মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৯ পি.এম
ইসরাইলের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রকাশিত জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তুলনায় সাবেক সেনাপ্রধান গাডি আইজেনকট আরও এগিয়ে রয়েছেন।
সরকারপ্রধান হিসেবে কে বেশি উপযুক্ত—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরাইলের জনগণ আইজেনকটের দিকে ঝুঁকেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত জরিপের ফলাফল এই চিত্র তুলে ধরেছে।
‘চ্যানেল ১২’-এর জরিপ অনুযায়ী, ৪৫ শতাংশ উত্তরদাতা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকটকে অধিক উপযুক্ত মনে করেন, যেখানে নেতানিয়াহুর পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৩ শতাংশ। ফলে আগের জরিপের ১০ শতাংশ ব্যবধান বেড়ে ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
ইসরাইলে আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে এই ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। জরিপ অনুযায়ী, আইজেনকটের ‘য়াশার’ পার্টি ১২০ আসনবিশিষ্ট নেসেটে (ইসরাইলি পার্লামেন্ট) বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
জরিপ অনুযায়ী, ‘য়াশার’ পার্টি ২৪টি আসন পেতে পারে, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ‘লিকুদ’ পার্টি ২১টি আসন পেতে পারে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের ‘টুগেদার’ পার্টি ১৪টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ইয়ার গোলানের ‘ডেমোক্র্যাটস’ এবং আরব-নেতৃত্বাধীন ‘জয়েন্ট লিস্ট’ ৯টি করে আসন পেতে পারে। আভিগডোর লিবারম্যানের ‘ইসরাইল বেইতেইনু’ পার্টি, কট্টর ডানপন্থি ‘শাস’ পার্টি এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের ‘জুইশ পাওয়ার’ পার্টি আটটি করে আসন পেতে পারে।
জরিপ অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর বিরোধী ইহুদি-নেতৃত্বাধীন দলগুলো ৫৫টি আসন পেতে পারে (যা আগের জরিপের চেয়ে দুটি বেশি), যেখানে নেতানিয়াহুর বর্তমান ক্ষমতাসীন জোট ৫১টি আসন পেতে পারে।
এছাড়া, দুটি আরব দল আরও ১৪টি আসন পেতে পারে। ফলে নেতানিয়াহুর জোটের বাইরে থাকা দলগুলোর মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৯; যদিও ভবিষ্যতে গঠিত হতে যাওয়া কোনো সরকারে তাদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপযুক্ততা নিয়ে করা অন্য একটি প্রশ্নে নাফতালি বেনেট নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। বেনেটের পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৯ শতাংশ মানুষ, আর নেতানিয়াহুর পক্ষে ৩৪ শতাংশ। এছাড়া ২২ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, তাদের কেউই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য নন।
জরিপে নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্যে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানানোর প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন রাখা হয়েছিল।
প্রায় ৬৪ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের এই সমর্থন তাদের ভোট প্রদানের সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব ফেলবে না। অন্যদিকে ১৭ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ট্রাম্পের সমর্থনের কারণে ‘লিকুদ’ পার্টিকে সমর্থন করার সম্ভাবনা তাদের ক্ষেত্রে কমে গেছে। মাত্র ১২ শতাংশ বলেছেন, এই সমর্থন নেতানিয়াহুর দলের প্রতি তাদের সমর্থনকে আরও জোরদার করেছে। সূত্র: আনাদোলু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের জন্য দেশের তিনটি বিভাগ সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সকালে সৈয়দপুরে পৌঁছানোর পর সড়কপথে তিনি রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সেখানে ধর্মসভা ও রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাজশাহীর দিকে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজশাহীর কর্মসূচির পর চট্টগ্রামেও পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি বাসযোগে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
যাত্রাপথে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনে বাস থেকে নেমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি তাঁদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং খেলাধুলার সামগ্রী উপহার দেন। পরে রংপুরের পথে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও বাস থেকে হাত নেড়ে তাঁদের অভিবাদনের জবাব দেন।
রংপুরে পৌঁছে ধর্মসভা ও রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরে বিমানে রাজশাহীর উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী, রাজশাহীতে পৌঁছে ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তারেক রহমান। এরপর সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান শেষে বিকেল ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি।
রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে নগরীর রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান শেষে রাতে বিমানে ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
এক দিনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারির ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ঢাকার বাইরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই পূজামণ্ডপ পরিদর্শন কর্মসূচি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময় এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন। এই সফরের সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে তিন থেকে চারটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হতে পারে।
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
পররাষ্ট্রসচিব জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা জাপানের উদ্দেশে রওনা দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও সফরে তার সঙ্গে থাকবেন।
তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে কৃষি, মৎস্য সম্পদ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান পরিবহন, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার আধুনিকীকরণ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
পররাষ্ট্রসচিব আরও জানান, আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ নৈশভোজে অংশগ্রহণ করবেন।
আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরের পর দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি অনেক বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং বাংলাদেশে জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি অক্টোবর মাসের বেতন প্রদানের সঙ্গে নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় সরকারি চাকরিজীবীদের বর্ধিত মূল বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে নতুন কাঠামো কার্যকর হলে, আপাতত বিভিন্ন ধরনের ভাতা আগের নিয়মেই বহাল থাকবে।
অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে সোমবার (১৯ অক্টোবর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর, সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ভাতা প্রদানের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৬ সালের নতুন বেতন ও ভাতাদি আদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত মূল বেতন পুরোপুরি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত প্রচলিত মূল বেতনের ভিত্তিতে আগের হারে ভাতা প্রদান করা হবে। এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন বেতন ও ভাতাদি আদেশের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে সরকার। সে সময় নতুন কাঠামোর আওতায় ভাতা কার্যকরের বিষয়টি পরবর্তী সময়ে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল।
নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোয় সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ মূল বেতন হবে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। গত ১ জুলাই থেকে নতুন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হলেও বেতন ও ভাতার পুরো সুবিধা একসঙ্গে চালু করছে না সরকার। বরং কয়েকটি ধাপে এর বাস্তবায়ন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এবং তৃতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন কাঠামোর মূল বেতন কার্যকর করা হবে। অন্যদিকে, সংশোধিত কাঠামো অনুযায়ী ভাতা কার্যকর হওয়ার নির্ধারিত সময় ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি।
এদিকে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। এ লক্ষ্যে গত ৫ অক্টোবর থেকে সরকারি আইবাস++ ব্যবস্থার ‘পে ফিক্সেশন’ অপশনে প্রয়োজনীয় তথ্য দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এই কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের বেতন পরিশোধের সময় সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতনে বাড়তি অর্থ যুক্ত হতে পারে। এ জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় ভাতা চালু না হওয়া পর্যন্ত কর্মচারীরা আগের নিয়মেই ভাতা পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে জনতার ব্যাপক সমাগম ঘটেছে। জনসভা শুরু হওয়ার পূর্বেই মাঠটি সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীকে একবারের জন্য দেখার এবং তার বক্তব্য শোনার জন্য সকাল থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মাঠে জড়ো হতে শুরু করেন।
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে জনসভাস্থলে মানুষের উপস্থিতি ক্রমশ বাড়তে থাকে। মাঠের ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেককে আশপাশের সড়ক ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নিতে দেখা যায়। নেতাকর্মীদের স্লোগান, মিছিল এবং মানুষের সরব উপস্থিতির কারণে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও জনসভাকে ঘিরে নগরজুড়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন, যেখানে তিনি রাজশাহীর উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন এবং নাগরিক সমস্যার সমাধানে কী বার্তা দেন, সেটি দেখার জন্য।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ