শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২০ পি.এম
বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের পরপরই অভিযান চালিয়ে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর নগরীর কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামের সামনে থেকে ‘দেশ বাঁচাতে প্রয়োজন শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন’ লেখা ব্যানার নিয়ে মিছিল বের করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলকারীরা সংগঠিতভাবে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেন। এ সময় তাদের মুখে ‘ঘরে ঘরে বলে দে, শেখ হাসিনা আসছে’সহ বিভিন্ন স্লোগান শোনা যায়।
মিছিলের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মিছিল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুইজনকে আটক করা হয়। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মিছিলে ব্যবহৃত ব্যানারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান খান নিখিলের ছবি দেখা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিছিলটি বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের নির্দেশে আয়োজন করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
আটক ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয়, মিছিলের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা এবং ভূমিকা যাচাই করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ জানিয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কোনো ধরনের কার্যক্রম কিংবা জনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কর্মসূচির বিরুদ্ধে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল মহানগরীর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার ১৯তম কারা মুক্তি দিবস উপলক্ষে আজ সাতক্ষীরায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই দোয়া মাহফিলটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে শুক্রবার সকাল ১০টায় জেলা আইনজীবী সমিতির নীচতলার হলরুমে আয়োজন করা হয়।
আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের আহ্বায়ক অ্যাড. মো. আকবর আলী। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন সদস্য সচিব অ্যাড. মো. নুরুল আমিন। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন অ্যাড. মোস্তফা জামান, অ্যাড. শহিদ হাসান, অ্যাড. ই. জে. সাহরিয়ার হাসিব, অ্যাড. সরদার সাইফ, অ্যাড. মিজানুর রহমান বাপ্পি, অ্যাড সাইফুল ইসলাম সোহেল, অ্যাড. মনোয়ারা পারভীন, অ্যাড. মাকফুর রহমান, অ্যাড. সুনীল কুমার ঘোষ, অ্যাড. আব্দুস সামাদ, অ্যাড. সোহরাব হোসেন বাবলু, অ্যাড. জাফরুল্লাহ, অ্যাড রফিকুল ইসলাম খোকন, অ্যাড. জিয়াউর রহমান জিয়া এবং শতাধিক আইনজীবী।
বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের সদস্য সচিব অ্যাড. নুরুল আমিন।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ এক বছর কারাবাসের পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি মুক্তি পান। এরপর থেকে বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে দিনটি ‘কারামুক্তি দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৪৬৬টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণ হিসেবে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে, স্থানীয় পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায়, প্রত্যেক পরিবারকে ১৫ কেজি করে মোট ১১ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়। এর পাশাপাশি, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য খাবার স্যালাইন, সুপেয় পানি ও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, উজানের ঢল ও পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী চর ও নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার চলমান মাঠ জরিবের সরকার নির্ধারিত পূর্বের সীমানার প্রায় ৫০০ মিটার ভেতরে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার নতুন সীমানা ফলক স্থাপন করার প্রচেষ্টার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, পূর্বের সীমানা ফলক এবং চলমান জরিপের নির্ধারিত নতুন সীমানা উপেক্ষা করে তাঁরা নতুন করে সীমানা নির্ধারণ করছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা না করেই সীমানা নির্ধারণের ফলক স্থাপন করার চেষ্টা চলছে।
বিষয়টি নিয়ে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় শতাধিক বাসিন্দা ও ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের প্রচলিত সীমানা এবং আগে স্থাপন করা সীমানা ফলককে পাশ কাটিয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলার ভেতরে গিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার নতুন সীমানা ফলক নির্মাণ করা হচ্ছে। সরকারি নথিতে দুই উপজেলার সীমানা নির্ধারিত থাকার পরও কীভাবে সেই সীমানার প্রায় ৫০০ মিটার ভেতরে গিয়ে নতুন করে পলাশবাড়ীর সীমানা নির্ধারণ করা হচ্ছে, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি, ঘোড়াঘাট-পলাশবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের করতোয়া নদীর ওপর নির্মিত সেতু-সংলগ্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সেতু পার হওয়ার আনুমানিক ১০০ মিটার পূর্ব দিকে ঘোড়াঘাট উপজেলা শেষ হয়ে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা শুরু। স্থানীয়দের দেখানো তথ্য অনুযায়ী, সেখানে আগে থেকেই একটি পুরোনো সীমানা ফলক রয়েছে। এতদিন সেটিই দুই জেলা ও উপজেলার সীমানা নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
ওয়ার্ডটির সাবেক ঘোড়াঘাট পৌর কাউন্সিলর আব্দুল মমিন বলেন, ‘আগে থেকেই দুই উপজেলার সীমানা নির্ধারিত রয়েছে। এরপরও কাউকে না জানিয়ে পুরোনো সীমানা ফলক না মেনে পৌরশহরের প্রায় ৫০০ মিটার ভেতরে নতুন করে সীমানা ফলক তৈরি করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরোনো সীমানা ফলক অনুযায়ী করতোয়া সেতু, সেতুর ওপারে একটি শ্মশানঘাট এবং সড়কের পাশের কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ঘোড়াঘাট পৌরসভার মধ্যে রয়েছে। কিন্তু নতুন সীমানা ফলক কার্যকর হলে সেতু, শ্মশানঘাট, কয়েকটি রেস্টুরেন্ট এবং সেতুর এ পাশের কয়েকটি বসতবাড়িও পলাশবাড়ী উপজেলার সীমানার মধ্যে পড়ে যাবে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।’
ঘোড়াঘাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ বলেন, ‘পূর্বের সীমানা ফলককে মাথায় রেখে প্রশাসনিক সীমানাসংক্রান্ত নথি, মৌজা ম্যাপ ও ভূমি রেকর্ড পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হবে।’
ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন বলেন, ‘সহকারী কমিশনার (ভূমি)সহ সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানাব। আশা করছি, এর একটি সুষ্ঠু সমাধান হবে।’
পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের আপত্তি রয়েছে শুনেছি। সবার সঙ্গে আলোচনা করে এর কোনো সমাধান করা যায় কি না, তা দেখা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু স্থাপনাটি ইতোমধ্যে দাঁড়িয়ে গেছে, তাই অর্থের অপচয় না করে এক পাশে ‘স্বাগতম ঘোড়াঘাট’ এবং অন্য পাশে ‘স্বাগতম পলাশবাড়ী’ লেখা যায় কি না, সে বিষয়েও সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। স্থানীয়রা না চাইলে সেটিও করা হবে না।’
এদিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা, বিষয়টি দ্রুত পরিষ্কার না করা হলে ভবিষ্যতে শুধু সীমানা নিয়ে বিতর্কেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর প্রভাব পড়তে পারে জমির মালিকানা নির্ধারণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, রাজস্ব আদায়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাতক্ষীরা সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর বিশেষ অভিযানে ভারতীয় বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার এসব মালামাল সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার কুশখালি, কাঁকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি’র আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত থেকে জব্দ করা হয়। জব্দের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কসমেটিক্স, জিরা, কাজুবাদাম ও মদ।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুশখালি বিওপি’র বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চৌরঙ্গী নামক স্থান থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে। একইভাবে, কাঁকডাঙ্গা বিওপি’র বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালি নামক স্থান থেকে ভারতীয় মদ জব্দ করেছে।
এছাড়া, মাদরা বিওপি’র বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার বারেকের মোড় নামক স্থান থেকে ভারতীয় কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম জব্দ করে।
জব্দ মালামালের মোট বাজার মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭৮ টাকা। তবে, বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা কারবারিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেয়া হয়েছে। এছাড়া, মাদকদ্রব্যসমূহ সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরী করে পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধংসের জন্য বিজিবি ষ্টোরে জমা রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ