০২:৪০ এম
দাবার বোর্ডে যেমন শেষ চাল দিয়ে কিস্তিমাত করা হয়, হিউস্টনের মাঠে ঠিক সেই কাজটিই করলেন কার্লো আনচেলত্তি।
প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে গত ১২ বছর ধরে প্রথমে গোল হজম করলে ম্যাচ জিততে না পারার মনস্তাত্ত্বিক চাপ—এগুলো সবকিছুকে এক নিমেষে ধূলিসাৎ করে দিল আনচেলত্তির কৌশল। প্রথমার্ধের ব্যর্থতার পরও কাসেমিরোকে মাঠে রেখে দেওয়া এবং দ্বিতীয়ার্ধে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লিকে ‘সুপার সাব’ হিসেবে নামানোর সিদ্ধান্ত, ইতালিয়ান এই মাস্টারমাইন্ডের প্রতিটি চালই আজ ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হিসেবে প্রমাণিত হলো।
কাসেমিরোর সমতাসূচক বুলেট হেডার এবং ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে (৯০+৬ মিনিটে) মার্টিনেল্লির সেই জাদুকরী ‘চেকমেট’ গোলে জাপানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ১৬-র টিকিট নিশ্চিত করল সেলেসাওরা।
আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি
রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর সাথে সাথেই টেক্সাসের গ্যালারি জুড়ে থাকা হলুদ জার্সির হাজার হাজার ব্রাজিলিয়ান সমর্থকের বাঁধভাঙা উল্লাসে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম। তবে মাঠ ও গ্যালারি যখন বুনো উদযাপনে মাতোয়ারা, ডাগআউটে তখন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক চিরচেনা দৃশ্য। কার্লো আনচেলত্তির মুখে চিরকালের সেই শান্ত, আবেগহীন অভিব্যক্তি। কোনো বাড়তি উচ্ছ্বাস বা উন্মাদনা নেই; অভিজ্ঞ এই কোচ যেন খুব ভালো করেই জানেন—বিশ্বকাপের আসল মিশন তো কেবল শুরু, সামনে এখনো অনেক পথ বাকি।
প্রথমার্ধে হলুদ কার্ড, দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে ম্যাচের ‘নায়ক’ কাসেমিরো।
অন্যদিকে, নকআউটের (রাউন্ড অব ৩২) এই মঞ্চ থেকে এমন নাটকীয়ভাবে ছিটকে যাওয়ার পর জাপানি খেলোয়াড়রা মাঠের ওপরেই ভেঙে পড়ে এবং বেশ কয়েকজন তারকাকে মাঠেই অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়। তবে সব নাটকীয়তা শেষে, এক যুগের খরা কাটিয়ে হিউস্টনে এখন শুধুই সাম্বার গর্জন!
আরও পড়ুন: এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ক্রিকেটে ফারইস্টকে হারিয়ে সোনারগাঁওয়ের টানা দুই জয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন