ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি ঋণের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি


বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি ঋণের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি

বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশি ঋণের অর্থ ব্যবহারের এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) তার বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেশের সকল অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদেশি ঋণের বিপরীতে অনুমোদিত ফরেন কারেন্সি (এফসি) অ্যাকাউন্ট খোলার এবং পরিচালনার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—

সুবিধা ও মুনাফা : এই অনুমোদনের আওতায় খোলা এফসি অ্যাকাউন্টে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের শর্ত অনুযায়ী সুদ বা মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে প্রবাসী স্ত্রীর বাড়িকে ‘কবরস্থান ঘোষণা’ করার অভিযোগ

প্রতিবেদন দাখিল : অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত ‘ফর্ম এলইউ’ অনুযায়ী ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে (ডিসেম্বর, মার্চ, জুন ও সেপ্টেম্বর শেষে) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগে বিদেশি ঋণ ব্যবহারের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

অ্যাকাউন্ট বন্ধ ও রক্ষণাবেক্ষণ : ঋণের অর্থ উত্তোলন ও ব্যবহার সম্পন্ন হওয়ার পর এডি ব্যাংকগুলোকে এফসি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে এফইআইডি-কে তা জানাতে হবে।

তবে, ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের জন্য তহবিল সংরক্ষণের প্রয়োজন হলে, ঋণটি পূর্ণাঙ্গ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট সচল রাখা যাবে। এই ক্ষেত্রে আমদানির অর্থ বাদ দিয়ে রপ্তানি আয় এবং বৈধ উৎস থেকে টাকায় রূপান্তরিত তহবিল এই অ্যাকাউন্টে জমা করা যাবে। তবে পরবর্তী তিনটি কিস্তি পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণের বেশি তহবিল অ্যাকাউন্টে রাখা যাবে না।

প্রযোজ্যতা : বাংলাদেশ ব্যাংকের আইবিএ এবং এসসিএনসিএল কর্তৃক যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের অনুমোদিত বিদেশি ঋণের বিপরীতে এফসি অ্যাকাউন্ট খোলা এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে এই সার্কুলারের বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে দামী ফ্ল্যাটে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

তহবিলের সঠিক ব্যবহার : বিদেশি ঋণের অর্থ কেবল যে উদ্দেশ্যে ঋণ অনুমোদিত হয়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও ঋণ চুক্তির নিয়মকানুন মেনেই ব্যবহার করা হচ্ছে—তা নিশ্চিত করতে হবে এডি ব্যাংকগুলোকে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সকল গ্রাহক ও ব্যাংকের এডি শাখাগুলোকে অবিলম্বে এই নির্দেশনা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানববর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে গবেষকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


মানববর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে গবেষকরা

মানববর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল, কয়লা ও তরল সার উৎপাদনের সম্ভাবনা খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) গবেষকরা তৈরি করেছেন। তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মাধ্যমে এক টন মানববর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লিটার জ্বালানি তেল ও ৪৫ থেকে ৫০ কেজি কয়লা উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। একই প্রক্রিয়ায় বর্জ্য থেকে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও জৈব উপাদান পুনরুদ্ধার করে প্রয়োজনীয় পরিশোধনের মাধ্যমে তরল সার উৎপাদন করা সম্ভব বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা।

গবেষক দলের দাবি, এই প্রযুক্তিতে বর্জ্যের কোনো অংশই ফেলনা থাকে না। ফলে মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি ও কৃষি উপকরণ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তাঁরা গবেষণাটিকে ‘শূন্য বর্জ্য প্রযুক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

কুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামানের নেতৃত্বে গবেষণাটি ২০১৬ সালের মার্চ থেকে ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রথমে একাডেমিক গবেষণা হিসেবে কাজটি চললেও পরে তা আরো কাঠামোবদ্ধ হয়ে ‘স্লাজ টু অয়েল’ প্রকল্পে রূপ নেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটি শুরু হয় ২০২২ সালের এপ্রিলে।

‘স্লাজ টু অয়েল’ প্রকল্পের গবেষণা পর্যায়ে প্রধান সরকারি অর্থায়নকারী ছিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিল। প্রকল্পটির বাজেট ছিল প্রায় ২ কোটি ৭ লাখ টাকা।

এছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটিএন এবং বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ‘স্লাজ টু অ্যাসফাল্ট’ ও ‘মাল্টি-স্টেজ কো-এইচটিএল’ নামে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এসব প্রকল্পের মোট বাজেট ছিল প্রায় ৪৩ লাখ টাকা।

বর্তমানে গবেষণাটি ‘বাংলাদেশ বায়োরিফাইনারি ও বায়োক্রুড উদ্ভাবন কেন্দ্র’ নামে আরো বিস্তৃত পর্যায়ে পরিচালিত হচ্ছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিতকরণ প্রকল্পের ১৩৭৩৩ নম্বর উপ-প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিতকরণ কর্মসূচিটি বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।

বর্তমান প্রকল্পের বাজেট প্রায় ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা এবং এর মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। গবেষকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিলের সঙ্গে প্রায় ৫ কোটি টাকার আরো একটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে গবেষণাগার উন্নয়নের জন্য।

এক টন বর্জ্যে কত তেল

গবেষকদের তৈরি প্রযুক্তির মাধ্যমে মানববর্জ্যকে উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপে প্রক্রিয়াজাত করে জৈব অপরিশোধিত তেলে রূপান্তর করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় বর্জ্য শুকানোর প্রয়োজন হয় না, ফলে ভেজা মানববর্জ্য সরাসরি প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব।

গবেষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতি এক টন মানববর্জ্য থেকে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া সম্ভব। একই পরিমাণ বর্জ্য থেকে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ কেজি কয়লাও উৎপাদন করা যায়।

তবে প্রক্রিয়াটি শুধু তেল ও কয়লা উৎপাদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তেল ও কঠিন অংশ আলাদা করার পর যে জলীয় অংশ পাওয়া যায়, সেখান থেকে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও বিভিন্ন জৈব উপাদান পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। প্রয়োজনীয় পরিশোধনের পর এসব উপাদান ব্যবহার করে তরল সার উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।

অর্থাৎ এক টন মানববর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করার পর একদিকে জ্বালানি তেল, অন্যদিকে কয়লা এবং জলীয় অংশ থেকে তরল সার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গবেষকদের ভাষায়, পুরো প্রক্রিয়াটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে বর্জ্য হিসেবে আবার নতুন কোনো বড় অংশ ফেলে রাখতে না হয়।

১০০ টাকার নিচে হতে পারে প্রতি লিটার তেলের খরচ।

গবেষকদের প্রাথমিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণেও আশার কথা উঠে এসেছে। বর্তমান পরীক্ষামূলক পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, বাণিজ্যিক পর্যায়ে উৎপাদন বাড়ানো গেলে প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের উৎপাদন খরচ ১০০ টাকার নিচে রাখা সম্ভব হতে পারে বলে ধারণা করছেন তাঁরা।

তবে এটি এখনো চূড়ান্ত বাণিজ্যিক উৎপাদন খরচ নয়। বড় পরিসরে উৎপাদন, কাঁচামাল সংগ্রহ, পরিবহন, বিদ্যুৎ ও তাপের চাহিদা, যন্ত্রপাতির ব্যয় এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষামূলক কারখানায় দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনের পর প্রকৃত ব্যয় নির্ধারণ করা হবে।

গবেষকদের মতে, দেশের উপযোগী বর্জ্যের প্রায় ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ এই প্রযুক্তির আওতায় আনা গেলে জাতীয় জ্বালানি চাহিদার আনুমানিক ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত পূরণে অবদান রাখা সম্ভব হতে পারে। এতে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি বছরে প্রায় ৬ হাজার ৫০০ কোটি থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এই হিসাব নির্ভর করবে দেশে কী পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা সম্ভব, তার কতটা প্রযুক্তির আওতায় আনা যায় এবং বাণিজ্যিক পর্যায়ে উৎপাদন কতটা দক্ষতার সঙ্গে করা যায় তার ওপর।

পরীক্ষাগার থেকে বড় প্লান্টের পথে

গবেষণার পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে প্রতিদিন ১ থেকে ৩ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম একটি ধারাবাহিক পরীক্ষামূলক কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। গবেষকদের বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, এ ধরনের একটি বাণিজ্যিক মানের কারখানা স্থাপনে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন হতে পারে।

এই কারখানা স্থাপন করা গেলে টানা ১২ থেকে ১৮ মাস প্রযুক্তিটি পরিচালনা করে এর কার্যকারিতা যাচাই করা হবে। একই সঙ্গে উৎপাদন খরচ, জ্বালানি দক্ষতা, নিরাপত্তা, যন্ত্রপাতির স্থায়িত্ব এবং নিয়মিত উৎপাদনের সক্ষমতাও পরীক্ষা করা হবে।

গবেষকদের পরিকল্পনায় সৌর তাপ ব্যবহার করে প্রক্রিয়াজাতকরণের আগে বর্জ্য উত্তপ্ত করার ব্যবস্থাও যুক্ত করার কথা রয়েছে। এতে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় তাপের একটি অংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ফলে সামগ্রিক উৎপাদন ব্যয় ও জ্বালানি চাহিদা আরও কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদে পরীক্ষামূলক কারখানার ফলাফলের ভিত্তিতে বড় আকারের বাণিজ্যিক কারখানার নকশা ও বিনিয়োগ পরিকল্পনা তৈরি করা হবে। সফল হলে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের কারখানা স্থাপনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বর্জ্য থেকে সম্পদ

বাংলাদেশে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য এবং কৃষিজ অবশিষ্টাংশ তৈরি হয়। এসব বর্জ্যের বড় অংশ যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা না গেলে তা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে।

গবেষকদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিতে সেই বর্জ্যকেই কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মানববর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল ও কয়লা উৎপাদনের পাশাপাশি এর জলীয় অংশ থেকে কৃষিতে ব্যবহারের উপযোগী তরল সার তৈরির সুযোগ থাকায় একই বর্জ্য থেকে একাধিক পণ্য পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

গবেষকদের মতে, প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিক পর্যায়ে সফল হলে একদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চাপ কমবে, অন্যদিকে স্থানীয়ভাবে জ্বালানি উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান, দেশীয় যন্ত্রপাতি ও প্রকৌশল শিল্পের বিকাশ এবং বর্জ্যভিত্তিক নতুন শিল্পখাত তৈরির সম্ভাবনাও রয়েছে।

তবে গবেষকরা বলছেন, পরীক্ষাগার ও পরীক্ষামূলক পর্যায়ের সাফল্যকে বাণিজ্যিক পর্যায়ে নেওয়ার জন্য আরও দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা প্রয়োজন। বিশেষ করে বড় পরিসরে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন, প্রকৃত উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানির মান, নিরাপত্তা এবং কাঁচামাল সংগ্রহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

কুয়েটের গবেষকদের উদ্ভাবিত ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন (এইচটিএল) প্রযুক্তি মানববর্জ্যকে জ্বালানি ও কৃষি উপকরণের সম্ভাবনাময় দেশীয় উৎসে রূপান্তরের পথ দেখাচ্ছে। দেশীয় মেধা ও প্রকৌশল দক্ষতায় বিকশিত এ প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে সফল হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় শিল্পের বিকাশে অবদান রাখতে পারে। এখন প্রয়োজন ধারাবাহিক পরীক্ষামূলক কারখানায় উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানির মান ও নিরাপত্তা যাচাই করে প্রযুক্তিটিকে বৃহৎ পরিসরে এগিয়ে নেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রজনীকান্তের ‘জেলার ২’ সিনেমা থেকে বাদ ১০০ মিনিটের দৃশ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


রজনীকান্তের ‘জেলার ২’ সিনেমা থেকে বাদ ১০০ মিনিটের দৃশ্য

রজনীকান্তের জনপ্রিয় চরিত্র ‘টাইগার’ মুথুভেল পান্ডিয়ান আবারও পর্দায় ফিরছেন। বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জেলার ২’ ইতোমধ্যে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র লাভ করেছে। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জেলার’-এর সাফল্যের পর, দর্শকদের মধ্যে দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে চরম আগ্রহ দেখা দিয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মুক্তির দিন নির্ধারিত হয়েছে।

এদিকে, সিনেমাটির দৈর্ঘ্য নিয়ে সামনে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। জানা গেছে, বর্তমানে ‘জেলার ২’-এর দৈর্ঘ্য ২ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট বা ১৬৫ মিনিট। তবে, সিনেমাটির প্রাথমিক দৈর্ঘ্য ছিল আরও বেশি।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক মুভিজ সিঙ্গাপুরের একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পিঙ্কভিলা জানাচ্ছে, ‘জেলার ২’-এর প্রাথমিক দৈর্ঘ্য ছিল ৪ ঘণ্টা ২৫ মিনিট, অর্থাৎ ২৬৫ মিনিট। পরে সিনেমাটির থেকে ১০০ মিনিটেরও বেশি দৃশ্য বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ফলে, বর্তমানে সিনেমাটির দৈর্ঘ্য দাঁড়িয়েছে ১৬৫ মিনিটে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল গল্প থেকে বিচ্যুতি এড়াতে সিনেমাটির দৈর্ঘ্য কমানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, কোন কোন দৃশ্য বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

‘জেলার ২’-এ অবসরপ্রাপ্ত কারারক্ষী ‘টাইগার’ মুথুভেল পান্ডিয়ান চরিত্রে আবারও রজনীকান্তকে দেখা যাবে। প্রথম সিনেমার ঘটনার পর, তিনি অতীতের সহিংস জীবন থেকে দূরে সরে শান্তিতে থাকার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু একটি বিপজ্জনক সাম্রাজ্য তার পরিবার ও উত্তরাধিকারের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ালে, ‘টাইগার’ আবারও পুরোনো জীবনে ফিরতে বাধ্য হন।

সিনেমাটিতে রজনীকান্তের সঙ্গে প্রথম কিস্তির রাম্যা কৃষ্ণন, যোগী বাবু, জ্যাকি শ্রফ ও মির্নাকেও দেখা যাবে। নতুন করে এস জে সূর্য, সুরজ, বিদ্যা বালান ও মিঠুন চক্রবর্তীর মতো তারকারা যুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া মোহনলাল, শিব রাজকুমার, বিজয় সেতুপতি ও হৃতিক রোশনকে সিনেমাটিতে ক্যামিও চরিত্রে দেখা যেতে পারে বলেও জানা গেছে।

মুক্তির আগে ‘জেলার ২’-এর প্রি-রিলিজ অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সান নেক্সটে অনুষ্ঠিতব্য সেই অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তৃণমূলের আস্থা-বিশ্বাসের আরেক নাম মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


তৃণমূলের আস্থা-বিশ্বাসের আরেক নাম মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক

মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক
১ম যুগ্ম আহ্বায়ক, দিরাই উপজেলা বিএনপি
দিরাই উপজেলা বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুককে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের কথা উঠে আসছে।
দলীয় কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ সময় নেতাকর্মীদের পাশে থাকার প্রসঙ্গে মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক বলেন—
“১৭ বছর নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম বলেই কর্মীরা আমাকে ভালোবাসেন। আমিও তাদের ভালোবাসি এবং সবসময় তাদের সেবা করতে চাই। নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই আমার লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই একটি রাজনৈতিক দলের মূল শক্তি। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে তিনি কাজ করে যেতে চান।
দিরাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগের বিষয়টিও তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। ২০২৫ সালে দিরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের সময় তাঁর স্বাক্ষরের বিষয়টি সংবাদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি: এ দেশের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি: এ দেশের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ শিশু অধিকার সুরক্ষা, বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম প্রতিরোধ এবং শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিশুদের জন্য শুধুমাত্র নীতি ও প্রকল্প গ্রহণ করলেই হবে না, বরং এসব উদ্যোগকে সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

ড. আমানুল্লাহ বলেন, "ডাটা বলছে, এ দেশের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত।" তিনি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ‘চাইল্ড ম্যারিজ চ্যাম্পিয়ন’ তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, যারা বাল্যবিবাহ ঠেকাতে ভূমিকা রেখেছে, তাদের কাজকে সমাজে মডেল হিসেবে তুলে ধরতে হবে। কারণ দেশে বাল্যবিবাহের পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বুধবার বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মিলনায়তনে ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জন, অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে সম্মানিত আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’ স্লোগান সামনে রেখে শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান।

দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক ঝুঁকির চিত্র তুলে ধরে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার এখনো উদ্বেগজনক। দেশের ২৪ শতাংশ শিশু ভয়ানক অপুষ্টির শিকার। বস্তি ও উপকূলীয় এলাকার শিশুদের মধ্যে এই হার ৩৬ থেকে ৪৫ শতাংশ। দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু সীসার দূষণে আক্রান্ত। কিছু শহরাঞ্চলে এ হার ৬০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে মৃত্যুহারও এখনো ৩৩ শতাংশ।

শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহের চিত্র তুলে ধরে এই উন্নয়ন গবেষক বলেন, জাতীয়ভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হার ৮০ শতাংশ হলেও শহুরে বস্তিতে তা কমে ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ এবং উপকূলীয় এলাকায় ৭৮ থেকে ৮২ শতাংশে নেমে এসেছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির হার প্রায় ৩৪ শতাংশ। শহুরে বস্তি ও উপকূলীয় অঞ্চলে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্নের হার ৩০ শতাংশের নিচে বা ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।

শিশুশ্রমের চিত্র তুলে ধরে ড. আমানুল্লাহ বলেন, ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী কর্মরত শিশুর সংখ্যা বেড়ে ৩৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। শিশু শ্রমের হার ৬ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ৭০ হাজার শিশু ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করছে। শহুরে বস্তিতে কর্মরত শিশুদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত হওয়ার হার ৬০ শতাংশের বেশি।

বাল্যবিবাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে ৪৭ থেকে ৫০ শতাংশ মেয়ের ১৮ বছর হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকায় এ হার ৫৮ শতাংশের বেশি। দেশের প্রতি দুটি শিশুর মধ্যে একটি বাল্যবিবাহের শিকার। এতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন অনেকটাই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শিশুদের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ৮৬ শতাংশ শিশু বাড়ি বা বিদ্যালয়ে সহিংসতার শিকার হচ্ছে।

ড. আমানুল্লাহ বলেন, শিশুদের সুরক্ষায় রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখাতে গিয়ে গত রাজনৈতিক সরকারের সময়ে এই পরিস্থিতি বেশি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নয়নে সমন্বিত ও ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ হাতে নিতে হবে। কারণ এসব সমস্যা কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্র—সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে হবে।

শিশুদের নিয়ে দেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় নেটওয়ার্ক কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করে ড. আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৫০০ অধিভুক্ত কলেজে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। এই নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে শিশু অধিকার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিশুশ্রম বন্ধ এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা তৈরিতে দেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। এ কাজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের সদস্যদেরও শিশু একাডেমির সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের প্রথিতযশা এই শিক্ষাবিদ বলেন, একটি শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য শুধু খাবার, পোশাক ও নিরাপত্তাই যথেষ্ট নয়। তার প্রয়োজন ভালোবাসা, যত্ন, সঠিক শিক্ষা, সুস্থ বিনোদন এবং নিজের কথা বলার সুযোগ। শিশুর অধিকারকে বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোও সমানভাবে জড়িত।

সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ। স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রওশন আরা বেগম। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালমা আক্তার এবং ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট অধ্যাপক ড. কামাল আহমেদ চৌধুরী। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মোছা. আরজু আরা বেগম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%