শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৮ পি.এম
আয়োজন শুরু হওয়ার আগেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে! এশিয়ান গেমসে একের পর এক অব্যবস্থাপনার কারণে সমস্যায় পড়েছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো। ভারতের পুরুষ ক্রিকেট দলও সেই তালিকায় নতুন সংযোজন। রবিবার ভোরে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে জাপানের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা ছিল ক্রিকেটারদের, কিন্তু যাত্রার ঠিক পূর্বমুহূর্তে সঠিক মাপের কিট হাতে পাননি দলের বেশ কয়েকজন সদস্য।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের কিটের সাইজ নিয়ে এই বিড়ম্বনার কারণে তড়িঘড়ি ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (আইওএ) কিট প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিসিসিআই।
জাপান সফরে ঈশান কিষাণদের দুটি আলাদা পোশাক দেখা যাবে। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর স্বাগতিক জাপানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিজেদের পরিচিত জাতীয় জার্সিতে মাঠে নামবেন তারা। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে এশিয়ান গেমসে শ্রেয়স আইয়ারদের মূল মিশন, যেখানে গেমসের অফিসিয়াল কিট পরিধান করেই ভারতীয় দলকে মাঠে নামতে হবে।
সমস্যার কথা স্বীকার করে আইওএ-র এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘ক্রিকেটারদের কিটের মাপে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে সিংহভাগ সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। বাকি যেগুলো রয়েছে, সেগুলোও খুব দ্রুত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। খেলোয়াড়দের দুটি ভিন্ন সেট জার্সি লাগায় এমনটা ঘটেছে।’
অবশ্য অনিয়মের অভিযোগ কিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্বাগতিক নাগোয়ায় অ্যাথলেটদের থাকার সুব্যবস্থা করতে না পারায় আয়োজকদের বিরুদ্ধে আগেই ক্ষোভ জমেছিল। আইওএ-র পক্ষ থেকে অ্যাথলেটদের জন্য যে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা ক্রিকেটারদের জন্য মানানসই নয় বলে মনে করছে ভারতীয় বোর্ড। এই কারণেই মহিলা দল আইওএ-র নির্ধারিত হোটেলেই উঠলেও, পুরুষ ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা করে পাঁচতারকা হোটেলের বন্দোবস্ত করেছে বিসিসিআই নিজেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজায় গুরুত্বপূর্ণ কেপিআই স্থাপনার বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন একটি রেস্টুরেন্টে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য টোলপ্লাজার সংযোগ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় অন্তত ২২টি বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করে ‘ইলিশ পোলাও’ নামের ওই রেস্টুরেন্টে বিদ্যুৎ পৌঁছানো হয়েছে। আর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় ও জেলা পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি সূত্র জানায়, পদ্মা সেতু ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য রয়েছে দুটি সাবস্টেশন ও মোট ৮টি ফিডার। এসব ফিডারের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বাজার ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার ১ কিলোমিটার দূরে নাওডোবা ইউনিয়নের তস্তারকান্দি গ্রামে অবস্থিত ‘ইলিশ পোলাও’ রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টটিতে এর আগে স্থানীয় একটি ফিডারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়ে আসছিলো। পাঁচ মাস আগে রেস্টুরেন্টটিতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে টোলপ্লাজার বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে লাইন নেওয়া হয়েছে। এ সংযোগ দিতে ব্যবহার করা হয়েছে অন্তত ২২টি বৈদ্যুতিক খুঁটি। স্থানীয়দের আশঙ্কা, একই বিদ্যুৎ সংযোগের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকলে বৈদ্যুতিক ত্রুটি বা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে এর প্রভাব টোলপ্লাজার বিদ্যুৎ সরবরাহে পড়তে পারে। তারা বিষয়টি দ্রুত যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ইমরান আল নাজির নামের এক ব্যক্তি বলেন, পদ্মা সেতু একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। কেপিআই জোন হওয়ায় এটিতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। সেখান থেকে বেশকিছু খুঁটি বসিয়ে একটি নতুন রেস্টুরেন্টে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছে। যদি সেখানে কোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে পদ্মা সেতুতে ইফেক্ট পড়বে এবং এটি সাফার করবে। আমাদের প্রশ্ন এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে কীভাবে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলো।
আশরাফ নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, আমাদের এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ এক সময় সেনাবাহিনীর সার্ভিস এরিয়ার ফিডার থেকে দেয়া হয়েছিলো। যেখানে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেতাম। তবে পরবর্তীতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা হওয়ার আমাদের লাইনটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সাধারণ একটি লাইন থেকে সংযোগ দিয়েছে। এবার শুনলাম পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকে ইলিশ পোলাও রেস্টুরেন্টে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। তাহলে আমাদের প্রশ্ন এটা কীভাবে দেয়া হলো। যদি ইলিশ পোলাও রেস্টুরেন্টে কোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে তো এই দক্ষিণ বঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটিতেও সমস্যা দেখা দিবে।
এ ব্যাপারে রেস্টুরেন্ট মালিক ইকবাল হোসেন বলেন, আগে অন্য একটি ফিডার থেকে আমাদের রেস্টুরেন্টে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় লোড না থাকায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নিয়ম মেনে আবেদন করা হলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সংযোগ আমাদের এখানে সংযোগ দিয়েছে। এজন্য আমি সব ধরনের খরচ আমি নিজে বহন করেছি। আমি যদি সঠিক না হতাম তাহলে পল্লি বিদ্যুৎ আমাকে সংযোগ দিতো না।
শুধু বিদ্যুৎ সংযোগ নয়, এই সংযোগের জন্য স্থাপন করা বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলোর জায়গা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে, খুঁটিগুলো বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী (পদ্মা সেতু) আবু সাদ নিলয় বলেন, আমাদের জায়গা ব্যবহারের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এককালীন ভাড়া পরিশোধের শর্তে অনুমতি চেয়েছিল। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী তাদের জায়গা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (কারিগরি) নাজমুল হাসান বলেন, গ্রাহকের অর্থায়নে লাইনটি নির্মাণ করা হয়েছে। পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার ফিডারে পর্যাপ্ত লোড থাকায় ওই ফিডার থেকে রেস্টুরেন্টটিতে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। যদি এর আশেপাশে অন্য কেউ বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে চায় তাহলে টেকনিক্যাল বিষয় বিবেচনা করে দেয়ার সুযোগ থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে আমরা সংযোগ দিবো। আমরাও চাই পদ্মা সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকুক। জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সংযোগ থেকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া থেকে সাধারণত পরিহার করা হয় বলেও জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের লালচাপুর গ্রামে বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে একটি মেছোবাঘ আটক করেছেন স্থানীয়রা। গতকাল সন্ধ্যায় প্রাণীটিকে দেখতে পাওয়ার পর আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সেটি আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় লালচাপুর গ্রামের বাসিন্দা রবি মিয়া, কামরুল মিয়া, মোশারফ হোসেন তালুকদার, জাহাঙ্গীর ও জান্নাতুল—এই পাঁচজন মোশারফ হোসেন তালুকদারের বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে একটি বন্যপ্রাণী বের হতে দেখেন।
পরে আজ শনিবার সকাল থেকে স্থানীয়রা প্রাণীটিকে আটকের চেষ্টা করেন। সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তারা সেটিকে আটক করতে সক্ষম হন।
আটকের পর মেছোবাঘটি মোশারফ হোসেন তালুকদারের বাড়িতে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, বন বিভাগের কর্মকর্তারা এলে তাদের কাছে মেছোবাঘটি হস্তান্তর করা হবে। প্রাণীটিকে নিরাপদে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়দের মধ্যে মেছোবাঘটি দেখতে কৌতূহল দেখা দিলেও, বন্যপ্রাণীটির নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বারাহিচর গ্রামে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে তাদের নিজ বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
মৃতদের মধ্যে আছেন— আকরাম হোসেন (৪০), তার স্ত্রী প্রিয়াংকা (২৪) এবং তাদের দেড় বছরের মেয়ে আলিজা। আকরাম হোসেন বারাহিচর গ্রামের মৃত নুরল হকের ছেলে।
আরো পড়ুন
নতুন পে স্কেলের কোন গ্রেডে বেতন কত বাড়ল
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরব থেকে প্রবাসী আকরাম হোসেন তিন মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন। তার মা, ভাই এবং ভাবি একই বাড়িতে বসবাস করতেন। শনিবার অনেক সময় হয়ে গেলেও আকরাম হোসেন এবং তার স্ত্রী ঘরের দরজা খুলেননি। এক পর্যায়ে আকরামের মা দরজার ফাঁক দিয়ে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তিনজনের লাশ দেখতে পান। আকরামকে ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রিয়াংকার মুখে রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শিশুর শরীরে আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনির হোসেন লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘তদন্ত শেষে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, বিগত সরকারের সময় দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের সময়ে পরীক্ষার খাতায় প্রশ্নপত্র তুলে দিলেই শিক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়া হতো।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে কেরাণীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ চত্বরে এসএসসি কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপি ও ঢাকা-৩ আসনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রিজভী বলেন, বিগত সরকারের এমন নির্দেশনা ও নীতির কারণে শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক অবক্ষয় সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘদিনের এমন কর্মকাণ্ডের কারণে দেশে মেধাবী শিক্ষার্থীর সংকট তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা। তাই শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত ১৭ বছরে শিক্ষার মানদণ্ডকে একেবারেই শেষ করে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলে খেলা করা হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে বিশেষ প্রাধান্য দিয়েছে।
নারীর ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বিএনপি সরকার নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য সব সময় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। নারীদের উচ্চশিক্ষায় সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
বক্তব্য শেষে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের আগে প্রধান অতিথি বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গণে একটি ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেরাণীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেরাণীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট সুলতান নাসের, বিএনপি নেতা বদিউজ্জামান বাবুল, আহসান উল্লাহ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সেলিম চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন বাবুল, ওমর শাহনেওয়াজ, ঈমান উল্লাহ মাস্তান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ