বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
মন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসল উদ্দেশ্য দেশের সম্পদশালী করা।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীতে নদীতে দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিল্প মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই বিষয়টি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, দেশের জন্য সম্পদ সৃষ্টি এবং দ্বিতীয়ত, ভালো পরিবেশ সৃষ্টি। যারা দায়িত্ব পালন করেন তারা এবং যারা সম্পদ সৃষ্টি করেন, তাদের মধ্যে যদি সমন্বয় না থাকে, তবে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। সম্পদ সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ে নানা সমস্যা দেখা দেয়, পরিবেশ দূষণ ঘটে, দুর্নীতি ঘটে এবং বৈষম্যও সৃষ্টি হয়।’
তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমরা বিশেষ করে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদ সম্পর্কে আলোচনা করছি। দুই নদীই একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। যারা পানি দূষিত করছেন, তাদের অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। ইতোমধ্যে বিজিএমইসহ চামড়া প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
আবদুল আওয়াল মিন্টু আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের সম্পদশালী করা এবং তেমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে সমাজ ও জীবনের গুণগতমান উন্নয়ন ঘটে। যাতে শুধু আমাদের দেশবাসীই নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মসমেত সবাই এই উন্নয়ন ভোগ করতে পারে।’
তিনি উল্লেখ করেন, যদি সবার সম্পৃক্ততা অর্জন করা না যায় তবে তা টেকসই হবে না।
‘আমরা যেন দূষণমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হই। বিশ্ব ইনডেক্সে বাংলাদেশ শব্দ, বায়ু ও পানি দূষণে শীর্ষে রয়েছে। এটি আমাদের জন্য সুখকর হতে পারে না। আমাদের আগামী প্রজন্মের কথা চিন্তা করে পরিবেশ উন্নত করতে হবে।’
দূষণ কমানোর জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামীতে একে অপরের সঙ্গে একভাবে কাজ করব যাতে সব ধরনের দূষণ কমানো যায়। একদিনে আমরা সব কিছু ঠিক করতে পারব না, তবে যদি ১০ শতাংশও ঠিক করতে পারি, তবে সেটাই আমাদের সফলতা।’
তিনি বলেন, ‘যাদের ইটিপি নেই তারা যেন ইটিপি স্থাপন করে। আর যাদের ইটিপি রয়েছে, দয়া করে সেটি চালু রাখার চেষ্টা করবেন। ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনে যারা আছেন তাদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি- আপনাদের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে ইটিপি স্থাপনের কথা বলবেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কোনো ব্যক্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কোনো স্থাবর নিদর্শনের ক্ষতিসাধন করলে তাকে অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে। আর যদি জাদুঘরের কোনো অস্থাবর নিদর্শন চুরি, পাচার বা নষ্ট করা হয়, সেক্ষেত্রে অপরাধীর জন্য অনধিক পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন ২০২৬’-এ এমন বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ আইনটির প্রণয়ন করা হয়েছে ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল। তার মধ্যে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, নিদর্শন ও দলিলাদি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার জন্য এ আইন তৈরি হয়েছিল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর গত ৫ আগস্ট উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের পর থেকেই সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উদ্বোধিত সেই ঐতিহাসিক জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইনের ৪ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, জাদুঘরের প্রধান কার্যালয় ঢাকা শহরের গণভবনে স্থাপিত হবে। আইন অনুযায়ী ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে যে সকল গোপন কারাগারে মানবতা বিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেগুলোকে জাদুঘর হিসেবে ঘোষণা, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অধিকার জাদুঘরের থাকবে। যদি কোনও গোপন কারাগার কোনো সংস্থার অধীনে থাকে, তাহলে সেই সংস্থাকে তা বর্তমান অবস্থাতেই জাদুঘরের কাছে হস্তান্তর করতে বাধ্য থাকতে হবে এবং মানবতাবিরোধী কারাগারসমূহ জাদুঘরের শাখা জাদুঘর হিসেবে পরিচালিত হবে।
আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে, জাদুঘরের কার্যাবলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে- জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ও পলায়ন সম্পর্কিত ঐতিহাসিক নিদর্শন ও স্মৃতিচিহ্ন, পূর্ববঙ্গের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত নিদর্শন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারবিরোধী কার্যক্রম এবং ফ্যাসিবাদের উত্থান সংক্রান্ত স্মৃতিচিহ্ন, প্রামাণ্য দলিল এবং সংশ্লিষ্ট বস্তু ও নিদর্শন অনুসন্ধান, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রদর্শন।
আইনের ১৫ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, জাদুঘরের পর্ষদের সুপারিশ ও সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে প্রদর্শন ও সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বা অন্য কোনো জাদুঘর অথবা কোনো ব্যক্তির সাথে জুলাই অভ্যুত্থানের নিদর্শন স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বিনিময় অথবা উপহার প্রদান ও গ্রহণ করতে পারবে। তবে, এই বিনিময়, উপহার প্রদান বা গ্রহণের জন্য চুক্তি সম্পাদন করা আবশ্যক।
আইনের ১৬ ধারায় বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট কোনো নিদর্শন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে রয়েছে কিনা, এ ব্যাপারে বিশ্বাস করার যুক্তিগ্রাহ্য কারণ থাকলে মহাপরিচালক বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারী উক্ত স্থান পরিদর্শন করতে পারবেন এবং এ আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধান অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
জাদুঘরে প্রবেশাধিকার বিষয়ে আইনের ১৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, জাদুঘরে প্রবেশের জন্য পর্ষদ কর্তৃক নির্ধারিত প্রবেশমূল্যের বিনিময়ে জনগণের প্রবেশাধিকার থাকবে।
আইনের ২২ ধারায় স্থাবর নিদর্শন ধ্বংস বা বিনষ্টের বিষয়ে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি জাদুঘরের কোনো স্থাবর নিদর্শন বা তার কোনো অংশবিশেষ ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করেন, তবে এটি অপরাধ গণ্য হবে। এর জন্য তাকে অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।
আইনের ২৩ ধারায় নির্ধারিত হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি জাদুঘরের কোনো অস্থাবর নিদর্শন চুরি, পাচার, ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করে, তবে সেটিও অপরাধ হবে এবং সেজন্য তাকে অনধিক পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
অন্যদিকে, ২৪ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি জাদুঘরের সংগৃহীত বা নিবন্ধিত কোনো নিদর্শনের উপর খোদাইকরণ, লিখন, লিপি উৎকীর্ণ বা স্বাক্ষর করেন, তাহলে এটি অপরাধ হবে এবং তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি জাদুঘরের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধসমূহের দায়ে অভিযুক্ত হন, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত দণ্ডের পাশাপাশি শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণের ব্যবস্থা করা যাবে। এ ক্ষেত্রে আদালতে মামলা চলমান থাকলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলায় সারবোঝাই ট্রাক ও পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় মারা গেছেন ৪ জন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো তিনজন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের নারান্দিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ এবং একজন নারী আছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা থেকে ময়মনসিংহগামী একটি পিকআপভ্যান বিপরীত দিকে আসা একটি সারবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করে।
এ ঘটনায় পিকআপভ্যানে থাকা তিন পুরুষ ও একজন নারী গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। আহত তিনজনকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যানচলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি, শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় নিহত চারজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী গোপন তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর এ বিষয়ে খতিয়ে দেখে করণীয় নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং আইন অনুষদের ডিন।
এই কমিটি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিষয়ে সার্বিক তথ্য পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে। ইতোমধ্যে কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের গোপন তৎপরতা-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
প্রতিবেদনটিতে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলকে সক্রিয় করার লক্ষ্যে ওই শিক্ষকদের গোপন তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২ জন শিক্ষকের গোপন তৎপরতায় জড়িত থাকার কথা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ জন শিক্ষকের নাম ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে, এমনটাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরবর্তীতে যদি আরও কোনো শিক্ষকের নাম শনাক্ত করা যায়, তবে কমিটি তাদের বিষয়েও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের একটি বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এই সভার আয়োজন করা হয় ধনবাড়ী উপজেলা কার্যালয়ে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের সভাপতি ও চ্যানেল এস-এর ধনবাড়ী প্রতিনিধি কবি ইমাম হাসান সোহান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি এম. মাছুদुर রহমান মিলন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সহ-সভাপতি ও আনন্দ টিভির টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি আল আমিন শোভন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের অনুসন্ধানী প্রতিবেদক মো. ইউসুফ আলী।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা এলেঙ্গা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ শিকদার, ঘাটাইল উপজেলা ইউনিটের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সোহেল, ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের সহ-সভাপতি মো. রমজান আলী, সাধারণ সম্পাদক রাকিব হাসানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করা এবং সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর কবি ইমাম হাসান সোহানকে সভাপতি এবং রাকিব হাসানকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের সাত সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রমের বেগবান করার এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ