ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তারেক রহমানের শিক্ষা রূপকল্প ও বর্তমান সরকারের উদ্যোগের ঘোষণা


তারেক রহমানের শিক্ষা রূপকল্প ও বর্তমান সরকারের উদ্যোগের ঘোষণা

শিক্ষা একটি স্থির বা স্থবির প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি রূপান্তরকারী সামাজিক যাত্রা, যা ব্যক্তি, সমাজ এবং একটি দেশের সামগ্রিক সম্ভাবনাকে বিকশিত করে। শিক্ষকদের এই রূপান্তরের কেন্দ্রে অবস্থান রয়েছে। প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এটি শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়; বরং শিক্ষকদের অবদান, মর্যাদা, অধিকার ও কর্মপরিবেশ নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

১৯৬৬ সালে গৃহীত আইএলও-ইউনেসকোর ‘Recommendation concerning the Status of Teachers’ শিক্ষকদের অধিকার, দায়িত্ব, নিয়োগ, পেশাগত প্রস্তুতি, কর্মপরিবেশ ও মর্যাদা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণ করে। ১৯৯৭ সালে উচ্চশিক্ষার শিক্ষকদের মর্যাদা-সংক্রান্ত পৃথক সুপারিশও গৃহীত হয়। ১৯৯৪ সাল থেকে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

২০২৬ সাল বিশ্ব শিক্ষক দিবসের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ বছর ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক আইএলও-ইউনেসকো সুপারিশের ৬০তম বার্ষিকী। এবারের প্রতিপাদ্য—“Standing with teachers: 60 years of protecting the profession, advancing its status and shaping our futures”—অর্থাৎ শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো, ছয় দশক ধরে পেশাটিকে সুরক্ষা দেওয়া, এর মর্যাদা এগিয়ে নেওয়া এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণে শিক্ষকদের ভূমিকা শক্তিশালী করা।

আরও পড়ুন: একাদশ শ্রেণিতে তৃতীয় ধাপের ভর্তি আবেদন শুরু ২৬ অক্টোবর

ইউনেসকো বলছে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, অভিবাসন ও বাস্তুচ্যুতির মতো নতুন বাস্তবতা শিক্ষকতার পেশাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের পেশাগত স্বায়ত্তশাসন, সামাজিক স্বীকৃতি, বেতন, কর্মপরিবেশ ও নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও বিশ্ব শিক্ষক দিবসের তাৎপর্য বহুমাত্রিক। স্বাধীনতার পর প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, নারী শিক্ষকের অংশগ্রহণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং বিভিন্ন স্তরে অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে শিক্ষাব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তবে একই সঙ্গে শিক্ষকসংকট, প্রশিক্ষণের মান ও ধারাবাহিকতা, কর্মপরিবেশ, পেশাগত মর্যাদা, বেতন-ভাতা, গবেষণার সুযোগ এবং দুর্গম অঞ্চলে শিক্ষক ধরে রাখার মতো বিষয়গুলো এখনো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়।

এই বাস্তবতার মধ্যে ২০২৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর সরকারের শিক্ষা-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা সম্প্রসারণ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

৮ এপ্রিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী জানান, শিক্ষা খাতের ৪৩টি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ধীরে ধীরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। তিনি শিক্ষা ব্যবস্থাকে মানসম্মত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার কথা বলেন। জুলাই ২০২৬-এ তিনি আবারও জানান যে আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং শিক্ষক দক্ষতা উন্নয়নেও বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: আলীকদমের ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই

শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে শিক্ষক প্রশিক্ষণকে যুক্ত করার বিষয়টিও বর্তমান সরকারের কর্মসূচিতে গুরুত্ব পেয়েছে। ৭ জুন ২০২৬ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ১২ হাজার কলেজ শিক্ষককে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি জাতীয় কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ কর্মসূচিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল মার্কেটিং ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের মতো নতুন দক্ষতার সঙ্গে শিক্ষকদের পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে শুধু সনদ অর্জনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে দক্ষতা, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর জোর দিয়েছেন। জুন ২০২৬-এর এক বক্তব্যে তিনি চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রচলিত শিক্ষাক্রম আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬-এর মূল বার্তারও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে শিক্ষার নতুন চাহিদা পূরণ করতে শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।

বাংলাদেশের শিক্ষকসমাজের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পেশাগত মর্যাদা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা। জুলাই ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা ধীরে ধীরে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানান এবং বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে ভালো বেতন ও প্রশিক্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। তবে এসব পরিকল্পনার বাস্তবায়ন, আর্থিক সক্ষমতা, সময়সীমা এবং শিক্ষকসমাজের ওপর এর প্রকৃত প্রভাব ভবিষ্যতের বাস্তবায়ন অগ্রগতির মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যাবে।

বেসরকারি শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের তালিকায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও কার্যকর, দ্রুত ও স্বচ্ছ করা গেলে দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে শিক্ষক ও কর্মচারীদের সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার হতে পারে।

আরও পড়ুন: বুটেক্সের অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান খানের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আঞ্চলিক বৈষম্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। চরাঞ্চল, হাওর, উপকূলীয় অঞ্চল, পার্বত্য এলাকা এবং অন্যান্য দুর্গম অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ ও ধরে রাখা তুলনামূলকভাবে কঠিন। এসব অঞ্চলে শিক্ষকসংকট দূর করার পাশাপাশি নিরাপদ আবাসন, যোগাযোগ, প্রযুক্তিগত সুবিধা এবং বিশেষ প্রণোদনার বিষয়গুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন ও বাস্তুচ্যুতির প্রভাব মোকাবিলায় শিক্ষকদের ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষকের ভূমিকা শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞান প্রদান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের তথ্য যাচাই, সমালোচনামূলক চিন্তা, সৃজনশীলতা, ডিজিটাল সাক্ষরতা, নৈতিকতা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান করার সক্ষমতা গড়ে তুলতেও শিক্ষককে ভূমিকা রাখতে হচ্ছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসারের ফলে শিক্ষককে প্রযুক্তির বিকল্প হিসেবে নয়, বরং প্রযুক্তিকে শিক্ষার কার্যকর সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে সক্ষম হতে হবে। এ জন্য ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন বা সিপিডি-এর সুযোগ সম্প্রসারণ জরুরি।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও একইভাবে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শুধু ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং গবেষণা, উদ্ভাবন, নীতি বিশ্লেষণ ও জ্ঞান সৃষ্টির কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন, পানি ও খাদ্যনিরাপত্তা, নগরায়ণ, ভূ-রাজনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক অর্থনীতির মতো জটিল বিষয় মোকাবিলায় আন্তঃবিষয়ক গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক ও গবেষকদের পর্যাপ্ত গবেষণা অর্থায়ন, আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো এবং একাডেমিক স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬ তাই বাংলাদেশের সামনে কয়েকটি সুস্পষ্ট অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে। প্রথমত, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, শিক্ষকদের জন্য নিয়মিত ও যুগোপযোগী ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, শিক্ষাক্রম ও শিক্ষা-নীতি প্রণয়নে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞ শিক্ষক ও গবেষকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। চতুর্থত, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা, নিরাপদ আবাসন ও যোগাযোগ সুবিধা বিবেচনা করা দরকার। পঞ্চমত, শিক্ষক ও গবেষকদের উদ্ভাবনী কাজের জন্য প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা অনুদান এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত জবি শিক্ষার্থী নাবিলা

শিক্ষক সমাজ একটি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। প্রকৌশলী, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রশাসক, উদ্যোক্তা কিংবা শিল্পী—প্রত্যেক পেশাজীবীর জ্ঞান ও দক্ষতা গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো না কোনো শিক্ষক ভূমিকা রাখেন। তাই শিক্ষককে কেবল একটি পেশার সদস্য হিসেবে নয়, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা দরকার।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬-এর ৬০তম বার্ষিকী আমাদের সেই আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও শিক্ষকতার পেশার মর্যাদা, পেশাগত অধিকার, কর্মপরিবেশ, প্রশিক্ষণ, গবেষণার সুযোগ এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে শিক্ষা সংস্কারের কেন্দ্রে রাখা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বর্তমান সরকারের ঘোষিত শিক্ষা-সংক্রান্ত পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তার বাস্তব ফলাফল নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও ধারাবাহিকতার ওপর।

শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষা কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় বিনিয়োগ। বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬-এর মূল বার্তাও তাই—শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো, তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত করা এবং পরিবর্তনশীল ভবিষ্যতের জন্য তাঁদের প্রস্তুত করা। শিক্ষকদের সমৃদ্ধি ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার মানোন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে; আর মানসম্মত শিক্ষা একটি দক্ষ, মানবিক, উদ্ভাবনী ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত হয়ে থাকবে।

লেখক: অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চেয়ারম্যান, ফাউন্ডেশন ফর জিওইন্টেলিজেন্স পলিসি সাপোর্ট।

আরও পড়ুন: অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে : বাউবি ভিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে এলপিজি গ্যাস সংকট, অতিরিক্ত দামে বিক্রি সিলিন্ডা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২২ পি.এম


আমতলীতে এলপিজি গ্যাস সংকট, অতিরিক্ত দামে বিক্রি সিলিন্ডা
 
আমতলীতে  সংঙ্কট দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ডিলাররা এক হাজার ৮’শ টাকা দামে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছে। ওই গ্যাস সিলিন্ডার খুচরা বিক্রেতারা দুই হাজার থেকে দুই হাজার দুই’শ টাকায় বিক্রি করছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কোন তদরকি নেই বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। দ্রুত ডিন্ডিকেটেকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী তাদের।
জানাগেছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের  দাম নির্ধারণ করেছেন সরকার। খুচরা পর্যায় ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৫’শ ৯৮ টাকা বিক্রি। কিন্তু আমতলীতে একটি সিন্ডিকেট চক্র  সংঙ্কট দেখিয়ে ওই গ্যাস সিলিন্ডার দুই হাজার থেকে দুই হাজার দুই’শ টাকায় গ্যাস বিক্রি করছেন। এতে বেশ দুর্ভোগে পরছে ক্রেতারা। ক্রেতাদের অভিযোগ উপজেলা প্রশাসন গ্যাস ডিন্ডিকেটকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় তারা তাদের ইচ্ছে মাফিক অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী ক্রেতাদের।
ক্রেতা হুমায়ুন কবির বলেন, গত তিন দিন আগে তালুকদার বাজার থেকে দুই হাজার এক’’শ টাকায় ১২ কেজির এক সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল ক্রয় করেছি। সরকারী নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বোতল প্রতি ৫’শ টাকা বেশী দিয়ে ক্রয় করতে হচ্ছে।  
খুচরা বিক্রেতা আমান উল্লাহ বলেন, ডিলার ইব্রাহিম ও বাচ্চু ভ্যানগাড়ীতে করে গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। এক হাজার ৮’শ টাকা করে ওমেরা, আইগ্যাস,বিএম, সেনা ও পেট্টোম্যাক্স গ্যাসের ডিলিন্ডার ক্রয় করছি। ওই গ্যাস ৫০ টাকা বেশী দামে বিক্রি করছি। বেশী দামে কিনে বেশী দামে বিক্রি করছি।
পেট্টোমাক্স গ্যাস কোম্পানীর গ্যাস ডিলার ইব্রাহিম বলেন, এক হাজার ৮’শ টাকা করে ১২ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি করছি।
ওমেরা গ্যাস কোম্পানীর ডিলার মোঃ আতিকুর রহমান বাচ্চু বলেন, গ্যাসের তীব্র সংঙ্কট রয়েছে। মাত্র ছয়টি কোম্পানীর গ্যাসের সিলিন্ডার বাজারে সরবরাহ আছে। ওই কোম্পানীগুলো সিলিন্ডার প্রতি এক’শ ৩০ টাকা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।
বসুন্ধরা গ্যাস কোম্পানীর ডিলার মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, গত দুই মাস ধরে কোম্পানী গ্যাস সিলিন্ডার দিচ্ছে না। তাই বিক্রি বন্ধ রয়েছে।
সেনা কোম্পানীর গ্যাস ডিলার মোঃ রেজাউল বলেন, এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের বেশ সংঙ্কট রয়েছে। ২০০ বোতল গ্যাস সিলিন্ডার মংলা থেকে আনতে ১৯ হাজার টাকায় ট্রাক ভাড়া করেছি। কোম্পানীর  মুল্য ও ভাড়া মিলিয়ে গ্যাস বিক্রি করতে হবে।   
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, সরকার নির্ধারিত মুল্যেরে চেয়ে বেশী দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির সুযোগ নেই। বেশী দামে গ্যাস বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও লুট মাদারীপুর থেকে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, ফাঁসির দাবি স্বজনদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও লুট মাদারীপুর থেকে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, ফাঁসির দাবি স্বজনদের

পিরোজপুরের কাউখালীতে নিজ ঘর থেকে জেসমিন বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কথিত প্রধান আসামি মানিক হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে মাদারীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার ভবানীপুর ঘোষের হাট এলাকার মানিক হাওলাদার ঢাকায় পালানোর চেষ্টা করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে জেসমিন বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি একই গ্রামের মৃত আফজাল খানের বড় মেয়ে এবং অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মরহুম কেরামত আলীর স্ত্রী। কয়েক বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে তিনি ছোট মেয়েকে নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
ঘটনার রাতে জেসমিন বেগম বাড়িতে একাই ছিলেন। সকালে স্বজনেরা বাড়ির পেছনের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে ঘরে ঢুকে তারা আসবাবপত্র, আলমারি ও অন্যান্য আসবাবপত্র তছনছ অবস্থায় দেখতে পান এবং ঘরের মেঝেও ভেজা দেখতে পান। কোনো সাড়া না পেয়ে একটি কক্ষে জেসমিনের মরদেহ দেখতে পান তারা। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে রাতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, তাঁতি দলের নেতা মানিক হাওলাদারের সঙ্গে জেসমিনের পূর্বে ঘনিষ্ঠতা ছিল। তবে তার কাছে পাওনা প্রায় ছয় লাখ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুদিন ধরে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। নিহতের ভাই নাজির হোসেনের অভিযোগ, তার বোনকে গণধর্ষণের পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করা হয়েছে।
নিহতের মেয়ে কাকন মনি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার মাকে যারা ধর্ষণ ও নির্যাতন করে হত্যা করেছে, আমি সরকারের কাছে তাদের ফাঁসি দাবি করছি।
ঘটনার খবর পেয়ে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তাঁর নির্দেশনায় নেছারাবাদ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার প্রণয় রায় এবং কাউখালী থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সহযোগিতায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়। কাউখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবাদ আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আধুনিক প্রযুক্তি ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের সহায়তায় আসামি মানিককে গ্রেপ্তার করে সোমবার ভোরে কাউখালী থানায় নিয়ে আসে।
কাউখালী থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পিরোজপুরের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে ধর্ষণ ও হত্যার মূল কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমরা ভদ্রভাবে আন্দোলন করব, ভদ্রতা কাকে বলে দেখায় দেব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


‘আমরা ভদ্রভাবে আন্দোলন করব, ভদ্রতা কাকে বলে দেখায় দেব’

শ্রমিকরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অটোরিকশা গ্যারেজে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। সোমবার অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে একজন অটোরিকশা শ্রমিক নেতা উল্লেখ করেন, "আমরা সুশৃঙ্খলভাবে মিছিল করব, আমরা কোনো কিছু করব না। ভদ্রভাবে আন্দোলন করব, ভদ্রতা কাকে বলে দেখায় দেব।"

তিনি আরও বলেন, "এখন থেকে গাড়ি চলবে, ডাম্পিং করতে পারবে না।" এই নেতা তিন দিনের মধ্যে এক শ্রমিকের মুক্তির দাবি জানান। দাবি না মানলে পুরো ঢাকা সিটিতে আন্দোলনের হুমকি দেন তিনি।

এদিকে, রাজধানীতে সড়ক অবরোধ করেছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার পর থেকে শত শত অটোরিকশা চালক জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে দুপুরের দিকে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

এর আগে সোমবার সকাল থেকেই রিকশা গ্যারেজে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রতিবাদে রাজধানীর একাধিক সড়কে বিক্ষোভ করেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকেরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এলাকায় অসহনীয় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। অটোরিকশা না থাকায় অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

অন্যদিকে, অটোরিকশা চলাচল বন্ধ থাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্যাডেলচালিত রিকশা এবং ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকেরা ইচ্ছামতো ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদকের নতুন মামলায় শাজাহান খান ও তার ছেলে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


দুদকের নতুন মামলায় শাজাহান খান ও তার ছেলে গ্রেপ্তার

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা নতুন মামলায় সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও মাদারীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খান এবং তার ছেলে মো. আসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, শাজাহান খান ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। আজ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই মামলায়।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবীরের আদালত সোমবার (৫ অক্টোবর) এই আদেশ প্রদান করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুর রহমান বাদশাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "শাহজাহান খানের বিরুদ্ধে দুদক যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটি ফ্ল্যাটের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু সেটি ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছে এবং সেই ফ্ল্যাটের মূল্য তাদের ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে দেখানো হয়েছে। তার বৈধ সম্পদের পরিমাণ দেড় কোটি টাকা এবং ২০১২ সাল থেকে নিয়মিত ট্যাক্স প্রদান করছেন।

এদিন আদালতে শাজাহান খানকে পুলিশি পাহারায় হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালতের সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, "এনসিপিকে নিয়ে কি বলব, তারা জামায়াতের সাথে মিশে জামায়াতে ইসলামী হয়ে গেছে।"

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপপরিচালক কমলেশ মণ্ডল বাদী হয়ে ঢাকা মহানগরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, আসিবুর রহমানের নামে ৩ কোটি ৬৮ লাখ ৭৮ হাজার ৩৩ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৭ কোটি ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৭১৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৪৭ টাকা। এর বাইরে পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৫০১ টাকা।

দুদকের অনুসন্ধানে, এসব সম্পদ ও ব্যয়ের বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস এবং দায়-দেনার হিসাব পর্যালোচনা করে ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ করা হয়েছে যে, শাজাহান খান নৌপরিবহনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য থাকাকালে সরকারি দায়িত্বে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব ও আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে ছেলে আসিবুর রহমানকে ওই সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতে এখনো চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ের সম্পদ ও আয়সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধান করে মামলাটি দায়েরের সুপারিশ করা হয়েছিল। দুদকের অনুমোদনের পর ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%