ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেত্রকোনায় ৭২ বোতল ভারতীয় মদসহ যুবক আব্দুল খালেক আটক


নেত্রকোনায় ৭২ বোতল ভারতীয় মদসহ যুবক আব্দুল খালেক আটক

নেত্রকোনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পরিচালিত অভিযানে মো. আব্দুল খালেক (২৩) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে, যার কাছে ৭২ বোতল ভারতীয় বিলাতি মদ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর পিডিবি পাওয়ার গ্রিডের সাকুয়া-সনুরা সড়কে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃত আব্দুল খালেক কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের ফারুক হোসেনের পুত্র।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৭২ বোতল ভারতীয় বিলাতি মদ এবং মদ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত ১টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ তাকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: নেছারাবাদের সমুদয়কাঠী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা মনিরের

এ ঘটনার পর, আটক আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে নেত্রকোনা সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি কঠিন, চাপ অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কো রুবিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ এম


ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি কঠিন, চাপ অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কো রুবিও

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন। তিনি উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখবে। অন্যদিকে, ইরান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখবে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে রুবিও জানান, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হামলা বন্ধ করতে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের শর্ত মেনে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান ও কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আমরা নিশ্চিত করতে চাই, ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।"

হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। ফলে সেখানে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও হরমুজ প্রণালি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এসব বিষয়ে সমঝোতা না হলে সংঘাত নিরসনে অগ্রগতি কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ৫৩ অভিবাসীর মৃত্যু, পাচারকারীর ৩০ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ এম


যুক্তরাষ্ট্রে ৫৩ অভিবাসীর মৃত্যু, পাচারকারীর ৩০ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে ২০২২ সালে অভিবাসী পাচারের ঘটনায় ৫৩ জনের মৃত্যু ঘটানোর জন্য এক গুয়াতেমালার নাগরিককে ৩০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এই রায় ঘোষণা করা হয়। ৩৯ বছর বয়সী রিগোবার্তো রোমান মিরান্ডা-ওরোজকোকে ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে এই সাজা দেওয়া হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী পাচারের অন্যতম ভয়াবহ ঘটনা। মিরান্ডা-ওরোজকো স্বীকার করেছেন যে, এই ঘটনায় নিহত দুজন এবং গুরুতর আহত একজনের যাতায়াত ও থাকার ব্যবস্থা করতে তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন।

২০২২ সালের জুন মাসে, মেক্সিকো সীমান্তের শহর লারেডো থেকে টেক্সাসের সান আন্তোনিও যাওয়ার পথে একটি পণ্যবাহী ট্রাকের আবদ্ধ পেছনের অংশে অভিবাসীদের নেওয়া হচ্ছিল। প্রায় তিন ঘণ্টার ওই যাত্রায় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ট্রাকটির শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বিকল হয়ে যায়। ফলে ভেতরে থাকা মানুষজন ঠান্ডা বাতাস থেকে বঞ্চিত হন।

পরে সান আন্তোনিওর একটি নির্জন সড়কের পাশে পরিত্যক্ত ট্রাকটি পাওয়া যায়। ট্রাকটির ভেতর থেকে ৪৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়া ১৬ জনের মধ্যে পাঁচজন মারা যান। মোট ৫৩ জন প্রাণ হারান।

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ট্রাকের ভেতরে আটকে পড়া অভিবাসীরা গরম থেকে বাঁচতে নিজেদের পোশাক খুলে ফেলেছিলেন। ট্রাকের দেয়ালে বাইরে বের হওয়ার জন্য আঁচড় কাটার চিহ্নও পাওয়া যায়। যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী জাস্টিন সিমন্স বলেন, "জীবনের শেষ কয়েক ঘণ্টায় তাদের ভয়াবহ কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল।" নিহতদের মধ্যে ২১ জন গুয়াতেমালার নাগরিক ছিলেন।

মিরান্ডা-ওরোজকোকে ২০২৪ সালে গুয়াতেমালায় গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরের বছর তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়। চলতি বছরের জুলাই মাসে তিনি অভিবাসী পাচারের ষড়যন্ত্র, পাচারের ঘটনায় মৃত্যুর জন্য সহায়তা এবং গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় সহায়তা করার অভিযোগ স্বীকার করেন। পরে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতের বিচারক অরল্যান্ডো গার্সিয়া তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও গুয়াতেমালার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই রায় ভয়াবহ ওই ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও গুয়াতেমালায় প্রায় ২০ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে পাচারকারী চক্রের নেতা হিসেবে পরিচিত ফেলিপে ওরদুনা-তোরেসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তার প্রধান সহযোগী আরমান্দো গনজালেস-ওর্তেগার ৮৩ বছরের কারাদণ্ড হয়। ট্রাকটির চালকসহ আরও কয়েকজনের সাজা ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে।

মেক্সিকো সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টায় গত কয়েক দশকে হাজারো মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। ২০১৭ সালে সান আন্তোনিওর একটি বিপণিবিতানের পাশে রাখা ট্রাকে আটকে পড়ে ১০ জন অভিবাসীর মৃত্যু ঘটে। ২০০৩ সালেও সান আন্তোনিওর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে প্রচণ্ড গরমে একটি ট্রাকের ভেতর থেকে ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নববী শিক্ষার মাধ্যমে সুশৃঙ্খল পৃথিবী গড়ার গুরুত্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ এম


নববী শিক্ষার মাধ্যমে সুশৃঙ্খল পৃথিবী গড়ার গুরুত্ব

মহান আল্লাহ যুগে যুগে নবী ও রাসুল প্রেরণ করেছেন এই পৃথিবীকে সভ্য ও সুশৃঙ্খল করার জন্য। তাঁদের মাধ্যমে মানবজাতিকে পার্থিব ও পরকালীন জীবনের সব বিষয় শেখানো হয়েছে। এই শিক্ষার ফলে মানুষের পৃথিবীর জীবন সহজ হয়েছে এবং সৃষ্টিজগতের অন্য সবকিছুর ওপর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। আল্লামা রাগেব ইস্পাহানি (রহ.) বলেন, ‘মানবজাতির প্রতি নবীদের প্রেরণ একটি অপরিহার্য বিষয়। মানুষ কখনোই তাদের শিক্ষা থেকে অমুখাপেক্ষী হতে পারে না।’ (তাফসিরুর রাগিব : ৪/২৩২)

আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহ.) লেখেন, ‘রিসালাত মানুষের জন্য আবশ্যক ও প্রয়োজনীয় বিষয়। নবী-রাসুলদের প্রতি মানুষের প্রয়োজন অন্য সব প্রয়োজনের ঊর্ধ্বে। রিসালাত (নববী শিক্ষা) পৃথিবীর আত্মা, আলো ও প্রাণতুল্য। আত্মা, আলো ও প্রাণ ছাড়া পৃথিবীর কী-ই বা মূল্য আছে? রিসালাতের সূর্য ছাড়া পৃথিবী অন্ধকার ও অভিশপ্ত। মানুষের অন্তরে যখন রিসালাতের সূর্য উদিত হয় না, তা থেকে প্রাণশক্তি সঞ্চার করে না, তা-ও অন্ধকারে আচ্ছন্ন এবং মৃত। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মৃত ছিল, যাকে আমি পরে জীবিত করেছি এবং যাকে মানুষের মধ্যে চলার আলো দিয়েছি, সেই ব্যক্তি কি ওই ব্যক্তির মতো যে অন্ধকারে আছে এবং সেই স্থান থেকে বের হওয়ার নয়?’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১২২)

এটি মুমিনের বৈশিষ্ট্য। যে জাহালাতের অন্ধকারে মৃত ছিল আল্লাহ তাকে রিসালাতের প্রাণশক্তি ও ঈমানের আলো দ্বারা জীবিত করেছেন। তিনি তাকে এমন আলো দান করেছেন, যা নিয়ে সে মানুষের মধ্যে বিচরণ করে। অন্যদিকে অবিশ্বাসীর অন্তর মৃত ও অন্ধকারে আচ্ছন্ন। আল্লাহ কোরআনে নববী শিক্ষাকে আত্মা ও প্রাণ শব্দ দ্বারা ব্যক্ত করেছেন।

আত্মা হারিয়ে গেলে জীবন হারিয়ে যায়। তিনি বলেছেন, ‘এভাবে আমি তোমার প্রতি প্রত্যাদেশ করেছি রুহ তথা আমার নির্দেশ; তুমি জানতে না কিতাব কী এবং ঈমান কী! পক্ষান্তরে আমি তাকে করেছি আলো, যা দ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথনির্দেশ করি; তুমি তো প্রদর্শন করো কেবল সরল পথ।’ (সুরা : আশ-শুরা, আয়াত : ৫২)

এখানে আল্লাহ দুটি মৌলিক বিষয় উল্লেখ করেছেন : রুহ (আত্মা) ও নুর (জ্যোতি)। রুহ হলো জীবন ও নুর হলো জীবনের আলো। (মাজমুউল ফাতাওয়া : ১৯/৯৩)

কুফর ও শিরকে আচ্ছন্ন অবিশ্বাসীরা প্রাণহীন। যদিও তাদের ভেতর জীবাত্মা বিদ্যমান, কিন্তু তাদের ভেতর উচ্চ মর্যাদাশীল আধ্যাত্মিক জীবন অনুপস্থিত, যা মূলত ঈমান থেকে সৃষ্ট। এর মাধ্যমেই বান্দা ইহকাল ও পরকালে সাফল্য অর্জন করে। আল্লাহ নবী-রাসুলদের নিজের ও বান্দাদের মধ্যে মাধ্যম বানিয়েছেন। যেন তাঁরা মানুষকে উপকারী ও ক্ষতিকর বিষয়গুলো জানাতে পারেন, তাঁদের পার্থিব জীবন ও পরকালীন জীবনের যাত্রা ত্রুটিমুক্ত হয়। তাঁরা সবাই মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান জানিয়েছেন, তাদের এমন পথ দেখিয়েছেন, যা অনুসরণ করে তারা আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে। তাঁরা এটাও বলেছেন, আল্লাহর কাছে পৌঁছানোর পর বান্দার পুরস্কার ও পরিণতি কী হবে। সুতরাং রিসালাতের প্রতি মানুষের প্রয়োজন চিকিৎসকের কাছে রোগীর প্রয়োজন থেকেও অনেক বড়। কেননা চিকিৎসা না পাওয়ার পরিণতি হলো দেহের মৃত্যু আর রিসালাতহীনতার পরিণতি অন্তরের মৃত্যু। অন্তরের মৃত্যু হলে যে দুর্ভাগ্য আপতিত হয় তা থেকে কোনো নিষ্কৃতি নেই।

আল্লামা ইবনুল কাইয়িম জাওজি (রহ.) লেখেন, মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো রাসুলকে চেনা এবং তাঁর আনীত শিক্ষাগুলো জানা, তিনি যে সংবাদ দিয়েছেন তা সত্যায়ন করা, তাঁর আদেশ মান্য করা। রাসুলের আনুগত্য করা ছাড়া দুনিয়া ও আখিরাতে সাফল্যের কোনো পথ নেই। তাঁদের শিক্ষা ছাড়া ভালো ও মন্দের বিস্তারিত পরিচয় নির্ণয় করাও সম্ভব নয়। তাঁদের পথে চলা ছাড়া আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব নয়। উত্তম কথা, কাজ ও চরিত্রের দিশা শুধু তাঁদের কাছেই পাওয়া যায়। তাঁদের কথা, কাজ ও চরিত্র অন্যদের কথা, কাজ ও চরিত্রের মাপকাঠি। তাঁদের আনুগত্যের মাধ্যমেই বান্দা বিভ্রান্তির পথ থেকে হেদায়েতের পথে চালিত হয়। তাঁদের প্রয়োজনীয়তা দেহের জন্য প্রাণের, চোখের জন্য জ্যোতির, আত্মার জন্য প্রাণের প্রয়োজনীয়তা থেকেও বেশি। (জাদুল মাআদ : ১/৪০)

মুহাম্মদ রশিদ রেজা বলেন, ‘বর্তমান যুগে মানবজাতিকে রক্ষার একমাত্র পথ মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর প্রেরিত ওহির ওপর দৃঢ় থাকা, যা মানবজাতিকে একত্রকারী, যা আত্মাকে পবিত্রকারী, যে মানব প্রকৃতিকে পূর্ণতা দানকারী। আর এটাই দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য।’ (আল ওয়াহইয়ুল মুহাম্মাদি, পৃষ্ঠা-৩৬)

আল্লাহ সবাইকে নববী শিক্ষার অনুসারী করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যান সিটির আর্থিক হিসাবের অনিয়ম নিয়ে তদন্ত করছে যুক্তরাজ্যের অডিট বিভাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ এম


ম্যান সিটির আর্থিক হিসাবের অনিয়ম নিয়ে তদন্ত করছে যুক্তরাজ্যের অডিট বিভাগ

ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক হিসাবের অনিয়ম সংক্রান্ত বিষয়ে অনুসন্ধান পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে যুক্তরাজ্যের অডিট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

হাউস অব কমন্সের বিজনেস সিলেক্ট কমিটিকে পাঠানো এক চিঠিতে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) জানিয়েছে, তারা ৩০ সেপ্টেম্বর ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইন ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস (আইসিএইডব্লিউ)-এর কাছ থেকে মামলাটির "নিয়ন্ত্রক বিবেচনা" গ্রহণ করেছে।

এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়নি, তবে এফআরসি বিষয়টি নিয়ে একটি প্রাথমিক অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

পূর্বে একটি স্বাধীন কমিশন ম্যানচেস্টার সিটিকে ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল ক্লাবের আর্থিক অবস্থাকে ৯০০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি বাড়িয়ে দেখানোর বিষয়টি। তবে সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে সিটি।

এফআরসির কাছে বিস্তৃত ক্ষমতা রয়েছে। যদি তারা কোনো অনিয়মের প্রমাণ পায়, তাহলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার তাদের রয়েছে। সাধারণত তালিকাভুক্ত বড় কোম্পানির হিসাবমান তদারকি করলেও ফুটবল ক্লাব নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য তুলনামূলকভাবে অস্বাভাবিক।

এফআরসি ম্যানচেস্টার সিটির অডিটর বিডিও-এর কার্যক্রমও খতিয়ে দেখতে পারে, যাতে তাদের অডিটিং প্রক্রিয়া নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে কি না তা যাচাই করা যায়।

শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, যদি তারা পেশাদার হিসাববিদ সংগঠনের সদস্য হন, তাহলে এতিহাদ ক্লাবের পরিচালক বা কর্মীদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা রয়েছে সংস্থাটির।

যুক্তরাজ্যের পঞ্চম বৃহত্তম অ্যাকাউন্টিং প্রতিষ্ঠান বিডিও দাবি করেছে, ফুটবল খাতে তারা বাজারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এবং অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের তুলনায় বেশি প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নশিপ ক্লাবকে পরামর্শ দেয়।

স্বাধীন কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্লাবে শেয়ারহোল্ডারদের অর্থায়নের প্রকৃত উৎস গোপন রাখতে ব্যবহৃত ব্যবস্থার বিষয়ে ম্যানচেস্টার সিটি তাদের অডিটরদের কাছে "বিভ্রান্তিকর ধারণা" দিয়েছিল। কমিশনের মতে, অডিটররা ওই ব্যবস্থার ব্যাপারে "অবগত ছিলেন না"।

ম্যানচেস্টার সিটি জানিয়েছে, তারা কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবে। ক্লাবটির দাবি, রায়টিতে আইন, নীতি ও বাস্তব তথ্যগত দিক থেকে "গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি" রয়েছে এবং এটি নির্ভরযোগ্য নয়।

বিজনেস সিলেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান লিয়াম বায়র্ন এ ধরনের মামলায় এফআরসির ক্ষমতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, "নিয়ন্ত্রকের চিঠি দেখিয়ে দিচ্ছে, ক্লাব থেকে প্রমাণ আদায় এবং তাদের শৃঙ্খলামূলক বিধির বাইরে থাকা পরিচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের ক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে।

এর ফলে কোম্পানি ও পরিচালকদের জবাবদিহির আওতায় আনতে বিদ্যমান ক্ষমতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।

এই ঘাটতি দূর করার জন্য প্রস্তাবিত সংস্কার কেন বাতিল করা হয়েছে, তা ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব সরকারের। একই সঙ্গে জবাবদিহি জোরদারে এখন কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেটিও স্পষ্ট করতে হবে।

এদিকে বিডিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%