মাইকেল ক্যারিক এবং ক্লাবের নীতি-নির্ধারকেরা কোনো প্রথাগত ব্যাকআপ লেফট-ব্যাক দলে না নিয়ে একটি বড় কৌশলগত জুয়া খেলেছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ব্যস্ত সূচি সামনে রেখেও পুরো মৌসুমে একমাত্র লেফট-ব্যাক হিসেবে ইংলিশ তারকা ডিফেন্ডার লুক শ’র ওপর নির্ভর করছে ইউনাইটেড। গত মৌসুমে তিনি প্রিমিয়ার লিগের ৩৮টি ম্যাচের সবকটিতেই শুরু থেকে মাঠে ছিলেন, যা তার পূর্ববর্তী ইনজুরির ইতিহাসের প্রেক্ষিতে একটি অসাধারণ অর্জন।
ক্রীড়াক্ষেত্রে বয়স জালিয়াতি, ৫০০ অ্যাথলেট বহিষ্কার
তবে, তার পূর্বের ইনজুরি প্রবণতার ইতিহাস এবং চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফেরায় ইউনাইটেডকে প্রায় ৬০টিরও বেশি ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। ৩১ বছর বয়সী এই তারকার পক্ষে একা সব ম্যাচ খেলা সম্ভব নয়। তবুও, ক্লাবটি ব্যাক-আপ হিসেবে টায়রেল মালাসিয়া-এর চুক্তি শেষ হওয়ার কারণে তাকে ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বেশ কয়েকজন লেফট-ব্যাককে দলে নেওয়ার জন্য তালিকায় রেখেছিল। এর মধ্যে নিউক্যাসেলের লুইস হল, বার্সেলোনার আলেহান্দ্রো বাল্দে এবং রেসিং সান্তান্দারের হোর্হে সালিনাস অন্তর্ভুক্ত ছিল। সর্বশেষ তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব ম্যান সিটি থেকে রায়ান আইত-নুরিকে ধারে (লোন) আনার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সিটি সেই প্রস্তাবে রাজি হয়নি।
অ্যাশেজ সিরিজের টিকিটের দাম বৃদ্ধির সমালোচনায় সাবেক ক্রিকেটার ও ভক্তরা
এই চুক্তিটি সফল করতে হলে ইউনাইটেডকে পরবর্তীতে আইত-নুরিকে পাকাপাকিভাবে কিনে নেওয়ার শর্তে সম্মত হতে হতো। কিন্তু ক্লাবটি সেই শর্ত না মেনে, তাদের আসল পছন্দের খেলোয়াড়দের পাওয়ার জন্য আপাতত অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এখন দলবদলের সময় শেষ হয়ে গেছে। ফলে অন্তত আগামী জানুয়ারি মাসের শীতকালীন দলবদল শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত, ইউনাইটেড এবং কোচ ক্যারিককে এই হিসাব-নিকাশ করা জুয়ার ওপর ভরসা করেই টিকে থাকতে হবে। অথবা তারা ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ