রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৭ পি.এম
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মোট ৭৭০ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এক বছরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩.৮ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬— এই তিন দিনে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১৩ কোটি মার্কিন ডলার। আর ১ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০.৪ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জুলাই থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৭০ কোটি ২০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৯৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
তবে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৯ দিনের হিসাব তুলনা করলে প্রবৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে। গত বছরের একই সময়ে ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বিপরীতে এবার এসেছে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বেড়েছে মাত্র ৮০ লাখ ডলার।
রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত। এর মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য, আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। পাশাপাশি, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের পরিবারগুলোর ভোগ, সঞ্চয় ও বিনিয়োগেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দিকে রেমিট্যান্সে তুলনামূলক শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে সেই গতি কিছুটা কমেছে। তবে, জুলাই থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে ১৩.৮ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে যেখানে ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার এসেছিল, সেখানে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে এসেছে ৭৭০ কোটি ২০ লাখ ডলার। ফলে চলতি অর্থবছরের এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয় প্রবাহ আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুযোগ সহজ ও প্রতিযোগিতামূলক রাখা গেলে প্রবাসী আয় আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে দ্রুত অর্থ পৌঁছানো, প্রবাসীদের জন্য সেবার মান উন্নয়ন এবং বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রণোদনা রেমিট্যান্স প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সামগ্রিকভাবে, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রায় তিন মাসে প্রবাসী আয় প্রবাহের ১৩.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্বস্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনের প্রবৃদ্ধি মাত্র ০.৪ শতাংশ হওয়ায় মাসের বাকি সময়ে রেমিট্যান্সের গতি কেমন থাকে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের ১০টি দেশের ভেতরে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জরুরি ভ্রমণ সতর্কবার্তা প্রকাশ করে।
সতর্কতার আওতায় থাকা দেশের তালিকায় রয়েছে—ইসরায়েল, লেবানন, জর্ডান, ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে এবং ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা হঠাৎ বন্ধ হওয়া এবং ভ্রমণ বিঘ্নিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের বেসামরিক বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালাচ্ছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। এছাড়া, ইরান বা তাদের সমমনা গোষ্ঠীগুলো বিশ্বের যেকোনো স্থানে মার্কিন প্রতিষ্ঠান, নাগরিক বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালানোর আশঙ্কা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বাবা-মাকে সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং তার বন্ধুমহল কেমন, সে বিষয়ে খোঁজখবর রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টে এই মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান বলেছেন, "সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, তার বন্ধু সার্কেল কেমন, সেটার খোঁজখবর রাখা আমাদের প্রত্যেক বাবা-মায়ের দায়িত্বও বটে।" কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার একমাত্র সন্তান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড সেটি আমাদের আরও স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি উল্লেখ করেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে পুলিশ যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে, তারা এলাকায় কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত। সিসিটিভি ফুটেজে হত্যাকাণ্ডের শিকার অপ্রতিমকে ঘাতক তুহিনের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে দেখা যায়।
রাশেদ খান আরও বলেন, "আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, অপ্রতিম একটু সিনিয়র ক্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে পছন্দ করত।" সেই জায়গা থেকে তুহিনদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, "আমরাও ছোটবেলায় এলাকার বড় ভাইদের সঙ্গে ওঠাবসা করেছি। কিন্তু এলাকার খারাপ ছেলেদের থেকে সবসময় দূরে থাকার চেষ্টা করেছি।" এক্ষেত্রে বাবা-মায়ের শাসন ও নৈতিক নির্দেশনাও বড় একটি ব্যাপার ছিল।
তিনি আরও বলেন, "দেশের সব এলাকাতেই তুহিনদের মতো কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে।" তারা ফেসবুকে চটকদার ছবি ও সিনেমাটিক ভিডিও প্রকাশ করে অল্পবয়সী তরুণদের আকৃষ্ট করে নিজেদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে।
রাশেদ খান বলেন, "গণমাধ্যমের খবরে এসেছে, আইফোনের লোভ দেখিয়ে ছবি তোলার কথা বলে তারা শিশু অপ্রতিমকেও বিভ্রান্ত করে ঘর থেকে বের করে আনে।" বাবা-মায়ের কর্মব্যস্ততার কারণে হয়তো শিশুটির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ তৈরি হওয়ার বিষয়টি বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, "অপ্রতীমের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কিশোর গ্যাং নির্মূলের বার্তা দেয়।" আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। নতুবা আগামীকাল আপনার-আমার সন্তানের পরিণতিও অপ্রতীমের মতো হতে পারে।"
এরপর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নিয়ে মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, "সব ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করতে পারেন, যেহেতু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে।" কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি বর্তমান বিরোধী দলের দেশব্যাপী নিত্যনতুন কর্মসূচির নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত থাকবে, নাকি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রোধে মনোযোগ দেবে, নাকি সামাজিক অপরাধ বন্ধে বেশি গুরুত্ব দেবে? কোথায় অগ্রাধিকার থাকা দরকার? কারণ জনসংখ্যার অনুপাতে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। আর ১৬ বছরে বাহিনীগুলোকে দলীয়করণ করার অপচেষ্টার ইতিহাসও কারও অজানা নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আশ্বাস দিয়েছেন যে, শহীদ পরিবারগুলোর সার্বিক কল্যাণ এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন ও আহত হয়েছেন, জাতি তাদের আত্মত্যাগ কখনো ভুলবে না।"
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রেসিডেন্ট এই আশ্বাস প্রদান করেন। সাক্ষাৎকালে মুগ্ধের পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ এবং পরিবারের সদস্য মাহফুজা জাফরিন আরিবা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রেসিডেন্ট পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
সাক্ষাৎকালে মুগ্ধের পরিবারের সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের কল্যাণ, পুনর্বাসন এবং আহতদের চিকিৎসায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে। তারা শহীদ ও আহতদের পরিবারের কল্যাণে সরকারের গৃহীত কার্যক্রমগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের অনুরোধও জানান।
এ সময় পরিবারের সদস্যরা গেজেট প্রজ্ঞাপনে প্রকাশিত ৮৪৫ জন জুলাই শহীদের নামসংবলিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের একটি রেপ্লিকা প্রেসিডেন্টকে উপহার দেন।
প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, "দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, জাতি তাদের আত্মত্যাগ কখনো ভুলবে না।"
প্রেসিডেন্ট শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও চিরশান্তি কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার পল্লবী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিননামা জমা দিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
রোববার, ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে তিনি সশরীরে জামিননামা জমা দেন। জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার হওয়া এই রাজনীতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, গাজী নজরুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন পেয়েছেন। আজ আদালতে তিনি জামিননামা জমা দেন।
অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ২১ জুলাই গাড়ি চালক ওবায়দুর রহমান বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন পান গাজী নজরুল ইসলাম।
মামলার আসামিরা হলেন- গাজী নজরুল ইসলাম (৭৪), আমিনুর রহমান (৫৫), মাসুম বিল্লাহ (৪১), মোতাসসিম বিল্লাহ (২৫) ও রাকিবুল হাসান (৩০)।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, বাদী ওবায়দুর রহমান পল্লবীর কালশী এলাকার ‘রোজগার্ডেন টাওয়ার’-এ তার বোনের বাসায় বসবাস করতেন। তিনি গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়ির চালক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। আত্মীয়তার সূত্রে নজরুল ইসলাম ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে নজরুল ইসলামের সঙ্গে ওবায়দুরের ভাগনির অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে ওবায়দুর তার পরিবারকে জানান এবং নজরুল ইসলামকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নজরুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
বাদীর অভিযোগ, সম্প্রতি মগবাজারের একটি চক্র নজরুল ইসলাম ও তার ভাগনির কিছু ‘অপ্রীতিকর ভিডিও’ সংগ্রহ করে নজরুলকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। নজরুল ইসলামের ধারণা হয়, ওবায়দুরই গোপন ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যম ও ওই চক্রের হাতে তুলে দিয়েছেন। এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১৪ জুলাই নজরুল ইসলামের নির্দেশে অন্য আসামিরা ওবায়দুরের ওপর হামলা চালায়।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওবায়দুর বলেন, ওই দিন বেলা ১১টার দিকে আসামি আমিনুর রহমান তাকে কৌশলে ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। সেখানে অন্য আসামিরা মিলে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে আমিনুর তাকে ফ্লোরে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। ওবায়দুরের মা তাহমিনা ও ছোট বোন মীম এগিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় ওবায়দুর স্থানীয় কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, হামলার পর থেকে আসামিরা তাকে যেখানে পাবে সেখানেই হত্যা করবে বলে হুমকি দিচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ