রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১৩ পি.এম
ভারতের মণিপুরে সহিংসতার নতুন ঘটনার ফলে গুলিতে দুই নাগা বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। খবর এনডিটিভির
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সেনাপতি জেলার কালেনজাং এলাকায় গ্রামের প্রধানের একটি বাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে। সশস্ত্র হামলাকারীরা বাড়ির ভেতরে অবস্থানরত লোকজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
পুলিশ খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। তবে হামলার কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহত দুজনের নাম রকি ও কুমার হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সেনাপতি জেলার দুটি ভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। আহত দুজনের পরিচয় এবং বর্তমান শারীরিক অবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, হামলার পেছনে কুকি সম্প্রদায়ের সদস্যরা থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে সরকারি কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মণিপুরে তিন দিনের মধ্যে নাগা বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এটি দ্বিতীয় হামলার ঘটনা। এর মাত্র দুই দিন আগে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের কাছে কামজং জেলায় সশস্ত্র হামলায় চার বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। পরপর এসব ঘটনার ফলে নাগা বেসামরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে গেছে।
মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইউম্নাম খেমচাঁদ সিং হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে ঘটনাটিকে নিরীহ মানুষের ওপর ‘কাপুরুষোচিত সহিংসতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলায় আহত দুজনকে সেনাপতির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
ঘটনার সময় মুখ্যমন্ত্রী ইউম্নাম খেমচাঁদ সিং ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে মাও এলাকায় ছিলেন। সেখানে তিনি মারাম এলাকার ডন বস্কো কলেজের রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এদিকে কালেনজাংয়ে হামলার দিনই ইউনাইটেড নাগা কাউন্সিল কেন্দ্রীয় সরকার ও মণিপুর সরকারের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার পর সাময়িকভাবে অর্থনৈতিক অবরোধ স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে।
গত মে মাসে অপহরণের পর ছয় নাগা যুবকের হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে ওই অবরোধ শুরু হয়েছিল।
তবে নতুন হামলার পর মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের শনাক্ত ও ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রুশ প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিয়েভ মন্তব্য করেছেন যে, রাশিয়া এবং জার্মানি যৌথভাবে নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইন পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করতে পারে। চার বছর আগে নাশকতায় ক্ষতিগ্রস্ত এই পাইপলাইনটি মেরামত ও পুনরায় চালুর প্রস্তাব জার্মানির ডানপন্থি দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)-এর নেতা টিনো ক্রুপাল্লার পক্ষ থেকে আসার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
দিমিত্রিয়েভ এক্সে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘সবই সত্য। আমরা যৌথভাবে নর্ড স্ট্রিম পুনরায় চালু করব।’ পোস্টের মধ্যে তিনি এএফডিকে জার্মান জনগণের কণ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই দলটি জার্মানির জ্বালানি সার্বভৌমত্ব, সমৃদ্ধি, শান্তি ও সহযোগিতার জন্য লড়াই করছে।
এর আগে এএফডির কো-চেয়ারম্যান টিনো ক্রুপাল্লা নর্ড স্ট্রিম এবং নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইনে নাশকতার বিষয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানান। তিনি একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইন দুটি মেরামত করে পুনরায় চালুর দাবি করেন।
২০২২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর নর্ড স্ট্রিমের তিনটি পাইপলাইন এবং চালু না হওয়া নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইনে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও ক্ষয়ক্ষতি শনাক্ত হয়। এই ঘটনার পর নাশকতার উৎস ও দায় নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তদন্ত এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার প্রসিকিউটর জেনারেল দপ্তর ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ হিসেবে উল্লেখ করে মামলা করেছে।
সূত্র: তাস ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে বিদ্যুতের তার চুরি করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামের উত্তরপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম রকি, তিনি কানুহরপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই গ্রামের উত্তরপাড়ায় একটি ঘাসের জমিতে রকির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোরের সময় বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে রকি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেন, "মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রোপার্টিজে গতকাল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে। এ ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভাঙচুরের ভিডিও প্রকাশ করে অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টে সাদিয়া লিখেছেন— সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিতে ঘটে যাওয়া ঘটনা সত্যিই হৃদয়বিদারক এবং মেনে নেওয়ার মতো নয়।
তিনি আরও বলেন, সালমানের মতো একজন মানুষের প্রতি এমন আচরণ মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, "এত অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে যে, তারা ভালো কিছু জীবনে দেখেনি, আর দেখলেও সেটি হজম করতে পারে না। কী লজ্জাজনক! কী দুঃখজনক!"
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাদিয়ার পোস্টটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে ১২ হাজারেরও অধিক। মন্তব্য এসেছে এক হাজারের বেশি। অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন, আবার অনেকে সাদিয়ার পোস্ট ও সালমান মুক্তাদিরকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন। সাদিয়া এসব মন্তব্যের জবাবও দিয়েছেন।
সাদিয়া আয়মান বলেন, "কী পরিমাণে ফ্রাস্ট্রেটেড মানুষগুলো যে কমেন্ট করছে! আহারে! ঠিক যাদের উদ্দেশ্য করে পোস্টটি করা সেই অশিক্ষিতগুলোই চাঁদাবাজদের হয়ে কমেন্টে ফ্রাস্ট্রেশন ঝাড়ছে! আহারে! প্রত্যেকটা কমেন্ট আজীবন থেকে যাবে ডকুমেন্টেড হয়ে।"
অভিনেত্রী আরও বলেন, "তোদের বাবা, মা সন্তানরা দেখবে যে, তুই কত বড় নোংরা মানুষ। আজীবনের জন্য স্বাক্ষর রেখে গেলি। আহারে!"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জোহানেসবার্গের পশ্চিমে একটি পানশালায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রোববার পুলিশ জানায়, হামলাকারীদের সংখ্যা ছিল আটজন এবং তাদের হাতে ছিল অ্যাসল্ট রাইফেল।
এটি দক্ষিণ আফ্রিকায় সর্বশেষ বড় ধরনের বন্দুক হামলার ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতের দিকে হামলাটি সংঘটিত হয়। হামলাকারীরা পালানোর আগে পানশালার কয়েকজন গ্রাহকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন নারী রয়েছেন।
হামলার উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। পালিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজনরা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পুলিশ জানায়, ‘সন্দেহভাজনদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও অন্যান্য বিশেষায়িত ইউনিটের সমন্বয়ে একটি দল মোতায়েন করা হয়েছে।’
এদিকে, রোববার ভোরে কেপটাউনের বাইরে একটি টাউনশিপের বিনোদনকেন্দ্রে পৃথক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বন্দুকধারীদের গুলিতে ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং ১১ জন আহত হয়েছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বৈধ ও অবৈধ—দুই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যাপক বিস্তার রয়েছে। দেশটিতে বন্দুক হামলার ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। এসব হামলার পেছনে অনেক সময় গ্যাংগুলোর দ্বন্দ্ব এবং অনানুষ্ঠানিক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিযোগিতা ভূমিকা রাখে।
দক্ষিণ আফ্রিকার জনসংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ এবং এখানে বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ হত্যার হার রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০ জন মানুষ হত্যার শিকার হন।
চলতি বছরের মার্চে জোহানেসবার্গের সহিংসতাপ্রবণ এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হয়। পুলিশি প্রচেষ্টাকে সহায়তা করার জন্যই সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা দেশের সামনে থাকা সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি হিসেবে ব্যাপক অপরাধপ্রবণতার কথা উল্লেখ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ