বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ পি.এম
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ডাক্তারের এপ্রোন পরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রলোভন দেখিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে শারমিন আক্তার (৩৪) নামে এক নারীকে আটক করেছেন আনসার সদস্যরা। পরে তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পারেন হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা। পরে পিসি মো. সাদেক হোসেন বাচ্চুর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় অভিযান চালায়।
অভিযানের একপর্যায়ে ৩১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ডাক্তারের এপ্রোন পরা অবস্থায় শারমিন আক্তারকে দেখতে পান আনসার সদস্যরা। তার পরিচয় ও হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি প্রথমে নিজেকে চিকিৎসক দাবি করেন। একপর্যায়ে তিনি জানান, তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, শারমিন আক্তার ডাক্তারের এপ্রোন পরে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
বিষয়টি জানতে পেরে আনসার সদস্যরা নজরদারি বাড়িয়ে তাকে আটক করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। অভিযানে অংশ নেওয়া আনসার সদস্যরা হলেন পিসি মো. সাদেক হোসেন বাচ্চু, এপিসি মো. শফিকুল ইসলাম ও আনসার মো. আকিদুল ইসলাম।
পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওই নারীকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। দালালি, প্রতারণা কিংবা রোগীদের বিভ্রান্ত করে অন্যত্র নেওয়ার মতো কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও তারা নজরদারি করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফুটবল দল বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থান করছে ফিফা আসিয়ান কাপের অংশগ্রহণের জন্য। এই টুর্নামেন্ট সম্পর্কে ভক্তদের মধ্যে অনেক প্রত্যাশা থাকলেও, দলের অন্যতম প্রধান তারকা হামজা চৌধুরী এটি দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাফুফেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই ফুটবলার বলেন, "এই টুর্নামেন্টে সুযোগ পেয়ে আমরা খুবই রোমাঞ্চিত ও সম্মানিত বোধ করছি। আমাদের চেয়ে উচ্চ র্যাঙ্কিংয়ের দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়া একটি বড় বিষয়।"
দলের লক্ষ্য সম্পর্কে হামজা চৌধুরী জানান, "আমাদের মূল লক্ষ্য যতটা সম্ভব পয়েন্ট অর্জন করা। আমরা কাউকে ভয় পাই না এবং আমরা জানি আমাদের সামর্থ্য কতটুকু। এটি আমাদের জন্য একটি শেখার প্রক্রিয়া, এখান থেকে সর্বোচ্চ অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।"
প্রতিপক্ষ দল ও সুবিধা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হামজা ইন্দোনেশিয়ার পরিবেশ, অনুশীলনের মাঠ এবং আতিথেয়তার প্রশংসা করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অন্যান্য উদীয়মান ও তরুণ খেলোয়াড়দেরও প্রশংসা করেছেন।
তিনি যোগ করেন, পুরো দলের মনোযোগ এখন শুক্রবারের ম্যাচের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে। সকল ফুটবলার ইতিবাচক মানসিকতায় আছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের হাতে আটক হয়েছে ৭ বাংলাদেশি নাগরিক, যাদের মধ্যে ২ জন নারীও রয়েছেন। তারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পাচারের সময় দালালের মাধ্যমে উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
২২ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের নলজুরি বড়ইতলা গ্রাম থেকে তাদের উদ্ধার করে আটক করা হয়। পরবর্তীতে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন- বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের মো. সাইফুল (২১), খুলনা জেলার দিগলদিয়া থানার বাগমারা গ্রামের মো. রাব্বি শিকদার (১৭), খুলনার কাজিগঞ্জ মোগলা গ্রামের মো. কাউছার (১৬), বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের মো. ওমর ফারুক (১৮), একই জেলার মোড়লগঞ্জ থানার নিশানবাড়িয়া গ্রামের মো. পারভেজ হাসান (২১), নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ভমবাগ গ্রামের শম্পা (২৪) এবং ঢাকা জেলার যাত্রাবাড়ী সুতারপুর গ্রামের মুন্নি (১৬)।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, তারা অজ্ঞাত এক দালালের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের বেতনের আশায় প্রথমে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র জাফলং এলাকায় আসেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুই নারীকে ভারতের বাসাবাড়িতে মাসিক ৫০ হাজার টাকা এবং ৫ যুবককে ভারতের বিভিন্ন কোম্পানিতে মাসিক ৩৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। পরে মিজান নামে এক ব্যক্তি তাদের নলজুরি বড়ইতলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের বাড়িতে নিয়ে আসে এবং সেখানে তারা অবৈধভাবে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশের নাগরিকদের অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নলজুরি বড়ইতলা গ্রামে অবস্থান করার বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে গোয়াইনঘাট থানার তামাবিল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তাদের পুলিশ হেফাজতে নেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক জানান, উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্যে ওই ৭ নাগরিক নলজুরি বড়ইতলা গ্রামে অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। এই চক্রের পেছনে থাকা দালালদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ 'হরমুজ প্রণালী'তে (Strait of Hormuz) একটি পণ্যবাহী জাহাজে (Cargo Vessel) ক্ষেপণাস্ত্র বা অজ্ঞাত বস্তুর আঘাত হেনেছে। এ ঘটনার ফলে জাহাজটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সৃষ্টি হয় এবং এটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাগরে ভাসতে থাকে। জানা গেছে, এই ঘটনায় অন্তত ২ জন হতাহত (আহত/নিহত) হয়েছেন।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য বিষয়ক সংস্থা ‘ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস’ (UKMTO) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, সংস্থাটি হরমুজ প্রণালীতে একটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনার জরুরি প্রতিবেদন পেয়েছে। জাহাজের সিকিউরিটি অফিসার ইউকেএমটিও-কে জানিয়েছেন যে, হঠাৎ অজানা একটি বস্তু বা প্রোজেক্টাইল এসে জাহাজটিতে সরাসরি আঘাত করে।
হামলার পরপরই জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং এটি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে ইতোমধ্যেই জাহাজের সমস্ত ক্রু সদস্যকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (Evacuated)। উদ্ধারের পর জানা যায়, ঘটনার শিকার হয়ে ২ জন হতাহত হয়েছেন।
ইউকেএমটিও তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার নেপথ্য কারণ ও সোর্স অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে এখন পর্যন্ত সাগরে কোনো ধরনের পরিবেশগত বা রাসায়নিক ক্ষতির (Environmental Impact) তথ্য পাওয়া যায়নি।
উত্তপ্ত এই আন্তর্জাতিক জলপথে চলাচলকারী সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজ ও নৌযানকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। একই সাথে যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলে অবিলম্বে ইউকেএমটিও-কে অবহিত করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আমদানি-রপ্তানি পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য, লজিস্টিকস ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাণিজ্য ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন কমিটির দশম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, পণ্য চালান, খালাসের সময় এবং ব্যয় কমানোর জন্য সরকার বিভিন্ন দপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্যে কাজ করছে। ব্যবসায়ীদের কাছে এসব উদ্যোগের সুফল পৌঁছানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।
সভায় উপস্থাপিত কার্যপত্র অনুযায়ী, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বাণিজ্য সহজীকরণ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৫৪টি পদক্ষেপের মধ্যে ৪৭টি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মধ্যে ক্যাটাগরি-এ’র ২১টি ও ক্যাটাগরি-বি’র ১৮টি বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়ন করে ডব্লিউটিওকে জানানো হয়েছে। ক্যাটাগরি-সি’র ১৫টি পদক্ষেপের মধ্যে আটটি সম্পন্ন হয়েছে, বাকি সাতটি ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বজায় রাখতে অবশিষ্ট কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার ওপর সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বাণিজ্য সংক্রান্ত সনদ, লাইসেন্স ও পারমিটের আবেদন এবং সেবাগুলো একই প্ল্যাটফর্মে আনতে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন করেছে। বর্তমানে ১৯টি সংস্থা এতে যুক্ত হয়েছে এবং আরো ১৮টি দপ্তরকে যুক্ত করার উদ্যোগ চলছে। এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো কমিশনারেট গঠনের কাজও চলছে।
এনবিআরের সদস্য ড. আল আমিন প্রামাণিক সভায় জানান, স্বয়ংক্রিয় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার বা এআরএমএসের কার্যক্রম আগামী অক্টোবরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। ঝুঁকি বিশ্লেষণ ভিত্তিক ব্যবস্থা চালু হলে পণ্য খালাস দ্রুত করার সুযোগ তৈরি হবে। অথোরাইজড ইকোনমিক অপারেটর সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ানোর জন্যও এনবিআর উদ্যোগ নিয়েছে বলে তিনি জানান।
কাস্টমস সেবায় ইতোমধ্যে পণ্য বন্দরে পৌঁছানোর আগে খালাস প্রক্রিয়া শুরু এবং অনলাইন অটো-ম্যানিফেস্ট রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ব্যবসায়ীদের শুল্ক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য ন্যাশনাল ইনকোয়ারি পয়েন্ট চালু করা হয়েছে।
সভায় পচনশীল কৃষিপণ্য রপ্তানির অবকাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে কোল্ড স্টোরেজ আধুনিকায়নের কাজ চলছে। বেনাপোলে নতুন কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের দরপত্র মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। মোংলায় ১৮ একর জমিতে কোল্ড স্টোরেজ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনের চুক্তি হয়েছে। চট্টগ্রামের দেওয়ানহাটে রপ্তানিমুখী কৃষিপণ্যের জন্য প্যাকিং হাউস ও কোল্ড চেইন স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেন, বাণিজ্য সহজীকরণ চুক্তির সব কার্যক্রম এককভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সহযোগিতায় অবশিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার চেষ্টা চলছে।
ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী একই ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রে ভিন্ন সিদ্ধান্ত কমাতে অভিন্ন কার্যপদ্ধতি ও ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর জোর দেন। এছাড়াও খাদ্যপণ্যের মান পরীক্ষা ও পরীক্ষাগার সুবিধা উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।
সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, এনবিআর, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভাটি পরিচালনা করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডব্লিউটিও) খাদিজা নাজনীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ