বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৫ পি.এম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সব পাঠ্যবই সরবরাহ সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান ও স্পেসিফিকেশন যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সতর্ক করেছেন যে, আগামী বছর থেকে পুরোনো মেশিন ব্যবহার করে মুদ্রণকাজ চালালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আর কোনো কাজ দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মাতুয়াইলে ‘বর্ণমালা প্রেস’ ও ‘গ্লোবাল প্রিন্টিং ইকুইপমেন্ট’ পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি মুদ্রণপ্রক্রিয়া, ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, কাগজের গুণগত মান এবং বইয়ের ছাপার মান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পাঠ্যবই মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থ নির্ধারিত মান পুরোপুরি বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করা। কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকলে তা দরপত্রে অংশ নেওয়ার আগেই বিবেচনায় নেওয়া উচিত। মুদ্রণযন্ত্রের সক্ষমতা বা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাত তুলে বইয়ের মানের সঙ্গে কোনোভাবেই আপস করা যাবে না। সরকার যে মানের বই সরবরাহের জন্য দায়িত্ব দিয়েছে, তা শতভাগ নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আবশ্যিক কর্তব্য।’
বইয়ের ছাপার মান যাচাই করতে গিয়ে তিনি কয়েকটি বইয়ে রঙের বিন্যাস ও অ্যালাইনমেন্টের অসঙ্গতি দেখতে পান। এ ধরনের ত্রুটি যাতে অন্যান্য বইয়ে না ছড়িয়ে পড়ে, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্টদের কড়া সতর্কবার্তা দেন। পাশাপাশি মুদ্রণকাজের সামগ্রিক মান নিয়ন্ত্রণ ও মাঠপর্যায়ের তদারকি আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পাঠ্যবইয়ের মান নিশ্চিত করতে কেবল কাজ শেষ করলেই হবে না; প্রতিটি বই নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে মুদ্রিত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। তাই এ ক্ষেত্রে যেকোনো অবহেলা বা নিম্নমানের কাজ কোনো অবস্থাতেই বরদাশত করা হবে না।
তিনি সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শতভাগ বই সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আধুনিক ও উন্নত সক্ষমতাসম্পন্ন মুদ্রণযন্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রতিনিধি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তিনি বলেছেন, আগামী দিনের মেধাবী, দক্ষ ও সৃজনশীল মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এসব চর্চার কোনো বিকল্প নেই।
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহী নগরীর কালেক্টরেট মাঠে নয় দিনব্যাপী রাজশাহী বিভাগীয় বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষাব্যবস্থার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, একসময় পরীক্ষার খাতায় না লিখলেও শতকরা ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থীকে পাস করানো হয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থার এমন দুরবস্থার কারণে বর্তমানে অনেক তরুণের প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে।
তিনি বলেন, যথাযথ শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশে বেকারত্ব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বেকারত্ব ও হতাশাকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটানো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে জাতীয় বাজেটের প্রায় এক-চতুর্থাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ এবং তাঁদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ রেজাউল আলম সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও রাজশাহীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উদ্বোধনী আলোচনা শেষে মেলা প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আয়োজকেরা জানান, রাজশাহী কালেক্টরেট মাঠে শুরু হওয়া বিভাগীয় বইমেলা চলবে আগামী ৬ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বইপ্রেমী ও সব বয়সী দর্শনার্থী মেলায় অংশ নিতে পারবেন।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কুড়িল বিশ্বরোডের একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কুড়িল বিশ্বরোডের ৯৫/ক নম্বর ভবনে, পূবালী ব্যাংকের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ‘হোটেল পূর্বাচল’-এ আবাসিক হোটেলের আড়ালে এসব কর্মকাণ্ড চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, হোটেলটির ব্যবস্থাপক রবিউলের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীদের এনে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর পাশাপাশি মাদক সরবরাহ ও সেবনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক হোটেলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি দেখা যাচ্ছে না। এতে হোটেলটিতে অবস্থানকারী সাধারণ অতিথি ও আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে হোটেল পূর্বাচলের ব্যবস্থাপক রবিউলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা থানায় মাসোয়ারা দিই। যা কিছু জানার থানার ওসির কাছে জানেন।”
তবে হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং হোটেলটিতে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, মাদকবিরোধী অভিযান এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়ে থাকে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।উল্লেখ্য বিষয় একাধিকবার ও সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন পত্রিকার নিউজ সত্ত্বেও কোন প্রকারে বন্ধ হয়নি এই দেহ ব্যবসা ও মাদক ব্যবসা। আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ম্যানেজার রবিউল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ