সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪১ পি.এম
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আজ (সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক এক সেমিনারে এই কথা বলেন।
মন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাজধানীসহ সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ডেঙ্গু রোগের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে ভবিষ্যতে এ রোগ প্রতিরোধে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হবে।’
তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বলেন, ‘সুস্থ থাকা একটি জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য আনা পলিনা লুনা মনে করেন, ইউক্রেন সংকটের সমাধানে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করার জন্য তিনি নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করবেন।
১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার, নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় লুনা বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন। তাঁর মতে, বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের আগে এই সংঘাতের সমাধানে কোনো উদ্যোগ ছিল না। এখন সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে।
লুনা বলেন, ‘ইউক্রেনের যুদ্ধের অবসান হওয়া দরকার। এখন আমাদের একটি সুযোগ আছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে আমি আমার সামর্থ্যের সবটুকু করব।’
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা ইউক্রেন সংকটের সমাধানে জোরদার হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও তাঁর জামাতা জ্যারেড কুশনার ৫ সেপ্টেম্বর মস্কো সফর করেন এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরদিন তারা কিয়েভে গিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন।
এরপর ৮ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প ও পুতিন টেলিফোনে কথা বলেন বলে ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ জানিয়েছেন। এসব কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইউক্রেন সংকটের সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন লুনা।
রাশিয়া বারবার কূটনৈতিক উপায়ে ইউক্রেন সংকট সমাধানের প্রতি নিজেদের আগ্রহের কথা জানিয়েছে। তবে মস্কোর দাবি, কিয়েভের কর্তৃপক্ষ এখনো আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের অবসানে প্রস্তুত নয়। তথ্যসূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদাবাজরা শুধু টাকা নয়, মানুষের ঘাম, সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং বেঁচে থাকার অধিকারও কেড়ে নেয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।
ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উল্লেখ করেন, একজন মানুষ সারা দিন রোদে পুড়ে, ঘাম ঝরিয়ে ৫০০ টাকা উপার্জন করেন। এই টাকাতেই সন্তানের দুধ, স্কুলের খাতা, বৃদ্ধ বাবার ওষুধ কেনা হয়। যদি সেখানে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা চাঁদাবাজ নিয়ে যায়, তাহলে কেবল টাকা নয়, পরিবারের প্রয়োজনও থেমে যায়। আপনার-আমার কাছে ৫০০ টাকা সামান্য মনে হতে পারে, কিন্তু যার সারা দিনের ঘামের মূল্য এই ৫০০ টাকা, তার কাছে এই টাকাই হাজার কোটি টাকার সমান।
তিনি আরও লেখেন, দোকান বসাবেন, চাঁদা দিতে হবে। ব্যবসা করবেন, চাঁদা দিতে হবে। গাড়ি চলবে, চাঁদা দিতে হবে। বাড়ি তুলবেন, সেখানে চাঁদা দিতে হবে। আর যখন এই টাকায় রাজনৈতিক প্রভাব এবং ক্ষমতা দেখানো হয়, তখন অপমান আরও গভীর হয়ে ওঠে। এই টাকা শুধু নিচের দিকে থেমে থাকে না, বরং ধাপে ধাপে নেতাদের কাছে পৌঁছে যায়। চাঁদাবাজি কেবল টাকা কেড়ে নেয় না, মানুষের ঘাম, সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং বেঁচে থাকার অধিকারও কেড়ে নেয়।
তিনি আরও বলেন, নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এলাকার এলাকায় চাঁদাবাজবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দেশ তখনই বাঁচবে, যখন একজন বাবা নিজের ঘামের ৫০০ টাকা নিরাপদে সন্তানের জন্য ঘরে নিয়ে যেতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বব্যাপী পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে জ্বালানি অপচয় ও কার্বন নির্গমন কমানোর ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছেন চীনের বিজ্ঞানীরা। তারা অশোধিত খনিজ তেল (Crude Oil) পরিশোধনের জন্য একটি নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যা প্রচলিত ডিসটিলেশন বা পাতন প্রক্রিয়ার তুলনায় প্রায় ৯০ থেকে ৯১ শতাংশ পর্যন্ত শক্তি সাশ্রয় করবে।
নতুন প্রযুক্তির উন্নয়ন করেছেন চীনের ডালিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল ফিজিক্স (DICP)-এর গবেষক দল। তাদের এই গবেষণার প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ন্যাশনাল সাইন্স রিভিউ-তে প্রকাশিত হয়েছে।
মলিকুলার রিফাইনিং বা আণবিক ছাঁকন কী?
অপরিশোধিত তেল থেকে পেট্রোল, ডিজেল, প্লাস্টিক বা কেমিক্যাল তৈরির জন্য সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত ও ঘনীভূত করার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এই 'ডিসটিলেশন' প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে জ্বালানি খরচ হয়।
চীনা বিজ্ঞানীরা তাপভিত্তিক পদ্ধতির পরিবর্তে "মলিকুলার রিফাইনিং" বা আণবিক স্তরে কার্যকর ছাঁকন পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।
মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক (MOF) মেমব্রেন: বিশেষ ধরনের মেটাল-অর্গানিক ফিল্টার ব্যবহার করে অণুর আকার ও উপাদানের ভিত্তিতে উপাদানগুলো আলাদা করা হয়।
ক্যাসকেড মেমব্রেন সেপারেশন: প্রথম ধাপে ০.১ নানামিটারের পার্থক্যে বড় অণুগুলো পৃথক করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে ০.০১ নানামিটারের সূক্ষ্ম পার্থক্যে প্লাস্টিক, রজন বা ফাইবারের কাঁচামাল এবং গ্যাসোলিনের উপাদানগুলো আলাদা করে নেওয়া সম্ভব হয়।
ট্যানিক এসিডের ব্যবহার: ছাঁকন প্রক্রিয়ায় মেমব্রেনের ছিদ্রগুলো নিখুঁত রাখার জন্য ট্যানিক এসিড দিয়ে অতিসূক্ষ্ম খোদাই (micro-etching) করা হয়েছে।
প্রযুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব
পরীক্ষাগারে ১৫টি উপাদানের মিশ্রণ ব্যবহার করে পরিচালিত পরীক্ষায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বিশুদ্ধ উপাদান পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। যদি শিল্প কারখানায় বৃহৎ পরিসরে এই প্রযুক্তি কার্যকর করা যায়, তবে তা বিশ্বজুড়ে পেট্রোকেমিক্যাল কারখানার পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে এবং ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর সদর উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে সুমি আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে উত্তর ঝিকরহাটি গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর স্বামী আকবর হাওলাদারসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ নিহতের স্বজনদের।
নিহত সুমি আক্তার ডাসার উপজেলার পূর্ব দর্শনা এলাকার চান্দু মোল্লার মেয়ে। প্রায় আড়াই বছর আগে উত্তর ঝিকরহাটি গ্রামের ইরান হাওলাদারের ছেলে আকবর হাওলাদারের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সুমির সঙ্গে স্বামীর পরিবারের কলহ চলছিল। সম্প্রতি দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রায়ই তাঁকে মারধর করা হতো বলেও অভিযোগ পরিবারের।
স্বজনদের দাবি, রোববার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে সুমিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আকবরসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ