০৫:৪১ পি.এম
জামালপুরে পৃথক দুটি মামলায়, এক ব্যক্তিকে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে এবং আরেক ব্যক্তিকে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরের সময় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ দুটি রায় ঘোষণা করেছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক এ বিষয়ে জানান, ২০০৮ সালের ২৬ মে রাতে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী নাইফুল বেগমকে মারধর করা হয়, যা গুরুতর আহত করে তার স্বামী আলাল সেককে। পরে তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এ ঘটনার পর নিহতের বাবা আব্দুল খালেক আদালতে মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন
মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আলাল সেককে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। আসামি পলাতক থাকায়, তার অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে, ২০১৫ সালের ৭ জুন গভীর রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘারচর গ্রামে, দশম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীর শয়নকক্ষে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী রাজীব হোসেন। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা সেখানে ছুটে এলে রাজীবকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। তবে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তিনি পালিয়ে যান।
পরে ভুক্তভোগী দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামি রাজীব হোসেনের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করে। আদালতের রায়ে রাজীব হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও কারাভোগ করতে হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন