ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা থাকবে: ডিএমপি কমিশনার


প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা থাকবে: ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, মহালয়াসহ দুর্গাপূজা চলাকালীন এবং প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসি (ক্লোজসার্কিট) ক্যামেরার আওতায় থাকবে এবং মণ্ডপের ইনচার্জগণ বডিওর্ন ক্যামেরা নিয়ে ডিউটি করবেন।

আজ ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে সতর্কতা মানা খুবই জরুরি

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, দুর্গাপূজা চলাকালে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট, ক্রাইসিস রেসপন্স টিম, কুইক রেসপন্স টিম, ক্রাইম সিন ভ্যান ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।

তিনি জানান, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ের প্রথম হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই এবারের এই উৎসব আমাদের জন্য একটি অগ্নি পরীক্ষা। ঢাকা মহানগর এলাকার প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে দায়িত্ব পালন করবে।

পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকতে হবে। পূজা কমিটির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও দর্শনার্থী সবার ওপর নজর রাখতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা- ৯৯৯ অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

ডিএমপি কমিশনার আশা প্রকাশ করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন দুর্গাপূজা উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে নিরাপদে উদযাপিত হবে।

আরও পড়ুন: মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, ৬ জনকে ধরলেন

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এ সময় সভায় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ( স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট) মোহাম্মদ শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোহাম্মদ ওসমান গণিসহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সভায় রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিগণ, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: লালন সাঁই অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথপ্রদর্শক: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুরিয়ার কর্মচারী রাজু হত্যায় সাবেক এমপি মোশতাকের চার দিনের রিমান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ পি.এম


কুরিয়ার কর্মচারী রাজু হত্যায় সাবেক এমপি মোশতাকের চার দিনের রিমান্ড

ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুর এলাকায় কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মচারী রাজু আহমেদকে (২৪) হত্যা করার অভিযোগে সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহীর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মোশতাক আহমেদ রুহীকে আদালতে হাজির করার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল শুনানি শেষে এই রিমান্ডের আদেশ দেন। রিমান্ড শুনানির পূর্বে তাকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

মোহাম্মদপুর থানার ইকবাল রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে, তার আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুসারে, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরের বাঁশবাড়িতে জননী কুরিয়ার সার্ভিসের পাশের একটি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে শান্তিপূর্ণ মিছিলে গুলি চালানো হয়। ওই সময় কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মচারী রাজু আহমেদ তার কর্মস্থল জননী কুরিয়ার সার্ভিস থেকে বের হয়ে মিছিল দেখছিলেন।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ম্যানেজার শাহাদাত জানতে পারেন যে, রাজু গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছেন। স্থানীয় লোকজন রাজুকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার পর রাজুর বাবা ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে পচনশীল পণ্য ই-নিলামে বিক্রির নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ পি.এম


চট্টগ্রাম কাস্টমসে পচনশীল পণ্য ই-নিলামে বিক্রির নির্দেশনা

চট্টগ্রাম, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে নিলামযোগ্য পচনশীল পণ্য ই-নিলামের মাধ্যমে প্রকাশ্য নিলামে বিক্রির নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এসব পণ্য দ্রুত, স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক ও আইনানুগভাবে নিষ্পত্তির জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রমিত কার্যপদ্ধতি (এসওপি) জারি না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।

আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের নিলাম বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। কাস্টম হাউসের কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মুহা. মাহবুবুর রহমানের সই করা আদেশে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নিলাম কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, পণ্যজট নিরসন, বন্দরের ধারণক্ষমতার সর্বোত্তম ব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধের জন্য পচনশীল পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তি করা আবশ্যক।

এছাড়া আদেশে বলা হয়েছে, কাস্টমস আইন অনুযায়ী যথাযথ কর্মকর্তার অনুমতিক্রমে জীবজন্তু ও পচনশীল পণ্য যেকোনো সময় বিক্রির বিধান রয়েছে। এনবিআরের নিলামসংক্রান্ত স্থায়ী আদেশে ই-নিলামের মাধ্যমে পচনশীল পণ্য বিক্রির সুযোগ রাখা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম কাস্টমসের অধীন নিলামযোগ্য যেসব পণ্যচালানের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধিবিধান কিংবা কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশগত বাধা নেই, সেগুলো ই-নিলাম পদ্ধতিতে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। ই-নিলামে তোলার পূর্বে পণ্যচালানের আইনগত অবস্থা, পণ্যের প্রকৃতি ও পরিমাণ, ইনভেন্টরি এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষার প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই ও সংরক্ষণ করতে হবে।

তবে কোনো পণ্যচালানের ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ বা বিক্রয় কিংবা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে স্পষ্ট আইনগত নিষেধাজ্ঞা থাকলে সেটি ই-নিলামে তোলা যাবে না। অন্যদিকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারাধীন বা ন্যায়নির্ণয়াধীন পচনশীল পণ্য দ্রুত বিক্রির সুযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট আইনগত বিধান অনুসরণ করে যথাযথ অনুমোদন নিয়ে বিক্রির ব্যবস্থা করা যাবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, পণ্যচালানের লট ও ক্যাটালগ প্রস্তুত করে ই-নিলামের জন্য দরদাতাদের (বিডার) পরিদর্শন, অংশগ্রহণ, জামানত, বিডিং এবং পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। পচনশীল পণ্যের দ্রুত পচনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব পণ্যের নিলাম কার্যক্রম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এবং কোনো বিলম্ব ছাড়াই সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

ই-নিলামে সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য দর পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক অনুমোদন নিতে হবে। নিলামে বিক্রি সম্পন্ন হওয়ার পর ক্রেতা নিলাম মূল্য, শুল্ক-করাদি, সরকারি পাওনা ও অন্যান্য আইনগত দায় পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় দলিল দাখিলের পর পণ্য খালাস বা অপসারণের সুযোগ পাবেন।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচিত দরদাতা অর্থ পরিশোধ বা অন্যান্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে, বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে কিংবা নিলাম বাতিল হলে এনবিআরের সংশ্লিষ্ট স্থায়ী আদেশ ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া কোনো পচনশীল পণ্য নিলামের উপযোগী না হলে অথবা আমদানিনীতি, নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার বিধান, আদালতের আদেশ কিংবা অন্য কোনো আইনগত কারণে ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রি সম্ভব না হলে প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী তা ধ্বংস বা অন্য কোনো আইনি নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ৯৪ ধারার সঙ্গে পঠিতব্য ২০৭ ও ২৬৬ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কাস্টমস কমিশনার (অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস) নাজমুল হোসেন বলেন, পচনশীল পণ্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আইন ও বিধি মেনে তা নিষ্পত্তির জন্য ই-নিলামের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আইনগত বাধা থাকলে এসব পণ্য ই-নিলামে তোলা হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

নেত্রকোণা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খালেদ উজ্জামানের সঙ্গে জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের পরিচিতি ও নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয় ও গণমাধ্যম : সহযোগিতা ও উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের টিটিসি কনফারেন্স রুমে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উদ্যোগে এবং জনসংযোগ দপ্তরের টিচার ইনচার্জ ড. সাদ্দাম হুসাইনের সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো, শিক্ষা, গবেষণা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে কার্যকর ও ইতিবাচক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খালেদ উজ্জামান তার বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত চলমান কাজের অগ্রগতির বিস্তারিত বিবরণ, বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগ এবং ভবিষ্যতে করণীয় বিষয় সম্পর্কে আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমের গঠনমূলক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উপাচার্য সাংবাদিকদের সুচিন্তিত মতামত ও সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষা পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে উপাচার্যকে অবগত করেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবের সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার জেলা সংবাদদাতা মো. তানভীর হায়াত খান, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি আলপনা বেগম, দৈনিক ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি শ্যামলেন্দু পাল, দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক এ কে এম আবদুল্লাহ, চ্যানেল ওয়ানের জেলা প্রতিনিধি রানা আকন্দ, চ্যানেল আইয়ের জেলা প্রতিনিধি জাহিদ হাসান, এনটিভির জেলা প্রতিনিধি ভজন দাস, দৈনিক আমার সংবাদের সাংবাদিক গোলাম কিবরিয়া সহ অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শৈশবের স্মৃতি স্মরণ করে বলেছেন, মা-বাবা এবং ছোট ভাইকে নিয়ে তিন দিনের পারিবারিক সফরে সুন্দরবনে গিয়ে তিনি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের তাজা ছাপ দেখেছিলেন, যা আজও তার মনে রয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে শিশুদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এক শিশু প্রধানমন্ত্রীর শৈশবের প্রিয় স্মৃতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একবার তাকে, তার ছোট ভাই এবং তাদের মা বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে সুন্দরবনে গিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘সুন্দরবনে আমরা হিরণ পয়েন্ট নামের একটি জায়গায় নেমেছিলাম, যেটি ছোট একটি দ্বীপের মতো। সেখানে একটি পুকুর ছিল। ওখানকার লোকজন আমাদের বলেছিলেন, আগের রাতে একটি বাঘ পানি খেতে পুকুরে এসেছিল। পুকুরের পাশের কাদায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একেবারে তাজা পায়ের ছাপ ছিল। সেই স্মৃতি এখনও মনে পড়ে।’

শৈশবে বড় হয়ে কী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ওই বয়সে তার নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য ছিল না।

তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, তখন আমার আসলে কোনো স্বপ্ন ছিল না। তোমাদের মতো ছোট থাকাকালে শুধু ভাবতাম, বড় হয়ে সব খেলনা কিনে নেব।’

শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের তাদের সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে এবং সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, কোরআন তিলাওয়াত, খেলাধুলা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, ‘তোমাদের শুধু লেখাপড়া করলেই হবে না। পাশাপাশি তোমাদের মধ্যে থাকা অন্যান্য গুণ ও প্রতিভা বিকাশের এবং সেগুলো চর্চা ও প্রকাশের সুযোগও থাকতে হবে।’

প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, শিশুরা শিক্ষা, বিজ্ঞান মেলা, খেলাধুলা ও অন্যান্য উপকারী কাজে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো এড়িয়ে চলা উচিত।

একপর্যায়ে শিশুদের করা প্রশ্নের ধরন দেখে প্রধানমন্ত্রী রসিকতা করে বলেন, কিছু প্রশ্ন হয়তো বড়রা তৈরি করে দিয়েছেন। তিনি শিশুদের মনে আসা যেকোনো প্রশ্ন করতে উৎসাহ দেন।

কোন কোন স্কুলে পড়েছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, তিনি দুটি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন—শাহীন স্কুল ও ল্যাবরেটরি স্কুল।

খেলার মাঠ ও ইনডোর স্টেডিয়াম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকার প্রতিটি ইউনিয়ন বা উপজেলায় শিশুদের খেলাধুলার জন্য খোলা মাঠ তৈরির পরিকল্পনা করছে। তবে সব জায়গায় স্টেডিয়াম নির্মাণ ব্যয়বহুল হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব খোলা জায়গা অভিভাবকরাও হাঁটাচলা ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।

শিশুদের সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিনিময়ে অংশগ্রহণ বাড়ানোর আগ্রহের কথাও জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শিল্প প্রতিযোগিতা, কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা এবং ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনে বাংলাদেশের শিশুরা ভালো করেছে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দেশে খেলাধুলা, বিজ্ঞান মেলা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও গণিত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশুরা যাতে ভালো ফলাফল নিয়ে দেশে ফিরতে পারে, সে জন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চায়।

শৈশবে সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপ দেখার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর।

শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর

পথশিশু ও দরিদ্র পরিবারের শিশুদের শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেন, লাখ লাখ শিশু এখনও মৌলিক শিক্ষা ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

সরকার ধীরে ধীরে এসব শিশুর কাছে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এতে সময় লাগবে, কিন্তু ইনশাআল্লাহ আমরা পারব।’

শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধিতা রয়েছে—এমন শিশুদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, তাদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সীমিত এবং সরকার সেগুলো সম্প্রসারণ করতে চায়।

তিনি জানান, সরকার আরও স্কুল ও সুযোগ-সুবিধা তৈরি এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষক ও প্রশিক্ষক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত অবকাঠামো ও জনবল তৈরি করতে হবে। তাই এ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কাজ শুরু করেছি। ধীরে ধীরে এগিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।’

গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের মতামত নেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি মাঝে মাঝে তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উপস্থিত শিশুদের চেয়ে বয়সে বড় হলেও প্রধানমন্ত্রীর তুলনায় অনেক ছোট।

তিনি বলেন, জাইমা কখনও কখনও তার বয়সী ও তার চেয়ে ছোটদের চিন্তাভাবনা সম্পর্কে তাকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারেন, যা শিশুদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

বিশেষ এই দিনে শিশুদের উদ্দেশে তার বার্তা কী—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, শিশুরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

তিনি আরও বলেন, ‘তোমরা কখনও টেলিভিশনে বা কোনো ভিডিওতে কোনো সুন্দর দেশ দেখে নিশ্চয়ই চিন্তা করো, বাংলাদেশটা যদি এমন হতো। অবশ্যই বাংলাদেশকে এমন করা সম্ভব। তোমরা সবাই যদি একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নাও, তোমরা বাংলাদেশকে এমন একটি সুন্দর দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে, তাহলে এটা সম্ভব।’

প্রধানমন্ত্রী শিশুদের নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজকের শিশুরা নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ আরও ভালোভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানও এ প্রশ্নোত্তর পর্বে যোগ দেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও শিশুদের সঙ্গে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, রাজবাড়ী, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর, খাগড়াছড়ি, খুলনা, সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকার শিশুরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করে এবং তিনি জবাব দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%