মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৩ এম
বিশ্বের প্রবাসী বাংলাদেশী চিকিৎসকদের বৃহত্তম সংগঠন ফেরাডেশান ওব বাংলাদেশ মেডিকেল সোটাইসিজ অব অস্ট্রেলিয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে, যাতে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় আসা অভিবাসী চিকিৎসকদের সহযোগিতা আরও সহজ এবং সমন্বিতভাবে করা যায়।
এই ঘোষণা সিডনিতে অনুষ্ঠিত দুইদিনব্যাপী বার্ষিক কনভেনশান ও সাইনটিফিক সিজপোজিয়ের সমাপনী দিনে দেওয়া হয়।
অস্ট্রেলিয়ার ৬টি রাজ্য ও ২টি টেরেটোরিতে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চাহিদা বিদ্যমান। তবে এই চাহিদা পূরণের জন্য এবং বিধিসম্মতভাবে অভিবাসন গ্রহণের জন্য দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের প্রয়োজন রয়েছে। চিকিৎসকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়গুলোসহ আরও অনেক বিষয় আলোচনা হয়েছে ফেরাডেশান ওব বাংলাদেশ মেডিকেল সোটাইসিজ অব অস্ট্রেলিয়া (এফবিএমএসএ) এর বার্ষিক কনভেনশানে।
অস্ট্রেলিয়া প্রবাসীদের এই সংগঠনটি আগামীতে বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসী চিকিৎসকদের সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে।
সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় আসা চিকিৎসকদের পেশাগত অগ্রযাত্রায় সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। আয়োজকেরা নিউ সাউথ ওয়েলসের মন্ত্রী ও অস্ট্রেলিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধির কাছে হাসপাতালভিত্তিক ক্লিনিক্যাল অ্যাটাচমেন্টের সুযোগ এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বাড়াতে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ বা কোর্সের ব্যবস্থা করার জন্য বিবেচনা করার অনুরোধ জানান।
অস্ট্রেলিয়ায় ৬টি রাজ্য ও ২টি টেরেটোরিতে প্রায় এক হাজার ৮০০ চিকিৎসক বসবাস করছেন। তারা অস্ট্রেলিয়াতে গুরুত্বপূর্ণ পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে গবেষণা ও কারিগরি উন্নয়নে নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
দিনব্যাপী বৈজ্ঞানিক অধিবেশনগুলোর সমন্বয় করেন ডা. আকবর আশরাফী এবং বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের শিক্ষা সম্পাদক ডা. মিহির রায়।
জুনিয়র চিকিৎসক ও আন্তর্জাতিক মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটদের পেশাগত দিক-নির্দেশনার পাশাপাশি হরমোন ও কিডনি রোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
হৃদরোগের পরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞের কাছে রোগী পাঠানোর বিষয়েও আলোচনা করেন ডা. জামিল আহমেদ ও ডা. ময়েজুর রহমান। ক্যান্সার চিকিৎসায় ইমিউনোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে বক্তব্য রাখেন ডা. মোহাম্মদ ইসলাম।
আলঝেইমার্স রোগের চিকিৎসায় ডোনানেমাব নিয়ে আলোচনা করেন ডা. মনোয়ার হোসেন এবং রিউমাটোলজির সাম্প্রতিক অগ্রগতি তুলে ধরেন ডা. মুখলেসুর রহমান।
আরএসভি টিকাদান, হাঁপানি, ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্তকরণ, মেনোপজ ব্যবস্থাপনা এবং শিশুদের স্নায়ুবিক বিকাশজনিত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন ডা. লুতফুন্নেসা কুদ্দুস, ডা. শাহনাজ আক্তারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নিউ সাউথ ওয়েলসের মন্ত্রী জিহাদ ডিব এমপি, অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম. বুরহানউদ্দিন, অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী এবং অস্ট্রেলিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের নিউ সাউথ ওয়েলস শাখার সভাপতি ডা. ফ্রেড বেট্রোস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বাংলাদেশ থেকে যোগ দেন। তিনি অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশি চিকিৎসকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবা এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর চিকিৎসাশিক্ষায় তাঁদের অবদান রাখার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রশিক্ষণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থায় প্রবাসী চিকিৎসকদের আরও সম্পৃক্ত করার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের আতিথেয়তায় ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর পেনরিথের ওয়েস্টার্ন সিডনি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত দুই দিনের এই আয়োজন চিকিৎসাবিজ্ঞানের জ্ঞানচর্চা, পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারিবারিক মিলনমেলার এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
উল্লেখ্য, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও নৈশভোজের মাধ্যমে সম্মেলনের সূচনা হয়। চিকিৎসক, তাদের পরিবারের সদস্য এবং সন্তানদের অংশগ্রহণে সংগীত ও নানা পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা শিল্পী ও কলাকুশলীদের পরিবেশনার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী নকীব খানের মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশনা ছিল সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ। ছয় শতাধিক চিকিৎসক ও তাদের পরিবার-পরিজন এই সাংস্কৃতিক আয়োজন উপভোগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার জামালপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের সহায়তায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা বাধা প্রদান করলে, এই পুশইনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে বিএসএফ সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে নদীপথে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
এটি ঘটে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামালপুর সীমান্তের জিরো লাইনে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১৫২/১০-এস থেকে আনুমানিক ১২০ গজ দূরে বিএসএফের ১৪৬ ব্যাটালিয়নের নার্সারিপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা জোরপূর্বক ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয়রা লক্ষ্য করে জামালপুর বিওপির বিজিবি সদস্যদের অবহিত করেন।
খবর পাওয়ার পর জামালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিজিবি সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় সীমান্তে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেন। বিজিবির পক্ষ থেকে বাধা ও প্রতিরোধ সৃষ্টি করা হলে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। একপর্যায়ে, বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে নদীপথে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
ঘটনার পর সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, "সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের চেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও পেশাদার অবস্থানে রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির উদ্যোক্তা, পেশাজীবী এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একটি সংলাপ করেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালির নিকটবর্তী স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সেডার হলে স্থানীয় সময় রোববার ‘বাংলাদেশ-সিলিকন ভ্যালি প্রযুক্তি সংলাপ’ আয়োজন করে লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল।
এ তথ্য সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যাওয়া প্রতিনিধি দলের একটি অংশ ওই সংলাপে অংশগ্রহণ করে।
সংলাপের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ সরকার আর্থিক নীতি, বিনিয়োগ পরিকল্পনা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প ও দক্ষ কর্মসংস্থানকে কীভাবে সমর্থন দিতে পারে, তা মূল্যায়ন করবে।
তিনি অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আহ্বান জানান সম্ভাব্য প্রকল্প, দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক সহযোগী এবং স্পষ্ট পদক্ষেপ নির্ধারণ করার জন্য। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা জোর দেন যে, যে কোনো সহযোগিতা যেন জনসেবার উন্নতি ঘটায় এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে।
সংলাপে বাংলাদেশের জন্য এআই প্রযুক্তির বিষয়ে উপস্থাপনা করেন টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-চ্যাম্পেইনের সহকারী অধ্যাপক শরীফা সুলতানা, উবারের প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম এবং এনভিডিয়ার গবেষক মোস্তফা পাটওয়ারি।
গ্লোবালফাউন্ড্রির মাহবুব রাশেদ সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং এর ইকোসিস্টেম উন্নয়ন নিয়ে উপস্থাপনা করেন।
সংলাপে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেয়ার অধ্যাপক সাইফ ইসলামের সঞ্চালনায় ‘মেধা, প্রযুক্তি ও পুঁজির’ ওপর একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এই প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ক্রেডো সেমিকন্ডাক্টরের শাতিল হক, এক্সোর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ইউসুফ হক, ইনটেলের সাবেক বোর্ড চেয়ারম্যান ওমর ইশরাক, উল্কাসেমির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান এবং ক্লাউডএআই-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা বদরুল সরকার।
সংলাপে বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশি পেশাজীবীদের অর্জনের কথা তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি তাদের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কূটনীতি। এর কেন্দ্রে রয়েছে প্রযুক্তি স্থানান্তর, জনশক্তির উন্নয়ন এবং বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা ও উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন।
সংলাপে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আরিফুল ইসলাম এবং লস এঞ্জেলসে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল কাজী মুহাম্মদ জাবেদ ইকবাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বানারীপাড়ায় উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্দ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামীলীগের দেশকে পরিকল্পিত ভাবে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষ্যে বানারীপাড়া ডাকবাংলো মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফেরিঘাট গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব মো: রিয়াজ আহমেদ মৃধা। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: সাইদুল ইসলাম, সদস্য সচিব মো: তোফায়েল আহমেদ,যুগ্ন আহবায়ক রাজু লস্কর, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক আব্দল্লাহ আল নোমান রাজু, রফিকুল ইসলাম, মাহমুদ হোসেন,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইলিয়াস কাঞ্চন,মো::সাঈদ, সৈকত সরদার,জিয়া রাঢ়ী, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।বিক্ষোভ মিছিল শেষে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: সাইদুল ইসলামের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল জেলার বানারীপাড়ার শিক্ষা ও ঐতিহ্যের জনপদ চাখারে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় দুটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো ‘চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়’ এবং ‘চাখার ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়’।
২৮ সেপ্টেম্বর(সোমবার) সকাল ১০টায় চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এবং পরবর্তীতে দুপুর ১২টায় চাখার ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এই পরিচিতি সভা ও বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ ছাব্বির হোসেন সুমন হাওলাদার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলী আজিম এবং চাখার ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোর্শেদ, বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আহসান কবির নান্না হাওলাদার, চাখার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন মল্লিক, চাখার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিবুল হক, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মোঃ রিয়াজ ফকিরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম এবং চাখার ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি জহিরুল ইসলাম রাসেল'কে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। স্ব- স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সভাপতিদ্বয়কে এবং আগত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা উপমহাদেশে শিক্ষার প্রসারে শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের কালজয়ী অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। নবনির্বাচিত সভাপতিদ্বয় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে এবং অবকাঠামোগত বিকাশে আন্তরিকভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, "শেরে বাংলার স্মৃতিধন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলোর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে হবে। শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আরও ভালো করার লক্ষ্যে শিক্ষক, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটিকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।" তিনি শিক্ষকদের আরও মনোযোগের সাথে পাঠদানের পরামর্শ দেন এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানটি স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। নতুন কমিটির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠান দুটি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে সকলে আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ