ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘দৃশ্যম’-এ কাজল থাকলে ছবির রহস্য আগেই ফাঁস হয়ে যেত: অজয়


‘দৃশ্যম’-এ কাজল থাকলে ছবির রহস্য আগেই ফাঁস হয়ে যেত: অজয়

‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্ষেত্রে যদি অভিনেত্রী কাজল তার স্বামী অজয় দেবগনের সঙ্গে অভিনয় করতেন, তাহলে কী ঘটত? এই প্রশ্নের মজাদার উত্তর দিয়েছেন অজয়। তার মতে, কাজল থাকলে ছবির মূল রহস্য শুরুতেই ফাঁস হয়ে যেত, ফলে সিনেমাটির নির্মাণ সম্ভব হতো না!

নেটফ্লিক্সের ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-এর নতুন পর্বে উপস্থিত হয়ে অজয় এই মন্তব্যটি করেন। অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে ছিলেন ‘দৃশ্যম' ছবির সহ-অভিনেত্রী শ্রেয়া সরণ, এশা দত্ত, জয়দীপ আহলাওয়াত ও মৃণাল যাদব।

অনুষ্ঠানের সময় সঞ্চালক কপিল শর্মা রসিকতা করে পরিচালক অভিষেক পাঠককে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক স্যার, যদি প্রথম পর্বে কাজল ম্যামকে কাস্ট করতেন, তাহলে কি তিনি আপনাকে দিয়ে শুরুতেই ছবির সব গোপন তথ্য প্রকাশ করে দিতেন না?’ কপিলের এই প্রশ্নের পর অজয় রসিকতা করে বলেন, ‘তাহলে তো প্রথম সিনেমাটাই তৈরি হতো না!’

আরও পড়ুন: পরীমণির জন্মদিনে জাঁকজমক নয়, প্রশান্তির ছোঁয়া

কথোপকথনের এক পর্যায়ে কপিল শর্মা অজয় দেবগনের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি কৌতুক করে বলেন, “‘মি অজয় স্যারকে গত ১৫ বছর ধরে চিনি, কিন্তু এই ১৫ বছরে আমাদের মধ্যে বোধহয় মাত্র ১৪ বার কথা হয়েছে! আমাদের কথা কেবল ‘আমি ভালো আছি, আপনি কেমন আছেন?’ এই কথাগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।”

উল্লেখ্য, জনপ্রিয় ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় অধ্যায় ‘দৃশ্যম : দ্য কনক্লুশন’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। প্যানোরামা স্টুডিওস ও স্টার স্টুডিও১৮-এর প্রযোজনায় নির্মিত অভিষেক পাঠক পরিচালিত এই নতুন ছবিটি আগামী ২ অক্টোবর মুক্তি পেতে চলেছে। ছবিটি এবার মালায়লাম ছবির কাহিনি অনুসরণ না করে সম্পূর্ণ মৌলিক একটি গল্প নিয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিপিসির সাড়ে ছয় মাসে ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকার লোকসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


বিপিসির সাড়ে ছয় মাসে ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকার লোকসান

দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে আর্থিক চাপ কমছে না, যদিও জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং এলএনজি সরবরাহের সংকটের কারণে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে বেশি দামে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে। এর ফলে আমদানি ব্যয় বাড়ছে এবং দেশের বাজারে তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি বিক্রি করায় লোকসান ও ভর্তুকির বোঝা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সাড়ে ছয় মাসে লোকসান হয়েছে ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা। গত ২০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর পরও প্রতি লিটার ডিজেলে প্রায় ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এই চাপ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

আরো পড়ুন

১২ বছর আগের একটি আইডি নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে শিবির : হামিম

বিপিসি ও জ্বালানি বিভাগ জানায়, বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেল আমদানিতে গড়ে প্রায় ২০৫ টাকা ব্যয় হচ্ছে। নতুন মূল্য সমন্বয়ের পর দেশের বাজারে ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। ফলে প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে।

বিপিসির চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, গত সাড়ে ছয় মাসে সংস্থাটির মাসিক গড় লোকসান প্রায় তিন হাজার ৮০০ কোটি টাকা হয়েছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যে লোকসান প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে জাহাজভাড়া, প্রিমিয়ামসহ আমদানি ব্যয় বেড়েছে। সরবরাহ পেতে বেশি সময় লাগছে। লিটারে ২০ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে বিপিসির লোকসানের প্রায় এক-চতুর্থাংশ কাভার হতে পারে।

জ্বালানি তেলের পাশাপাশি এলএনজি আমদানিতেও সরকারের আর্থিক চাপ বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম আড়াই মাসে এলএনজিতে ১০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। অথচ পুরো অর্থবছরের জন্য এ খাতে বরাদ্দ ছিল সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে গত সাড়ে ছয় মাসে নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে পেট্রোবাংলার অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে আরো ১৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় স্পট মার্কেটের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। বছরের শুরুতে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজি ১০ থেকে ১২ ডলারে কেনা হলেও সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে প্রায় ৩০ ডলারে উঠেছে।

আরো পড়ুন

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান বলেন, যুদ্ধের প্রভাবে গত সাড়ে ছয় মাসে নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে অতিরিক্ত ১৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এ ছাড়া গত আড়াই মাসে এলএনজির জন্য প্রায় ১০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশঙ্কা, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে এলএনজি আমদানিতে ব্যয় ৯০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এতে সরকারের ভর্তুকির প্রয়োজনীয়তাও কয়েক গুণ বাড়তে পারে।

গ্যাসের সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফার্নেস অয়েলের ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি ফার্নেস অয়েলচালিত কেন্দ্রগুলো থেকে চার হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে কয়লার দাম ও পরিবহন ব্যয়।

চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ৪৫ হাজার কোটি টাকা লোকসানের হিসাব ধরা হলেও তা বেড়ে ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) আশঙ্কা করছে।

আরো পড়ুন

অজ্ঞাত নম্বর থেকে অপ্রতিমের বাবা-মাকে হুমকি, থানায় জিডি

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বছরে প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। এর মধ্যে ৪৫ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল। আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের দাম গড়ে প্রায় ২০৫ টাকা লিটার। মূল্য সমন্বয়ের আগে দেশে ডিজেলের দাম ছিল ১১৫ টাকা। ফলে প্রতি লিটারে প্রায় ৯০ টাকা লোকসান হচ্ছিল।

তিনি জানান, গত মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় না করায় বিপিসির লোকসান হয়েছে ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা। মূল্য সমন্বয় না করলে এক বছরে শুধু ডিজেলে সরকারের লোকসান প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং সব ধরনের জ্বালানি তেল মিলিয়ে তা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় জয়, আমিরুলের গোলের সৌজন্যে ইন্দোনেশিয়াকে ৩-১ হারাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় জয়, আমিরুলের গোলের সৌজন্যে ইন্দোনেশিয়াকে ৩-১ হারাল

সুদিন ফিরে এসেছে। বাংলাদেশ জয়ের পথে ফিরে এসেছে। এশিয়ান গেমসের হকিতে টানা দুই হারের পর এবার তারা টানা দ্বিতীয় জয় অর্জন করেছে। আজ ইন্দোনেশিয়াকে ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে আমিরুল ইসলামদের দল।

জাপানের কাওয়াসাকি জুকো স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শুরু থেকেই দাপট প্রদর্শন করে। তবে প্রথম গোলের দেখা পায় স্বাগতিকরা। ষষ্ঠ মিনিটে ফাতুর মোহাম্মদ দলের জন্য লিড এনে দেন।

বাংলাদেশ সমতায় ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি। বিরতির ৪ মিনিট আগে আমিরুল দলের জন্য সমতার গোলটি করেন। ১১ মিনিটে তিনি পেনাল্টি কর্নার থেকে গোলটি করেন। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে কোন দলই গোলের দেখা পায়নি।

তৃতীয় কোয়ার্টারে বাংলাদেশ শুধু আধিপত্যই দেখায়নি, বরং দ্বিগুণ গোলের দেখা পেয়েছে। ৩১ মিনিটে আমিরুল নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন। এবারের গোলটি পেনাল্টি কর্নার থেকে আসে। ৬ মিনিট পর অভিজ্ঞ রাসেল মাহমুদ জিমি ব্যবধান ৩-০ করেন।

চতুর্থ কোয়ার্টারে কোন গোল না হলে বাংলাদেশ ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এই জয়ের ফলে ৪ ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৬। শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। ৩ ম্যাচ শেষে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তারা পুল ‘এ’-তে শীর্ষে অবস্থান করছে। ম্যাচটি আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বারবার তাগাদার পরও বিগত সরকার শিশুদের হামের টিকা দেয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ এম


বারবার তাগাদার পরও বিগত সরকার শিশুদের হামের টিকা দেয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন, টিকা সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় পূর্ববর্তী সরকার ওপেন টেন্ডার ব্যবস্থায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিল, যা সরাসরি কেনাকাটার পরিবর্তে ছিল। বিদেশি সংস্থাগুলো একাধিকবার এ বিষয়ে অনুরোধ জানালেও তা উপেক্ষিত হয়েছে, ফলে সময়ের অপচয় ঘটেছে। এর ফলে চার বছরের যে ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে, তার খেসারত বর্তমান সরকারকে দিতে হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশে বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে একটি সরকারকে সব সময় সতর্ক থাকতে হয়। ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বরের পর প্রতি চার বছরে একবার এসব মহামারির বিরুদ্ধে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার দায়িত্ব সরকারের ছিল। কিন্তু ২০২০ সালের পর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ ছিল।

 

তিনি জানান, টিকা সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইউনিসেফের ডেলিগেটেড পদ্ধতির পরিবর্তে আগের সরকার ওপেন টেন্ডার ব্যবস্থায় যেতে চেয়েছিল। বিদেশি সংস্থাগুলো এ বিষয়ে একাধিকবার অনুরোধ করলেও তা শোনা হয়নি, ফলে সময়ক্ষেপণ হয়েছে। এর ফলে চার বছরের যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তার খেসারত বর্তমান সরকারকে দিতে হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই পরিস্থিতির কারণে দেশের অনেক মাকে কষ্ট পেতে হয়েছে এবং অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে। এর ফলে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৮৩৩ জন রোগীর মধ্যে প্রায় এক হাজার শিশু মারা গেছে।

একটি শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি মায়ের বুক খালি হয়ে যাওয়া তার জন্যও অত্যন্ত কষ্টের।

 

তিনি জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর ৫ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। প্রথম পর্যায়ে ইউনিসেফের নির্ধারিত তিনটি পর্যায়ে ১৮টি জেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পরবর্তী পর্যায়ে ঢাকা এবং আরও দুটি বড় সিটি করপোরেশনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৪ মে থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কর্মসূচি এগিয়ে এনে ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়। এ কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৮৩৩ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি হাম আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে পুষ্টির ঘাটতিও দেখা গেছে। চিকিৎসকদের মতে, হাম আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ নিউমোনিয়া এবং এর সঙ্গে অপুষ্টি। অনেক শিশুর শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টি না থাকায় হাম হলে দ্রুত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে এবং গুরুতর অবস্থায় তাদের ফুসফুসে অক্সিজেন প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতিতে আইসিডিডিআরবির চিকিৎসক চিশতি মাত্র ১৫০ টাকা খরচে একটি বোতলভিত্তিক সিপ্যাপ-ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছেন বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব শিশু স্বাভাবিকভাবে অক্সিজেন নিতে পারছিল না, তাদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে অনেক শিশুকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ভিটামিন এ ক্যাপসুল কর্মসূচিতে ২ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশু টিকা পেয়েছিল। দুই কর্মসূচির মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ শিশুর ব্যবধান কেন, এ বিষয়টি বিবেচনা করে নতুন করে শিশুদের খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগের ক্যাম্পেইন বন্ধ হওয়ার পরের দিন থেকে ঈদুল আজহার পরের দিন পর্যন্ত আরও প্রায় ১৪ লাখ শিশুকে খুঁজে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে হাম পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় নতুন করে টিকাদান কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইউনিসেফ ১০ দিনের মধ্যে আরো ৪০ লাখ ডোজ টিকা দিয়েছে। আগের কিছু মজুদের সঙ্গে নতুন টিকা মিলিয়ে এবার ৩৪ লাখ শিশুকে লক্ষ্য করে ক্যাচআপ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ লাখ নতুন জন্ম নেওয়া শিশু এবং বাকি ২৪ লাখ আগে বাদ পড়া শিশু রয়েছে।

তিনি বলেন, আজ থেকে সারা দেশের প্রত্যেক ইউনিয়নে ক্যাম্প এবং প্রত্যেক উপজেলায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সিভিল সার্জন, ইউএনও এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে আগের চেয়েও জোরদারভাবে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচিটি সফল করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক মা কর্মজীবী হওয়ায় দিনের বেলায় সন্তানকে নিয়ে টিকাদান কেন্দ্রে আসতে পারেন না। তাদের বিষয়টি বিবেচনা করে বন্ধের দিনেও টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সন্ধ্যার পরও টিকাদান কার্যক্রম চলবে বলে জানান তিনি। ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি জানান, এই টিকাদান কর্মসূচির পরও প্রায় ১০ লাখ ডোজ টিকা মজুদ থাকবে। ইতিমধ্যে ৪৩ লাখ ডোজ টিকা বিভিন্ন উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ের মপআপ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্যও টিকা সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জীবনের সব আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য দোয়া ও আল্লাহর সাহায্য কামনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ এম


জীবনের সব আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য দোয়া ও আল্লাহর সাহায্য কামনা

মানুষ জীবনে বিভিন্ন বিষয় চায়—সঠিক পথ, সুস্থতা, নিরাপত্তা, রিজিক, পরিবারে শান্তি, সম্পদে বরকত এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর সাহায্য। তবে যদি সব প্রয়োজনকে একত্রিত করে একটি দোয়ায় প্রকাশ করা হয়, তাহলে এটি একটি সুন্দর উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়। এই দোয়ায় বান্দা শুধুমাত্র কিছু চায় না; বরং নিজের হেদায়াত, নিরাপত্তা, জীবন-জীবিকা, তাকদির এবং পরিণতি—সবকিছু আল্লাহর হাতে সমর্পণ করে। দোয়াটি হলো,

اللهمَّ اهدِنا فيمَن هدَيت، وعافِنا فيمَن عافيت، وتولَّنا فيمَن تولَّيت، وباركْ لنا فيما أعطيت، وقِنا شرَّ ما قضيت، إنك تَقضي ولا يُقضى عليكَ، إنه لا يَذِلُّ مَن والَيت، ولا يَعزُّ مَن عاديت، تباركت ربَّنا وتعالَيت

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাহদিনা ফীম্যান হাদাইত, ওয়া ‘আফিনা ফীম্যান ‘আফাইত, ওয়া তাওয়াল্লানা ফীম্যান তাওয়াল্লাইত, ওয়া বারিক লানা ফীমা আ‘তাইত, ওয়া কিনা শাররা মা কাদাইত। ইন্নাকা তাকদী ওয়া লা ইউকদা ‘আলাইকা। ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মান ওয়ালাইত, ওয়া লা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আদাইত। তাবারাকতা রাব্বানা ওয়া তা‘আলাইত।

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি যাদের হেদায়াত দিয়েছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আমাদেরও হেদায়াত দিন। আপনি যাদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা দিয়েছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আমাদেরও নিরাপত্তা ও সুস্থতা দিন। আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আমাদেরও অভিভাবকত্ব গ্রহণ করুন। আপনি আমাদের যা দিয়েছেন, তাতে আমাদের জন্য বরকত দান করুন। আপনি যে ফয়সালা করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে আমাদের রক্ষা করুন। নিশ্চয়ই আপনিই ফয়সালা করেন; আপনার বিরুদ্ধে কেউ ফয়সালা করতে পারে না। আপনি যার অভিভাবক হন, সে কখনো অপমানিত হয় না; আর আপনি যার বিরোধিতা করেন, সে কখনো সম্মানিত হতে পারে না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি বরকতময় ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৪২৫; সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৪৬৪; সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১৭৪৬)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%