ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুরিয়ার কর্মচারী রাজু হত্যায় সাবেক এমপি মোশতাকের চার দিনের রিমান্ড


কুরিয়ার কর্মচারী রাজু হত্যায় সাবেক এমপি মোশতাকের চার দিনের রিমান্ড

ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুর এলাকায় কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মচারী রাজু আহমেদকে (২৪) হত্যা করার অভিযোগে সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহীর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মোশতাক আহমেদ রুহীকে আদালতে হাজির করার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল শুনানি শেষে এই রিমান্ডের আদেশ দেন। রিমান্ড শুনানির পূর্বে তাকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

মোহাম্মদপুর থানার ইকবাল রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে, তার আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুরে সাত মামলার আসামি কিশোর গ্যাং লিডার ‘কেন্তা ফিরোজ’ গ্রেপ্তার

মামলার অভিযোগ অনুসারে, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরের বাঁশবাড়িতে জননী কুরিয়ার সার্ভিসের পাশের একটি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে শান্তিপূর্ণ মিছিলে গুলি চালানো হয়। ওই সময় কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মচারী রাজু আহমেদ তার কর্মস্থল জননী কুরিয়ার সার্ভিস থেকে বের হয়ে মিছিল দেখছিলেন।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ম্যানেজার শাহাদাত জানতে পারেন যে, রাজু গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছেন। স্থানীয় লোকজন রাজুকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার পর রাজুর বাবা ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে পচনশীল পণ্য ই-নিলামে বিক্রির নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ পি.এম


চট্টগ্রাম কাস্টমসে পচনশীল পণ্য ই-নিলামে বিক্রির নির্দেশনা

চট্টগ্রাম, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে নিলামযোগ্য পচনশীল পণ্য ই-নিলামের মাধ্যমে প্রকাশ্য নিলামে বিক্রির নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এসব পণ্য দ্রুত, স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক ও আইনানুগভাবে নিষ্পত্তির জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রমিত কার্যপদ্ধতি (এসওপি) জারি না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।

আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের নিলাম বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। কাস্টম হাউসের কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মুহা. মাহবুবুর রহমানের সই করা আদেশে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নিলাম কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, পণ্যজট নিরসন, বন্দরের ধারণক্ষমতার সর্বোত্তম ব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধের জন্য পচনশীল পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তি করা আবশ্যক।

এছাড়া আদেশে বলা হয়েছে, কাস্টমস আইন অনুযায়ী যথাযথ কর্মকর্তার অনুমতিক্রমে জীবজন্তু ও পচনশীল পণ্য যেকোনো সময় বিক্রির বিধান রয়েছে। এনবিআরের নিলামসংক্রান্ত স্থায়ী আদেশে ই-নিলামের মাধ্যমে পচনশীল পণ্য বিক্রির সুযোগ রাখা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম কাস্টমসের অধীন নিলামযোগ্য যেসব পণ্যচালানের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধিবিধান কিংবা কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশগত বাধা নেই, সেগুলো ই-নিলাম পদ্ধতিতে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। ই-নিলামে তোলার পূর্বে পণ্যচালানের আইনগত অবস্থা, পণ্যের প্রকৃতি ও পরিমাণ, ইনভেন্টরি এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষার প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই ও সংরক্ষণ করতে হবে।

তবে কোনো পণ্যচালানের ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ বা বিক্রয় কিংবা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে স্পষ্ট আইনগত নিষেধাজ্ঞা থাকলে সেটি ই-নিলামে তোলা যাবে না। অন্যদিকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারাধীন বা ন্যায়নির্ণয়াধীন পচনশীল পণ্য দ্রুত বিক্রির সুযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট আইনগত বিধান অনুসরণ করে যথাযথ অনুমোদন নিয়ে বিক্রির ব্যবস্থা করা যাবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, পণ্যচালানের লট ও ক্যাটালগ প্রস্তুত করে ই-নিলামের জন্য দরদাতাদের (বিডার) পরিদর্শন, অংশগ্রহণ, জামানত, বিডিং এবং পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। পচনশীল পণ্যের দ্রুত পচনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব পণ্যের নিলাম কার্যক্রম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এবং কোনো বিলম্ব ছাড়াই সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

ই-নিলামে সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য দর পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক অনুমোদন নিতে হবে। নিলামে বিক্রি সম্পন্ন হওয়ার পর ক্রেতা নিলাম মূল্য, শুল্ক-করাদি, সরকারি পাওনা ও অন্যান্য আইনগত দায় পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় দলিল দাখিলের পর পণ্য খালাস বা অপসারণের সুযোগ পাবেন।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচিত দরদাতা অর্থ পরিশোধ বা অন্যান্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে, বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে কিংবা নিলাম বাতিল হলে এনবিআরের সংশ্লিষ্ট স্থায়ী আদেশ ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া কোনো পচনশীল পণ্য নিলামের উপযোগী না হলে অথবা আমদানিনীতি, নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার বিধান, আদালতের আদেশ কিংবা অন্য কোনো আইনগত কারণে ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রি সম্ভব না হলে প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী তা ধ্বংস বা অন্য কোনো আইনি নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ৯৪ ধারার সঙ্গে পঠিতব্য ২০৭ ও ২৬৬ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কাস্টমস কমিশনার (অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস) নাজমুল হোসেন বলেন, পচনশীল পণ্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আইন ও বিধি মেনে তা নিষ্পত্তির জন্য ই-নিলামের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আইনগত বাধা থাকলে এসব পণ্য ই-নিলামে তোলা হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

নেত্রকোণা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খালেদ উজ্জামানের সঙ্গে জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের পরিচিতি ও নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয় ও গণমাধ্যম : সহযোগিতা ও উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের টিটিসি কনফারেন্স রুমে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উদ্যোগে এবং জনসংযোগ দপ্তরের টিচার ইনচার্জ ড. সাদ্দাম হুসাইনের সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো, শিক্ষা, গবেষণা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে কার্যকর ও ইতিবাচক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খালেদ উজ্জামান তার বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত চলমান কাজের অগ্রগতির বিস্তারিত বিবরণ, বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগ এবং ভবিষ্যতে করণীয় বিষয় সম্পর্কে আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমের গঠনমূলক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উপাচার্য সাংবাদিকদের সুচিন্তিত মতামত ও সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষা পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে উপাচার্যকে অবগত করেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবের সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার জেলা সংবাদদাতা মো. তানভীর হায়াত খান, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি আলপনা বেগম, দৈনিক ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি শ্যামলেন্দু পাল, দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক এ কে এম আবদুল্লাহ, চ্যানেল ওয়ানের জেলা প্রতিনিধি রানা আকন্দ, চ্যানেল আইয়ের জেলা প্রতিনিধি জাহিদ হাসান, এনটিভির জেলা প্রতিনিধি ভজন দাস, দৈনিক আমার সংবাদের সাংবাদিক গোলাম কিবরিয়া সহ অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শৈশবের স্মৃতি স্মরণ করে বলেছেন, মা-বাবা এবং ছোট ভাইকে নিয়ে তিন দিনের পারিবারিক সফরে সুন্দরবনে গিয়ে তিনি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের তাজা ছাপ দেখেছিলেন, যা আজও তার মনে রয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে শিশুদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এক শিশু প্রধানমন্ত্রীর শৈশবের প্রিয় স্মৃতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একবার তাকে, তার ছোট ভাই এবং তাদের মা বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে সুন্দরবনে গিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘সুন্দরবনে আমরা হিরণ পয়েন্ট নামের একটি জায়গায় নেমেছিলাম, যেটি ছোট একটি দ্বীপের মতো। সেখানে একটি পুকুর ছিল। ওখানকার লোকজন আমাদের বলেছিলেন, আগের রাতে একটি বাঘ পানি খেতে পুকুরে এসেছিল। পুকুরের পাশের কাদায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একেবারে তাজা পায়ের ছাপ ছিল। সেই স্মৃতি এখনও মনে পড়ে।’

শৈশবে বড় হয়ে কী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ওই বয়সে তার নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য ছিল না।

তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, তখন আমার আসলে কোনো স্বপ্ন ছিল না। তোমাদের মতো ছোট থাকাকালে শুধু ভাবতাম, বড় হয়ে সব খেলনা কিনে নেব।’

শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের তাদের সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে এবং সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, কোরআন তিলাওয়াত, খেলাধুলা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, ‘তোমাদের শুধু লেখাপড়া করলেই হবে না। পাশাপাশি তোমাদের মধ্যে থাকা অন্যান্য গুণ ও প্রতিভা বিকাশের এবং সেগুলো চর্চা ও প্রকাশের সুযোগও থাকতে হবে।’

প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, শিশুরা শিক্ষা, বিজ্ঞান মেলা, খেলাধুলা ও অন্যান্য উপকারী কাজে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো এড়িয়ে চলা উচিত।

একপর্যায়ে শিশুদের করা প্রশ্নের ধরন দেখে প্রধানমন্ত্রী রসিকতা করে বলেন, কিছু প্রশ্ন হয়তো বড়রা তৈরি করে দিয়েছেন। তিনি শিশুদের মনে আসা যেকোনো প্রশ্ন করতে উৎসাহ দেন।

কোন কোন স্কুলে পড়েছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, তিনি দুটি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন—শাহীন স্কুল ও ল্যাবরেটরি স্কুল।

খেলার মাঠ ও ইনডোর স্টেডিয়াম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকার প্রতিটি ইউনিয়ন বা উপজেলায় শিশুদের খেলাধুলার জন্য খোলা মাঠ তৈরির পরিকল্পনা করছে। তবে সব জায়গায় স্টেডিয়াম নির্মাণ ব্যয়বহুল হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব খোলা জায়গা অভিভাবকরাও হাঁটাচলা ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।

শিশুদের সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিনিময়ে অংশগ্রহণ বাড়ানোর আগ্রহের কথাও জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শিল্প প্রতিযোগিতা, কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা এবং ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনে বাংলাদেশের শিশুরা ভালো করেছে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দেশে খেলাধুলা, বিজ্ঞান মেলা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও গণিত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশুরা যাতে ভালো ফলাফল নিয়ে দেশে ফিরতে পারে, সে জন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চায়।

শৈশবে সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপ দেখার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর।

শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর

পথশিশু ও দরিদ্র পরিবারের শিশুদের শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেন, লাখ লাখ শিশু এখনও মৌলিক শিক্ষা ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

সরকার ধীরে ধীরে এসব শিশুর কাছে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এতে সময় লাগবে, কিন্তু ইনশাআল্লাহ আমরা পারব।’

শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধিতা রয়েছে—এমন শিশুদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, তাদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সীমিত এবং সরকার সেগুলো সম্প্রসারণ করতে চায়।

তিনি জানান, সরকার আরও স্কুল ও সুযোগ-সুবিধা তৈরি এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষক ও প্রশিক্ষক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত অবকাঠামো ও জনবল তৈরি করতে হবে। তাই এ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কাজ শুরু করেছি। ধীরে ধীরে এগিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।’

গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের মতামত নেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি মাঝে মাঝে তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উপস্থিত শিশুদের চেয়ে বয়সে বড় হলেও প্রধানমন্ত্রীর তুলনায় অনেক ছোট।

তিনি বলেন, জাইমা কখনও কখনও তার বয়সী ও তার চেয়ে ছোটদের চিন্তাভাবনা সম্পর্কে তাকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারেন, যা শিশুদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

বিশেষ এই দিনে শিশুদের উদ্দেশে তার বার্তা কী—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, শিশুরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

তিনি আরও বলেন, ‘তোমরা কখনও টেলিভিশনে বা কোনো ভিডিওতে কোনো সুন্দর দেশ দেখে নিশ্চয়ই চিন্তা করো, বাংলাদেশটা যদি এমন হতো। অবশ্যই বাংলাদেশকে এমন করা সম্ভব। তোমরা সবাই যদি একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নাও, তোমরা বাংলাদেশকে এমন একটি সুন্দর দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে, তাহলে এটা সম্ভব।’

প্রধানমন্ত্রী শিশুদের নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজকের শিশুরা নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ আরও ভালোভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানও এ প্রশ্নোত্তর পর্বে যোগ দেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও শিশুদের সঙ্গে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, রাজবাড়ী, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর, খাগড়াছড়ি, খুলনা, সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকার শিশুরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করে এবং তিনি জবাব দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাকরি দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা প্রতারণা, বরিশাল সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স সোনিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


চাকরি দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা প্রতারণা, বরিশাল সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স সোনিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের (BNMC) নিবন্ধিত কর্মকর্তা
বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের (বরিশাল সদর হাসপাতাল) পুরুষ ভেষজ (মেডিসিন) বিভাগে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্স সোনিয়া আক্তারের ও বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ও ভুয়া এসএমএস (SMS) পাঠিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার এক সুপরিকল্পিত আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া থানার দক্ষিণ আনইলবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো: রিফাত হোসেন এই প্রতারণা ও জালিয়াতির শিকার হয়েছেন।

সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সোনিয়া আক্তার (পিতা: মো: আবুল হোসেন মৃধা, মাতা: নার্গীস বেগম, স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-কচুয়া, মহাল্লা-শৌলজালিয়া, ডাকঘর-কচুয়া-৮৪৩০, থানা-কাঁঠালিয়া, জেলা-ঝালকাঠি) নিজেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের (DGNM) ১০ম গ্রেডের একজন স্থায়ী সরকারি কর্মকর্তা দাবি করেন। তিনি তাঁর প্রভাব খাটিয়ে মো: রিফাত হোসেনকে একটি সরকারি হাসপাতালে 'অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট' (Office Assistant) পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখান এবং হাসপাতালে একটি ভুয়া আবেদনপত্র (Application) পূরণ করান। সোনিয়া আক্তারের এই প্রলোভনে বিশ্বাস করে ভুক্তভোগী মো: রিফাত হোসেনের পক্ষে তাঁর ওমান থেকে সোনিয়া আক্তারের সোনালী ব্যাংক পিএলসি-র নাজিমউদ্দিন রোড শাখা, ঢাকা-এর প্রধান অনলাইন কোর ব্যাংকিং হিসাব নম্বরে (৫৫৩৪৩০১০০৫৪৭৭, শাখা কোড- ৪৯৩, রাউটিং নং- ২০০২৭৪৯৩১) মোটা অঙ্কের অর্থ জমা প্রদান করেন।

অনুসন্ধানে সোনিয়া আক্তারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো বৈদেশিক রেমিট্যান্স এবং বাংলাদেশে সরাসরি নগদ টাকা জমা দেওয়ার যে সুনির্দিষ্ট বিবরণী পাওয়া গেছে তা নিম্নরূপ: রিফাত হোসেনের চাচা ওমান প্রবাসী মোহাম্মদ মিরাজ হোসাইন কর্তৃক বৈদেশিক রেমিট্যান্স: ওমানের আল জাদিদ এক্সচেঞ্জ (Al Jadeed Exchange, Oman) ও এজ রেমিত (EZREMIT)-এর মাধ্যমে সোনিয়া আক্তারের নাজিমউদ্দিন রোড শাখার অ্যাকাউন্টে দুই দফায় টাকা পাঠান।২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫: রেমিট্যান্স ভাউচার অনুযায়ী সোনিয়া আক্তারের অ্যাকাউন্টে সরাসরি জমা হয় ৯৭,৫৭০.০০ টাকা প্রেরক: মোহাম্মদ মিরাজ হোসাইন। এবং ১৪ মার্চ ২০২৫: রেমিট্যান্স ভাউচার অনুযায়ী একই অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয় ২৯,২৭৫.০০ টাকা প্রেরক: মোহাম্মদ মিরাজ হোসাইন।
ভুক্তভোগী মো: রিফাত হোসেন নিজে সোনালী ব্যাংক পিএলসি-র নাজিমউদ্দিন রোড শাখা, ঢাকা-এর সোনিয়া আক্তারের হিসাব নম্বরে সরাসরি নগদ টাকা জমা করেন, যার প্রতিটিতে ব্যাংক সিল ও ক্যাশিয়ারের স্বাক্ষর রয়েছে। ০৫ মার্চ ২০২৪ ব্যাংক কাউন্টার জমার রসিদ অনুযায়ী সোনিয়া আক্তারের হিসাবে নগদ জমা করা হয় ৫০,০০০.০০ টাকা, ০৩ এপ্রিল ২০২৪ ব্যাংক কাউন্টার জমার রসিদ অনুযায়ী একই হিসাবে নগদ জমা করা হয় ৫০,০০০.০০ টাকা, ১১ এপ্রিল সেপ্টেম্বর ২০২৪ ব্যাংক কাউন্টার জমার রসিদ অনুযায়ী সোনিয়া আক্তারের অ্যাকাউন্টে পুনরায় নগদ জমা করা হয় ২০,০০০.০০ টাকা, ০৯ জানুয়ারী ২০২৫ ব্যাংক কাউন্টার জমার রসিদ অনুযায়ী সোনিয়া আক্তারের হিসাবে নগদ জমা করা হয় ১,১০,০০০.০০ টাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫: ব্যাংক কাউন্টার জমার রসিদ অনুযায়ী সোনিয়া আক্তারের হিসাবে নগদ জমা করা হয় ৮০,০০০.০০ টাকা।

ব্যাংক লেনদেনের অফিশিয়াল নথি ও জমার স্লিপ পর্যালোচনার পর দেখা যায়, ওমান থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স এবং বাংলাদেশের সরাসরি নগদ ১,২৮,০০০ জমাসহ সর্বমোট ৫,৪৫,০০০ (পাঁচ লাখ পাঁচ চল্লিশ হাজার ) টাকা সোনিয়া আক্তারের নগদ ও তার অ্যাকাউন্টে প্রদান করা হয়েছে, যার প্রতিটি প্রমাণ ভুক্তভোগীর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

ভুক্তভোগীর মোবাইলে পাঠানো ভুয়া এসএমএস (SMS)-এর বিবরণ: বিপূল পরিমাণ এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর নিজের জালিয়াতি ঢাকতে ও বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে সোনিয়া আক্তার একটি চক্রের মাধ্যমে মো: রিফাত হোসেনের মোবাইলে (+৮৮০ ১৫ ৭৭০০ ৮৪৩৮ নম্বর থেকে) একটি ভুয়া সিলেকশন মেসেজ পাঠান। মেসেজটিতে হুবহু লেখা ছিল:
"!congratulation! MD.RIFAT HOSSIAN YOU SELECTED POST ON OFFICE ASSISTANT REQUIREMENT IN SHNIBPS.YOUR All DOCUMENT SENT IN MINISTRY.WE SENT A APPOINTMENT LETTER YOUR PERMANENT ADDRESS ANY DAYS" (যার বাংলা অর্থ: "অভিনন্দন! মো: রিফাত হোসেন, আপনি SHNIBPS-এ অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের যোগ্যতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আপনার সমস্ত কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। যেকোনো দিন আপনার স্থায়ী ঠিকানায় আমরা একটি নিয়োগপত্র পাঠিয়ে দেব।")

ভুক্তভোগী রিফাত হোসেন জানান, মেসেজটি পাওয়ার পর তাঁর সন্দেহ হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সোনিয়া আক্তারকে বিষয়টি জানান। কিন্তু সোনিয়া আক্তার জালিয়াতি ধামাচাপা দিতে তাঁকে আশ্বস্ত করে বলেন, "সব কিছু ওকে ঠিক আছে, যেকোনো সময় তোমারে ওরা জয়েনিং করার জন্য ডাকবে। " কিন্তু এর পর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও কোনো নিয়োগপত্র আসেনি এবং হাসপাতাল বা মন্ত্রণালয় থেকে তাঁকে আর কোনোদিনও ডাকা হয়নি। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং মেসেজটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও সাজানো ছিল।

ভুক্তভোগী আরো বলেন কষ্টার্জিত এতগুলো টাকা দেওয়ার পরও চাকরি না হওয়ায় এবং প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সোনিয়া আক্তারের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা ফেরত দিতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানান। উল্টো একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এবং প্রভাবশালী মহলের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন বলে ভুক্তভোগী পরিবারটি অভিযোগ করেছে। তিনি আরো জানান এ বিষয়ে ভুক্তভোগী বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল রেজিস্ট্রার BNMC, DGNM, সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখত অভিযোগ করেন।

এবং এ বিষয়ে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের (বরিশাল সদর হাসপাতাল) পুরুষ ভেষজ (মেডিসিন) বিভাগে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্স সোনিয়া আক্তারের সাথে কথা বলতে চাইলে তার মুঠো ফোনে ফোন রিসিভ করে বলেন এ বিষয়ে এখন কিছু বলব না পড়ে বলব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%