ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম।

আজ (মঙ্গলবার) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদ থেকে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই আহ্বান জানান।

আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক উপদেষ্টা ও আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

আরও পড়ুন: মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

সেমিনারে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. রোয়ান উদ্দিন খান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম।

ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জনগণের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা এবং গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষার একটি বহিঃপ্রকাশ। এই আত্মত্যাগের ইতিহাস ভুলে যাওয়া উচিত হবে না।

তিনি আরও বলেন, গত দেড় দশকে দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ভিন্নমতের প্রতি সহনশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিবেশেও ভিন্নমত প্রকাশের কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের হয়রানির ও চাপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, নীতির প্রশ্নে আপস না করায় তাকেও নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে অন্যান্য সহকর্মীদের সহযোগিতা এবং ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থার কারণে তিনি দৃঢ় থাকতে পেরেছেন।

আরও পড়ুন: সরকারের জরুরি নির্দেশ, ৭ নভেম্বর জাতীয় পতাকা উত্তোলন

অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করেন, গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে দেশে একক সিদ্ধান্তের সংস্কৃতি, নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা এবং জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করার প্রবণতা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছে। এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপট থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সাহস, আত্মত্যাগ এবং জনগণের অংশগ্রহণ দেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

উপাচার্য আরও বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা হয়ে থাকতে পারে না। এই চেতনাকে আমাদের রাষ্ট্র, সমাজ এবং শিক্ষাঙ্গনে ধারণ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য কিংবা স্বৈরাচার উপস্থিত হতে না পারে।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার অন্যতম পূর্বশর্ত।

সাম্প্রতিক নির্বাচনী অভিজ্ঞতার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য এবং সহিংসতামুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়াও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আজ আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ৪২৭

এছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন স্বাগত বক্তব্য দেন।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন বিবিএ ৩২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রুবায়েত ফেরদৌস রনিল।

আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে ফ্যামিলি কার্ডের খানা জরিপ কার্যক্রম শুরু

দর্শন বিভাগের উদ্যোগে কলাভবনের ২০২৮ নম্বর কক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. নূরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

দর্শন বিভাগের জুলাই স্মৃতি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ দাউদ খান, অধ্যাপক ড. শাহ্ কাওসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী, অধ্যাপক আ খ ম ইউনুস, ড. আহম্মদ উল্লাহ, মুহাম্মদ ওয়াহিদুল আলম, অরুনা খাতুন জিনিয়া, খন্দকার তোফায়েল আহমেদ, তাপসী রাবেয়া এবং হামিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ, শেখ মুজিবুর রহমান হল এবং শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ব্যাংক এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন করছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যনগরে ৪ মাস ধরে ইউএনও নেই, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৭ পি.এম


মধ্যনগরে ৪ মাস ধরে ইউএনও নেই, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশীরা

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় টানা চার মাস ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নেই, যার কারণে চার ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ সরকারি সেবা পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকার কারণে নাগরিক সেবা, উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রশাসনিক সমন্বয়ে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ মধ্যনগরের ইউএনও উজ্জ্বল রায় বদলি হওয়ার পর ধর্মপাশা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষ অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মধ্যনগরের ইউএনওর দায়িত্ব পালন করেন। পরে গত ২৩ জুলাই সঞ্জয় ঘোষ চট্টগ্রামে বদলি হলে মধ্যনগরের ইউএনওর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় পার্শ্ববর্তী ধর্মপাশা উপজেলার ইউএনও জনি রায়কে।

এদিকে, ২০২১ সালে উপজেলা হিসেবে যাত্রা শুরু হওয়ার পরও মধ্যনগরে পৃথক সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় এখনও গড়ে ওঠেনি। এতে ভূমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা নিতে লোকজনকে ধর্মপাশা উপজেলা থেকে যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

ধর্মপাশা উপজেলার নিয়মিত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মধ্যনগরের অতিরিক্ত দায়িত্বও সামলাতে হওয়ায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে যথেষ্ট চাপ বেড়ে গেছে।

মধ্যনগরের ইউএনও পদটি শূন্য থাকার পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদও দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে। তবে, স্থায়ী ইউএনও না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সেবাপ্রত্যাশীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ মতে, নাগরিক সনদ ও বিভিন্ন ধরনের প্রত্যয়নপত্র দেওয়া, জন্মনিবন্ধন সংশোধন, উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন, আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভা, সরকারি কর্মসূচির তদারকি, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং ভূমি-সংক্রান্ত সমন্বয়সহ অনেক প্রশাসনিক কাজে স্বাভাবিক গতি নেই।

অনেক সেবাপ্রত্যাশী একাধিকবার উপজেলা পরিষদে এসে খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

উপজেলার সীমান্তবর্তী বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অজিত হাজং জানান, ‘সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে প্রশাসনিক সেবা নিতে এসে ইউএনও না থাকায় আমাদের নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।’

স্থানীয় সংবাদকর্মী শিহাব মিয়া মন্তব্য করেন, ‘উপজেলায় স্থায়ী ইউএনও না থাকায় জন্মনিবন্ধন সংশোধনসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা পেতে মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। দ্রুত একজন স্থায়ী ইউএনও পদায়নের দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবুল বাশার তালুকদার বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মধ্যনগরে ইউএনও নেই। পাশের ধর্মপাশা উপজেলার ইউএনও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় দুর্গম এ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী ইউএনও নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আশরাফুর রহমান জানালেন, ‘সিলেট বিভাগের পাঁচটি উপজেলায় বর্তমানে ইউএনওর পদ শূন্য রয়েছে। নতুন কর্মকর্তারা যোগদান করলেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব উপজেলায় পদায়ন করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুধবার ঢাবিতে জুলাই স্মৃতি স্মারকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


বুধবার ঢাবিতে জুলাই স্মৃতি স্মারকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আগামীকাল ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে ক্লাসরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে তিনি জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে স্মৃতি স্মারকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। উপাচার্য বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এই স্মৃতি স্মারক গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের আদর্শ ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।’

জানাতে গিয়ে উপাচার্য আরও জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারী শিক্ষার্থীদের অসাধারণ সাহস, নেতৃত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছর ১৪ জুলাই ‘জুলাই নারী দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারেও অন্তর্ভুক্ত হবে।

তিনি বলেন, এটি কেবল একটি স্মারক দিবস ঘোষণা নয়; বরং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নারীদের অবদান ও নেতৃত্বের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘জুলাই কর্নার’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে আন্দোলনের ঐতিহাসিক আলোকচিত্র, ভিডিও, শহীদ ও আন্দোলনকারীদের ব্যবহৃত সামগ্রী, গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র এবং গবেষণাসামগ্রী সংরক্ষণ করা হবে। এটি ভবিষ্যৎ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মূল্যবান আর্কাইভ হিসেবে কাজ করবে।

জানা গেছে, আগামীকাল সকাল সাড়ে ১১টায় টিএসসি মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পাঁচজনের পরিবারের সদস্যদের জাতির কৃতজ্ঞতা, দায়িত্ববোধ ও শ্রদ্ধার প্রতীক হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হবে।

ঢাবি উপাচার্য জানান, শিক্ষার্থীদের আঁকা ঐতিহাসিক গ্রাফিতিগুলো পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ করা হয়েছে, যাতে গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও বার্তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জীবন্ত থাকে।

তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগও গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা ফিরোজের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি স্থানীয়দের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা ফিরোজের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি স্থানীয়দের

 

ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বানাই বাজার এলাকার বাসিন্দা সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মো. ফিরোজ হাওলাদারের সম্পদ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তার সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীর কেউ কেউ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. ফিরোজ হাওলাদারের পিতা তেমন কোনো বড় ধরনের সম্পদের মালিক ছিলেন না। লেখাপড়া শেষে তিনি সেটেলমেন্ট অফিসে চাকরিতে যোগ দেন। তবে চাকরিতে যোগদানের পর থেকে তার সম্পদ বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, ফিরোজ হাওলাদারের নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন স্থানে জমি, সঞ্চয় এবং অন্যান্য সম্পদ রয়েছে। এছাড়া বরিশালে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, তার সন্তানদের লেখাপড়ার পেছনে প্রতি মাসে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে, যা তার সরকারি বেতনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। মো. ফিরোজ হাওলাদারের বক্তব্যও এ বিষয়ে জানা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

উল্লেখ্য, মো. ফিরোজ হাওলাদার এর আগে মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় কর্মরত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাৎকালে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

আজ (মঙ্গলবার) সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়। এতে মালয়েশিয়া হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি মি. হাজওয়ান হাসনলও উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে বিশেষভাবে বৈঠকে হালাল মাংস রপ্তানির সম্ভাবনা, প্রাণিজ পণ্যের আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতকরণ, প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা, দক্ষ জনবল উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কৃষি ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের মতো বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনায় বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল মালয়েশিয়ায় রপ্তানির সম্ভাবনা বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। এ লক্ষ্যে প্রাণিস্বাস্থ্য সনদ, হালাল সার্টিফিকেশন, কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি (এসপিএস) মানদণ্ড এবং বাজার সম্প্রসারণে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়। একই সঙ্গে মাছ, মাংস, দুধ ও অন্যান্য প্রাণিজ পণ্যের রপ্তানি সম্ভনাও আলোচনায় উঠে আসে।

এসময়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিখাতে যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, হালাল মাংসের আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা এবং কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছেন।

হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান বাংলাদেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন। তিনি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলসহ সম্ভাবনাময় প্রাণিজ পণ্য এবং কৃষিপণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে মালয়েশিয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

এছাড়া, দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপকরেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%