ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি


বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি

টানা কয়েকদিনের অতিভারি বর্ষণের পর বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি পেতে শুরু করেছে। জেলার নিম্নাঞ্চলের পানি নামতে শুরু করেছে। শুক্রবার(১০ জুলাই) বিকালে দেখা গেছে, জেলা শহরের মেম্বারপাড়া, বালাঘাটা, কালাঘাটা, ইসলামপুর, হাফেজঘোনা, ক্যাচিংঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।

তবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে এখনো ক্ষতিগ্রস্তরা অবস্থান করছেন। জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস জানিয়েছেন, সরকারি প্রাথমিকভাবে জেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন খাদ্য শস্য বরাদ্দ দিয়েছে। একই সঙ্গে জেলার ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থা নেওয়া বাসিন্দাদের মধ্যে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও বিজিবির পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে।

এদিকে সকালে সাংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী জেলা সদরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) বান্দরবানের সাঙ্গু অববাহিকায় ১১৫ মিলিমিটার, লামায় মাতামুহুরী অববাহিকায় ১৩৭ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং নাইক্ষ্যংছড়ির বাঁকখালি অববাহিকায় ২০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আরও পড়ুন: মুফতি সনদ পাগরি গ্রহন করলেন তালাশ বিডি এর স্টাফ রিপোর্টার খায়রুল ইসলাম অশ্রুসিক্ত চোখে মাথায় সম্মানের পাগড়ি: ইলমের সুউচ্চ শিখরে মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদী

সকাল থেকে থেমে থেমে হালকা বৃষ্টিপাত হওয়ায় সাঙ্গু ও মাতামুহুরী এবং নাইক্ষ্যংছড়ির বাঁকখালি নদীতে পানি কমতে শুরু করেছে। এর ফলে লামা পৌর এলাকার প্রধান বাজার, চেয়ারম্যান পাড়া ও নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন নিচু এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।

থানচি থেকে সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, সেখানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে উপজেলার বলিপাড়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় এখনও পানি রয়ে গেছে। বান্দরবান-রোয়াংছড়ি সড়কের ময়নাতলী এলাকায় ডুবে যাওয়া বেইলী ব্রীজ থেকে এখনও পানি নামেনি। অন্যদিকে রুমা উপজেলার কয়েকটি বেইলী ব্রিজ এখনো পানির নিচে থাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে স্পেন: দে লা ফুয়েন্তে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে স্পেন: দে লা ফুয়েন্তে

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন। এই কঠিন ম্যাচের আগে স্প্যানিশ শিবির বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে মনে করেন, চলতি টুর্নামেন্টে এটি তাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা বলে বিবেচিত হচ্ছে।

স্পেনের কোচ বলেন, ‘আগামীকালের ম্যাচটি টুর্নামেন্টে আমাদের খেলা সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’ বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ স্কোয়াডের প্রশংসা করে তিনি আরও জানান যে, তাদের দলে ইউরোপের বড় বড় ক্লাবে খেলা ফুটবলাররা রয়েছেন। এই ফুটবলাররা বড় ম্যাচের চাপ মোকাবিলায় অভ্যস্ত।

চলতি বিশ্বকাপে স্পেন দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে এবং তারা কোনো গোল হজম না করে শেষ আটে গেছে। শেষ ষোলোতে অনুষ্ঠিত লড়াইয়ে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়েছে দে লা ফুয়েন্তের দল। বলের দখল, শক্তিশালী রক্ষণ এবং ধারালো আক্রমণের নিয়ে স্পেন এখন এই টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল।

বেলজিয়ামকে নিয়ে স্পেন কোচ বলেন, ‘ওরা অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দল। তাদের খেলোয়াড়রা ম্যাচ জিততে অভ্যস্ত। তাই এটিকে খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

লস অ্যাঞ্জেলেসের এই ম্যাচের জয়ী দল সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে। তবে দে লা ফুয়েন্তে এখনই ফ্রান্স নিয়ে চিন্তিত নন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘বিশ্বাস করুন, আমরা এখন শুধুই বেলজিয়াম ম্যাচ নিয়ে ভাবছি।’

স্পেনের আক্রমণভাগের মূল ভরসা বার্সেলোনার তরুণ লামিন ইয়ামাল এবং টুর্নামেন্টে ৪ গোল করা মিকেল ওয়ারজাবাল। ইয়ামাল এবার গোল না পেলেও তার ওপর কোচের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘ইয়ামাল দিন দিন আরও পরিণত হচ্ছে। পর্তুগালের বিপক্ষে ও রক্ষণেও দারুণ খেলেছে। আক্রমণভাগেও ও নিজের সেরাটা দিতে প্রস্তুত।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরাজগঞ্জে মাদকের কড়াল গ্রাসে যুবসমাজ প্রশাসনের অভিযানে এক মাসে ৪৫ জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​জহুরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


সিরাজগঞ্জে মাদকের কড়াল গ্রাসে যুবসমাজ প্রশাসনের অভিযানে এক মাসে ৪৫ জন আটক

সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ও সদর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের বিষাক্ত থাবা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজার মতো মারাত্মক সব মরণ নেশার ব্ল্যাকহোলে হারিয়ে যাচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। মাদকের এই বিষাক্ত কালো ধোঁয়া যুবসমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি বিপন্ন করে তুলছে একের পর এক পরিবারকে। বিশেষ করে মরণনেশা ইয়াবা সেবনের ফলে মাদকাসক্ত যুবকদের পরিবারগুলো মানসিকভাবে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার ১৫টি ওয়ার্ডেই মাদকের কেনাবেচা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। শুধু পৌর এলাকাই নয়, মাদক ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট এখন জাল বিছিয়েছে সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও। উপজেলার রতনকান্দি বাগবাটী ছোনগাছা খোকশাবাড়ি বহুলী শিয়ালকোল কালিয়াহরিপুর ও সয়দাবাদ ইউনিয়নের আনাচে-কানাচে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজা। সহজলভ্যতার কারণে দিন দিন মাদকাসক্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে, যার বড় একটা অংশই তরুণ ও যুবসমাজ।

সুত্রে জানা যায়, শহরতলীর কতিপয় পবিত্র স্থানের আনাচে কানাচে চলন্ত মোটরসাইকেল ও ঘাপটিমারা থাকা যুবকেরে মাদক হাত বদল হয়। সয়াধানগড়া শহীদগঞ্জ ও শাহেদনগর সিমান্তবর্তি, কাঠের পুল, পুটিয়াবাড়ি, মাহমুদপুর রেলকলোনী সয়াগোবিন্দ, স্পিনিং এন্ড কটন মিল, নয়াচর ফুলবাড়ি জানপুর ব্যাংকপাড়া ছোনগাছা ফুলকোচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাগবাটী পুনর্বাসন পিপুলবাড়িয়া, খোকশাবাড়ি ব্রাক্ষমবয়ড়া রতনকান্দির চিলগাছা ও কুড়ালিয়া কালিয়াহরিপুুরের পুনর্বাসন সয়দাবাদ পুনর্বাসনসহ ভ্রাম্যমান মাদক কারবারির দুরত্ব বেড়ে চলেছে।

মাদকের এই ভয়াবহ আগ্রাসন রোধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। যুবসমাজকে রক্ষা করতে এবং মাদকের চেইন ভেঙে দিতে ইতিমধ্যেই তারা মাঠে নেমেছেন। রাজনৈতিক মহলের পক্ষ থেকে মাদক প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী ও পৃষ্ঠপোষকদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বয়কট করার ডাক দিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।

রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সদর থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রি ও সেবনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অনেককে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদানসহ জেলহাজতে প্রেরণ করা হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান- এর সরাসরি নেতৃত্বে শহর, শহরতলী এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ে দিনরাত মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এই সাঁড়াশি অভিযানের ফলে অনেক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী ইতিমধ্যে আইনের আওতায় এসেছে এবং এই কার্যক্রম বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে।

মাদকবিরোধী এই অভিযান সম্পর্কে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন:
"মাদকের সাথে কোনো আপোস নেই। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের পরিচয় শুধুই তারা অপরাধী। এদের পক্ষে সমাজের কোনো স্তর থেকেই কোনো ধরনের তদবির বা সুপারিশ মেনে নেওয়া হবে না। যুবসমাজকে রক্ষায় এবং সিরাজগঞ্জকে মাদকমুক্ত করতে আমাদের এই সাঁড়াশি অভিযান আরও বেগবান করা হবে। তিনি বলেন - মাদক কারবাদি ও সেবনকারি মিলে ১ মাসে ৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে।


স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তবে তারা মনে করেন, কেবল পুলিশি অভিযান দিয়ে মাদক পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব নয়। এর জন্য পারিবারিক সচেতনতা, সামাজিক প্রতিরোধ এবং যুবসমাজের জন্য সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা করা জরুরি। সিরাজগঞ্জকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে প্রশাসন, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


নওগাঁয় কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

 নওগাঁর রাণীনগরের পারইল মাঝিপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে আজ এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ৯ কেজি ওজনের একটি কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার রায়হান মাঝি লিটনের বাড়ি থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ জানায়, উপজেলার পারইল মাঝিপাড়া গ্রামে মূর্তি বেচাকেনা হচ্ছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে থানা পুলিশ ওই গ্রামের রায়হান মাঝি লিটনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এই অভিযানে তার বাড়ি তল্লাশি করে একটি ঘরের খাটের নিচ থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। মূল্যবান এই মূর্তিটি কষ্টি পাথরের, যার ওজন প্রায় ৯ কেজি।

রাণীনগর থানার ওসি জাকারিয়া মন্ডল বাসস’কে জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মূর্তি বেচাকেনা চক্রের সদস্যরা পালিয়ে গেছে। পরে পুলিশ মূর্তিটি উদ্ধার করে বিকেলে থানায় নিয়ে এসেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।

তিনি এই কথা বলেছেন শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার জনমিতিক সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর করতে, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের শক্তিশালীকরণ এবং নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমাদের উন্নয়ন-অভিযাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হলো তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। সে লক্ষ্যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনাকে সমন্বিত করে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।”

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী, বিশেষ করে নবীন প্রজন্মকে দিবসটির চেতনা ধারণ ও বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান।

এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এমন একটি প্রজন্মের ওপর, যারা হবে শিক্ষিত, দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব, সুস্থ, মানবিক ও উদ্ভাবনী। তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বিকাশে রাষ্ট্রকে এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তারা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা লাভ করবে এবং নিজেদের ইচ্ছা, সক্ষমতা ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুখী পরিবার গড়ে তুলতে পারবে।

আজকের তরুণরাই তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির প্রধান শক্তি জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যেখানে প্রত্যেক তরুণ-তরুণী যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশীয় ও বৈশ্বিক শ্রমবাজারে নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হবে এবং জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত হলে তরুণরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে এবং দায়িত্বশীল পরিবার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তেও সচেতন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”

তারেক রহমান জানান, একটি উন্নত জাতি গঠনের পূর্বশর্ত হলো সুস্থ জনগোষ্ঠী। সেই লক্ষ্য অর্জনে সরকার সবার জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করা, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এ সমন্বিত প্রচেষ্টাই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি সুদৃঢ় করবে।

তবে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাল্যবিবাহ, কিশোরী মাতৃত্ব এবং অপুষ্টির মতো চ্যালেঞ্জ এখনো আমাদের তরুণ প্রজন্মের বিকাশ ও অগ্রযাত্রার পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, এসব সমস্যা শুধুমাত্র একজন কিশোরী বা একটি পরিবারের নয়; এগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পরে মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষার ধারাবাহিকতা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং জাতীয় উৎপাদনশীলতার ওপর।

এ কারণে সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানসম্মত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পুষ্টি উন্নয়ন এবং জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও সেবা জোরদারে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার দৃঢ় বিশ্বাস, প্রত্যেক তরুণ-তরুণী যদি সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে ওঠার সমান সুযোগ পায়, তবে তারাই আগামী দিনের সম্ভাবনাময়, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলকে আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রত্যেক তরুণের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা বাস্তবে বিকশিত হবে এবং একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মানবিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আমি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%