ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

জ্ঞানচর্চার বাতিঘর আ. জব্বার খান স্মৃতি পাবলিক লাইব্রেরি প্রত্যন্ত গ্রামে


জ্ঞানচর্চার বাতিঘর আ. জব্বার খান স্মৃতি পাবলিক লাইব্রেরি প্রত্যন্ত গ্রামে

প্রত্যন্ত গ্রামে জ্ঞানচর্চার আলো প্রায় ২৫ বছর ধরে ছড়িয়ে পড়ছে। গল্প, উপন্যাস, ইতিহাস, দর্শন ও সাহিত্যসহ বিভিন্ন বিষয়ের বই নিয়ে সমৃদ্ধ পাঠাগারটি বর্তমানে শুধু বই পড়ার স্থান নয়, বরং স্থানীয় শিক্ষার্থী ও বইপ্রেমীদের জন্য এটি জ্ঞানচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। বাবুগঞ্জের কৃতী সন্তান সাবেক বিচারপতি ও সাবেক স্পিকার মরহুম আব্দুল জব্বার খানের স্মৃতিকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠিত এই পাঠাগারটি দীর্ঘকাল ধরে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের ভূতেরদিয়া স্টিমার ঘাট বাজারসংলগ্ন এলাকায় ২০০১ সালে স্পিকার আ. জব্বার খান স্মৃতি পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০১৩ সালে পাঠাগারটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে নিবন্ধন লাভ করে।

বাবুগঞ্জের এই কৃতী ব্যক্তিত্বের স্মৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সমাজসেবক নুরুল ইসলাম মানিক পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করেন। ‘পড়িলে বই আলোকিত হই, না পড়িলে অন্ধকারে রই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে পারিবারিক কলহে মাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক

পাঠাগার কর্তৃপক্ষের দাবি, বর্তমানে এখানে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন খ্যাতনামা লেখকের পাঁচ হাজারের বেশি বই রয়েছে। গল্প, উপন্যাস, ইতিহাস, দর্শন, সাহিত্যসহ বিভিন্ন বিষয়ের এসব বই পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন স্থানীয় শিক্ষার্থী, তরুণ ও বইপ্রেমীরা।

ডিজিটাল যুগে শিশু-কিশোর ও তরুণদের একটি বড় অংশ যখন মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যস্ত, তখন গ্রামীণ জনপদে বই পড়ার পরিবেশ ধরে রাখতে পাঠাগারটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

তাদের মতে, প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার যেমন প্রয়োজন, তেমনি বই পড়ার অভ্যাসও ধরে রাখা জরুরি। সেই জায়গায় পাঠাগারটি প্রত্যন্ত গ্রামের শিক্ষার্থী ও বইপ্রেমীদের জন্য বিকল্প জ্ঞানচর্চার সুযোগ তৈরি করছে।

পাঠাগারে বসে বই পড়ার পাশাপাশি সদস্যরা বই বাড়িতে নিয়েও পড়ার সুযোগ পান। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। স্থানীয় যুবসমাজকে জ্ঞানচর্চা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রেও পাঠাগারটি ভূমিকা রেখে আসছে।

আরও পড়ুন: ভালুকায় হবিরবাড়ীর মনোহরপুরে উঠান বৈঠক,প্রধান অতিথি জিয়াউর রহমান জিয়া

তবে দীর্ঘদিনের এই প্রতিষ্ঠানটির ভবন নিয়ে রয়েছে কিছুটা উদ্বেগ। পাঠাগারের দুইতলা ভবনের পাশেই একটি খাল রয়েছে। খালের অবস্থানের কারণে ভবনের পাশের মাটি ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত বা সরে গেলে স্থাপনাটি ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এ কারণে ঝুঁকি তৈরি হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আগেই ভবনের পাশের অংশ সুরক্ষিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। পাঠাগার কর্তৃপক্ষের মতে, প্রয়োজন অনুযায়ী গাইডওয়াল নির্মাণ, খালের পাড় সংরক্ষণ, মাটি ভরাট কিংবা অন্য কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভবনটি সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। এজন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কারিগরি সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলাম মানিক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পাঠাগারটি এলাকার মানুষের বই পড়া ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ করে দিচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে খালের কারণে ভবনটি কোনো ধরনের ঝুঁকিতে না পড়ে, সেজন্য আগাম ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। সরকারি সহযোগিতা পেলে পাঠাগারটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা সম্ভব।

নিয়মিত পাঠক আরাফাত হোসেন মৃধা বলেন, অজপাড়াগাঁয়ে এমন একটি পাঠাগার এলাকার জন্য বড় সম্পদ। মোবাইল ফোনের অপব্যবহার থেকে তরুণদের দূরে রাখতে বই পড়ার পরিবেশ আরও সম্প্রসারিত করা দরকার। পাঠাগারের ভবন ও পরিবেশ সংরক্ষণে এখনই উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নাসির হাওলাদারের পক্ষ থেকে শারদীয় শুভেচ্ছা

পাঠাগারের উপদেষ্টা ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সেলিমা রহমান (এমপি) বলেন, একটি গ্রামীণ পাঠাগার শুধু বই রাখার জায়গা নয়; এটি একটি এলাকার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র। দীর্ঘদিনের এই প্রতিষ্ঠানটির ঐতিহ্য ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, পাঠাগারটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জ্ঞানচর্চায় ভূমিকা রাখছে। ভবনের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোকসানের ধকল নিয়েই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কলাপাড়া উপকূলের হাজার হাজার জেলে পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৩ এম


লোকসানের ধকল নিয়েই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কলাপাড়া উপকূলের হাজার হাজার জেলে পরিবার

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে জাল গোছাচ্ছিলেন জেলে জয়নাল খলিফা ও আব্বাস মুসল্লী। তাঁরা জানান, সাগরের অগভীর এলাকায় ১০-১২ কিলোমিটার দূরে ইঞ্জিনচালিত বোট নিয়ে ইলিশ ধরতে যাচ্ছেন। তাঁদের মতে, ৬৫ দিনের অবরোধের পর ১৫-১৬ ট্রিপ সাগরে গেছেন। তবে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মেলেনি। প্রতিবার ৪-৫ টা থেকে সর্বোচ্চ ৩০টার বেশি ইলিশ কখনো মেলেনি। এই ১৬ বারে এক কেজি ওজনের মাত্র দুইটি ইলিশ পেয়েছেন। আর যা পেয়েছেন, তা সবই জাটকা। ৫-৬ থেকে ৮-৯ টা কেজি। গত দুই বছর ধরে ইলিশের এমন আকাল চলছে বলেও জানান এই দুই জেলে। তাঁদের ছোট্ট বোটে অন্তত আড়াই লাখ টাকার লোকসান রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। এখন কীভাবে বেতনের টাকা নিয়ে বাড়িতে ফিরবেন, তা বুঝে উঠতে পারছেন না জয়নাল খলিফা। কুয়াকাটা সৈকতের লেম্বুর বন থেকে গঙ্গামতি ও কাউয়ারচর পর্যন্ত অন্তত আড়াই হাজার খুটা জেলের সকলেরই দশা এক। যেন মানুষগুলো দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

গঙ্গামতি সৈকতের বেলাভূমে এখন ডাবসহ বিভিন্ন ধরনের ফল বিক্রি করছেন আলম মোল্লা (৫৫)। তিনি জানান, জীবনের ৪০টি বছর জেলের কাজে কাটিয়েছেন। জাল, ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ সব কিছু ছিল তাঁর। সাগর মোহনা ও রাবনাবাদ চ্যানেলে ইলিশ ধরতেন। ইলিশের খরায় আট লাখ টাকার দেনা মাথায় নিয়ে এখন বীচে ডাব বিক্রি করছেন। ছয় জনের সংসারে এখন তাঁর দূরবস্থা চলছে। বড় ছেলে প্রতিবন্ধী। সকলের জীবিকার যোগান দেওয়ার একমাত্র ব্যক্তি আলম মোল্লা জানান, সাগরে এখন আর ইলিশ মেলে না। গত চার বছর ধরে এমন অবস্থা হয়েছে। তাঁর দাবি, ট্রলিং বোটের কারণে কিনার থেকে ১০-১২ কিলোমিটার পর্যন্ত কোনো ধরনের মাছ আসতে পারে না। বাচ্চা পর্যন্ত মারা পড়ছে ট্রলিং বোটের ছোট্ট ফাঁসের জালে আটকে পড়ে।

কুয়াকাটা সৈকতের মম্বিপাড়া থেকে গঙ্গামতি পর্যন্ত সাত-আট কিলোমিটার এলাকায় বেড়িবাঁধের বাইওে গাছের নিচে শত শত জেলে কেউ ছেড়া জাল সেলাই করছেন। কেউ জালসহ সব গোছগাছ করছেন। কেউ আবার আরেকটি ট্রিপের জন্য সাগরে ছুটছেন। মহাব্যস্ততার মধ্যে কাটছে সকলের একেকটি মুহূর্ত। সকল জেলের দাবি, এবারে ছোট্ট জাল দিয়ে অগভীর এলাকায় মাছ ধরা কোনো ট্রলার মালিক কিংবা জেলে লাভের মুখ দেখতে পারেননি। মঙ্গলবার দিনভর ঘুরে জেলেদের ২২ দিনের অবরোধ পালনের প্রস্তুতি দেখা গেছে। তবে এখনো শত শত মাঝারি ও বড় বোট সাগরবক্ষে রয়েছে। যারা আজ (বুধবার) দুপুর কিংবা সন্ধ্যায় ঘাটে ফিরবেন বলে জানা গেছে।

এহিপুর মৎস্য আড়ত ব্যবসায়ী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা জানান, এবছর যে পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়েছে তার ৭০-৮৫ শতাংশ ছোট সাইজের ইলিশ, জাটকা। পরিমাণে মাছ ছিল খুব কম। তবে ট্রলিং বোট মালিকরা ও বড় দুই-চারটা বোটে কিছু ব্যবসা করেছে। ৯০-৯৫ শতাংশ জেলে, ট্রলারমালিকরা লোকসানের কবলে রয়েছেন। এর মধ্য দিয়েই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু করছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপকূলের অন্তত ৪০ হাজার জেলে পরিবার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩১ কেজি গাজাসহ একটি মাইক্রোবাস আটক করেছে টাঙ্গাইল ট্রাফিক বিভাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঁঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৪ এম


৩১ কেজি গাজাসহ একটি মাইক্রোবাস আটক করেছে টাঙ্গাইল ট্রাফিক বিভাগ

টাঙ্গাইল একত্রিশ কেজি গাজাসহ একটি মাইক্রোবাস আটক করেছে টাঙ্গাইল ট্রাফিক বিভাগ। ০৬ অক্টোবর মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে টাঙ্গাইল শহরের রূপবানী সিনেমা হলের সামনে মাইক্রোবাসটি আটক করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ.এম.মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী
জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে শহরের মেইন রোডের রূপবানী সিনেমা হলের সামনে এটিএসআই জহুরুল এর নেতৃত্বে আকস্মিক চেকপোস্ট বসানো হয়েছিল, তখন এই মাইক্রোবাসটিকে থামার জন্য সিগনাল দিলে মাইক্রোবাসটি না থেমে সিগনাল অতিক্রম করে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। এটিএসআই জহুরুল এবং অন্যান্য ট্রাফিক সদস্যরা দ্রুত গাড়িটির পিছু নেয় এবং গাড়িটি ধরে ফেলে, ইতিমধ্যেই গাড়িটি স্টার্ট রেখেই চালক এবং অন্যান্য যারা ছিলো তারা পালিয়ে গিয়েছে। গাড়িটি চালু অবস্থায় ছিলো, যেকোনো সময় অন্যান্য পথচারীরা দূর্ঘটনার শিকার হতে পারতো এজন্য গাড়িটা টাঙ্গাইল পুরাতন সদর থানার ট্রাফিক অফিসে নিয়ে আসা হয়। গাড়িটি তল্লাশি করে একত্রিশ কেজি গাজা পাওয়া যায়। কোনো আসামি আটক হয়নি, মামালার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজার জেলার মাধ্যমিকে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত আল আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৮ এম


মৌলভীবাজার জেলার মাধ্যমিকে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত আল আমিন

মৌলভীবাজার জেলার মাধ্যমিক স্তরে ২০২৬ সালের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শ্রীমঙ্গলের হাজী রাশিদ মিয়া মেহেরজান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আল আমিন।

৫ অক্টোবর মৌলভীবাজারের এম সাইফুর রহমান অডিটোরিয়ামে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসন এবং জেলা শিক্ষা অফিস, মৌলভীবাজারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আসমা সুলতানা নাসরীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

এই অনুষ্ঠানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রাসা, কারিগরি ও কলেজ পর্যায়ে মিলিয়ে জেলার আটজন শিক্ষককে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে মাধ্যমিক স্তরে একমাত্র শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ আল আমিন। তিনি জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন।

মোহাম্মদ আল আমিন এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালেও মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া, বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা পেরিয়ে তিনি ২০২৫ ও ২০২৬ সালে জাতীয় পর্যায়েও অংশগ্রহণ করেছেন।

একই শিক্ষক পরপর তিনবার জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় শ্রীমঙ্গলে তাঁর এই অর্জনকে বিশেষ সাফল্য হিসেবে দেখছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের ওয়াশ অধিকার নিশ্চিতকরণে সংলাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৮ এম


শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের ওয়াশ অধিকার নিশ্চিতকরণে সংলাপ

শ্রীমঙ্গলে চা বাগানের শ্রমিকদের পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং নাগরিক সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সংলাপটি সোমবার (৫ অক্টোবর) শ্রীমঙ্গলের মহসিন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। ‘জরংরহম ভড়ৎ জরমযঃং ভড়ৎ ঝঃৎবহমঃযবহরহম ঈরারষ ঝড়পরবঃু ঘবঃড়িৎশ ঃড় অপযরবাব ঝউএ ৬’ প্রকল্পের আওতায় ‘উরধষড়মঁব ড়হ ডঅঝঐ জরমযঃং ভড়ৎ ঞবধ এধৎফবহ ডড়ৎশবৎং’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে ম্যাক বাংলাদেশ (গঅঈ ইধহমষধফবংয)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, ম্যাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এ হামিদ এবং উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব। ম্যাক বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী আরমান খান মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। প্রেজেন্টেশনে চা বাগানের শ্রমিকদের পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।

সংলাপে উপজেলার বিভিন্ন চা বাগানের নারী চা শ্রমিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধি, হরিজন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিসহ ৩০ জন অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা চা শ্রমিকদের নিরাপদ পানি, উন্নত স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%