রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫২ পি.এম
পাবনা সদর উপজেলায় শিশু কলি ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা এখনও মানুষের মনে দাগ কাটছে। এর মধ্যেই এবার ১১ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির আরেক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সাইফুল ইসলাম (৫০) নামের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি চায়ের দোকানে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কারিগরপাড়া গ্রামের মৃত আলম হোসেনের ছেলে। তিনি ওই বিদ্যালয়ের সামনে চা বিক্রি করতেন। শিশুটি সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল বেলায় শিশুটিকে চায়ের দোকানের ভেতরে জোরপূর্বক নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাটি দেখতে পান। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে সাইফুল ইসলাম সেখান থেকে পালিয়ে যান। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের চায়ের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেন। এছাড়া তার বাড়িঘরেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ বিষয়ে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে চায়ের দোকানের ভেতরে ধর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে।
ওসি আরো বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ওই চায়ের দোকানে আগুন দিয়েছে এবং অভিযুক্তের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য: গত ৯ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলিকে মোস্তফা প্রামানিক নামের এক মুদি দোকানি ধর্ষণের পর হত্যা করে। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর বাড়ির পাশের ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোস্তফা প্রমানিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়সিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে পাবনাবাসী ফুঁসে উঠে। অভিযুক্তের বহুতল ভবন ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশের কাছে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছেন মোস্তফা। তবে ভাড়াটিয়া কোনটিই স্বীকার করেনি। সে হত্যার পর মোস্তফাকে সহযোগীতা করেছে বলে জানিয়েছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে আরেক শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে অভিভাবকদের মনে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ১১ নম্বর গোহালাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জিএম হায়দার তালুকদার। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
জিএম হায়দার তালুকদার পেশায় একজন শিক্ষক। তিনি পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার মনাটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। তার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সরকারি বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার সুষম বণ্টন এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
জিএম হায়দার তালুকদার বলেন, একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাজ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাজ করছেন। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে গোহালাকান্দা ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করতে চান। বিশেষ করে ইউনিয়নের শিক্ষা ব্যবস্থার ধারাবাহিক উন্নয়ন ও শিক্ষার পরিবেশ আরও কার্যকর করার বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দিতে চান।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কাজ করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
এ ছাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মানুষের সমস্যা সরাসরি শুনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সরকারি সহায়তা প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
জিএম হায়দার তালুকদারের ভাষ্য, জনপ্রতিনিধি হলে দল-মত নির্বিশেষে ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চান তিনি। উন্নয়ন, শিক্ষা, নাগরিক সেবা ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে গোহালাকান্দা ইউনিয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়াই তার লক্ষ্য।
তবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের ওপর নির্ভরশীল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর ধামইরহাটে পৃথক দুটি ঘটনায় একই দিনে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার দুই ভিন্ন এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয় থানা পুলিশের দ্বারা। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মঙ্গলবাড়ি বাজার এলাকার শাহিনুর ইসলামের ছেলে আনান হোসেন (১৮) এবং দাদানপুর খয়েরবাড়ী গ্রামের জিহাদ হোসেন বাদশার স্ত্রী কবিতা খানম (২০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে আনান হোসেনের পরিবারের সদস্যরা তাকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান, যিনি মায়ের অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
একই দিনে বিকেলে কবিতা খানমের মরদেহ ঘড়ের তিরের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার পরিবারের লোকজন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
তবে প্রাথমিকভাবে দুজনের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ তদন্ত করছে যে তারা কেন গলায় ফাঁস দিয়েছেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে।
ধামইরহাট থানার ওসি মিন্টু রহমান জানিয়েছেন, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, পর্যটনকেন্দ্রের তথ্য, যাতায়াত, আবাসন ও বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে পর্যটকদের দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য প্রদান করতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা আবশ্যক।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘পর্যটন একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। রাজশাহীর রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এসব পর্যটন সম্পদকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে পর্যটকদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা আরও সহজে প্রদান করা সম্ভব হবে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘রাজশাহীর পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও সম্পৃক্ত করতে হবে। পর্যটনকেন্দ্রগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত সেবা দেওয়ার মাধ্যমে রাজশাহীকে আরও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।’
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
এতে জেলা প্রশাসন, পর্যটন-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, পুলিশসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) এ.টি.এম. মাইনুল ইসলাম এবং টুরিস্ট পুলিশ রাজশাহী রিজিয়নের পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) চন্দন চন্দ্র সরকার। এতে সভাপতিত্ব করেন পর্যটন মোটেল, রাজশাহীর ইউনিট ব্যবস্থাপক মোহা. রবিউল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী পেস্টিসাইড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় ৭টায় রাজশাহী নগরীর বারো রাস্তার মোড়, ছোটবন গ্রাম নেক্সাস চাইনিজ রেস্টুরেন্টের সম্মেলন কক্ষে একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন মো: ওসমান গনি, যিনি সিগনেচার ক্রপ সাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: নূরুল ইসলাম, যিনি যমুনা ক্রপ কেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সভায় সকল সম্মানিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী দুই বছরের জন্য ২১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কৃষিবীদ এস. এম. মাহফুজ সোবহান (আদিল), যিনি জান্নাত এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো: মজিবুর রহমান, যিনি হিমালয় এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ শামসুল আলম, যিনি এগ্রো ফেন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সমন্বয়ক মো: ফিরোজ কবির, যিনি গ্রিনফিল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সহ-সভাপতি মো: সেরাজুল ইসলাম, যিনি এন এস এগ্রোকেমিক্যালসের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, যিনি রিজেন্ট এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আব্দুল মালেক, যিনি উত্তরা এগ্রো কেমিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দায়িত্ব পালন করবেন। প্রচার সম্পাদক হিসেবে আছেন মোঃ নাসিরুল ইসলাম, যিনি রাজা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো: নজিরুল ইসলাম, যিনি গুড লাক এগ্রো কেয়ারের সাথে যুক্ত।
নির্বাচিত সভাপতি জানান, রাজশাহীতে সকল বৈধ বালাইনাশক কোম্পানির স্বার্থরক্ষা, ভেজালমুক্ত বালাইনাশক নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের সেবায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ