০৮:৩৭ এম
চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন নিয়ে আলোচনার খবরকে অস্বীকার করেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে আরও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার প্রেক্ষিতে বেইজিং তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। খবরটি আনাদোলুর থেকে এসেছে।
শুক্রবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং মন্তব্য করেন, ‘সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি সত্য নয়।’
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পারস্পরিকভাবে তাদের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে।
আরও পড়ুন: কংগ্রেসকে পরজীবী ও রাহুলকে ব্যর্থ পণ্য আখ্যা দিলেন নরেন্দ্র মোদি
সিএনএনের পূর্ববর্তী এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, প্রাথমিক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের গবেষণাগার এবং চীনের সমপর্যায়ের গবেষণাকেন্দ্র পরিদর্শনের বিষয়টি উঠে আসে। এছাড়া, দুই দেশের পারমাণবিক পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) জুন মাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত চীনের কাছে আনুমানিক ৬২০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। অন্যদিকে, বাতিল করা ওয়ারহেডসহ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঁচ হাজারের বেশি ওয়ারহেড বিদ্যমান।
এসআইপিআরআইয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের নয়টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশের কাছে মোট আনুমানিক ১২ হাজার ১৮৭টি ওয়ারহেড রয়েছে। এর মধ্যে ভারতের কাছে ১৯০টি, পাকিস্তানের কাছে ১৭০টি, ইসরায়েলের কাছে ৯০টি এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে ৬০টি রয়েছে। বিশ্বের মোট পারমাণবিক ওয়ারহেডের প্রায় ৮৬ শতাংশ রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় দ্রুতগতিতে পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে চীন। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াও তাদের পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডারের ব্যাপক আধুনিকায়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের গোয়াদরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ৩ সন্ত্রাসী
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাসসংক্রান্ত ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন