ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ইরানে মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশ, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বাড়ছে সংকট


ইরানে মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশ, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বাড়ছে সংকট

ইরানে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ শতাংশ। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও আঞ্চলিক সংঘাতের ব্যয় সামলাতে গিয়ে দেশটির অর্থনীতিতে চাপ বেড়ে যাওয়ার ফলে, মূল্যস্ফীতির এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

ইরানি শ্রমিক সংবাদ সংস্থা (আইএলএনএ) দেশটির পরিসংখ্যান কেন্দ্রের সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের জুলাই মাসে পণ্যের দাম বেড়েছে ৮৭.৯ শতাংশ। একই সময়ে খাদ্য ও পানীয়ের দাম বেড়েছে ১২৮.১ শতাংশ।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক বছরে অন্তত আটটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে গেছে। জুলাই মাসে মাসিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৩.১ শতাংশ।

আরও পড়ুন: গুলশান-বনানীতে উওরা ডিএনসির অভিযান: নেপথ্যে মাসোহারা আদায় ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি দেশটির সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের দাম রেকর্ড নিম্নস্তরে নেমে গেছে।

আইএলএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রমজীবী একটি পরিবারের ন্যূনতম মাসিক জীবনযাত্রার ব্যয় প্রায় ৯ কোটি তোমান। বিপরীতে সর্বনিম্ন মজুরির একজন শ্রমিক মাসে পান প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ তোমান। অর্থাৎ একজন ন্যূনতম মজুরির শ্রমিকের আয় দিয়ে পরিবারের মৌলিক ব্যয়ের মাত্র এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি মেটানো সম্ভব হচ্ছে।

শ্রমিক অধিকারকর্মী ফারামার্জ তৌফিঘির মতে, জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বাড়ানোর কারণে অনেক শ্রমিক মাসের মাত্র আট দিন পর্যন্ত নিজেদের প্রয়োজনীয় খরচ চালাতে পারছেন। তিনি বলেন, মাস শেষে বাকি ২০ দিনেরও বেশি সময় কার্যত কোনো অর্থ তাদের হাতে থাকে না।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব ইরানের মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্রুত বৃদ্ধির ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ক্রমেই কমছে।

আরও পড়ুন: ডার্ক ওয়েবে ১৮ লাখ বাংলাদেশির ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

করেরহাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান: বিপুল পরিমাণ পাইপ ও মেশিন বিনষ্ট, ট্রাক জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম।

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


করেরহাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান: বিপুল পরিমাণ পাইপ ও মেশিন বিনষ্ট, ট্রাক জব্দ

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ১নং করেরহাট ইউনিয়নের অলিনগর মোল্লারঘাট ও চৌধুরী ঘাট এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে একটি যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
আজ (১৮ আগস্ট) মঙ্গলবার পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
অভিযানকালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত আনুমানিক ২০ হাজার ফুট পাইপ এবং ১০টি শ্যালো মেশিন গুঁড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ উত্তোলিত বালু এবং বালু বোঝাই ০১টি ট্রাক জব্দ করেছেন অভিযান পরিচালনাকারী দল।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, পরিবেশ ও স্থানীয় সম্পদ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আঞ্চলিক সংহতি জোরদারে ‘সার্ক’ পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর বাংলাদেশ-ভুটানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


আঞ্চলিক সংহতি জোরদারে ‘সার্ক’ পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর বাংলাদেশ-ভুটানের

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জন্য যৌথ সুফল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক সংহতিকে আরও এগিয়ে নিতে ‘সার্ক’ (এসএএআরসি)-কে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ও ভুটান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভুটানের পররাষ্ট্র সচিব পেমা লেকতুপ দর্জি আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শামা ওবায়েদ আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির কথা স্মরণ করে বলেন, তিনিই দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠার ধারণাটি উত্থাপন করেছিলেন।

এই প্রেক্ষাপটে, বৃহত্তর সংহতি গড়ে তুলতে এবং দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জন্য সম্মিলিত সুফল পৌঁছে দিতে আঞ্চলিক এই জোটকে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর উভয় পক্ষ জোর দেয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং কুড়িগ্রামে ভুটানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই দুটি বিশেষ অঞ্চল চালু হলে তা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে এবং বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে পারস্পরিক অর্থবহ অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

শামা ওবায়েদ বলেন, এসব উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে যোগাযোগ (কানেক্টিভিটি) জোরদার করতে অবদান রাখতে পারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে আজ সকালে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ‘ফরেন অফিস কনসালটেশন’ (এফসিও)-এ যোগ দিতে ভুটানের পররাষ্ট্র সচিব তিন দিনের সফরে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের নতুন খসড়া মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে সিডিএ-এফপিসির মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


চট্টগ্রামের নতুন খসড়া মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে সিডিএ-এফপিসির মতবিনিময়

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের খসড়া মহাপরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের (এফপিসি) মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মতবিনিময় সভাটি মঙ্গলবার বিকেলবেলা সিডিএর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, যা চলমান জনমত গ্রহণ কার্যক্রমের অংশ। এই সভায় সিডিএর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিডিএর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, সার্বক্ষণিক সদস্য মো. জামিলুর রহমান, এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনছারী।

পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের (এফপিসি)-এর পক্ষ থেকে সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থপতি জেরিনা হোসেন, ফারুক আহমেদ, মো. শাহীনুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, মুহাম্মদ সিকান্দার খান, মো. জাফর আলম, এস এম শহীদ, এবিএমএ বাসেত এবং তসলিমা মুনা।

সভায় মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মহাপরিকল্পনার ওপর একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন। পরে, পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের প্রতিনিধিরা খসড়া মহापরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা তাদের মতামত, পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ তুলে ধরেন। চট্টগ্রামের দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবভিত্তিক, কার্যকর এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামতের প্রতিফলন ঘটিয়ে চূড়ান্ত করা হয়, সে বিষয়ে তারা গুরুত্বারোপ করেন।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, পেশাজীবী, নাগরিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের অভিজ্ঞতা ও মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত মতামত যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ৯০ হাজার গ্রামে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘প্রযুক্তি গ্রাম’: প্রিন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


দেশের ৯০ হাজার গ্রামে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘প্রযুক্তি গ্রাম’: প্রিন্স

ময়মনসিংহ, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ময়মনসিংহ স্যাটেলাইট স্টেশনের তত্ত্বাবধানে সদর উপজেলার চকনজুর গ্রামকে ইতোমধ্যে ‘প্রযুক্তি গ্রাম’ ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি গ্রামে কৃষকদের মধ্যে সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন ধরনের কৃষি উপকরণ সম্পূর্ণ যান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমেছে এবং আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে প্রযুক্তি গ্রামের কৃষকদের মধ্যে ধান চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ধান গবেষণা প্রকল্পের এমন সাফল্যের খবরে সরেজমিনে সদর উপজেলার চকনজুর প্রযুক্তি গ্রাম পরিদর্শন করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। পরিদর্শনকালে প্রিন্স প্রযুক্তি গ্রামের কৃষিজমিতে রোপণ করা বিভিন্ন জাতের ধানের উৎপাদন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। তিনি ধানের ফলন, জাতভিত্তিক বৈশিষ্ট্য এবং কৃষকদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন। এ সময় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ময়মনসিংহ স্যাটেলাইট স্টেশনের প্রযুক্তি গ্রামের সার্বিক কার্যক্রম অবহিতকরণ, কৃষক ও কৃষাণিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন তিনি। পরে ‘একটি শিশু, একটি গাছ’ কর্মসূচির আওতায় গ্রামের শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা গাছ এবং কৃষকদের মাঝে বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। এ সময় সৈয়দ প্রিন্স ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রযুক্তি গ্রামের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, প্রযুক্তি গ্রাম অতি অল্প সময়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অচিরেই দেশের ৯০ হাজার গ্রামে প্রযুক্তি গ্রাম ছড়িয়ে পড়বে। কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানো, ফলন বাড়ানো এবং কৃষিকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্য মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। এছাড়া প্রযুক্তি গ্রামের উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি উন্নত জাত, প্রযুক্তি ও কৃষি উপকরণের সুবিধা পাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে প্রিন্স মন্তব্য করেন, এর সুফল আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে। এ সময় কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ এবং খাল খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রিন্স বলেন, তারেক রহমান কৃষি ও কৃষকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে তিনি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। শুধু বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণ করলেই উন্নয়ন হবে না, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থ সামাজিক উন্নয়নই প্রকৃত উন্নয়ন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট স্যাটেলাইট স্টেশন ময়মনসিংহের উপকেন্দ্রের পরিচালক ও প্রধান ড. আফছানা আনছারীর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কৃষক ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানের শেষে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা গাছ এবং কৃষকদের মাঝে বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করেন। তিনি অনুষ্ঠানে নিম গাছের চারা রোপণও করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%