১০:২০ এম
চীনে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা ১২ নারীকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১)। এই নারীদের উচ্চ বেতনে চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রলোভনে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
উদ্ধার হওয়া নারীদের মধ্যে রয়েছেন— মেমাচি মারমা (১৫), মাংশানু মগনি (১৮), রেখা চাকমা (২৮), ক্যানচি চাকমা (২২), বিরুপতি চাকমা (২৮), পূণ্যরেখা চাকমা (২৮), চাইছাইও মার্মা (২২), কৃষ্টিনা রোয়ালময় বৈল্টুং (১৯), পুষ্পিতা চাকমা (২১), পিংকি চাকমা (১৫), ববিতা চাকমা (২৭) ও আদর্শী চাকমা (২১)।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এসআরবি-১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (অপস্ এবং মিডিয়া অফিসার) শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৮ অক্টোবর চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় এই নারীদের নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। সেই জিডির প্রেক্ষিতে ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর উত্তরার যমযম টাওয়ার-সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেমাচি মারমা ও মাংশানু মগনিকে উদ্ধার করা হয়। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাত ৮টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ভাটারা থানাধীন এল ব্লকের ৫৬ নং রোডের ২৯৪১ নম্বর বাসায় অভিযান চালিয়ে বাকি ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: মিরপুরে পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ
তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া নারী ও কিশোরীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তাদের চীনে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি উচ্চ বেতনে চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রাম থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে তাদের বৈধ ভ্রমণ-সংক্রান্ত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট ছাড়াই বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে জোর করে ওই বাসায় আটকে রাখা হয়। এ সময় তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় এবং নানা অনৈতিক কাজে জড়ানোর প্রলোভন দেখানো হয়।
উদ্ধার হওয়া নারী ও কিশোরীদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে তাদের পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনার জন্য ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার কার্যক্রম চলছে বলেও জানান এসআরবির এই কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন