ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৫ আগস্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতের ৫১ বছর, নানা কর্মসূচিতে স্মরণ


১৫ আগস্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতের ৫১ বছর, নানা কর্মসূচিতে স্মরণ

আজ ১৫ আগস্ট। বাঙালি জাতির ইতিহাসে গভীর শোক ও বেদনার একটি দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। আজ তাঁর শাহাদাতের ৫১ বছর পূর্ণ হলো।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোররাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। ওই ঘটনায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যও নিহত হন। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। সরকারি ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন নথিতে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, স্বাধিকার আন্দোলন, অসহযোগ আন্দোলন ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তাঁর নেতৃত্ব বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে সংগঠিত করে। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

আরও পড়ুন: ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ঢাবি শিক্ষার্থীসহ ৬ জন নিহত, ভিসির শোক

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনেও বঙ্গবন্ধু সরকারের সামনে ছিল বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। অবকাঠামো পুনর্গঠন, প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা এবং নতুন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠার কাজও শুরু হয় তাঁর নেতৃত্বে।

নানা কর্মসূচিতে স্মরণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি, স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। অতীতেও ১৫ আগস্ট উপলক্ষে দেশজুড়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, স্মরণসভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি পালনের নজির রয়েছে।

আরও পড়ুন: বেনাপোলে মুরগিভর্তি ভ্যানে উদ্ধার হলো পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি

ইতিহাসের শোকাবহ অধ্যায়

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি শোকাবহ অধ্যায় হিসেবে স্মরণ করা হয়। রাষ্ট্রীয় ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন নথিতেও এ হত্যাকাণ্ডের মর্মান্তিকতার কথা উল্লেখ রয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ছিল দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনে পরিপূর্ণ। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেওয়া শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পরবর্তী সময়ে তিনি বাঙালির রাজনৈতিক অধিকার ও স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের পর বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেন। স্বাধীনতার পর মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই তাঁকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়।

আরও পড়ুন: ডেসকোর প্রি-পেইড গ্রাহকদের জন্য দুর্গাপূজায় জরুরি রিচার্জ নির্দেশনা

প্রজন্মের পর প্রজন্মে স্মরণ

প্রতি বছর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী পালনের মধ্য দিয়ে তাঁর জীবন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ দিনটিকে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে স্মরণ করেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত—এমন মূল্যায়ন বাংলাদেশের সরকারি ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন প্রকাশনায় উঠে এসেছে।

৫১ বছর পরও ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গভীর শোকের দিন হিসেবে আলোচিত। দিনটি স্মরণে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে নিহত পরিবারের সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বন্ধুকে হত্যার পর নদীতে লাশ গুম, পাঁচ মাস পর ৭৭টি হাড় উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২২ পি.এম


ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটেছে, যার জেরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। শনিবার ভোরে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।

মাউমেরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা ফাতুর রহমান এএফপিকে জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে দুজন আটকা রয়েছেন।

ভূমিকম্পের পর হাজারো মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক ছড়িয়েছে ভূমিকম্পের কেন্দ্রের কাছের নাগেকেও রিজেন্সিতে। সেখানকার বাসিন্দারা সমুদ্রের পানি সরে যেতে দেখে দ্রুত উঁচু জায়গায় চলে যান।

এটি সমুদ্রের পানি হঠাৎ সরে যাওয়া সুনামির সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে। পরে ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ সুনামির সতর্কতা তুলে নেয়। তবে মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ফিরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ পরবর্তী কম্পনে দুর্বল ভবন ধসে পড়তে পারে।

নাগেকেওর ৫৬ বছর বয়সী বাসিন্দা ইয়োহানেস বাবো তখন একটি বাজারে ছিলেন। তিনি বলেন, "হঠাৎ মাটি কাঁপতে শুরু করে। কম্পন ছিল খুব শক্তিশালী। সৌভাগ্যক্রমে তখন তিনি ও অন্যরা ঘরের বাইরে ছিলেন।" বাবো জানান, ভূমিকম্প শুরু হওয়ার পর মানুষ আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি করতে থাকে।

নিরাপত্তার জন্য তিনি পরিবার সদস্যদের নিয়ে পাহাড়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি জানান, তার পরিবার নিরাপদে আছে এবং কেউ আহত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূলের কাছে। এটি উপকূলীয় শহর এন্দে থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটি ছিল অগভীর, ফলে এর প্রভাব কাছাকাছি এলাকায় বেশি অনুভূত হয়েছে।

প্রধান ভূমিকম্পের পর ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি শক্তিশালী আফটার শক অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে একটি কম্পনের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। ভূমিকম্পে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা হয়নি। মাউমেরেসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ চলছে। টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া মানুষদের খুঁজছেন।

জাকার্তা থেকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পূর্বে মাউমেরে শহরের বাসিন্দা লুকাস লোটার বলেন, "হঠাৎ মাটি কাঁপতে শুরু করলে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।" ভূমিকম্পের সময় হাসপাতালের রোগীদেরও বাইরে বের করে আনা হয়। তিনি জানান, কয়েকটি ভবনের দেয়ালে ফাটল দেখতে পেয়েছেন। লোটার হাসপাতালের রোগীসেবা বিভাগের একজন কর্মকর্তা। তিনি বলেন, "ভূমিকম্পের কম্পন এতটাই শক্তিশালী ছিল যে হাসপাতালে থাকা লোকজনও নিরাপদ জায়গায় চলে যেতে বাধ্য হন।"

ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলোতে মূলত ছোট শহর ও গ্রাম রয়েছে। সেখানে উঁচু ভবনের সংখ্যা খুব কম। অনেক এলাকায় কোনো উঁচু ভবনই নেই। ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা সম্ভাব্য সুনামির সতর্কতা জারি করে। মানুষকে দ্রুত উঁচু জায়গায় চলে যেতে বলা হয়। শুরুতে সমুদ্র থেকে ৫০ সেন্টিমিটার থেকে ৩ মিটার পর্যন্ত উচ্চতার ঢেউ আসতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর সুনামির সতর্কতা তুলে নেয়া হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সতর্কতা তুলে নেওয়া হলেও সমুদ্রের পানির উচ্চতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ এলাকায় অবস্থিত। জাপান থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিস্তৃত এই এলাকায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত নিয়মিত ঘটে। তাই ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই শক্তিশালী ভূকম্প ঘটে। ফ্লোরেস দ্বীপে ১৯৯২ সালে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল। ওই ভূমিকম্পের পর সুনামি আঘাত হানে। এতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ মারা যান। দেশটির ইতিহাসে ২০০৪ সালের ভূমিকম্প ও সুনামি সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগগুলোর একটি। ওই বছর সুমাত্রার উপকূলের কাছে ৯ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর পর ভারত মহাসাগরে ভয়াবহ সুনামি আঘাত হানে। পুরো অঞ্চলে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ মারা যান। এর মধ্যে শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই মারা যান প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ। ‘বক্সিং ডে’ নামে পরিচিত ২৬ ডিসেম্বরের ওই দুর্যোগটি ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর একটি।

২০১৮ সালে ইন্দোনেশিয়ায় একাধিক ভয়াবহ ভূমিকম্প ঘটে। ওই বছর লম্বক দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর কয়েক সপ্তাহ ধরে আরো কয়েকটি ভূমিকম্প হয়। এতে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় লম্বক ও পাশের সুম্বাওয়া দ্বীপে ৫৫০ জনের বেশি মানুষ মারা যান। একই বছর সুলাওয়েসি দ্বীপের পালু এলাকায় ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর পর সুনামি আঘাত করে, ফলে ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ মারা যান বা নিখোঁজ হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন রানি মুখার্জি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন রানি মুখার্জি

ভারতীয় চলচ্চিত্রে ৩০ বছরের দীর্ঘ এবং বর্ণাঢ্য অভিনয়জীবন ও সমাজে বিভিন্ন অবদান স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন রানি মুখার্জি। এই ডিগ্রি অস্ট্রেলিয়ার লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয় তাকে প্রদান করেছে।

মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসবের (আইএফএফএম) বিশেষ মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে রানি মুখার্জির হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। তার অভিনয় দক্ষতা, শিক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন এবং শিশু কল্যাণে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই স্বীকৃতি প্রদান করে।

তিন দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘ব্ল্যাক’, ‘হিচকি’, ‘মর্দানি’ ও ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’-এর মতো একাধিক হিট ও নারীপ্রধান চলচ্চিত্রে জটিল এবং শক্তিশালী চরিত্র ফুটিয়ে তুলে তিনি সিনেমা জগতে নিজের অবস্থান মজবুত করেছেন।

আন্তর্জাতিক এই সম্মানের জন্য আবেগাপ্লুত হয়ে রানি মুখার্জি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘শুধু ভারতের একজন অভিনেত্রীকে নয়, ভারতীয় চলচ্চিত্রের মূল শক্তিকেও আপনারা আপন করে নিয়েছেন।

কিশোরী বয়সে যখন চলচ্চিত্রজগতে পা রাখি, তখন আমার সামনে কোনো নির্দিষ্ট পথনির্দেশ ছিল না। আমি শুধু নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

পর্দায় তার অভিনীত বিভিন্ন চরিত্র প্রসঙ্গে তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমার ফুটিয়ে তোলা নারী চরিত্রগুলো যে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের মন ছুঁয়ে যাবে, তা হয়তো আগে কখনও ভাবিনি।’

মেলবোর্নে রানি মুখার্জির এই সম্মাননা গ্রহণের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তার ভক্ত অনুরাগীরা অভিনন্দন ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৪ দিন পর খোলা হলো শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স, চলছে গণনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


৩৪ দিন পর খোলা হলো শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স, চলছে গণনা

সিলেটের বিশ্বখ্যাত সুফি সাধক হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর দরগাহ শরিফে ৩৪ দিন পর তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খুলে টাকা গণনা শুরু করা হয়েছে।

শনিবার সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রথমে মাজারের ডেকচি ও দানবাক্সগুলো থেকে টাকা সংগ্রহ করা হয়। পরে মসজিদের আঙিনায় এসে সবাই দেখে, এমন উন্মুক্ত স্থানে গণনা শুরু হয়। দরগাহের তিনটি ডেগ ও দুটি দানবাক্স থেকে উদ্ধার করা তিন বস্তা টাকা সেখানে ঢেলে দেওয়া হয়। বর্তমানে মাজারসংলগ্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা যৌথভাবে টাকা গণনার কাজ করছেন।

গণনা কার্যক্রম তদারকি করতে দরগাহ প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক, সিলেট নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) এবং জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা।

আর্থিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা জানান, মাজারের দান-অনুদান ব্যবস্থাপনায় শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থেই পূর্বের ন্যায় সবার সামনে প্রকাশ্যে এই টাকা গণনা করা হচ্ছে। গণনার সার্বিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়া মাত্রই প্রাপ্ত অর্থ নিয়মানুযায়ী জেলা প্রশাসকের নামে নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে।

উল্লেখ্য, সিলেট দরগাহ শরিফের দান-অনুদানের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে সম্প্রতি উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। এর আগে গত ২২ মে প্রথমবার এবং ১১ জুলাই দ্বিতীয়বারের মতো একইভাবে প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা ও শপথ গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


ফরিদপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা ও শপথ গ্রহণ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফরিদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে ২০২৭-২৮ সেশনের নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির পরিচিতি সভা, আলোচনা ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর শহরের রকিব উদ্দিন মার্কেটের তৃতীয় তলায় সংগঠনের জেলা কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) ইঞ্জিনিয়ার মারুফ শেখ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা সেক্রেটারি হাফেজ মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক (১) মোস্তফা কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক (২) মিজানুর রহমান ও প্রচার সম্পাদক মুজাহিদুর রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও কার্যকর করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে জুলাই সনদের দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রাম করা হয়েছিল, তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তাই অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, কোরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হলে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও ঘুষ বন্ধ করা সম্ভব। দেশের মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোরআন-সুন্নাহ ও ইসলামের আদর্শের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

এ সময় বক্তারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি-গ্যাস সংকট নিরসনে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভা শেষে ২০২৭-২৮ সেশনের নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতৃবৃন্দের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি কে এম আতিকুর রহমান নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

এ সময় নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতৃবৃন্দসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%