ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

যাত্রাবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় গ্যারেজকর্মী ফালু মিয়া নিহত


যাত্রাবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় গ্যারেজকর্মী ফালু মিয়া নিহত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়ায় ঘটেছে একটি সড়ক দুর্ঘটনা, যেখানে ফালু মিয়া (৪৬) নামের এক গ্যারেজকর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের সামনে ঢাকাগামী এক্সপ্রেসওয়েতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় জনগণ তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। এরপর যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক এসআই মো. সজিবুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

এসআই সজিবুর রহমান জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে, তৎক্ষণিকভাবে কোন গাড়ির ধাক্কায় ফালু মিয়া নিহত হয়েছেন, তা জানা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন: গুম-খুনের রাজনীতি ফিরতে দেবে না: আব্দুল্লাহ আল জাবের

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, ফালু মিয়া একটি গাড়ি মেরামতের গ্যারেজে কর্মরত ছিলেন। রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার সময় রাস্তা পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন।

তিনি জুরাইন আলমবাগ এলাকায় তার পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তার বাবার নাম আব্দুল মতিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপায় ধীরগতি, নজরদারিতে ২৬টি প্রেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপায় ধীরগতি, নজরদারিতে ২৬টি প্রেস

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর জন্য আর কিছু মাস বাকি রয়েছে। কিন্তু ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ শুরু করেনি বেশিরভাগ প্রেস। মাধ্যমিক স্তরের বই সরবরাহের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। রবিবার পর্যন্ত এ স্তরের মাত্র ২০ শতাংশ বই সরবরাহ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত বই শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানো নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বই ছাপার কাজের অগ্রগতি এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার সক্ষমতা বিবেচনায় ২৬টি প্রেসকে নজরদারিতে রেখেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এনসিটিবি সূত্র জানায়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য মোট ৩০ কোটি ৬১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১ কপি পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ চলছে। ১১৩টি প্রেসে চলছে এসব বই ছাপানোর কার্যক্রম। এতে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় দুই হাজার ১০০ কোটি টাকা। তবে কয়েকটি প্রেসের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। এসব প্রেসের মধ্যে কিছু প্রেসের ক্ষেত্রে নভেম্বর তো দূরের কথা, ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

এনসিটিবি চিহ্নিত প্রেসগুলোর সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেছে। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা চাওয়ার পাশাপাশি কিছু প্রেসের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকারও নেওয়া হচ্ছে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দু-চারজন দুষ্ট সব জায়গায়ই থাকে। আমাদের এখানেও আছে। তবে সরকারের একাধিক সংস্থাসহ আমরা সেইসব প্রেস খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের টিম নিয়মিত তদারকির কাজ করছে। তবে প্রাথমিকের বইয়ের কাজ আগে শেষ করতে বলায় মাধ্যমিকটা কিছুটা পিছিয়ে আছে। প্রাথমিকের কাজ শেষ হয়ে গেলে মাধ্যমিকের বইয়ের কাজ দ্রুত এগোবে। আশা করছি, আমরা নির্দিষ্ট সময়েই বইয়ের কাজ শেষ করতে পারব।’

ইন্সপেকশন এজেন্টগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত রবিবার পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের ৫৪.৩৯ শতাংশ বই সরবরাহ করা হয়েছে। প্রাক-প্রাথমিকের ৮৬.২১ শতাংশ, প্রথম শ্রেণির ৭৭.৫৪ শতাংশ, দ্বিতীয় শ্রেণির ৭৫.৬২ শতাংশ, তৃতীয় শ্রেণির ৬৪.৯৪ শতাংশ, চতুর্থ শ্রেণির ৩৪.৬৯ শতাংশ এবং পঞ্চম শ্রেণির ২৭.২৪ শতাংশ বই সরবরাহ করা হয়েছে। ইবতেদায়ির বই সরবরাহের হার ৫৪.২২ শতাংশ।

অন্যদিকে মাধ্যমিক স্তরে ষষ্ঠ শ্রেণির ৪৪.০৩ শতাংশ, সপ্তম শ্রেণির ২৭.৯৭ শতাংশ এবং অষ্টম শ্রেণির ৮.২৬ শতাংশ বই সরবরাহ করা হয়েছে। নবম-দশম শ্রেণির বই সরবরাহ এখনো শুরু হয়নি।

এনসিটিবি সূত্র জানায়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপানোর কাজ করছে একই প্রেসের অনেকে। ফলে যে স্তরের বই আগে শেষ করার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে, প্রেসগুলো সেদিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। নবম-দশম শ্রেণির বইয়ের কার্যাদেশ তুলনামূলকভাবে পরে হওয়ায় বেশিরভাগ প্রেস এখনো ছাপার কাজ শুরু করেনি।

এনসিটিবির শর্ত অনুযায়ী, চুক্তির তারিখ থেকে বই ছাপানোর জন্য প্রতিটি প্রেস ৭০ দিন সময় পায়। প্রাথমিক স্তরের ৫০ শতাংশ বই ৯ অক্টোবরের মধ্যে এবং শতভাগ ৯ নভেম্বরের মধ্যে সরবরাহের চুক্তি রয়েছে। মাধ্যমিক স্তরের ৫০ শতাংশ বই সরবরাহের সময়সীমা ৩ নভেম্বর এবং শতভাগ বই সরবরাহের সময়সীমা ৩ ডিসেম্বর।

বেশি কাজ পাওয়া প্রেসগুলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এগোতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবির পরিদর্শক দল প্রেসগুলোতে নিয়মিত তদারকি করছে। বইয়ের মান যাচাইয়ের পাশাপাশি ছাপার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিবেদনও দিচ্ছে তারা।

বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাবেক সভাপতি তোফায়েল খান বলেন, ‘আমরা চাই না আগের মতো ফেব্রুয়ারি-মার্চে শিক্ষার্থীরা বই পাক। আমরা চাই সঠিক মানের বই যেন ডিসেম্বরের মধ্যেই স্কুলগুলোতে পৌঁছে যায়। কিছু মুদ্রণকারী ইচ্ছা করেই ছাপায় দেরি করছেন। আবার কেউ সক্ষমতার অনেক বেশি কাজ পেয়েছেন।’

তিনি বলেন, শেষ সময়ে বই সরবরাহের চাপ তৈরি হলে নিম্নমানের কাগজে বই ছাপার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবিকে আগেই সতর্ক থাকতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে বিক্ষোভের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা গুনতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


দিল্লিতে বিক্ষোভের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা গুনতে হবে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরকে নিষিদ্ধ করার পর, বিক্ষোভের জন্য তিনটি বিকল্প স্থান চিহ্নিত করেছে দিল্লি পুলিশ। এই স্থানগুলো হলো রামলীলা ময়দান, উত্তর দিল্লির বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড। তবে নতুন এই স্থানগুলোতে বিক্ষোভ আয়োজনের ক্ষেত্রে দূরত্ব, ভাড়া, ছায়ার অভাব এবং উৎসবের মৌসুমে জায়গা পাওয়া নিয়ে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে।

তিনটি স্থানের মধ্যে রামলীলা ময়দান দিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকার সবচেয়ে কাছে অবস্থিত। তবে সেখানে কর্মসূচি আয়োজন করতে ভাড়া দিতে হয় এবং উৎসবের মৌসুমে জায়গাটির চাহিদাও বেশি থাকে। অন্যদিকে, সিবিডি গ্রাউন্ড ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে অবস্থিত। আর বুরারি ময়দান রাজধানীর কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে। ফলে এসব স্থানে বিক্ষোভ হলে যন্তর মন্তরের মতো রাজনৈতিক ও জনসাধারণের মনোযোগ আকর্ষণ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

লেখক ও দিল্লির নগরজীবনের ইতিহাসবিদ সোহেল হাশমির মতে, ইন্ডিয়া গেটের কাছে বোট ক্লাবের সবুজ চত্বর থেকে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তই ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। এখন প্রতিবাদের স্থান ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে আরও দূরে সরিয়ে নিলে সাধারণ মানুষের দাবি-দাওয়া সরকারের কাছে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, আগে খোলা জায়গায় মানুষ একত্র হয়ে সরকারের কাছে নিজেদের দাবি জানাতে পারতেন। ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছেই কয়েক হাজার, এমনকি কয়েক দশ হাজার মানুষ জড়ো হতে পারতেন। ওয়াশিংটনে মানুষ ক্যাপিটল হিলের ঠিক বাইরেও সমবেত হতে পারেন। তাহলে দিল্লিতে কেন প্রতিবাদকারীদের আরও দূরে সরিয়ে নেওয়া হবে?

রামলীলা ময়দান: কাছে হলেও খরচ বেশি

যন্তর মন্তর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামলীলা ময়দান। তিনটি বিকল্প স্থানের মধ্যে এটি দিল্লির কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক এলাকার সবচেয়ে কাছাকাছি। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে রাজনৈতিক সমাবেশ, মিছিল ও বিভিন্ন গণআন্দোলনের কর্মসূচি হয়ে আসছে।

তবে এখানে কর্মসূচি আয়োজনের জন্য অর্থ খরচ করতে হবে। দিল্লি পৌর করপোরেশনের (এমসিডি) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, প্রায় ১২ একর আয়তনের এই মাঠ ভাড়া নিতে প্রতিদিন ৫০ হাজার রুপি দিতে হয়। এর পাশাপাশি ফেরতযোগ্য জামানত হিসেবে জমা দিতে হয় ৫৫ হাজার রুপি। এ ছাড়া দিল্লি ট্রাফিক পুলিশের অনাপত্তিপত্রও নিতে হবে।

ওই কর্মকর্তা জানান, মাঠের অর্ধেক অংশ ভারী যানবাহন পার্কিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। বাকি অংশ বুকিং দেওয়া হয়। তবে মাঠের ছোট কোনো অংশ আলাদাভাবে ভাড়া নেওয়ার সুযোগ নেই; পুরো নির্ধারিত অংশই বুক করতে হয়।

ফলে ছোট সংগঠন বা যেসব গোষ্ঠীর বড় জায়গার প্রয়োজন নেই, তাদের জন্য এই মাঠ ব্যবহার করা ব্যয়বহুল ও অসুবিধাজনক হতে পারে। যন্তর মন্তরের মতো গাছপালায় ঘেরা পরিবেশও এখানে নেই। খোলা মাঠে পর্যাপ্ত ছায়া না থাকায় গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে বিক্ষোভ চালানো কঠিন হতে পারে।

এমসিডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাঠটি ২৭ বার বুক করা হয়েছে। এরই মধ্যে রামলীলা অনুষ্ঠান ও মেলার প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় উৎসবের মৌসুমে সেখানে কর্মসূচি আয়োজনের জন্য খালি সময় পাওয়া আরও কঠিন হতে পারে।

সিবিডি গ্রাউন্ড: চারপাশে আবাসিক এলাকা, যানজটের আশঙ্কা

পূর্ব দিল্লির শাহদারায় অবস্থিত ১২ একর আয়তনের সিবিডি গ্রাউন্ডের দেখভাল করে দিল্লি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ডিডিএ)। বিয়ে ও বড় ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য পরিচিত এই মাঠের চারপাশে রয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা, বিপণিবিতান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। ফলে এখানে বিক্ষোভ হলে যানজট এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পূর্ব দিল্লির আবাসিক কল্যাণ সমিতিগুলোর যৌথ সংগঠন ইস্ট দিল্লি আরডব্লিউএ জয়েন্ট ফ্রন্টের প্রধান বি এস ভোহরা বলেন, আশপাশের ভবন ও ব্যস্ত সড়কের কারণে জায়গাটি বিক্ষোভের জন্য উপযুক্ত নয়।

তার ভাষ্য, মাঠের কাছেই একটি হোটেল, দুটি বিপণিবিতান, অসংখ্য বিয়ের অনুষ্ঠানস্থল এবং আবাসিক এলাকা রয়েছে। মাঠের মাঝখানে কিছু খোলা জায়গা থাকলেও সেখানে বিক্ষোভ আয়োজন করা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এমনকি মাঠের ভেতরেও বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বিয়ের প্যান্ডেল দেখা যায়।

ভোহরার মতে, বিক্ষোভের সময় প্রায়ই ব্যারিকেড বসানো ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়। ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।

ডিডিএর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিবিডি গ্রাউন্ডও ভাড়া দিয়ে ব্যবহার করতে হয়। সেখানে বিনা মূল্যে বিক্ষোভ করার কোনো ব্যবস্থা থাকবে কি না, সে বিষয়ে দিল্লি পুলিশের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বুরারি ময়দান: বড় জায়গা, কিন্তু রাজধানীর কেন্দ্র থেকে দূরে

তিনটি বিকল্পের মধ্যে সবচেয়ে বড় বুরারি ময়দান, যা নিরঙ্কারি ময়দান নামেও পরিচিত। উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে অবস্থিত প্রায় ৫০ একর আয়তনের এই মাঠ জন্তর মন্তর থেকে আনুমানিক ১৮ কিলোমিটার দূরে। রাজধানীর কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক এলাকা থেকেও এটি বেশ দূরে অবস্থিত।

বড় আয়তনের কারণে এখানে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাবেশ আয়োজন করা সম্ভব। তবে মূল উদ্বেগ হলো, এখানে বিক্ষোভ হলে তা নীতিনির্ধারক, সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের নজরে কতটা আসবে।

২০২৪-২৫ সালের কৃষক আন্দোলনের সময়ও বিক্ষোভকারীদের জন্য সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বুরারি ময়দানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কৃষক সংগঠনগুলো সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে জায়গাটিকে ‘খোলা কারাগার’ বলে আখ্যা দেয়। তাদের অভিযোগ ছিল, জনবিচ্ছিন্ন অবস্থান ও চারপাশের বেড়ার কারণে বিক্ষোভকারীদের সেখানে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হবে। এতে আন্দোলন জনসাধারণের দৃষ্টির আড়ালে চলে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।

শুধু খোলা মাঠ হলেই চলবে না, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সোহেল হাশমির মতে, বিক্ষোভের স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু কত মানুষ জড়ো হতে পারবেন, তা বিবেচনা করলেই হবে না। বরং প্রতিবাদকারীরা যাদের কাছে নিজেদের দাবি পৌঁছাতে চান, তাদের কাছাকাছি থাকার সুযোগও থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বিক্ষোভস্থল এমন জায়গা হওয়া উচিত, যেখানে মানুষের কথা শোনা যাবে, সংবাদমাধ্যম সহজে পৌঁছাতে পারবে এবং জনপ্রতিনিধিরা এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।

হাশমির মতে, যন্তর মন্তরের জায়গা ছোট ছিল এবং সেখানে কিছু সমস্যা ছিল ঠিকই। কিন্তু বুরারি, রামলীলা ময়দান ও সিবিডি গ্রাউন্ডেরও নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব স্থান ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে দূরে হওয়ায় প্রতিবাদকারীদের দাবি তুলে ধরা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামজাকে ছাড়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করবে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


হামজাকে ছাড়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করবে বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শুরু হতে আর মাসখানেকও বাকি নেই। তবে টুর্নামেন্টের মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই বাংলাদেশ একটি বড় ধাক্কা খেয়েছে। ৪ নভেম্বর থেকে সাফের পর্দা উঠলেও ফিফা উইন্ডোর আগে অধিকাংশ প্রবাসী ফুটবলারকে দলে পাচ্ছে না লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা।

ফিফার অফিশিয়াল উইন্ডো শুরু হবে ৯ নভেম্বর থেকে। অথচ বাংলাদেশ দলের সাফে অভিযান শুরু হবে আগামী ৫ নভেম্বর, ভুটানের বিপক্ষে। ফলে প্রথম ম্যাচে ভিন্ন কম্বিনেশনের দল নিয়েই মাঠে নামতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলা তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরীর ক্লাব ম্যাচ রয়েছে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। হামজার পাশাপাশি অন্যান্য প্রবাসীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সূচি জটিলতা দেখা দিয়েছে।

জাতীয় দল কমিটির এক বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘সাফে উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য আমরা পূর্ণ স্কোয়াড পাব না। ৯০ শতাংশ প্রবাসী খেলোয়াড়কে ৯ নভেম্বরের পরে পাব। ফলে প্রথম ম্যাচের পর হয়তো আমাদের ভিন্ন দল নিয়ে খেলতে হবে। সাফের ক্যাম্প শুরু হবে ২৫ অক্টোবর।’

আসন্ন টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি হিসেবে অনঅফিশিয়াল উইন্ডোতেই প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বাফুফে। এ প্রসঙ্গে বাফুফে সভাপতি জানান, বিদেশ থেকে কোনো দলকে এনে বা কোনো ক্লাবের সঙ্গে কথা বলে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ঘরোয়া লিগের মাঠের করুণ দশা এবং ফুটবলারদের চোটের ঝুঁকি কমানোর বিষয়টিও ফেডারেশন গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

সর্বশেষ আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯ গোল হজম করে বাংলাদেশ চরম ভরাডুবির শিকার হয়েছিল। যার ফলে জাতীয় দলের প্রধান কোচ টমাস ডুলি বর্তমানে তোপের মুখে রয়েছেন। কোচের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বাফুফে প্রধান বলেন, ‘ফুটবল বিশ্বে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের পরিবর্তন আসা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে এর মানে এই নয় যে আমরা এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বরং দলের প্রয়োজনে যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্তের পথ খোলা রয়েছে। আসিয়ান কাপ নিয়ে প্রতিটি বিভাগকে জবাবদিহিতার আওতায় এনেছি। আমি নিজেও কমিটির কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রেও আরো দায়বদ্ধতা নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

ভবিষ্যতে প্রবাসী প্রতিভাবান ফুটবলারদের জাতীয় দলে নিয়ে আসার পরিধি আরও বাড়াতে চায় ফেডারেশন। এর অংশ হিসেবে ইংল্যান্ডে ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের জন্য বছরে দুটি ক্যাম্প ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতেও বাংলাদেশিদের খোঁজে এ ধরনের ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রম চালানোর কথা নিশ্চিত করেছেন বাফুফে সভাপতি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৪ কোটি টাকার মেডিকেল স্কুলে নেশাখোরদের আস্তানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


৩৪ কোটি টাকার মেডিকেল স্কুলে নেশাখোরদের আস্তানা

নবনির্মিত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) অবস্থান টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কাইতকাই মৌজায়। চার বছর আগে ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু, প্রতিষ্ঠানটি এখনও চালু হয়নি। কবে চালু হবে, সে বিষয়ে কেউ কিছু জানাতে পারছেন না। ফলে, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানটি চার বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এই পরিত্যক্ত অবস্থার কারণে নেশাখোররা ধীরে ধীরে এখানে আস্তানা গড়ে তুলতে শুরু করেছে। ম্যাটসের একাডেমিক ভবনসহ অন্যান্য অবকাঠামো বছরের পর বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর গত পাঁচ বছরে সারা দেশে ১২টি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) নির্মাণ করেছে। এর মধ্যে একটি হলো টাঙ্গাইলের মধুপুর ম্যাটস। পৌরশহরের টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে কাইতকাই এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানে ব্যয় হয়েছে ৩৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে শেষ হয়। এখানে ছয়টি পৃথক ভবন রয়েছে, যার মধ্যে একাডেমিক ভবন, অধ্যক্ষের বাসস্থান, ছাত্র হোস্টেল, ছাত্রী হোস্টেল, শিক্ষক কোয়ার্টার এবং চতুর্থ শ্রেণির কোয়ার্টার অন্তর্ভুক্ত। এগুলো চার, পাঁচ ও ছয়তলাবিশিষ্ট।

স্বাস্থ্যশিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ঢাকার মোহাম্মদপুরের নূরানী কনস্ট্রাকশন প্রায় পাঁচ বছর আগে অবকাঠামোগত নির্মাণকাজ শেষ করে। তবে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরে হস্তান্তরে সময় লাগে দুই বছর।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মধুপুরের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলটি চালু করার জন্য সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। কারণ এখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সরকারি কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই।

টাঙ্গাইলে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে চারটি ম্যাটস রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে সরকারিভাবে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় আরেকটি সরকারি ম্যাটস টাঙ্গাইলে স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা নেই বলে মনে হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%