বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪৪ পি.এম
বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে ভিসা এবং ভ্রমণ প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করতে ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আনিস মাত্তা সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সঙ্গে।
এই গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, শিক্ষা খাতে সংযোগ সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি খাতে গ্যাস ও তেল সহযোগিতার বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে, বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় ভ্রমণকারী বিপুল সংখ্যক পর্যটকের সুবিধা ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বাংলাদেশে আরও বেশি ইন্দোনেশীয় কোম্পানির কাজের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে উভয় পক্ষ গঠনমূলক মতবিনিময় করেন। আলোচনার সময় ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা পুনরায় চালু করা এবং বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর দাবি ও প্রয়োজনীয়তা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও গভীর করার লক্ষ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, পর্যটন, শিক্ষা ও পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ কাজে লাগানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। বাংলাদেশে ইন্দোনেশীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরও নিবিড় যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মতি প্রকাশ করেন।
এছাড়া তৈরি পোশাক, পাট, কৃষি এবং পাম অয়েলের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিশ্ববাজারে হালাল পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাব্য সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে বহুমাত্রিক সহযোগিতা জোরদার ও অভিন্ন মুসলিম ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হন।
সাক্ষাৎকালে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিসতিওওয়াতী এবং ইন্দোনেশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আবুল হাসান মৃধা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মদ্রিচ, যিনি ১৩ মৌসুম রিয়াল মাদ্রিদে কাটিয়ে ২০২৫ সালে এসি মিলানে যোগ দিয়েছেন, জানালেন যে, তিনি মাদ্রিদের সমর্থক ও ক্লাবকে এখনো মিস করেন। তবে বর্তমানে তাঁর লক্ষ্য হলো মিলানকে আবার সেরাদের কাতারে ফিরিয়ে আনা।
এক বছরেরও বেশি সময় আগে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়েছেন মদ্রিচ, কিন্তু ক্লাবটির প্রতি তাঁর টান এখনও অটুট রয়েছে। স্প্যানিশ রেডিও এল লার্গুয়েরোর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ৪১ বছর বয়সী ক্রোয়াট মিডফিল্ডার বলেন, “আমি রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকদের মিস করি, রিয়াল মাদ্রিদকেও মিস করি।” ২০২৫ সালের গ্রীষ্মে ১৩ বছরের মাদ্রিদ অধ্যায় শেষ করে এসি মিলানে যোগ দেওয়া মদ্রিচ ইতালিতে জীবন উপভোগ করছেন বলেও জানান। তবে তাঁর মতে, মিলান আবার ‘মহান’ হয়ে ওঠার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং রিয়ালের মতো এখানেও শেষ কথা জয়।
মাদ্রিদ ছাড়ার পরও তিনি একাধিকবার ক্লাবটির প্রতি নিজের আবেগের কথা জানিয়েছেন। সেপ্টেম্বরে মার্কাকে তিনি বলেছিলেন, মাদ্রিদ এখনও তাঁর বাড়ি এবং ভবিষ্যতে খেলোয়াড় হিসেবে নয়, অন্য কোনো ভূমিকায় কাজে লাগতে পারলে রিয়ালে ফিরতে চান।
এদিকে মিলানে তাঁর ভূমিকা পরিবর্তিত হয়েছে। কোচ রুবেন আমোরিম এই মৌসুমে তাঁর খেলার সময় নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন; দুই সদস্যের মিডফিল্ডে খেলানোর পাশাপাশি ড্রেসিংরুমে নেতৃত্বও দিচ্ছেন মদ্রিচ। রাফায়েল লেয়াও গালাতাসারেতে চলে যাওয়ার পর দল পুনর্গঠনের এই সময়ে অভিজ্ঞ ক্রোয়াটই হয়ে উঠেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভরসা। রিয়ালে ১৩ মৌসুমে ২৮টি ট্রফি, ছয়টি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ২০১৮ সালের ব্যালন ডি’অর জেতা মদ্রিচের সঙ্গে মিলানের চুক্তি ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। ক্রোয়েশিয়ার হয়ে জাতীয় দলের অধ্যায়ও তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মদিনে রাশিয়া ইউক্রেনজুড়ে মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) এই হামলায় ৫ শিশুসহ ২৫ জন নিহত হয়েছেন এবং ১০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই হামলার জন্য চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পুতিন নিজের জন্মদিনে নিজেকেই যেন উপহার দিলেন—নিরীহ মানুষ ও শিশু হত্যা।’
দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ইউক্রেনের একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ অঞ্চলের প্রিলুকিতে, যেখানে একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবনে সরাসরি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে পুরো ভবনটি ভেঙে পড়ে। ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ২৮ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
জেলেনস্কি এ হামলাকে রাশিয়ার অন্যতম জঘন্যতম হামলা হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, পুতিনের জন্মদিন উদযাপনের অংশ হিসেবেই যেন এই হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে, ইউক্রেনে যুদ্ধের আবহের মধ্যে ফ্রান্সের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ক্রেমলিনের সঙ্গে দেশটির তীব্র কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এটিকে নিজেদের সক্ষমতার ‘স্পষ্ট বার্তা’ বললেও ক্রেমলিন সতর্ক করে জানিয়েছে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এই পথ কাউকেই ভালো পরিণতি দেবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ায় সফল সিরিজের পর বাংলাদেশ এবার আবুধাবিতে প্রথমবার নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে। ফর্মে থাকা ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ব্যাটিংয়ের কিছু সদস্যের সাম্প্রতিক ব্যর্থতা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দলটি।
অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ ড্র করে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্টে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে ফেবারিট হিসেবে ধরা হচ্ছে এই ম্যাচে। অস্ট্রেলিয়া সফরে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে তানজিদ হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং হাসান মাহমুদের পারফরম্যান্সে ডারউইনে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর কাউন্টি ক্রিকেটে হাসান মাহমুদ এবং সিপিএলে মেহেদীর পারফরম্যান্সও ইতিবাচক ছিল। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’র বিপক্ষে অপরাজিত ৩৫২ রান করে আলোচনায় থাকা তাওহীদ হৃদয়ও দলে রয়েছেন। এটি দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে কোনো সফরকারী ব্যাটারের সর্বোচ্চ স্কোর।
তবে বাংলাদেশের উদ্বেগও রয়েছে। ডারউইনে টেস্ট সেঞ্চুরির পর তানজিদ রানে নেই, এবং শেষ পাঁচ আন্তর্জাতিক ইনিংসে লিটন দাসের রান মাত্র ২; অস্ট্রেলিয়ায় টানা তিন টেস্ট ইনিংসে ডাকও মেরেছেন তিনি। মুমিনুল হক এবং শাদমান ইসলামও সাম্প্রতিক সময়ে রানের সন্ধানে রয়েছেন। হৃদয়কে একাদশে নেওয়া হলে মিডল অর্ডারে পরিবর্তন আনতে হবে। আবুধাবির ধীর পিচের কারণে নাঈম হাসানকেও খেলানোর কথা ভাবছে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে, ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর আফগানিস্তান ঘুরে দাঁড়াতে চায়। নতুন টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক রহমত শাহের নেতৃত্বে দলটির ব্যাটিংয়ে মূল ভরসা তিনি এবং হাশমতউল্লাহ শহীদি। ওপেনিংয়ে সেদিকউল্লাহ আতাল এবং আবদুল মালিক মাঠে নামবেন, তিনে থাকবেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। সদ্য শেষ হওয়া আহমাদ শাহ আবদালি চার দিনের প্রতিযোগিতায় আট ইনিংসে ৫৩৮ রান করে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক শাহিদউল্লাহ কামালের কাছ থেকেও বড় ইনিংস প্রত্যাশা থাকবে।
বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আফগানিস্তান স্পিননির্ভর একাদশ সাজাতে পারে। কায়েস আহমেদ এবং খলিল গুরবাজের সঙ্গে এক বছরের বেশি সময় পর ফিরেছেন বাঁহাতি স্পিনার জিয়া-উর-রহমান। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের জায়গায় আছেন ইসমত আলম। বাংলাদেশের বিপক্ষে রিস্ট স্পিন কাজে লাগাতে শরাফউদ্দিন আশরাফ এবং নাঙ্গেয়ালিয়া খারোটেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
দুই দল এখন পর্যন্ত দুটি টেস্ট খেলেছে, এবং দুটিতেই একটি করে জয় পেয়েছে। বাংলাদেশের এটি প্রথম নিরপেক্ষ ভেন্যু এবং প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট। অন্যদিকে জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের শেষ টেস্ট জয় ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, ছয় উইকেটে। আবুধাবির তাপমাত্রা দিনে প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠতে পারে এবং পিচ ধীরগতির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্সও জানিয়েছেন, উইকেট ভালো হলেও কিছুটা ধীর হতে পারে এবং স্পিনারদের সামলানোর প্রস্তুতি নিয়েই দল মাঠে নামছে।
বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে শান্ত ইতিমধ্যে দেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জয় পেলে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর টেস্ট জয় হবে ১০টি—যা তাঁকে আরও বিশেষ এক মাইলফলকে পৌঁছে দেবে। আফগানিস্তানের চতুর্থ টেস্ট অধিনায়ক রহমত শাহের জন্যও এটি নতুন শুরুর পরীক্ষা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে আগামী শনি ও রবিবার দুই দিনব্যাপী ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ পিটার বাটলার। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান নারী ফুটবলারদের খুঁজে বের করা। বিশেষভাবে অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের জন্য সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় বাছাইয়ের উদ্দেশ্যে পিটার এই প্রোগ্রামটি পরিচালনা করতে চান। অনূর্ধ্ব-১৭ পর্যায়ের মেয়েরা এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
বাংলাদেশের নারী ফুটবলে দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরনের ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়নি। বিশেষ করে ঢাকার বাইরের অঞ্চলে নিয়মিত প্রতিভা অন্বেষণের সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে। এর সাথে নারী লিগের নিয়মিত আয়োজন না হওয়া এবং প্রতিযোগিতার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ফলে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার সুযোগ কমে গেছে। এই ঘাটতি পূরণের জন্য পিটারের উদ্যোগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আফ্রিকায় অবস্থানকালে এ ধরনের ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম আয়োজনের অভিজ্ঞতা রয়েছে পিটার বাটলারের। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বাংলাদেশে তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান নারী ফুটবলার খুঁজে বের করার পরিকল্পনা করছেন।
সিলেটের প্রোগ্রামে স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার প্রতিভাবান মেয়েরা নিজেদের সামর্থ্য প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এ ধরনের ট্যালেন্ট হান্টের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ