০৮:৫৪ এম
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরিণতি হিসেবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তেলের ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির জ্বালানি বিভাগের সর্বশেষ তথ্য মতে, চলতি সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুদ ১৯৮৩ সালের পরে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
একসপ্তাহের মধ্যে মজুদের পরিমাণ ২.৮ মিলিয়ন ব্যারেল কমে ৩০৪.৮ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। এক সময় যুক্তরাষ্ট্রের পেট্রোলিয়ামের জরুরি মজুদ ৭০০ মিলিয়ন ব্যারেলের বেশি ছিল, কিন্তু এখন তা অর্ধেকেরও নিচে চলে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবাজ নীতি চালিয়ে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ানোর কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে এ ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ৪৩ বছরের মধ্যে কৌশলগত মজুদ সবচেয়ে নিচে নেমে যাওয়ার ফলে দেশটিতে তেল সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের বিরোধীরা গাদি আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন জানালেন
এভাবে চলতে থাকলে, ট্রেডস্টেশনের গ্লোবাল হেড অব মার্কেট স্ট্র্যাটেজি ডেভিড রাসেল মার্কেট ওয়াচকে পাঠানো এক ই-মেইলে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত জরুরি পেট্রোলিয়ামের মজুদ কমে যাওয়া মানে হলো, হঠাৎ করে সরবরাহ ঘাটতি বা ভবিষ্যতে সংকট সামাল দেওয়ার জন্য যে অতিরিক্ত সক্ষমতা ছিল, তা এখন আর অবশিষ্ট নেই। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে বর্তমানে যেভাবে তীব্র অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে, এটি সত্যিই উদ্বেগজনক।
অন্যদিকে, মজুদ কমবার এই নেতিবাচক চাপটা সরাসরি প্রভাব ফেলছে সাধারণ মার্কিন ভোক্তাদের ওপর। পেট্রল পাম্পে গিয়ে তাদের অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে। প্রতি দিন পেট্রলের দাম পর্যবেক্ষণের কাজ করা আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন (এএএ) এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রতি গ্যালন (৩.৭৮ লিটার) পেট্রলের গড় মূল্য ৪.০৯ ডলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন