শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩১ পি.এম
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কালিগঞ্জ বাজারে নরসুন্দা নদীর ওপর ৯৬ মিটার দীর্ঘ পিএসসি গার্ডার ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।
শুক্রবার, নান্দাইলের কালিগঞ্জ বাজার ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক শুভ উদ্বোধনের উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার দেশের গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হলে স্থানীয় জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে এবং এ অঞ্চলের কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার হবে।
এর আগে, তিন দিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে নান্দাইলে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী। পরে তিনি নান্দাইলের মোয়াজ্জেমপুর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন। বিকেলে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সন্ধ্যায় নান্দাইল উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাপ্তাহিক ছুটির দিন উপলক্ষে কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে শুক্রবার বিকেল থেকে পর্যটকদের পদচারণা বৃদ্ধি পায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা সমুদ্রের উত্তাল ঢেউকে উপেক্ষা করে আনন্দে মেতে উঠেছেন।
শুক্রবার বিকেল বেলা সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। কেউ সমুদ্রের পানিতে নেমে ঢেউয়ের সঙ্গে আনন্দ করছেন, আবার কেউ সৈকতে বসে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে অনেকেই ছুটির দিনটি সৈকতে কাটাচ্ছেন। আবহাওয়ার পরিবর্তন, কখনও রোদ আবার কখনও মেঘ, এই রূপ পাল্টানোর মধ্যে পর্যটকরা বাড়তি আনন্দ উপভোগ করেছেন। সৈকতের বালিতে বাচ্চাদের খেলাধুলা চলছে এবং অনেক পর্যটক ঘোড়ার পিঠে চড়ে আনন্দ নিচ্ছেন। কক্সবাজার সৈকতে যেন এক মিলনমেলা বসেছে।
বর্ষা মৌসুমে পর্যটক সংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে আবহাওয়ার উন্নতির ফলে সেই চিরচেনা গতি আবার ফিরে আসছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, সামনে পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে আসা পর্যটক সিফাত মজুমদার বলেন, ‘কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই বন্ধুর সঙ্গে হুট করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চলে এলাম। আবহাওয়ার সতর্কবার্তা দেখে একটু ভয় পেয়েছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত খুবই সুন্দর একটা দিন পার করলাম।’
আরেক পর্যটক উম্মে হাবিবা মন্তব্য করেন, ‘চমৎকার সমুদ্র, চমৎকার পরিবেশ। হোটেল-মোটেলেও ভালো সেবা পেয়েছি। সমুদ্রও দারুণ।’
পর্যটক জেনিফা মারজান বলেন, ‘সমুদ্র আর আকাশ, এই যে সৌন্দর্য কোথাও পাওয়া যাবে না। সমুদ্রের ঢেউ আর নির্মল বাতাস ক্লান্তি দূর করার জন্য স্বর্গীয় সুখের মতো। সাগরকে ঠিক এভাবেই উপভোগ করি।’
সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র লাইফ গার্ড কর্মী সাইফুল্লাহ সিফাত বাসস’কে জানান, ‘আমরা লাইফ গার্ড সদস্যরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি। ভ্রমণপিপাসুদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে গোসল করার পরামর্শ দিচ্ছি। সাগরের ঢেউ উত্তাল থাকায় এখনও লাল পতাকা উড়িয়ে সমুদ্রস্নানে সতর্ক করা হচ্ছে পর্যটকদের। তবে অনেকে মানছেন, আবার অনেকেই মানছেন না। তারপরও সৈকতের সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টে লাইফ গার্ড কর্মীরা সজাগ রয়েছেন।’
পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নজরদারি চলছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম বাসস’কে বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং পর্যটন শিল্পের ভালো ব্যবস্থাপনা সবসময় আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা নজরদারি করছি, যাতে কেউ অতিরিক্ত দাম নিতে না পারে এবং পর্যটকদের কোনো ধরনের হয়রানি করতে না পারে।’
দিন শেষে সূর্য যখন পশ্চিমে হেলে পড়ে, তখনও কক্সবাজারের সৈকতে রয়ে যায় আনন্দের রেশ। ভ্রমণ পিপাসুরা সুখ স্মৃতি নিয়ে ফিরছেন এবং পরবর্তী ছুটির দিনের অপেক্ষা শুরু হচ্ছে। সাগরের টানে কক্সবাজারের পথে পথে যেমন বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা, তেমনি নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় সবার সচেতনতাও প্রয়োজন বলে মনে করছেন কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে অসহায় ও সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আল-হিকমাহ জেনারেল হাসপাতাল, উত্তর বালিয়াকান্দি, তালপট্টি এলাকার দুর্গাবদ্ধিতে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আল-হিকমাহ ট্রাস্টের উদ্যোগে, ড্রিমার্স কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চ (DCR)-এর সার্বিক সহযোগিতায় এবং আল-হিকমাহ জেনারেল হাসপাতালের আয়োজনে দিনব্যাপী এ মেডিকেল ক্যাম্পে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উক্ত ক্যাম্পে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোনজনিত রোগ, চক্ষু, নাক-কান-গলা, ডেন্টাল সার্জারি, মেডিসিন, হৃদরোগ, কিডনি, বাত-ব্যথা, মস্তিষ্ক ও স্নায়ু, ফিজিওথেরাপি, শিশু ও কিশোর এবং প্রসূতি, স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
এছাড়াও চক্ষু পরীক্ষা, রক্তের হিমোগ্লোবিন, ইউরিন ও কিডনি পরীক্ষা, থাইরয়েড হরমোন, সিআরপি, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ডায়াবেটিস ও লিপিড প্রোফাইলসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ রয়েছে ও অর্থের অভাবে কেউ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবেন না’
মেডিকেল ক্যাম্পের চেয়ারম্যান মীর শহিদুর রফিক বলেন, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়াই এ মেডিকেল ক্যাম্পের মূল উদ্দেশ্য। অর্থের অভাবে যেন কোনো মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য আমাদের এই উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি বালিয়াকান্দি ও আশপাশের এলাকার অসহায় এবং চিকিৎসাসেবা প্রত্যাশী মানুষকে ক্যাম্পে এসে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
এসময় মেডিকেল ক্যাম্পটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, চেয়ারম্যান মীর শহিদুর রফিক, ভাইস চেয়ারম্যান ইমরান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালাম হোসেন, কোষাধ্যক্ষ এস. এম. বাকী বিল্লাহ ও উপদেষ্টা মোঃ আবুল কালাম আজাদ।
এছাড়া পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. সাইফুল ইসলাম, মো. সুমন ইসলাম, নাকিয়া মেহজাবীন সেতু, মহিন উদ্দিন, কামাল হোসাইন, মোঃ কাউছার মিয়া ও মীর রামজিয়া রফিক।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংকটাপন্ন রোগীদের জন্য সন্ধ্যার পর মেডিকেল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। বিনামূল্যে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকায় ক্যাম্পটি এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
উল্লেখ্য, আগামী ১৫ই নভেম্বর ২০২৬ ইং
তারিখে আল-হিকমাহ জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন হবে হাসপাতালটির কর্তৃপক্ষরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের সূচনা হয়। এরপর প্রায় এক বছর ধরে কথাবার্তা ও যোগাযোগ চলতে থাকে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে এসে রংপুরের পীরগঞ্জের এক তরুণীকে বিয়ে করেন ২৯ বছর বয়সী এই যুবক। বিয়ের পূর্বে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তিনি নাম পরিবর্তন করে আয়ান ইসলাম রাখেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের প্রথমডাঙ্গা গ্রামে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আয়ান ইসলামের পূর্বের নাম ছিল ঝাওহুইয়ান। তার বাড়ি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের পিংচাং কাউন্টির ইয়াঙ্কু টাউনশিপের তুবা গ্রামে। তরুণী আবিদা সুলতানার বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের প্রথমডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত।
প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগের একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। এরপর নিয়মিত কথাবার্তা ও যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে আবিদাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন ঝাওহুইয়ান।
গত ২৫ আগস্ট ভোরে বাংলাদেশে পৌঁছান তিনি। ঢাকায় পৌঁছানোর পর বাসে করে রংপুরে আসেন। পরে পীরগঞ্জে গিয়ে আবিদার সঙ্গে দেখা করেন। বিষয়টি দুই পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে তাদের সম্মতিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়।
বিয়ের আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর রংপুরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন ঝাওহুইয়ান। এরপর তার নাম রাখা হয় আয়ান ইসলাম। পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
আবিদার পরিবারের সদস্যরা জানান, আয়ানের সঙ্গে আবিদার আগে থেকেই যোগাযোগ ও সম্পর্ক ছিল। তাদের বিয়েতে দুই পরিবারের সম্মতি ছিল।
শানেরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের বিয়ে হয়েছে।’
চীন থেকে এক যুবক পীরগঞ্জে এসে বিয়ে করায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। নবদম্পতিকে দেখতে তাদের বাড়িতে ভিড় করছেন আশপাশের অনেক মানুষ। দুই দেশের দুই তরুণ-তরুণীর পরিচয় থেকে তৈরি হওয়া সম্পর্ক এখন গড়িয়েছে বিয়ের বন্ধনে। নতুন সংসার নিয়ে উচ্ছ্বসিত নবদম্পতি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে উদ্বোধনের দিনেই একটি শো-রুমে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, লাইভ শপিং ফ্যাক্টরি আউটলেট নামের ওই শোরুমে ৩ হাজার টাকার ফ্রি শপিং অফারকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে, যা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যায়।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় পল্লবী মেট্রো স্টেশনের পাশে শোরুমটির উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। উদ্বোধনের জন্য ‘লাইভ শপিং’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রচারণা চালানো হয়। প্রচারিত পোস্টারে উল্লেখ ছিল, দুটি গোল পোস্টে শট নিয়ে একটি গোল করতে পারলেই ৩ হাজার টাকার শপিং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা যাবে।
এই আকর্ষণীয় অফারকে কেন্দ্র করে উদ্বোধনের আগেই শোরুমের সামনে বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড় জমে। শুরুতে অফার ও গেমকে ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
শোরুম কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি সাধারণ ক্রেতাদের ভিড়ে মিশে শোরুমে প্রবেশ করে পরে সংঘবদ্ধভাবে ভাঙচুর শুরু করেন। এর ফলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘লাইভ শপিং’ ফেসবুক পেজ থেকে জরুরি সহায়তা চেয়ে পোস্ট দেওয়া হয়। একই সময়ে পুলিশকে ফোন করে সহায়তা চাওয়ার দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই শোরুমে ব্যাপক লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে একই ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য ক্রেতাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ।
ক্রেতা আকৃষ্ট করতে নেওয়া বিশেষ এই মার্কেটিং উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত শোরুমটির জন্য বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঘটনাটির পর শোরুমটির কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এদিকে, জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় এমন আকর্ষণীয় অফার দেওয়ার আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা প্রস্তুতি ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ