ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদক কারবারিদের আতঙ্কের নাম ইউএনও সাইফুল


মাদক কারবারিদের আতঙ্কের নাম ইউএনও সাইফুল

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম। ছবিটি সংগৃহীত।

রূপগঞ্জের গজারিয়াপাড়ার সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা রহিমা বেগম। কাপড়ের আঁচলে চোখ মুছতে মুছতে বলছিলেন, ‘বাবা, আমার বুকডা জুড়াইয়া গেসে।

যে কেউ কিছুই করতে পারত না, হেইডা সাইফুল ইসলাম করছে। হেগরে ধইরা জেল দিয়া আমাগো শান্তি দিছে।’ গজারিয়াপাড়ার সবার মুখে ছিল এমন স্বস্তির কথা।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটায় অনুমোদনহীন নির্মাণের অভিযোগে ইস্তানবুল হোটেলের কাজ বন্ধ

এক সময় এই জনপদ মাদকের থাবায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল। যেখানে সন্ধ্যার পর মানুষ ভয়ে ঘরের বাইরে যেত না। কিন্তু এখন রূপগঞ্জে স্বস্তির সুবাতাস বইছে। আর এই পরিবর্তনের নেপথ্যে মূল কারিগর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম। গত দুই মাসে তার অভিযান ও সাহসী পদক্ষেপের ফলে পুরো উপজেলার চিত্র বদলাতে শুরু করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় যে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ইউএনও সাইফুল ইসলাম এলাকার মাদক কারবারি, ভূমিদস্যু এবং ভেজাল কারবারিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। যারা বিগত দীর্ঘ সময়ে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাধারণ মানুষের জমি জবরদখল করে আসছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। একই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্যে ভেজালকারীদের উদ্দেশে দিয়েছেন কড়া হুঁশিয়ারি।

অপরাধীদের উদ্দেশ্যে ইউএনও সাইফুল ইসলামের হুশিয়ারি ছিল—অপরাধ করে রূপগঞ্জে একমুহূর্তের জন্যও ছাড় পাওয়া যাবে না। তার এই আপসহীন অবস্থানের ফলে স্থানীয় অপরাধ সিন্ডিকেট কোণঠাসা হয়ে পড়েছে।

দুই মাসে ১৪৫ জন মাদক কারবারি ও সেবনকারী সাজা পেয়েছে। উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান জানান, মাদকের করাল গ্রাস থেকে তরুণ সমাজকে বাঁচাতে ইউএনও সাইফুল ইসলাম সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছেন। গত দুই মাসের ব্যবধানে উপজেলাজুড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৪৫ জন মাদক কারবারি ও মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

শুধু আইন প্রয়োগে ক্ষান্ত হননি; মাদকবিরোধী জনসচেতনতা তৈরিতেও তিনি মাঠে নেমেছেন। তার এই ধারাবাহিক ও কঠোর অভিযানের কারণে রূপগঞ্জের অলিগলি থেকে মাদকের আস্তানাগুলো একে একে বন্ধ হতে শুরু করেছে।

প্রশাসনের চৌকাঠে মিলছে মানবিকতার ছোঁয়া। অন্ধ জুয়েল মিয়া ও বৃদ্ধা রাহেলা খাতুন বলেন, একজন কঠোর ম্যাজিস্ট্রেটের রূপের বাইরেও ইউএনও সাইফুল ইসলামের অন্য পরিচয় রয়েছে। তিনি এলাকার অসহায় মানুষের পরম বন্ধু। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে আসা হতদরিদ্র, অসুস্থ ও সহায়-সম্বলহীন মানুষ তার দপ্তরে এসে খালি হাতে ফেরেন না।

সরকারি তহবিলের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও তিনি অসংখ্য অসহায় পরিবারকে আর্থিক অনুদান, চিকিৎসা সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করে চলেছেন। প্রশাসনের শীতল দেওয়াল ভেঙে তিনি সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে গেছেন এক মানবিক সেবক হিসেবে।

সেবা নিতে আসা লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক দুর্ভেদ্যতা এবং নানা অনিয়মের কারণে সাধারণ মানুষের যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, তা দূর করতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই কর্মকর্তা। দালালের দৌরাত্ম্যমুক্ত সেবা প্রদান এবং স্বচ্ছ প্রশাসনিক কার্যক্রমে আজ মুখরিত রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ইউএনও সাইফুল ইসলামের মতো এমন সৎ, কর্মবীর ও সাহসী কর্মকর্তারাই পারেন সমাজ থেকে সব অনিয়ম দূর করে একটি বাসযোগ্য ও সুন্দর জনপদ গড়ে তুলতে। রূপগঞ্জের এই সফল অভিযান এখন পুরো জেলার মানুষের মুখে মুখে আলোচিত হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন ইউপি সদস্য, করলেন জোরপূর্বকের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন ইউপি সদস্য, করলেন জোরপূর্বকের অভিযোগ

ফরিদপুরের সালথায় মো. আক্কাস মাতুব্বর (৪৮) নামের এক ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে গেছে। বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে ১২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ইউপি সদস্য আক্কাস দাবি করেছেন যে, গত দেড় বছর আগে জোর করে তাকে দিয়ে ইয়াবা সেবন করিয়ে এই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আক্কাসকে শোকজ করা হয়েছে।

আক্কাস মাতুব্বর সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং তিনি একই ইউনিয়নের গৌড়দিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি টিনের ঘরের খাটের ওপর খালি গায়ে বসে তিনি ইয়াবা সেবন করছেন। ভিডিওতে তার সামনে বসে থাকা এক অজ্ঞাত ব্যক্তির পা দৃশ্যমান। ধারণা করা হচ্ছে, উক্ত ব্যক্তি ভিডিওটি ধারণ করেছেন।

ইউপি সদস্য আক্কাস মাতুব্বর বলেছেন, ‘ভিডিওটি প্রায় দেড় বছর আগের। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে পার্শ্ববর্তী জেলার সদর উপজেলা কানাইপুর ইউনিয়নের হুগলাকান্দি এলাকায় তাকে কয়েকজন ব্যক্তি আটকে রেখে হয়রানি করেন। এ সময় তাঁকে জোরপূর্বক ইয়াবা সেবনে বাধ্য করা হয় এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়।’ তবে তিনি জানিয়েছেন, কারা তাকে আটকে রেখেছিল, সে বিষয়ে কোনো নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দিন বলেন, ‘ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নজরে আসার পর ওই ইউপি সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের বিশ্ববাজারে বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


ফের বিশ্ববাজারে বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল এবং ইরানের চলমান সংঘাতের কারণে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। নতুন হামলা এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনার মাঝখানে মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতামত অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ এখনও কাটেনি। যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে, কিন্তু সেগুলি বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে।

লেনদেনের সময় ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৩ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৬ দশমিক ৮৬ ডলারে পৌঁছেছে। এতে টানা তিন কার্যদিবসের মূল্যপতনের ধারাও ভাঙার পথে রয়েছে।

বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার খবর প্রকাশের পর বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কায় তেলের বাজারেও ক্রয়চাপ বেড়ে যায়।

সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান জিএমও’র রেটস স্ট্র্যাটেজিস্ট এডওয়ার্ড অ্যাকটন বলেন, “পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন এবং একের পর এক বিপরীতধর্মী ঘটনার কারণে বাজারে প্রকৃত সংকেত ও গুজব বা সাময়িক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।”

অন্যদিকে, বিওএফএ সিকিউরিটিজের কৌশলবিদরা এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলেছেন, শুধু তেলের দাম বৃদ্ধি নয়, বরং এর অস্থিরতাও মূল্যস্ফীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তেলের দামের ওঠানামার ফলে অনেক পণ্য ও সেবার মূল্য দ্রুত বেড়ে যায়, কিন্তু তেলের দাম কমলেও সেই পণ্যের দাম অনেক সময় আগের অবস্থায় ফিরে আসে না। এর ফলে জ্বালানির বাজারে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে শুধুমাত্র জ্বালানি বাজারই নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতি, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার সংক্রান্ত নীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। অতএব, বিনিয়োগকারীদের নজর এখন মূলত যুদ্ধ পরিস্থিতি, কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং তেল সরবরাহের উপর সম্ভাব্য প্রভাবের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কপিলমুনির কলেজ সড়কের বেহাল দশা, দেড় দশকেও মেলেনি সমাধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


কপিলমুনির কলেজ সড়কের বেহাল দশা, দেড় দশকেও মেলেনি সমাধান

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি উপশহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারহীনতার কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির মোড়সংলগ্ন এই সড়কটি শুধুমাত্র স্থানীয়দের যাতায়াতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রতিদিন এই পথে স্কুল-কলেজের শত শত শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চলাচল করেন। সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার কারণে এর গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। প্রধান সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কপিলমুনি কলেজ সড়কে মিলিত হওয়া এই পথে পথচারীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। প্রবল বর্ষণে সড়কটিতে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটির বেশিরভাগ অংশ বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দে ভরা। সামান্য বৃষ্টি হলে সড়কটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। এর ফলে পুরো বর্ষা মৌসুমে এটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

সড়কটির অবস্থা এতটাই বেহাল যে, যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রায় ১৫০ গজ দৈর্ঘ্যের এ সড়কের দুই পাশে আবাসিক ভবন, একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বিভিন্ন এনজিওর কার্যালয়, ডিলার পয়েন্ট, গ্রামীণ ব্যাংক, পানির প্ল্যান্ট, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন পণ্যের গুদাম এবং একটি মুরগির হাট রয়েছে।

সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী জি এম রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় দেড় দশক ধরে এ সড়কে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

মুরগি ব্যবসায়ী খোকন সরদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা বছরের পর বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছি, কিন্তু সড়ক সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।"

কপিলমুনি কলেজসহ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারা সময়মতো কলেজ বা বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে সক্ষম হন না। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে ক্লাসে আসা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে ওঠে।

কপিলমুনি কলেজের অনার্স শিক্ষার্থী মো. রোমান সরদার বলেন, "শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ও সময়মতো ক্লাসে পৌঁছানোর জন্য সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। রাস্তাটি এ এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইউনুস আলী মোড়ল জানান, "সড়কটি সত্যিই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবে বর্তমানে সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ পাওয়ার পর দ্রুত সংস্কার করা হবে।"

কপিলমুনি উপশহরের ব্যস্ততম এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবিতে খুলনা-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুকুরের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল কিশোরগঞ্জের ভাই-বোনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


পুকুরের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল কিশোরগঞ্জের ভাই-বোনের

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে দুই ভাই-বোনের পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে।

এটি ঘটে বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ১১টার সময় উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামে।

নিহত দুই শিশুর মধ্যে খলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়ার ছেলে রিফাত মিয়া (৪) এবং মেয়ে সাফা আক্তার (২) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

স্থানীয় জনগণের মতে, বুধবার সকালে রিফাত ও সাফা বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল। খেলার এক পর্যায়ে সাফা অসাবধানতার কারণে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করতে গিয়ে বড় ভাই রিফাতও পানিতে তলিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন পুকুর থেকে দুই শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুটি শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।

মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ-আল-শাফী জানান, দুই শিশুকে ঘাগড়া এলাকা থেকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল, কিন্তু হাসপাতলে পৌঁছানোর আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%