০২:০৯ পি.এম
জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফলে কলেজটি অচল হয়ে পড়েছে, নতুন ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জের যোগদান প্রত্যাহারের দাবিতে। এর ফলে গত ১৩ দিন ধরে ক্লাস এবং হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বন্ধ রয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১২ অক্টোবর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের এক আদেশে কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ শাহজাদী মাহমুদাকে শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটে বদলি করা হয়। একই আদেশে শেরপুরের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিনকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে পদায়ন করা হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা মাকসুদা ইয়াসমিনের যোগদান প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন।
আরও পড়ুন: পুকুরে গোসলে নেমে দুই বোনের মৃত্যু
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শেরপুরে দায়িত্ব পালনকালে মাকসুদা ইয়াসমিন বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। তাঁর আচরণ শিক্ষার্থীবান্ধব নয়। এই কারণে তাঁকে ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ হিসেবে মেনে নিতে রাজি নন তারা।
শিক্ষার্থী ফারহানা বলেন, ‘শেরপুরে দায়িত্ব পালনকালে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় আমরা তাকে আমাদের কলেজে দেখতে চাই না। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’
আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থী লাভলু বলেন, ‘১৩ দিন ধরে আমাদের আন্দোলন চলছে। তিনি আগেও একবার যোগদান করতে এসেছিলেন। কিন্তু আমরা তাকে কলেজে প্রবেশ করতে দিইনি। তার যোগদানের আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। অন্য কাউকে ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে আমাদের আপত্তি নেই।’
কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর সামিনা আক্তার বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সাধারণ শিক্ষকেরাও কলেজে প্রবেশ করতে পারছেন না। এতে ক্লাস ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বন্ধ রয়েছে।’
আরও পড়ুন: সেনাবাহিনীর পোশাকে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-টাকা লুট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন