ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বানারীপাড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত


বানারীপাড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

বানারীপাড়ায় উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্দ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামীলীগের দেশকে পরিকল্পিত ভাবে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষ্যে বানারীপাড়া ডাকবাংলো মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফেরিঘাট গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব মো: রিয়াজ আহমেদ মৃধা। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: সাইদুল ইসলাম, সদস্য সচিব মো: তোফায়েল আহমেদ,যুগ্ন আহবায়ক রাজু লস্কর, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক আব্দল্লাহ আল নোমান রাজু, রফিকুল ইসলাম, মাহমুদ হোসেন,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইলিয়াস কাঞ্চন,মো::সাঈদ, সৈকত সরদার,জিয়া রাঢ়ী, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।বিক্ষোভ মিছিল শেষে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: সাইদুল ইসলামের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল ও ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হুমায়ুন কবির ,​বানারীপাড়া প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ এম


চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল ও ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

বরিশাল জেলার বানারীপাড়ার শিক্ষা ও ঐতিহ্যের জনপদ চাখারে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় দুটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো ‘চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়’ এবং ‘চাখার ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়’।

২৮ সেপ্টেম্বর(সোমবার) সকাল ১০টায় চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এবং পরবর্তীতে দুপুর ১২টায় চাখার ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এই পরিচিতি সভা ও বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ ছাব্বির হোসেন সুমন হাওলাদার।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলী আজিম এবং চাখার ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোর্শেদ, বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আহসান কবির নান্না হাওলাদার, চাখার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন মল্লিক, চাখার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিবুল হক, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মোঃ রিয়াজ ফকিরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে চাখার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম এবং চাখার ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি জহিরুল ইসলাম রাসেল'কে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। স্ব- স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সভাপতিদ্বয়কে এবং আগত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা উপমহাদেশে শিক্ষার প্রসারে শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের কালজয়ী অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। নবনির্বাচিত সভাপতিদ্বয় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে এবং অবকাঠামোগত বিকাশে আন্তরিকভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, "শেরে বাংলার স্মৃতিধন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলোর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে হবে। শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আরও ভালো করার লক্ষ্যে শিক্ষক, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটিকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।" তিনি শিক্ষকদের আরও মনোযোগের সাথে পাঠদানের পরামর্শ দেন এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানটি স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। নতুন কমিটির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠান দুটি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে সকলে আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যক্ষসহ ২০ জন ৪৮ ঘণ্টা অবরুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪২ এম


সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যক্ষসহ ২০ জন ৪৮ ঘণ্টা অবরুদ্ধ

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থেকে মুক্তি এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যাওয়ার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলেজের প্রশাসনিক ভবনে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন বদলি হওয়া অধ্যক্ষ, ১৪ জন শিক্ষক এবং ৬-৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মোট অন্তত ২০ জন।

দীর্ঘ সময় ধরে অবরুদ্ধ থাকার কারণে চরম দুর্ভোগের কথা জানিয়ে সোমবার রাত ৯টায় কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহযোগী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, "বড় কষ্টে আছি আমরা। এক কাপড়েই দুই দিন কেটে গেল অবরুদ্ধ অবস্থায়। জানালা দিয়ে শিক্ষার্থীরা কিছু খাবার দিচ্ছে, সেসব খেয়েই কোনোমতে বেঁচে আছি। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কারও কোনো আহ্বান বা অনুরোধে সাড়া দিচ্ছে না।"

২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তিনটি বিভাগ—তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক, পুরকৌশল এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানাচ্ছেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকার কারণে তাদের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির মান ও স্বকীয়তা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাই তারা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির মর্যাদা রক্ষায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা, ল্যাব ও ক্লাশসহ সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুরো ক্যাম্পাস শাটডাউনও থাকবে।

এদিকে আন্দোলনের মধ্যে গত রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামানকে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বদলি করা হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাহিদ ইকবালকে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

আন্দোলনরত চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, "আমরা সরকারের এই বদলির আদেশ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছি। মূল দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবরুদ্ধ বদলি করা অধ্যক্ষকে যেমন ক্যাম্পাস থেকে বের হতে দেওয়া হবে না, তেমনি নতুন পদায়িত অধ্যক্ষকেও ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না।"

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসন ও শিক্ষকদের মুক্ত করতে সোমবার রাতে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সিলেটের জেলা প্রশাসক, সিসিকের প্রশাসক, জেলা পুলিশ, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ১০ সদস্যের আন্দোলনরত শিক্ষার্থী প্রতিনিধি দলও অংশগ্রহণ করে।

বৈঠকে শিক্ষকদের দুই দিন ধরে চলা অবরুদ্ধ অবস্থা অবসানের অনুরোধ জানানো হয়। তবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা বা সুরাহা হয়নি।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী যুগান্তরকে জানিয়েছেন, "জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বৈঠকে যা সিদ্ধান্ত নিলাম, তা কলেজে গিয়ে বলতে বলা হলো। সেখানে গিয়ে বলার পর তারা সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এখন বলছে, বিদায়ী অধ্যক্ষকেও যেতে দেবে না, নতুন অধ্যক্ষকেও আসতে দেবে না। ফলে সমাধান আর হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার সুখবর, বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ এম


মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার সুখবর, বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু

কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে গেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার সুপরিচিত সুপারমার্কেট চেইন এনএসকে ট্রেড সিটির চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ২৮ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়ন করেছে। এই বিষয়টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি গুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেড (আরএল-২০৬৮) নিশ্চিত করেছে।

এই সত্যায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম আবার শুরু হলো। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই বাজারটি চালু হওয়ায় বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে।

২০২৪ সালের ৩১ মে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী প্রবেশের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। কর্মী নিয়োগে অনিয়ম, অতিরিক্ত ব্যয় ও বিভিন্ন অভিযোগের কারণে মালয়েশিয়া সরকার ওই সময় নতুন কর্মী প্রবেশ বন্ধ করে।

দীর্ঘ আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার পর ফের বাজার খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর বৈদেশিক কর্মসংস্থান নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বন্ধ ও সংকুচিত শ্রমবাজারগুলো পুনরায় উন্মুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তার প্রথম বিদেশ সফর ছিল মালয়েশিয়ায়। সফরকালে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ পুনরায় শুরুর বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পথ আবার উন্মুক্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত দুই দেশের কোনো পক্ষ থেকেই নতুন করে শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

শ্রমবাজার খুললেও এবার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন কি না স্বচ্ছ ও নিরাপদ ব্যবস্থায়। নাকি তথ্যের ঘাটতি ও প্রক্রিয়ার জটিলতার সুযোগে আবারও সক্রিয় হবে দালাল, মধ্যস্বত্বভোগী ও কথিত সিন্ডিকেট?

মালয়েশিয়া সরকার প্রায় এক মাস আগে বাংলাদেশসহ বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া ও ধাপ প্রকাশ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সেই তথ্য যথাযথভাবে প্রচার না হওয়ায় চাকরিপ্রত্যাশীদের বড় একটি অংশ এখনো জানেন না কিভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় এবং কার মাধ্যমে তারা মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন।

এ তথ্য ঘাটতির সুযোগে কিছু রিক্রুটিং এজেন্সি, ট্রাভেল এজেন্সি, দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগী সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রচারণা, চাকরির আশ্বাস এবং দ্রুত মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে।

ফলে সরকারি তথ্যের পরিবর্তে দালালচক্রের প্রচারই অনেকের কাছে নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাউকে পাসপোর্ট জমা না দিতে, টাকা পরিশোধ না করতে এবং মেডিকেল পরীক্ষা না করাতে পরামর্শ দিয়েছে।

কিন্তু ২৮ কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়নের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হলেও এখনো কর্মী পাঠানোর পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া, সম্ভাব্য ব্যয় এবং পরবর্তী ধাপ নিয়ে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

এদিকে অতীতের অভিজ্ঞতায় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে কর্মীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এবারও বাজারে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার আলোচনা শোনা যাচ্ছে।

শ্রমবাজার সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সরকার নির্ধারিত ব্যয় এবং কর্মীদের প্রকৃত ব্যয়ের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হতে পারে।

এরই মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় বোয়েসেলের মাধ্যমে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সেটির বাস্তবায়ন দেখতে চান চাকরিপ্রত্যাশীরা।

তাদের বক্তব্য, সরকারি ব্যবস্থায় কম খরচে ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠানো নিশ্চিত করা গেলে দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমানো সম্ভব।

কর্মী পাঠানো নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। গত কয়েক বছরে নানা অভিযোগে একাধিকবার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। পরে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতায় আবার তা খুলেছে। এবারো বাজার খোলার পর পুরোনো অনিয়মের পুনরাবৃত্তি হলে ফের সংকট তৈরি হতে পারে এমন আশঙ্কা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

বাংলাদেশ সরকার স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় কর্মী নির্বাচন ও প্রেরণের জন্য ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম (ওইপি) চালু করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন ব্যবস্থায় সরকারি ডাটাবেজ ব্যবহার করে কর্মী নির্বাচন নিশ্চিত করা গেলে অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী, প্রথমে বিএমইটির ডাটাবেজ থেকে উপযুক্ত কর্মী নির্বাচন করার কথা। সেখানে উপযুক্ত কর্মী পাওয়া না গেলে সরকারের অনুমতি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কর্মী বাছাই করার বিধান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অতীতে এ বিধান পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়নি। এমনকি চাহিদাপত্র পাওয়ার আগেই কর্মী সংগ্রহ এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। ফলে নতুন করে শ্রমবাজার চালুর শুরুতেই আইনি কাঠামো ও সরকারি ডাটাবেজভিত্তিক কর্মী নির্বাচন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

এবারের শ্রমবাজার কতটা স্বচ্ছ ও নিরাপদ থাকে, তার ওপরই অনেকটা নির্ভর করবে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ। অতীতের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের দালালচক্রের হাত থেকে রক্ষা করাই এখন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার সুখবর, বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫০ এম


মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার সুখবর, বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ শুরু

কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে গেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ হাইকমিশন মালয়েশিয়ার সুপরিচিত সুপারমার্কেট চেইন এনএসকে ট্রেড সিটির চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়ন করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি গুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেড (আরএল-২০৬৮) এবং হাইকমিশন।

এই সত্যায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম আবার শুরু হলো। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া বাজারটি খোলার ফলে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৪ সালের ৩১ মে থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী প্রবেশের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। কর্মী নিয়োগে অনিয়ম, অতিরিক্ত ব্যয় ও বিভিন্ন অভিযোগের কারণে মালয়েশিয়া সরকার ওই সময় নতুন কর্মী প্রবেশ বন্ধ করে।

দীর্ঘ আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার পর আবার বাজার খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর বৈদেশিক কর্মসংস্থান নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বন্ধ ও সংকুচিত শ্রমবাজারগুলো পুনরায় উন্মুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তার প্রথম বিদেশ সফর ছিল মালয়েশিয়ায়। সফরকালে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ পুনরায় শুরুর বিষয়ে আলোচনা করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পথ আবার উন্মুক্ত হয়েছে। তবে দুই দেশের পক্ষ থেকে নতুন করে শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি। শ্রমবাজার খুললেও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়ায় স্বচ্ছ ও নিরাপদ ব্যবস্থায় যেতে পারবেন কি না, নাকি তথ্যের ঘাটতি ও প্রক্রিয়ার জটিলতার সুযোগে আবারও দালাল, মধ্যস্বত্বভোগী ও কথিত সিন্ডিকেট সক্রিয় হবে?

মালয়েশিয়া সরকার প্রায় এক মাস আগে বাংলাদেশসহ বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া ও ধাপ প্রকাশ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সেই তথ্য যথাযথভাবে প্রচার না হওয়ায় চাকরিপ্রত্যাশীদের একটি বড় অংশ এখনো জানেন না কিভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় এবং কার মাধ্যমে তারা মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন।

এ তথ্যের ঘাটতির সুযোগে কিছু রিক্রুটিং এজেন্সি, ট্রাভেল এজেন্সি, দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগী সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রচারণা, চাকরির আশ্বাস এবং দ্রুত মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে।

ফলে সরকারি তথ্যের পরিবর্তে দালালচক্রের প্রচার অনেকের কাছে নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠার আশঙ্কা তৈরি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাউকে পাসপোর্ট জমা না দিতে, টাকা পরিশোধ না করতে এবং মেডিকেল পরীক্ষা না করাতে পরামর্শ দিয়েছে।

তবে ২৮ কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়নের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হলেও এখনো কর্মী পাঠানোর পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া, সম্ভাব্য ব্যয় এবং পরবর্তী ধাপ নিয়ে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। অতীতের অভিজ্ঞতায় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে কর্মীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এবারও বাজারে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার আলোচনা শোনা যাচ্ছে।

শ্রমবাজার সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সরকার নির্ধারিত ব্যয় এবং কর্মীদের প্রকৃত ব্যয়ের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হতে পারে। বিশেষ ব্যবস্থায় বোয়েসেলের মাধ্যমে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ঘোষণার বাস্তবায়ন দেখতে চান চাকরিপ্রত্যাশীরা।

তাদের বক্তব্য, সরকারি ব্যবস্থায় কম খরচে ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠানো নিশ্চিত করা গেলে দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমানো সম্ভব। কর্মী পাঠানো নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। গত কয়েক বছরে নানা অভিযোগে একাধিকবার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। পরে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতায় আবার তা খুলেছে। এবারও বাজার খোলার পর পুরোনো অনিয়মের পুনরাবৃত্তি হলে ফের সংকট তৈরি হতে পারে এমন আশঙ্কা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

বাংলাদেশ সরকার স্বচ্ছ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় কর্মী নির্বাচন ও প্রেরণের জন্য ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম (ওইপি) চালু করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন ব্যবস্থায় সরকারি ডাটাবেজ ব্যবহার করে কর্মী নির্বাচন নিশ্চিত করা গেলে অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী, প্রথমে বিএমইটির ডাটাবেজ থেকে উপযুক্ত কর্মী নির্বাচন করার কথা। সেখানে উপযুক্ত কর্মী পাওয়া না গেলে সরকারের অনুমতি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কর্মী বাছাই করার বিধান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অতীতে এ বিধান পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়নি। এমনকি চাহিদাপত্র পাওয়ার আগেই কর্মী সংগ্রহ এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। ফলে নতুন করে শ্রমবাজার চালুর শুরুতেই আইনি কাঠামো ও সরকারি ডাটাবেজভিত্তিক কর্মী নির্বাচন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

এবারের শ্রমবাজার কতটা স্বচ্ছ ও নিরাপদ থাকে, তার ওপরই অনেকটা নির্ভর করবে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ। অতীতের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের দালালচক্রের হাত থেকে রক্ষা করাই এখন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%