০৩:৪৮ পি.এম
বাংলাদেশ এবং ইতালির মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন উড়োজাহাজের সংযোজনের পর ঢাকা–রোম রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো এবং দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ফেদেরিকো জাম্পারেল্লির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকে বিমান চলাচল, এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ, উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত এবং পর্যটন উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
ইতালি সরকারের পক্ষ থেকে ঢাকা–রোম রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত মন্ত্রী জানান, ইউরোপে বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার পর ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সপ্তাহে ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে
বৈঠকে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে ইতালির বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার বিষয়টিও আলোচনা করা হয়। উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) সুবিধা গড়ে তোলার সম্ভাবনা তুলে ধরে ইতালির সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এজ কোম্পানি, আতিতেক এসপিএ ও জিলারদোনির অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
এছাড়া কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও উদ্বোধনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যে যাতায়াত সহজ করার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও উন্নত ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে বিশেষ ‘রেড জোন’ গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশে ইতালীয় পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পর্যটন আকর্ষণ, যোগাযোগব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পর্যটন বিনিময় বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উভয় পক্ষ আলোচনা করেন। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের বিষয়েও মত প্রকাশ করা হয়।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বিমান চলাচল, এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ ও পর্যটন উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি এবং পর্যটন খাতের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হয়।
আরও পড়ুন: ঘিওরের ধলেশ্বরী নদীতে দুই দিন নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন