ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী


চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সভার প্রতিপাদ্য ছিল ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভাটি শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন। তিনি পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই নগরায়ণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

বৃক্ষরোপণকালে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এমপি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাশ্মীরের জঙ্গলে সন্ত্রাসীদের কাছে সিমবিহীন ‘ভূত নেটওয়ার্ক’ উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ এম


কাশ্মীরের জঙ্গলে সন্ত্রাসীদের কাছে সিমবিহীন ‘ভূত নেটওয়ার্ক’ উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে

সন্ত্রাসীরা যে ডিজিটাল চিহ্ন মোবাইল ফোন ব্যবহার করে রেখে যেত, বর্তমানে তা আর দেখা যাচ্ছে না। জম্মু ও কাশ্মীরের দুর্গম জঙ্গলে নতুন ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সন্ত্রাসীরা। এই ব্যবস্থায় সিমকার্ড, মোবাইল টাওয়ার বা ওয়াই-ফাইয়ের প্রয়োজন নেই।

এনডিটিভি সূত্রে জানা যায়, নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বলছে, এই নতুন যোগাযোগব্যবস্থায় লোরা (LoRa- Low Range) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। লোরা হলো কম শক্তিতে দীর্ঘ দূরত্বে যোগাযোগের প্রযুক্তি। কাশ্মীরে পাকিস্তানি সন্ত্রাসী কমান্ডারদের কাছ থেকে একাধিক উন্নত যোগাযোগযন্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর বিষয়টি নিরাপত্তা বাহিনীর নজরে আসে।

নিরাপত্তা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা মন্তব্য করেন, সন্ত্রাসীরা প্রচলিত যোগাযোগব্যবস্থার বাইরে চলে গেছে। এটি সন্ত্রাসী যোগাযোগের নতুন ধরনের ব্যবস্থা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

২৯ সেপ্টেম্বর বুদগামে একটি বন্দুকযুদ্ধের পর এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। গুরওয়াতকালানে ওই অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে লস্কর-ই-তৈয়্যেবার কমান্ডার মোহাম্মদ আসিফ, যিনি হাশিম মুসা ফৌজি নামে পরিচিত, নিহত হন। তার কাছ থেকে একটি কালো রঙের শক্তপোক্ত যোগাযোগযন্ত্র উদ্ধার করা হয়, যার উপর ‘লোরা আলট্রা’ লেখা ছিল।

নিরাপত্তা বাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এগুলো সাধারণ ওয়াকিটকি নয়। এগুলো এনক্রিপ্ট করা রেডিও, যা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম। প্রতিটি যন্ত্র অন্য যন্ত্রের সংকেতও পাঠাতে পারে। ফলে সিমকার্ডের প্রয়োজন হয় না এবং মোবাইল নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করতে হয় না।

নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মতে, লোরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে জঙ্গলের মতো এলাকায় কয়েক কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ছোট বার্তা, জিপিএস অবস্থান ও জরুরি সংকেত পাঠানো সম্ভব। এই প্রযুক্তির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, একটি যন্ত্র অন্য যন্ত্রের সংকেত আবার পাঠাতে পারে। ফলে দুর্গম এলাকায় একাধিক যন্ত্র মিলে নিজেদের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে।

প্রযুক্তিগত নজরদারির সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে থাকা কারো কাছে বার্তা পাঠানো সম্ভব হতে পারে। সাধারণ মোবাইল নজরদারিতে এর কোনো চিহ্ন পাওয়া নাও যেতে পারে।

দাচিগাম ও পাহেলগামের মধ্যবর্তী পাহাড়ি এলাকায় ‘অপারেশন মহাদেব’ চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী পহেলগাম হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের খুঁজছিল। ওই অভিযানে একাধিক এনক্রিপ্টেড লোরা যন্ত্র এবং সিমবিহীন একবার ব্যবহারযোগ্য ফোন উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো জানতে পারে, সন্ত্রাসীরা নিজেদের মধ্যে এবং পাকিস্তানে থাকা তাদের নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এসব যন্ত্র ব্যবহার করছিল। তারা মোবাইল নেটওয়ার্ক এড়িয়ে চলছিল। জাতীয় প্রযুক্তিগত গবেষণা সংস্থার ফরেনসিক বিশ্লেষণে যন্ত্রগুলোর উৎস নিয়েও তদন্ত চলছে।

নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, এসব যন্ত্র স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হয়নি। এগুলো আগে থেকেই নির্দিষ্টভাবে সেট ও এনক্রিপ্ট করা ছিল। সীমান্তের ওপারে থাকা নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এগুলো প্রস্তুত করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে নতুন এই যোগাযোগব্যবস্থা মোকাবেলায় নিরাপত্তা বাহিনীও তাদের নজরদারি পদ্ধতি বদলাচ্ছে। এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, দক্ষিণ কাশ্মীরের জঙ্গলে লোরা প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত রেডিও সংকেত শনাক্ত করতে বিভিন্ন যন্ত্র ও ব্যবস্থা নতুন করে সাজানো হচ্ছে।

আরেক কর্মকর্তা বলেন, এখন শুধু সিমকার্ড বা মোবাইল ফোনের ওপর নজর রাখলেই হবে না। সিমবিহীন এই রেডিও যোগাযোগ শনাক্ত করাই নিরাপত্তা বাহিনীর নতুন লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুখ্যমন্ত্রীর পথ আটকে আইফোন চাইল যুবক, সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ এম


মুখ্যমন্ত্রীর পথ আটকে আইফোন চাইল যুবক, সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার ঝড়

ভারতের আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার কাছে প্রকাশ্যে আইফোন চেয়ে বসেছেন এক যুবক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর মাধ্যমে এ ঘটনার পর শুরু হয়েছে বিভিন্ন আলোচনা ও হাস্যরস।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। এ সময় এক যুবক তার সামনে এসে সরাসরি বলে, "স্যার, আমি একটি আইফোন চাই।"

যুবকের এই অপ্রত্যাশিত আবদারে মুখ্যমন্ত্রী কিছুটা অবাক হন। তিনি জানতে চান, "আইফোন? তুমি পুরোনো আইফোন চাও, নাকি নতুন?"

এরপর মজার ছলে যুবককে হালকা ধমক দেওয়ার ভঙ্গি করেন বিশ্বশর্মা। তবে তিনি শেষ পর্যন্ত যুবকের আবদার প্রত্যাখ্যান না করে আইফোন দেওয়ার আশ্বাস দেন। মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, "ঠিক আছে, আমরা তোমাকে একটি আইফোন এনে দেব। তুমি পেয়ে যাবে।"

এরপর তিনি সেখান থেকে এগিয়ে গিয়ে উপস্থিত অন্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে থাকেন।

ঘটনার ভিডিওটি নিজেই ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, "খুবই স্পষ্ট অগ্রাধিকার।"

ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এমন সরাসরি ও অপ্রত্যাশিত আবদার করায় ওই যুবককে নিয়ে রসিকতা করেছেন অনেকে। কেউ কেউ মুখ্যমন্ত্রীর উদারতার প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ওই যুবক শেষ পর্যন্ত আইফোন পেয়েছেন কি না।

অনেকের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এতটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে আইফোন চাওয়ার ঘটনাই ভিডিওটিকে আরও মজার করে তুলেছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই: রাশেদ খাঁন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন জানিয়েছেন, বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনের কোনো সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাথে কোনো ধরনের ঝামেলায় জড়াননি।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘কুষ্টিয়ার লালন শাহের মাজার থেকে ফিরে আসার সময় এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কতিপয় ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা ঘটে। এর ফলে একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সাথে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পর্ক নেই।’

রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই দাবি করেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কুষ্টিয়ায় ছিলেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেছেন। বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কোনো সদস্য তার সঙ্গে ঝামেলায় জড়াননি। আজ (৪ অক্টোবর) রাতে তিনি লালন শাহের মাজারে গিয়েছিলেন এবং সেখানে এনসিপির নেতাকর্মীরাও তার সাথে ছিলেন। তারা মাজারে অবস্থানরত পাগলদের সঙ্গে কিছু সময় কাটান। ফিরে আসার সময় এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কতিপয় ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা ঘটে এবং একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সাথে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

তিনি আরো জানান, কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এবং বিএনপির নেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এই বিষয়টি কারো নখদর্পণে ছিল না। বরং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে লালন শাহের মাজারে গিয়েছিলেন, সেটিও প্রশাসনের কাউকে অবহিত করেননি। একজন নেতা প্রশাসনকে অবহিত না করে যত্রতত্র চলাফেরা করতে পারেন?

ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে দ্রুত গাড়ি পরিবর্তন করে স্থান ত্যাগ করেন। ঝিনাইদহের ঘটনায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানায় চলে গেলেও কুষ্টিয়ায় কেন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দ্রুত চলে গেলেন, এ নিয়ে সন্দেহ রয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মাজার প্রাঙ্গণে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাত ৮টার দিকে পুলিশ ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহায়তায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মাজার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। এরপর তিনি কুমারখালী থানার উদ্দেশে এ ঘটনায় এজাহার দিতে রওনা হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত: প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত: প্রেসিডেন্ট

প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত। নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করা আবশ্যক।

রোববার ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রেসিডেন্ট এই কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মতো অন্যান্য দেশের মতো ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান।

প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, নগরগুলো শুধুমাত্র নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন মানুষের বসবাসের স্থান নয়। বিশ্বব্যাপী নগরগুলো কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এজন্য পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ন টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।

তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশের নগর অঞ্চলগুলো প্রতিনিয়ত জনসংখ্যার চাপ, যানজট, তীব্র দূষণ এবং মানহীন আবাসনের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এই প্রেক্ষাপটে এ বছরের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রেসিডেন্ট বলেন, মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে নিরাপদ, সাশ্রয়ী, দূষণমুক্ত, পর্যাপ্ত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন অন্যতম। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভূমির উচ্চমূল্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে আবাসন সংকট ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।

তিনি আবারও বলেন, সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের একটি প্রধান পূর্বশর্ত। তাই নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়ন ও সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন। সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য আবাসন কর্মসূচি, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণ, নিরাপদ ভবন নির্মাণবিধির যথাযথ পরিপালন, ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার, স্মার্ট ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থায় সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নাগরিক সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রেসিডেন্ট বলেন, এই কাজে সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি অংশীজন, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী, গবেষক ও তরুণ প্রজন্মের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সুপরিকল্পিত নগরায়ন ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের নগরাঞ্চলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে এবং বাসযোগ্য ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হবে।

প্রেসিডেন্ট ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%