মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩০ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিমান চলাচল খাতের বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগে ২৭টি বিমান সংস্থা এবং ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের (ট্রেজারি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইরান সরকার অস্ত্র, জনবল এবং অবৈধ পণ্য পরিবহনের জন্য দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল খাতকে ব্যবহার করছে।
মার্কিন ট্রেজারি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে, ইরানের বিমান চলাচল খাত দেশের সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে। এই খাতের মাধ্যমে অস্ত্র, সামরিক বা সংশ্লিষ্ট জনবল এবং নিষিদ্ধ বা অবৈধ পণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে ওয়াশিংটন অভিযোগ করেছে।
এই কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
২৭ বিমান সংস্থা নিষেধাজ্ঞার আওতায়
নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ২৭টি বিমান সংস্থা রয়েছে। পাশাপাশি বিমান চলাচল খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকেও এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মার্কিন সরকারের অভিযোগ হলো, এসব প্রতিষ্ঠান ইরানের সরকারের জন্য এমন আর্থিক ও কার্যক্রমগত সহায়তা প্রদান করছে, যা দেশটির ওপর বিদ্যমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করছে।
মার্কিন ট্রেজারি বলেছে, ইরান সরকারের জন্য ‘আর্থিক জীবনরেখা’ হিসেবে কাজ করছে—এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি ওয়াশিংটন দিয়েছিল, নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সেটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়ীদের জন্য সতর্কবার্তা
নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পর মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সরাসরি সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন।
তিনি বলেছেন, “আজ আমরা ইরানের অবশিষ্ট সব বিমান সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। ইরানের এসব বিমান সংস্থার সঙ্গে ব্যবসা করা যে কারও জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা। আপনারা বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।”
বেসেন্টের এই বক্তব্য থেকে পরিষ্কার, যুক্তরাষ্ট্র শুধু ইরানি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেই থেমে থাকতে চায় না; বরং তৃতীয় কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অংশীদারদেরও ইরানের নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে লেনদেন থেকে বিরত রাখতে চাপ প্রয়োগ করছে।
নিষেধাজ্ঞার সম্ভাব্য প্রভাব
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহারের সুযোগ সীমিত হতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও বাণিজ্যিক লেনদেন পরিচালনার ক্ষেত্রেও এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ইরানের বিমান চলাচল খাত দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে রয়েছে। নতুন করে আরও ২৭টি বিমান সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার ফলে দেশটির আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন, বিমানের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ, আর্থিক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
ওয়াশিংটনের অভিযোগ অনুযায়ী, ইরান সরকার বিমান চলাচল অবকাঠামোকে শুধুমাত্র বেসামরিক যাত্রী পরিবহনের জন্য নয়, অস্ত্র ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য এবং সংশ্লিষ্ট জনবল স্থানান্তরের কাজেও ব্যবহার করছে। এ কারণেই এই খাতকে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞার পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে মার্কিন ট্রেজারি জানিয়েছে।
নতুন পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সতর্ক করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে ইরানের বিমান চলাচল খাতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত হতে পারে। সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নে অবস্থিত পূর্ব ওমরাবাজ মোহাম্মদিযা আলিম মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মাদ্রাসার বর্তমান অধ্যক্ষ মাওলানা ওমর ফারুক এবং সাবেক সভাপতি শাহাদাত হোসেন লোকমানের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় অনাকাঙ্ক্তি সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গতকাল (৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সোমবার সকাল ও বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সোমবার সকালে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদপ্রত্যাশী, সাবেক ওলামা লীগ নেতা এবং বর্তমানে শশীভূষণ থানা ওলামা দলের সভাপতি শাহাদাত হোসেন লোকমান মাদ্রাসায় যান। কমিটি গঠন নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ওমর ফারুককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করেন। এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে অধ্যক্ষের অনুসারী ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এরই জেরে ওই দিন বিকেলেই পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে অধ্যক্ষের সমর্থকরা সংঘবদ্ধ হয়ে শাহাদাত হোসেন লোকমানের ওপর হামলা চালায়। তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় লোকমানকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব ওমরাবাজ মোহাম্মদিযা আলিম মাদ্রাসার নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অধ্যক্ষ ওমর ফারুকের সাথে সাবেক সভাপতি লোকমানের বিরোধ চলছিল। শাহাদাত হোসেন লোকমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করলেও মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে মরিয়া ছিলেন। অন্যদিকে, অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে নিয়ম মাফিক কমিটি গঠনের চেষ্টা করা হলে দুই পক্ষের মধ্যে এই দ্বন্দ¦ প্রকাশ্য রূপ নেয়, যার জেরে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলো।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে এবং আশেপাশে প্রকাশ্য দিবালোকে এ ধরনের দফায় দফায় সংঘাতের ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিঘিœত হচ্ছে মাদ্রাসার স্বাভাবিক পাঠদান ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ।
এই বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহম্মদ জানান , মাদ্রাসার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। যেকোনো ধরনের বড় সংঘাত এড়াতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনায় কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধানমন্ডল গ্রামের নাঈমের রাস্তায় হারিয়ে যাওয়া প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা কুড়িয়ে পেয়ে তা প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মাধবপুর উপজেলার শিমুলঘর গ্রামের মোঃ পাভেল খন্দকার।
মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর সকালে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রাস্তায় পড়ে থাকা সাড়ে ৪ লাখ টাকা পেয়ে পাভেল খন্দকার বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে দৈনিক ইনকিলাবের নাসিরনগর উপজেলা সংবাদদাতা মোঃ মোযযাম্মিল হক-এর উপস্থিতিতে যাচাই-বাছাই শেষে টাকাগুলো প্রকৃত মালিক নাসিরনগরের ধানমন্ডল গ্রামের নাঈমের কাছে ফেরত দেওয়া হয়।
হারানো টাকা ফিরে পেয়ে নাঈম স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং পাভেল খন্দকারের সততা ও মানবিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
এ ঘটনায় পাভেল খন্দকারের এমন সততা ও দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেছেন স্থানীয়রা। অর্থের প্রতি লোভ না দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন তারা।
টাকা ফেরত দেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দৈনিক ইনকিলাবের নাসিরনগর উপজেলা সংবাদদাতা মোঃ মোযযাম্মিল হক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বামী-স্ত্রী উভয়ের কর্মস্থল কাছাকাছি, একই জায়গা, শহর কিংবা একই উপজেলায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি আজ সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মারদিয়া মমতাজের বিধি-৭১ এর আওতায় জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এ কথা জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে ৪৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার ইতোমধ্যে কাজ করছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে ২০টি ডে-কেয়ার সেন্টার। এছাড়াও আরও ২০টি ডে-কেয়ার অর্থাৎ মোট ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার এই মুহূর্তে ঢাকা শহর এবং ঢাকার বাইরে আমরা পরিচালনা করছি।
তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে আরও ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের জন্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই সমস্ত ডে-কেয়ার সেন্টারগুলোতে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৫০টি ১৫ দিন থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের অফিস চলাকালীন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৫৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে কর্মরত মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং সেন্টারও আমাদের আছে। আরও ১১টি ব্রেস্টফিডিং সেন্টার স্থাপনের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। এছাড়া আরও ১২টি কিছুদিনের মধ্যে করতে পারবো। অর্থাৎ ৬৪টিতেই ব্রেস্টফিডিংয়ের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, যদি কোনো খাদ্যপণ্যের পরীক্ষায় জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা বিরূপ ফলাফল পাওয়া যায়, তাহলে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নমুনা পরীক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে খাদ্যপণ্যের ঝুঁকি দ্রুত চিহ্নিত করা। এর মাধ্যমে অনিরাপদ খাদ্য বাজার থেকে অপসারণ করা, সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ীদের আইন মেনে চলতে উৎসাহিত করা এবং জনগণের স্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্যের অধিকার নিশ্চিত করা।
আজ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য সানসিলা জেবরিনের জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী এই তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২১০টি খাদ্য নমুনা পরীক্ষা করেছে। বোতলজাত পানি, ভোজ্যতেল, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, দই, গুঁড়া মশলা, শিশু খাদ্য এবং বেকারি পণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী নিয়মিত এবং ঝুঁকিভিত্তিক পরীক্ষার জন্য সরকারি অনুমোদিত ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়।
মন্ত্রী আরও জানান, খাদ্যপণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মাঠপর্যায়ের ৭২টি কার্যালয় থেকে প্রতি মাসে ১৪৪টি খাদ্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ১ হাজার ২১০টি খাদ্য নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪৯টি বোতলজাত পানিতে ক্যাডমিয়াম, আর্সেনিক, আয়রন, লেড; ৫৪টি ভোজ্য তেলে ট্রান্স-ফ্যাট, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু; ৩৩টি দুধের নমুনায় মিল্ক ফ্যাট, মিল্ক প্রোটিন, লেড, মেলামাইন; ৩টি দইয়ের নমুনায় মিল্ক ফ্যাট, মিল্ক প্রোটিন, সোডিয়াম সাইক্ল্যামেট; ৫টি শিশু খাদ্যের নমুনায় লেড; ৭৯টি গুঁড়া মশলার নমুনায় লেড, ক্রোমেট, সুদান ডাই; এবং ১৫৭টি বেকারি পণ্যে হাইড্রোক্স, পটাশিয়াম ব্রোমেট পরীক্ষা করা হয়েছে।
এছাড়া, পাঁচটি শিশু খাদ্যের নমুনায় লেড, ৭৯টি গুঁড়া মশলার নমুনায় লেড, ক্রোমেট ও সুদান ডাই এবং ১৫৭টি বেকারি পণ্যে হাইড্রোক্স ও পটাশিয়াম ব্রোমেট পরীক্ষা করা হয়েছে।
আফরোজা খানম বলেন, নজরদারি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিএফএস-এর ৭২টি কার্যালয়ে মিনি ল্যাব এবং আটটি মোবাইল ভ্যান ল্যাবরেটরি রয়েছে। তবে, নিজস্ব ভবন ও খাদ্য নমুনা পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ ল্যাবরেটরি না থাকার কারণে বর্তমানে ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি অনুমোদিত ল্যাবরেটরির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক ও চুক্তির মাধ্যমে পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ