বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪০ পি.এম
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ বুধবার জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সাক্ষাৎ জাতীয় সংসদ ভবনের ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, সংসদীয় কূটনীতি, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সংসদীয় কার্যক্রমের আধুনিকায়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরো জোরদার করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে দীনেশ ত্রিবেদী লুই আই কানের চমৎকার স্থাপত্যশৈলী জাতীয় সংসদ ভবনের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, "দুই দেশ অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পারস্পরিক স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ।" বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে সংসদীয় যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, নিয়মিত মতবিনিময় ও দুই দেশের পার্লামেন্টের পারস্পরিক সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"
ভারতের পার্লামেন্টকে একটি আধুনিক পার্লামেন্ট আখ্যায়িত করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ই-পার্লামেন্ট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং এর সফল বাস্তবায়নে তিনি ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
তিনি দীনেশ ত্রিবেদীর মতো একজন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে পাওয়াকে এক্ষেত্রে এক দারুণ সুযোগ বলে উল্লেখ করেন। ডেপুটি স্পিকার আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার সংসদীয় যোগাযোগে এবং বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার আধুনিকায়নে দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করতে তিনি সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন।
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, "বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংসদীয় কূটনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হলে তা দুই দেশের জন্য চমৎকার অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্লাটফর্ম হতে পারে।"
উভয়পক্ষ জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো জোরদার, পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক আস্থা, স্থিতিশীলতা ও বিশ্বাসের জায়গাকে আরো সুদৃঢ় করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, বাংলাদেশে ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে, কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্দেশ্যে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় রাখার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই আলোচনায় বক্তারা উল্লেখ করেছেন যে, পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরের জন্য ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে।
‘পরিবর্তনশীল জ্বালানি প্রেক্ষাপটে পোশাক খাতে কার্বনমুক্তকরণের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক এই আলোচনা আয়োজন করেছে এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডিশ দূতাবাস এবং অ্যাপারেল ইমপ্যাক্ট ইনস্টিটিউট (এআইআই)।
এইচএসবিসি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
আলোচনায় সরকারি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা, বৈশ্বিক পোশাক ব্র্যান্ড, তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী এবং শিল্প সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ উইং প্রধান এ কে এম সোহেল, সুইডিশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ওলে লুনদিন, এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মাহবুব উর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. সারওয়ার হোসেইন, বিজিএমইএর সহ-সভাপতি বিদ্যা খান, এআইআই-এর ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিল্হাস, এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের কিম হেলস্ট্রম এবং এটিটিআই-এর অলিভিয়া উইন্ডহাম স্টুয়ার্টসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।
ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিল্হাস তার মূল বক্তব্যে আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য উপস্থাপন করে বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে পোশাক খাতে ৫০ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রায় ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন।
এইচএসবিসি হোল্ডিংস পিএলসির গ্লোবাল হেড অব ক্লিন পাওয়ার সিস্টেমস র্যান্ডলফ ব্রেজার এবং এইচএসবিসির এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সাসটেইনেবিলিটি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধান জাস্টিন উ অনলাইনে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির সম্ভাবনা নিয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার মন্তব্য করেন, ইউরোপীয় বাজার ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা যখন সীমিত কার্বন ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, তখন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়ার সমন্বয় ঘটিয়ে টেকসই সোর্সিংয়ের শীর্ষস্থান অর্জনের সুযোগ বাংলাদেশকে কাজে লাগাতে হবে।
এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করতে জ্বালানি রূপান্তরের বাণিজ্যিকায়ন এখন সময়ের দাবি।
তিনি উল্লেখ করেন, সহায়ক নীতি, উন্নত প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি উঠান বৈঠক, যেখানে মাদক, বাল্যবিয়ে, ইভটিজিং, গুজব ও নাশকতার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা করা হয়।
আজ বুধবার, সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে নাঙ্গলকোট উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
বৈঠকে, বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধের পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবিলা এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত বিভিন্ন কার্যক্রম ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে জনগণের করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ নূরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন জেলা লিগ্যাল অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) নুসরাত জাহান জিনিয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপ-পরিচালক আশেকুর রহমান এবং উপজেলা মডেল মসজিদের ফিল্ড অফিসার ওবায়দুল হক তারেক।
বক্তারা উল্লেখ করেন, "মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিয়ের মতো সামাজিক ব্যাধি ব্যক্তি ও পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে সমাজের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।" এসব সমস্যা প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তারা আরও বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি।" একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবের বিষয়ে যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও জনগণের সচেতনতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
বক্তারা সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বর্ণিত বিভিন্ন লক্ষ্য ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
উঠান বৈঠকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ (শিপ রিসাইক্লিং) খাতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের শীর্ষস্থানীয় শিপিং কোম্পানি মিতসুই ও.এস.কে. লাইনস (এমওএল)।
জাপানের প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায়।
বুধবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে এমওএলের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এ আগ্রহের কথা জানানো হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই দু’টি খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনবল তৈরি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম প্রধান জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকারী দেশ। এ খাতে দেশের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, দক্ষ শ্রমশক্তি ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ৩১টি গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং স্থাপনা চালু রয়েছে। আগামী কয়েক বছরে এ সংখ্যা তিন অঙ্কে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধুমাত্র পুরোনো জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে সীমাবদ্ধ থাকা নয়; বিদ্যমান সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে জাহাজ নির্মাণ শিল্পেরও একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলা। এ ক্ষেত্রে জাপানের উন্নত প্রযুক্তি, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও দীর্ঘদিনের জাহাজ নির্মাণের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হতে পারে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার মাধ্যমে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও জাহাজ নির্মাণ খাতকে একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী শিল্পভিত্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
এমওএল প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি সহযোগিতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।
বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, এমওএলের মহাব্যবস্থাপক কেনতারো উয়েদা, গ্লোবাল শিপ রিসাইক্লিংয়ের প্রকল্প ব্যবস্থাপক তাকাহা উয়েমাতসু, এমওএলের জ্যেষ্ঠ পরিচালক সেনজি তোকুমোতো এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাতৃত্বের পর শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের সম্মুখীন হয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। সম্প্রতি, স্বামী ভিকি কৌশলের সাথে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার পর অভিনেত্রীর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের একটি অংশ তার চেহারা ও বয়স নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শুরু করে।
সম্প্রতি, পরিচালক কুকু কোহলির শেষকৃত্যে ভিকি কৌশলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ক্যাটরিনা। সাদা সালোয়ার-কামিজ পরিহিত অবস্থায় অভিনেত্রীর বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর আলোচনা শুরু হয়। কিছু ব্যক্তি তার চেহারায় পরিবর্তন নিয়ে মন্তব্য করার পাশাপাশি তার বয়স নিয়েও কটাক্ষ করেন।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ক্যাটরিনার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। মাতৃত্বের পর একজন নারীর শরীরে স্বাভাবিক পরিবর্তন নিয়ে এ ধরনের মন্তব্যকে অসংবেদনশীল বলেও সমালোচনা করেছেন অনেকে।
ক্যাটরিনার পাশে দাঁড়িয়েছেন অভিনেত্রী শিবালিকা ওবেরয়ও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে তিনি মন্তব্য করেন, মাতৃত্বের পর শরীরে পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। সন্তান জন্মের পর একজন নারীর শরীর সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ।
গত বছরের নভেম্বরে মা হয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ। এরপর থেকে তিনি সন্তান ও পরিবারকে সময় দিতে অভিনয় থেকে কিছুটা দূরে রয়েছেন। এই সময় তাকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
তবে কাজ থেকে পুরোপুরি দূরে সরে যাননি এই অভিনেত্রী। নতুন কয়েকটি প্রকল্পের জন্য এরই মধ্যে স্ক্রিপ্ট পড়া শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। ফলে শিগগিরই তাকে আবার পর্দায় দেখা যেতে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন ভক্তরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ