মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৫ এম
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্ণীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম খান এবং তাঁর ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের লাশ আদালতের নির্দেশে কবর থেকে উত্তোলন করা হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার পর তাঁদের লাশ দাফন করা হয়েছিল। বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।
ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, "চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছি। অনুমতি পেলে মিডিয়াকে জানাবো কোন তারিখে লাশ উত্তোলন করবো।"
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সেলিম খান ও তাঁর ছেলে শান্ত খান বালিয়া ইউনিয়নের ফরক্কাবাদ বাজার এলাকায় জনরোষের মুখে পড়েন। যদিও তাঁরা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন, পরে বাগড়া বাজার এলাকায় জনতার মুখোমুখি হয়ে গণপিটুনিতে নিহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই সময় পরিস্থিতির কারণে তাঁদের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। সেলিম খান চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্ণীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান 'শাপলা মিডিয়া'র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর ছেলে শান্ত খান চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।
সেলিম খানের বিরুদ্ধে পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, এলাকায় প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের কারণে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলমান ছিল বলে জানা যায়। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, "আদালতের নির্দেশের পর এখন সেলিম খান ও তাঁর ছেলে শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে। মৃত্যুর কারণ ও সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে এই ময়নাতদন্ত করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৫ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মো. আনোয়ার হোসেনকেও এই সংবর্ধনায় সম্মানিত করা হয়। স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক ও মানবিক সংগঠন “পজিটিভ সরাইল”এর উদ্যোগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। আয়োজক সূত্র জানায়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরও বিদ্যালয়ভিত্তিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মীর কামরুজ্জামান কবির। প্রধান সমন্বয়ক জহিরুল ইসলাম রিপনের সঞ্চালনায় সভাটি শুরু হয়, যেখানে সম্পাদক আব্দুল করিম স্বাগত বক্তব্য দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার, সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, লেখক গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সঞ্জীব কুমার দেবনাথ, উত্তর কালীকচ্ছ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. আইয়ুব খান, প্রভাষক মোহাম্মদ মাহবুব খান, রুহুল আমীন রুবেল, সাংবাদিক মো. পারভেজ আলম এবং আলমগীর হোসেন।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, "শুধু ভাল ফলাফল পড়ালেখা করে সকলকে ভাল মানুষ হওয়াটাই প্রকৃত অর্জন।" তাই শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুস সাত্তার সরকারের বাড়ি থেকে নিলুরকুড়া ব্রিজ পর্যন্ত গ্রামীণ রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা ও ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। বিভিন্ন সময় মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা রাস্তাটি পাকা করার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। মাঝে মধ্যে রাস্তায় রাবিশ বা মাটি ফেলে সাময়িকভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, প্রায় ৬-৭ মাস আগে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে রাস্তাটির জন্য বাজেট অনুমোদন হয়েছে বলে জানানো হয়। দ্রুত কাজ শুরু হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত পাকাকরণের কাজ শুরু হয়নি।
বর্তমানে রাস্তাটি ভেঙে বিভিন্ন স্থানে সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগীবাহী ভ্যান, অটোরিকশা ও সাধারণ পথচারীদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও পানি জমে পরিস্থিতি আরও দুর্ভোগপূর্ণ হয়ে ওঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস পেলেও বাস্তবে কাজ না হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
এ অবস্থায় আব্দুস সাত্তার সরকারের বাড়ি থেকে নিলুরকুড়া ব্রিজ পর্যন্ত গ্রামীণ রাস্তাটি দ্রুত পাকা করে দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরতের শেষের দিকে শীতের ছোঁয়া অনুভূত হতে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের জেলা বগুড়ায়, যা শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত। এই সময়টাতে স্থানীয় কৃষকেরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন, চড়া দাম ও বাড়তি লাভের আশায়। মাঠগুলো এখন শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলার সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং গত মৌসুমের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নতুন করে স্বপ্ন বুনছেন বগুড়ার চাষিরা।
আশ্বিন মাসের শুরু থেকেই বগুড়ার শাজাহানপুর, শিবগঞ্জ, শেরপুর, গাবতলী ও কাহালু উপজেলার বিভিন্ন মাঠে কৃষকদের ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেছে। কেউ ক্ষেতে পরিচর্যা করছেন, কেউ পোকামাকড় দমনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আবার অনেকে ইতোমধ্যে উৎপাদিত সবজি তুলতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাজারের জন্য। আগাম বাজারে সবজির চাহিদা বেশি থাকে, ফলে দামও দ্বিগুণ পাওয়া যায়। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবার ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে আগাম সবজির আবাদ।
বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, জেলাটি দেশের অন্যতম প্রধান সবজি উৎপাদন অঞ্চল। ঢাকার কারওয়ান বাজারসহ দেশের বড় পাইকারি বাজারে বগুড়ার সবজির বিশেষ চাহিদা রয়েছে। প্রতি বছর শীত মৌসুমের মূল সবজি বাজারে আসার আগেই আগাম সবজি আবাদ করে লাভবান হন এ অঞ্চলের চাষিরা। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলার প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগাম সবজি চাষে ঝুঁকি যেমন থাকে, তেমনি লাভের পরিমাণও বেশি। বৃষ্টির হাত থেকে ফসল রক্ষায় অনেক কৃষক উঁচু জমিতে বা বিশেষ পলিথিন শেড (পলিহাউস) ব্যবহার করে চারা তৈরি ও রোপণ করেছেন। শিবগঞ্জ উপজেলার সবজিচাষি শফিকুল ইসলাম জানান, "অন্যান্য ফসলের তুলনায় আগাম সবজিতে কিছুটা বাড়তি খরচ ও মেহনত বেশি করতে হয়। তবে যদি বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসে, তবে এই বাড়তি সবজি দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রি করা সম্ভব। গত বছর অতিবৃষ্টির কারণে কিছুটা ক্ষতি হলেও এবার আবহাওয়া বেশ ভালো রয়েছে।" মহাস্থান হাটের আড়তদাররা জানান, বর্তমানে বগুড়ার মহাস্থানগড়, মহীপুর ও চণ্ডীহারা হাটে আগাম শিম, লালশাক, পালংশাক, মূলা ও কড়লা আসতে শুরু করেছে। পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি শিম ও ফুলকপি ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। চাষিরা পাইকারি দর ভালো পাওয়ায় স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঢাকা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে বগুড়ার হাটগুলোতে ডেরা বেঁধেছেন ভালো মানের সবজি সংগ্রহ করার জন্য।
জেলার কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে সঠিক সময়ে মানসম্পন্ন বীজ, সার ও কারিগরি পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিষমুক্ত বা জৈব উপায়ে সবজি উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভোক্তারা নিরাপদ সবজি পেতে পারেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বনিক তদারকি করছেন যাতে পোকামাকড় বা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ধরনের বিঘ্ন না ঘটলে চলতি মৌসুমে বগুড়ার কৃষকেরা আগাম সবজি থেকে কোটি টাকার ব্যবসা করবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে দেশের বাজারে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের মধ্যে সবজি পৌঁছে দিতে এই উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের ভূমিকা অপরিসীম। সব মিলিয়ে, আগাম সবজির ভালো ফলন ও ন্যায্য মূল্য পাওয়ার মধ্য দিয়ে বগুড়ার হাজারো কৃষক পরিবার এখন নতুন আশার আলো দেখছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার কসবা মহল্লায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তির কেনা জমিতে বাঁশের বেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবা মহল্লার প্রতিবন্ধী আব্দুল মালেক এবং তার ভাই আব্দুস সাত্তার একই এলাকার গোপাল কুমার মহন্তের কাছ থেকে ৬ শতক জমি ক্রয় করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে জমিটি রেজিস্ট্রি করা হয়। জমিটিতে পূর্বে একটি স্থাপনা বিদ্যমান ছিল। জমির মালিকদের কাছ থেকে স্থাপনাসহ পুরো জমি বুঝে নেওয়ার পর সেখানে ব্যবসায়িক স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন দুই ভাই।
অভিযোগ রয়েছে, শনিবার উত্তর একডালা মহল্লার সাহেব আলী, সৈয়দ আলী, বারীক মাস্টার ও আব্দুল কুদ্দুসসহ কয়েকজন ওই জমির স্থাপনার সামনে বাঁশের বেড়া দেন। জমির মালিকরা দাবি করেছেন, তাদের ওই জমিতে কোনো মালিকানা বা স্থাপনা নেই। ফলে ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
জমির মালিক আব্দুল মালেক বলেন, "অনেক কষ্ট করে জমিটি কিনেছি। সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা করার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু একটি পক্ষ জোরপূর্বক তাদের কেনা জমিতে বাঁশের বেড়া দিয়েছে। ওই জমিতে তাদের কোনো অধিকার নেই।"
আব্দুস সাত্তার আরও বলেন, "আমরা দুই ভাই গোপাল মহন্তের কাছ থেকে ৬ শতক জমি কিনেছি। ফেব্রুয়ারি মাসে জমিটি রেজিস্ট্রি হয়েছে। স্থাপনাসহ জমিটি আমাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ অন্য এলাকার কয়েকজন লোক এসে জোরপূর্বক বাঁশের বেড়া দিয়েছে।"
তিনি বলেন, "এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানালে তিনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।"
অভিযোগের বিষয়ে সাহেব আলী জানান, "সেখানে তাদের কোনো ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি নেই। রাস্তার পাশে কিছু সরকারি জায়গা রয়েছে, সেটি দখলের উদ্দেশ্যে তারা বাঁশের বেড়া দিয়েছেন। সেখানে একটি বিদ্যালয়ও রয়েছে এবং আব্দুল মালেকরা বিদ্যালয়ে তালা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ কারণে তারা বাঁশের বেড়া দিয়েছেন বলেও জানান সাহেব আলী।"
প্রতিবন্ধীর জমি দখলের চেষ্টায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি দেখা হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিজু তামান্না জানান। তিনি আরও বলেন, "লিখিত অভিযোগ পেলে উভয়পক্ষকে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, "জায়গা দখলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হয়। এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ