ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে


বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : আজ মঙ্গলবার সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকটি সভাপতিত্ব করেছেন কমিটির সভাপতি মো. খালেদ হোসেন মাহবুব। বৈঠকে কমিটির সদস্যরা, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর, মো. বরকত উল্লাহ বুলু, আবুল হোসেন খান, মো. আবুল কালাম, হেলেন জেরিন খান, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, গাজী এনামুল হক এবং আব্দুল মুনতাকিম অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন সব সংস্থা প্রধানদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সময় কমিটিকে মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে ইনকিলাব মঞ্চের পথসভা

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের কার্যক্রম নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। কমিশন প্রতিষ্ঠার পর গত ১০ বছরে এর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যয়, কমিশনের মাধ্যমে আদায়কৃত জরিমানার পরিমাণ এবং নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা মামলার বিস্তারিত তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ক্ষেত্রে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ কমিয়ে আনা, ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে আইনশৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে এমপি বেলালের গুরুত্বারোপ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে শিশু সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৯ পি.এম


কুড়িগ্রামের চিলমারীতে শিশু সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

 

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে শিশু সুরক্ষা ও শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে একটি সমন্বয় ওপরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে চিলমারী উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা টেরে ডেস হোমস ইতালিয়ার উদ্যোগে সমতার আলো প্রকল্পের আওতায় এ সভার আয়োজন করা হয়।সভায় সমাজসেবা অধিদপ্তর, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা, শিক্ষক, বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধি, কমিউনিটি-ভিত্তিক শিশু সুরক্ষা কমিটির (সিবিসিপিসি) সদস্য এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সভায় শিশু সুরক্ষা বিষয়ক চলমান কার্যক্রম, বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় জোরদার, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পের কার্যক্রমকে স্থানীয় বাস্তবতা ও বিদ্যমান নীতিমালার সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও সুপারিশ গ্রহণ করা হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের জন্য নিরাপদ, সহায়ক ও অধিকারভিত্তিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং প্রান্তিক শিশুরাও সমতার ভিত্তিতে শিক্ষার সুযোগ পাবেসভায় সিবিসিপিসির সভাপতি মো. মজমুল হক, ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রিপন সরকার এবং টেরে ডেস হোমস ইতিলিয়ার প্রকল্প সমন্বয়ক হিরন্ময় সরখলসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেনসভায় অংশগ্রহণকারীরা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করতে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তার। 

 
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমৃদ্ধ স্বদেশ গড়াই সরকারের মূল লক্ষ্য: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


সমৃদ্ধ স্বদেশ গড়াই সরকারের মূল লক্ষ্য: ত্রাণমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, আমাদের পথচলা মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষা, দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস এবং একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও সবুজ বাংলাদেশ নির্মাণ করার অঙ্গীকার নিয়েই। আগামী দিনগুলোতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই পথ আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায়শই ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও বন্যা আছড়ে পড়ে। দুর্যোগের কবল থেকে রক্ষা পেতে এ অঞ্চলের মানুষদের প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হয়। সরকার সেই সংকটকালে উপকূলবাসীর পাশে রয়েছে, তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশের ১১ টি উপকূলীয় জেলার জন্য ১১টি রেসকিউ বোট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আসাদুল হাবিব দুলু এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত শাইদা শিনিচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন, এমপি, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি আবুল কালাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইফুল ইসলাম এবং জাইকা বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ জনকো তাকাশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাঁসির পরিবর্তে ইনজেকশনে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন, আদালতের যা বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


ফাঁসির পরিবর্তে ইনজেকশনে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন, আদালতের যা বক্তব্য

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশনসহ কম যন্ত্রণাদায়ক পদ্ধতিতে শাস্তি কার্যকরের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। আদালত জানিয়েছে, আপাতত দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি হিসেবে ফাঁসিই বহাল থাকবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি বিক্রমনাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ এ বিষয়ে রায় দিয়েছেন। বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে ফাঁসির সাংবিধানিক বৈধতা বহাল রেখে বিকল্প পদ্ধতির আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।

আবেদনকারী আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশন, গুলি, বিদ্যুত্‍স্পৃষ্ট করা কিংবা গ্যাস চেম্বারের মতো পদ্ধতি ব্যবহারের আবেদন জানিয়েছিলেন। তার দাবি ছিল, এসব পদ্ধতিতে তুলনামূলক কম যন্ত্রণায় দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব।

আবেদনে বলা হয়, ফাঁসি একটি অমানবিক ও যন্ত্রণাদায়ক পদ্ধতি। তাই ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫৪(৫) ধারায় ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধানকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়। একই সাথে সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের অধীনে মর্যাদাপূর্ণ মৃত্যুর অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতির দাবিও করা হয়।

আবেদনকারী পক্ষের যুক্তি ছিল, ফাঁসির পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে দীর্ঘ সময় লাগে। অন্যদিকে প্রাণঘাতী ইনজেকশন বা অন্য কিছু বিকল্প পদ্ধতিতে কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আগের তিনটি রায় বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর জন্য পর্যাপ্ত কারণ নেই। তাই সেই আবেদনও খারিজ করা হয়েছে।

আদালত অবশ্য পরিষ্কার করেছে, এই রায়ই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। ভবিষ্যতে বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্র চাইলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিকল্প পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে পারে।

এর আগে শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে সরকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি পরিবর্তনে অনাগ্রহ দেখানোয় আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।

২০২৫ সালের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করেছিল, প্রচলিত এই পদ্ধতি অনেক পুরোনো এবং সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। তবে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি নীতিগত সিদ্ধান্তের সাথে সম্পর্কিত।

সর্বশেষ রায়ে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট করেছে, নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে ফাঁসিই কার্যকর থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশ, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বাড়ছে সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


ইরানে মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশ, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বাড়ছে সংকট

ইরানে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ শতাংশ। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও আঞ্চলিক সংঘাতের ব্যয় সামলাতে গিয়ে দেশটির অর্থনীতিতে চাপ বেড়ে যাওয়ার ফলে, মূল্যস্ফীতির এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

ইরানি শ্রমিক সংবাদ সংস্থা (আইএলএনএ) দেশটির পরিসংখ্যান কেন্দ্রের সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের জুলাই মাসে পণ্যের দাম বেড়েছে ৮৭.৯ শতাংশ। একই সময়ে খাদ্য ও পানীয়ের দাম বেড়েছে ১২৮.১ শতাংশ।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক বছরে অন্তত আটটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে গেছে। জুলাই মাসে মাসিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৩.১ শতাংশ।

মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি দেশটির সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের দাম রেকর্ড নিম্নস্তরে নেমে গেছে।

আইএলএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রমজীবী একটি পরিবারের ন্যূনতম মাসিক জীবনযাত্রার ব্যয় প্রায় ৯ কোটি তোমান। বিপরীতে সর্বনিম্ন মজুরির একজন শ্রমিক মাসে পান প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ তোমান। অর্থাৎ একজন ন্যূনতম মজুরির শ্রমিকের আয় দিয়ে পরিবারের মৌলিক ব্যয়ের মাত্র এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি মেটানো সম্ভব হচ্ছে।

শ্রমিক অধিকারকর্মী ফারামার্জ তৌফিঘির মতে, জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বাড়ানোর কারণে অনেক শ্রমিক মাসের মাত্র আট দিন পর্যন্ত নিজেদের প্রয়োজনীয় খরচ চালাতে পারছেন। তিনি বলেন, মাস শেষে বাকি ২০ দিনেরও বেশি সময় কার্যত কোনো অর্থ তাদের হাতে থাকে না।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব ইরানের মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্রুত বৃদ্ধির ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ক্রমেই কমছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%