০৭:২৮ পি.এম
বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশি ঋণের অর্থ ব্যবহারের এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) তার বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেশের সকল অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদেশি ঋণের বিপরীতে অনুমোদিত ফরেন কারেন্সি (এফসি) অ্যাকাউন্ট খোলার এবং পরিচালনার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—
সুবিধা ও মুনাফা : এই অনুমোদনের আওতায় খোলা এফসি অ্যাকাউন্টে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের শর্ত অনুযায়ী সুদ বা মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।
আরও পড়ুন: জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে প্রবাসী স্ত্রীর বাড়িকে ‘কবরস্থান ঘোষণা’ করার অভিযোগ
প্রতিবেদন দাখিল : অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত ‘ফর্ম এলইউ’ অনুযায়ী ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে (ডিসেম্বর, মার্চ, জুন ও সেপ্টেম্বর শেষে) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগে বিদেশি ঋণ ব্যবহারের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
অ্যাকাউন্ট বন্ধ ও রক্ষণাবেক্ষণ : ঋণের অর্থ উত্তোলন ও ব্যবহার সম্পন্ন হওয়ার পর এডি ব্যাংকগুলোকে এফসি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে এফইআইডি-কে তা জানাতে হবে।
তবে, ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের জন্য তহবিল সংরক্ষণের প্রয়োজন হলে, ঋণটি পূর্ণাঙ্গ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট সচল রাখা যাবে। এই ক্ষেত্রে আমদানির অর্থ বাদ দিয়ে রপ্তানি আয় এবং বৈধ উৎস থেকে টাকায় রূপান্তরিত তহবিল এই অ্যাকাউন্টে জমা করা যাবে। তবে পরবর্তী তিনটি কিস্তি পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণের বেশি তহবিল অ্যাকাউন্টে রাখা যাবে না।
প্রযোজ্যতা : বাংলাদেশ ব্যাংকের আইবিএ এবং এসসিএনসিএল কর্তৃক যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের অনুমোদিত বিদেশি ঋণের বিপরীতে এফসি অ্যাকাউন্ট খোলা এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে এই সার্কুলারের বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে দামী ফ্ল্যাটে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩
তহবিলের সঠিক ব্যবহার : বিদেশি ঋণের অর্থ কেবল যে উদ্দেশ্যে ঋণ অনুমোদিত হয়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও ঋণ চুক্তির নিয়মকানুন মেনেই ব্যবহার করা হচ্ছে—তা নিশ্চিত করতে হবে এডি ব্যাংকগুলোকে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সকল গ্রাহক ও ব্যাংকের এডি শাখাগুলোকে অবিলম্বে এই নির্দেশনা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন